What do you think?


নির্বাসিত সম্রাট বাহাদুর শাহ
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
October 7, 2022
ইংরেজ সৈন্য শিবিরে হঠাৎই হিন্দু -মুসলমান সেপাইরা এক যোগে কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চাইতে শুরু করলো, তারা বন্দুকে যে টোটা ব্যবহার করে তাতে নরম যে বস্তুটা থাকে তা কিসের তৈরি।
কর্তৃপক্ষ এর লিখিত জবাব না দিয়ে জোর করে সেপাইদের সেই টোটা ব্যবহার করতে বাধ্য করলেন।
বন্দুকের টোটা নাকি গরু ও শুকরের চর্বি থেকে তৈরি। এটা যেহেতু দাঁত দিয়ে খুলে বন্দুকে ব্যবহার করতে হয় তাই সব হিন্দু ও মুসলমানদের জাত মারার জন্য ইংরেজরা এটা করেছে ইচ্ছা করেই। ব্যারাকপুর ক্যন্টনমেন্ট থেকে আস্তে ধীরে সব ক্যন্টনমেন্টে ছড়িয়ে পড়ে সেপাইদের এই চাপা বিদ্রোহ। এদের মাঝে কিছু নেতা তৈরি হয়, যারা বিদ্রোহ টাকে এগিয়ে নিয়ে চলেন। এক সময় তারা মনে করে একজন প্রকৃত অবিভাবকের প্রযোজন। সেপাইরা দুটি দলে ভাগ হয়ে একটি দল চলে যায় দিল্লি অভিমুখে। তখন নাম মাত্র সম্রাট বাহাদুর শাহ কাব্যচর্চাতে মশগুল। সেপাইরা চাইলো সম্রাট বাহাদুর শাহ কে সামনে রেখে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে। সেপাইদের এই বিদ্রোহ টা সেপাই বিদ্রোহে রুপ নেয়।
তবে নানা ষড়যন্ত্র ও দেশীয় কিছু দালাল লোকের মাধ্যমে সেপাই ও বাহাদুর শাহ কে বিচারের কাঠগড়ায় তোলেন ইংরেজরা। তারা এই বিদ্রোহের দায়টা পুরোপুরি বাহাদুর শাহ এর মাথায় চাপিয়ে দিয়েই বিচার কার্য পরিচালনা করেন।
বইটা সম্রাট বাহাদুর শাহ এর পুরো জীবনের আলোকে লেখা নয়। সিপাহি বিদ্রোহের ঠিক শুরুর ঘটনা থেকেই লেখক এই ইতিহাস আশ্রিত বইটা লিখেছেন। যেখানে সম্রাটের খুব একটা ভূমিকা নাই বললেও ভুল হবে, তবে তিনি যেহেতু ইংরেজদের হাতের পুতুল তাই তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন। তবে ইংরেজরা যখন বিদ্রোহের সময়ের ঈদকে সামনে রেখে দেশের কিছু দালালদের দিয়ে হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব সৃষ্ট করতে চেয়েছিলেন সম্রাট তা কৌশলে মিটিয়ে দেন এতে করে ইংরেজদের জেদটা বেড়ে যায়। ইতিহাসের পুঙ্খানুপুঙ্খ ঘটনার ধারাবাহিকতা না থাকলেও সিপাহি বিদ্রোহের শুরু ও সেই সময়ের ঘটনাবহুল দিনগুলো এবং সম্রাটের নির্বাসনের মাধ্যমে ইংরেজদের বিচারকর্য দেখানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ এর লিখিত জবাব না দিয়ে জোর করে সেপাইদের সেই টোটা ব্যবহার করতে বাধ্য করলেন।
বন্দুকের টোটা নাকি গরু ও শুকরের চর্বি থেকে তৈরি। এটা যেহেতু দাঁত দিয়ে খুলে বন্দুকে ব্যবহার করতে হয় তাই সব হিন্দু ও মুসলমানদের জাত মারার জন্য ইংরেজরা এটা করেছে ইচ্ছা করেই। ব্যারাকপুর ক্যন্টনমেন্ট থেকে আস্তে ধীরে সব ক্যন্টনমেন্টে ছড়িয়ে পড়ে সেপাইদের এই চাপা বিদ্রোহ। এদের মাঝে কিছু নেতা তৈরি হয়, যারা বিদ্রোহ টাকে এগিয়ে নিয়ে চলেন। এক সময় তারা মনে করে একজন প্রকৃত অবিভাবকের প্রযোজন। সেপাইরা দুটি দলে ভাগ হয়ে একটি দল চলে যায় দিল্লি অভিমুখে। তখন নাম মাত্র সম্রাট বাহাদুর শাহ কাব্যচর্চাতে মশগুল। সেপাইরা চাইলো সম্রাট বাহাদুর শাহ কে সামনে রেখে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে। সেপাইদের এই বিদ্রোহ টা সেপাই বিদ্রোহে রুপ নেয়।
তবে নানা ষড়যন্ত্র ও দেশীয় কিছু দালাল লোকের মাধ্যমে সেপাই ও বাহাদুর শাহ কে বিচারের কাঠগড়ায় তোলেন ইংরেজরা। তারা এই বিদ্রোহের দায়টা পুরোপুরি বাহাদুর শাহ এর মাথায় চাপিয়ে দিয়েই বিচার কার্য পরিচালনা করেন।
বইটা সম্রাট বাহাদুর শাহ এর পুরো জীবনের আলোকে লেখা নয়। সিপাহি বিদ্রোহের ঠিক শুরুর ঘটনা থেকেই লেখক এই ইতিহাস আশ্রিত বইটা লিখেছেন। যেখানে সম্রাটের খুব একটা ভূমিকা নাই বললেও ভুল হবে, তবে তিনি যেহেতু ইংরেজদের হাতের পুতুল তাই তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন। তবে ইংরেজরা যখন বিদ্রোহের সময়ের ঈদকে সামনে রেখে দেশের কিছু দালালদের দিয়ে হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব সৃষ্ট করতে চেয়েছিলেন সম্রাট তা কৌশলে মিটিয়ে দেন এতে করে ইংরেজদের জেদটা বেড়ে যায়। ইতিহাসের পুঙ্খানুপুঙ্খ ঘটনার ধারাবাহিকতা না থাকলেও সিপাহি বিদ্রোহের শুরু ও সেই সময়ের ঘটনাবহুল দিনগুলো এবং সম্রাটের নির্বাসনের মাধ্যমে ইংরেজদের বিচারকর্য দেখানো হয়েছে।
April 14, 2025
১৯৮২ সালের বই। লেখক মারা গেছেন ১৯৮৫ সালে। বাহাদুর শাহকে নিয়ে এর আগে কখনো পড়া হয়নি, সিপাহী বিদ্রোহকে কেন্দ্র করে বাহাদুর শাহ এর ভূমিকা নিয়েই ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাসটি লেখা। এধরনের উপন্যাস লেখা কঠিন বলেই মনে করি। পুরোপুরি ভালো লাগার সম্ভাবনাও খুব কম থাকে। শেষ পর্যন্ত কিছু হলেও বাহাদুর শাহকে নিয়ে জানতে পারলাম। তার জন্য মন খারাপও হলো অনেকটা! কতই না কষ্ট সংগ্রামে পাওয়া এই মাটি!
Displaying 1 - 2 of 2 reviews



