Jump to ratings and reviews
Rate this book

গোয়েন্দা অশোক ঠাকুর #2

গোয়েন্দা অশোক ঠাকুর সমগ্র ২

Rate this book
Goyenda Ashoke Thakur Samagra 2 by Samaresh Basu
Edited by Dr. Jhuma Roychowdhury

সমরেশ সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র অশোক ঠাকুর অন্য সমস্ত গোয়েন্দা চরিত্রদের থেকে একেবারে স্বতন্ত্র। তাকে মনে হয়, অতি পরিচিত প্রতিবেশী যুবক।
অশোকের রহস্য উদ্‌ঘাটন পদ্ধতি পাঠককে টানে বিশেষত তার স্বাধীন চলাফেরা, স্বাভাবিক জীবন যাপন এবং বন্ধুত্বের পরিমণ্ডল সৃষ্টির জন্য। গোয়েন্দা অশোকের নানা মুন্সিয়ানা পাঠককে মানব জীবনের কুয়াশা ঢাকা দিকগুলিকে নতুন করে চেনায়। যার জলন্ত দৃষ্টান্ত এই খণ্ডে গ্রন্থিত তিনটি উপন্যাস এবং পাঁচটি গল্পের রহস্যে ঘেরা শ্বাসরুদ্ধকর উদ্‌ঘাটনের মধ্যে প্রতিভাত।
অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথা সাহিত্যিক সমরেশ বসুর কলমে রচিত গোয়েন্দা অশোক ঠাকুরকে নিয়ে লেখা উপন্যাস ও গল্পের দ্বিতীয় খণ্ড।
বাংলা সাহিত্যে এত কম বয়সী গোয়েন্দা চরিত্র প্রায় নেই বলা যায়। অশোকের রহস্য উদ্‌ঘাটন পদ্ধতি পাঠককে টানে বিশেষত তার স্বাধীন চলাফেরা, স্বাভাবিক জীবন যাপন এবং বন্ধুত্বের পরিমণ্ডল সৃষ্টির জন্য। লেখক সাধারণ মানুষের সাধারণ জীবন যাপনের মধ্যে থেকেই তুলে এনেছেন রহস্যের বীজ।
এখানে স্থান পেয়েছে তিনটি উপন্যাস এবং একটি গল্পগ্রন্থ। ‘স্বর্ণচঞ্চু’ উপন্যাসে ফুটে উঠেছে ছোটখাটো শহরতলির ডাক্তার প্রদ্যোৎ রায়ের স্ত্রী অমিতা রায়ের অন্তর্ধান রহস্য। ‘একটি অস্পষ্ট স্বর’ উপন্যাসেও দেখি ছোট শহরতলির স্পুটনিক ক্লাব মেম্বারদের পিকনিকের আসর থেকে উধাও হয়ে গেছে উজ্জ্বল এবং উচ্ছল তরুণী জিনা। অশোকের দায়িত্ব নিরুদ্দিষ্ট মেয়েটিকে খুঁজে বার করা। ‘ম্যাকবেথঃ রঙ্গমঞ্চ কলকাতা’ উপন্যাসে আর সি আই এম –এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিঃ প্রবীর রায়চৌধুরির হত্যা রহস্যকে কেন্দ্র করে ঘনীভূত হয়ে উঠেছে কাহিনী। এছাড়া ‘হ্রেষাধ্বনি’ সংকলনভুক্ত গল্পগুলির পরতে পরতে জড়িয়ে আছে রহস্যের কালো মেঘ।
লেখক সৃষ্ট তরুণ এই গোয়েন্দাটির নানা মুন্সিয়ানা পাঠককে মানব জীবনের কুয়াশা ঢাকা দিকগুলিকে নতুন করে চেনায়।- বইয়ের ফ্ল্যাপ থেকে
উপন্যাস-
স্বর্ণচঞ্চু
একটি অস্পষ্ট স্বর
ম্যাকবেথঃ রঙ্গমঞ্চ কলকাতা
গল্পগ্রন্থঃ হ্রেষাধ্বনি-
জন্মদাতা
নয়া ঠগী
প্রিয়তম সে
হ্রেষাধ্বনি
উড়াইয়া ছাই

376 pages, Hardcover

First published January 1, 2010

2 people are currently reading
48 people want to read

About the author

Samaresh Basu

123 books65 followers
Samaresh Basu (Bengali: সমরেশ বসু) was born in December 22, 1924. He spent his early childhood in Bikrampur, Dhaka. He also wrote under the pen-name of Kalkut.

He would in later days recall the deep impressions that the Brata-kathas (fantastic folk-tales recited by women while performing certain religious rites) narrated by his mother left on him as a child. His adolescent years were spent in Naihati, a suburb of Kolkata, in West Bengal. His life was rich with varied experiences. At one point, he used to hawk eggs from a basket carried on his head; later, he worked for meager daily wages. From 1943 through 1949 he worked in an ordnance factory in Ichhapore. He was an active member of the trade union and the Communist Party for a period, and was jailed for during 1949-50 when the party was declared illegal. While in jail, he wrote Uttaranga,his first published novel. Soon after his release from the jail, he began to write professionally, refusing to join the factory even when offered his old job.
When he was only 21, he wrote his first novel Nayanpurer Mati, later published in Parichay. it was never published as a book. Adab was his first short story published in Parichay in 1946.
A prolific writer with more than 200 short stories and 100 novels, including those written under the aliases "Kalkut" and "Bhramar", Samaresh Basu is a major figure in Bangla fiction. His life experiences populated his writings with themes ranging from political activism to working class life to sexuality. Two of his novels had been briefly banned on charges of obscenity. The case against one of these, Prajapati (Bangla:প্রজাপতি), was settled in the Supreme Court of India which overturned, in 1985, the rulings of the two lower courts.
Among other intellectuals, Buddhadeva Bose, himself once accused of similar charges for his রাত ভ'রে বৃষ্টি, came out strongly in support of Samaresh. To quote from Sumanta Banerjee's recent translation Selected Stories (Vol.1), Samaresh Basu "remains the most representative storyteller of Bengal's suburban life, as distinct from other well-known Bengali authors who had faithfully painted the life and problems of either Bengal's rural society or the urban middle class. Basu draws on his lived experience of Calcutta's `half-rural, half-urban,' industrial suburbs."
While the pen-name "Kalkut" was adopted in 1952 for the immediate need to publish an overtly political piece, the real "Kalkut" can be said to have been born with the publication of Amritakumbher Sandhane, a hugely popular, semi-autobiographical narrative centered around the Kumbha-mela. The many subsequent books by Kalkut had depicted the lives of the common people from all over India and all walks of life (including those who live on the periphery of the "mainstream") with their varied cultures and religious practices in a unique style that was Kalkut's own. He also drew upon the recollections of the Puranas and Itihas; Shamba (Bangla:শাম্ব), an interesting modern interpretation of the Puranic tales, won the Sahitya Akademi Award in 1980.
Samaresh Basu breathed his last on March 12, 1988.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
4 (18%)
4 stars
6 (27%)
3 stars
7 (31%)
2 stars
4 (18%)
1 star
1 (4%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 38 books1,870 followers
September 22, 2020
স্যাডোম্যাসোকিস্টিক প্রবণতা প্রবল হলে কেউ গাঁজা খায়, কেউ বউকে ঠেঙিয়ে তারপর কান্নাকাটি করে...!
আমি 'গোয়েন্দা অশোক ঠাকুর' পড়ি।
আগেই বলি, এগুলো আদৌ রহস্য কাহিনি নয়।
বে-আইনি অনুবাদের মাধ্যমে জেমস হেডলি চেজ জনপ্রিয় হওয়ার ফলে ছয়ের দশকের শেষদিক থেকে এক শ্রেণির প্রকাশক ও সম্পাদক হলদে সেলোফেনে, পিন-দিয়ে আটকানো 'ক্রাইম', 'অপরাধ' ইত্যাদি পত্রিকা প্রকাশ করতে শুরু করেন। সেগুলো একসময় তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিল। রীতিমতো মোটা টাকা সাম্মানিক পাওয়া যেত বলে সেই সময়ের প্রায় সব প্রতিষ্ঠিত লেখক স্বনামে বা বেনামে তাতে লিখতেন৷ কিন্তু সুধীজন জানেন, বিদেশি গল্পের হ্যারিসনকে হারাধন আর রবার্টকে রবি করে বাকিটা 'আপন' করে নিলেও সবসময় কাজ হয় না। ঠিকঠাক রহস্যকাহিনি রচনা মোটেই সহজ নয়। তাই এই লেখকেরা একটি শিওর-শট পন্থা নেন।
তাঁরা গোয়েন্দা গল্প লেখার নামে স্রেফ যৌন-উত্তেজনা সৃষ্টি করায় মনোনিবেশ করেন।
তাঁদের লেখায় ফরেনসিক তদন্ত থাকত না। থাকত না পুলিশের রুটিন তদন্তের কোনো বিবরণ, ওয়ারেন্ট বের করার প্রক্রিয়া, চার্জশিট এবং কাস্টডির প্রক্রিয়াগত খুঁটিনাটি। তাঁরা ধাঁধা তৈরি করতেন না। তাতে মোটিভ হত যৌন তাড়না, আর মোডাস অপারেন্ডাই হত ধর্ষণ, নির্যাতন ইত্যাদি।
কেন বলুন তো?
যাতে ওই প্রক্রিয়াগুলোর বিবরণ দিয়ে পাঠককে টিটিলেট করা যায়। এছাড়া এইসব রহস্যকাহিনি (অট্টহাস্য!) রচনার কোনো উদ্দেশ্য বা বিধেয় ছিল না।
গোয়েন্দা অশোক ঠাকুরের মাধ্যমে সমরেশ বসু একজ্যাক্টলি সেই কাজটিই করেছেন। তাঁর একটি কাহিনিতেও রহস্যের র-ও নেই। যা আছে তা সমাধানের জন্য স্পেশাল ব্র‍্যাঞ্চ নয়, থানার দারোগাই যথেষ্ট। তবু এমন একটি বেসরকারি চরিত্রকে বে-আইনিভাবে কেন নায়ক করে তোলা হয়েছে? যাতে তার সঙ্গে শ্যামাপদ দারোগার কুশ্রী কথোপকথন দিয়ে অন্তত চার ফর্মা ভরাট করা যায়, তার আর বউদি কাঞ্চনের ফ্লার্টের বিবরণ দেওয়া যায় আরও দু'ফর্মা, আর অশোকের চোখ দিয়ে তথা জাজমেন্টাল ন্যারেটিভ হিসেবে বাকি বিবরণগুলো দেওয়া যায় লেখার বাকিটা জুড়ে।
এই বইয়ে আছে তিনটি উপন্যাস (স্বর্ণচঞ্চু, একটি অস্পষ্ট স্বর, ম্যাকবেথ: রঙ্গমঞ্চ কলকাতা) এবং 'হ্রেষাধ্বনি' সংকলনের অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি ছোটোগল্প (জন্মদাতা, নয়া ঠগী, প্রিয়তম সে, হ্রেষাধ্বনি, উড়াইয়া ছাই)। তাতে রহস্য... নেই৷ বাকি সবই আছে৷ আপনি যদি সেসবের সন্ধানী হন, তাহলে স্বচ্ছন্দে বইটি পড়ুন।
আমি থরোলি ডিসগাস্টেড। মানে আমার উদ্দেশ্য সফল।
দুটো তারা তো দেওয়াই যায় এরপর, কী বলেন!
Profile Image for Taznina Zaman.
251 reviews63 followers
September 22, 2019
গোয়েন্দা হিসাবে অশোক ঠাকুরের তেমন একটা পরিচিতি নেই, কিন্তু অশোক ঠাকুর সিরিজের রহস্যগুলো একেবারে ফেলনা নয়, অসামান্য কিছু না হলেও পড়ে আরাম পাওয়া যায়।

অশোক ঠাকুরের এই সিরিজের সবচেয়ে ভালো লেগেছে ম্যাকবেথঃ রঙ্গমঞ্চ কলকাতা (যদিও কালপ্রিট অনুমান করা সহজ), বাকি দুইটা উপন্যাস (স্বর্ণচঞ্চু, একটি অস্পষ্ট স্বর) ভালো। গল্পের মধ্যে ভালো লেগেছে প্রিয়তম সে আর হ্রেষাধ্বনি। জন্মদাতা আর উড়াইয়া ছাইকে ঠিক গোয়েন্দা গল্প না বলে ছোট গল্প বলাই ভালো। এই দুইটা গল্পও ইউনিক। সবমিলিয়ে ভলিউমটা ভালো লেগেছে।


পুনশ্চঃ প্রায় প্রতিটা গল্প/ উপন্যাসে অশোক ঠাকুরের বংশপরিচয়ের পুনরাবৃত্তি আর বৌদির সাথে ভাসাভাসা পরকীয়া যারপরনাই বিরক্তিকর। সম্ভবত এই একজন গোয়েন্দাই দেখলাম যার ক্যারেকটার লুজ 😜😜
তবুও বইটা অন্তত একবার পড়াই যায়।
Profile Image for Hosneara Ami.
97 reviews13 followers
February 24, 2018
সমগ্র ১ এর থেকে সমগ্র ২ এর উপন্যাসগুলো আরো বেশি ম্যাচিওরড, আবার তেমনি রহস্যগুলো আরো বেশি নৃশংস মনে হয়েছে । মানব চরিত্র কতটা ভয়ানক হতে পারে তার চিহ্ন যেন ছিল পাতায় পাতায়। স্বাভাবিক কোন সম্পর্ক বা রুচিবোধ মনে হয় জীবন থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে এমনটাই মনে হয়েছে বইটা পড়ে। যাকগে সারাজীবন তো বাচ্চাদের বইই পড়লাম। এবার না হয় একটু সমাজ সংসারের ক্লেদার্ত দিকগুলোও একটু দেখি। তবে ঠিক আমার রুচির সাথে যায় না এতটা খোলামেলা বর্ণনা। তাই খুব ভালোও লাগলো না আবার মন্দও না।
Profile Image for Dr.Md.Tanvirul Islam Sajib.
41 reviews3 followers
May 27, 2018
গোয়েন্দা অশোক ঠাকুর সমগ্রঃ ২

২য় খন্ডের ১ম উপন্যাস ‘স্বর্ণচঞ্চু’ তে ফুটে উঠেছে ছোটখাটো শহরতলির ডাক্তার প্রদোৎ রায়ের সুন্দরী স্ত্রী’র খুনের রহস্য। তখন সময়টা বাঙালি-বিহারি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার। এক কুখ্যাত গুন্ডার কাছে সুত্র পেয়ে অবাঙ্গালি পাড়ার নর্দমায় অমিতা রায়ের লাশ আবিস্কার করে অশোক। স্বভাবতই দারোগা শ্যামাপদবাবুর সন্দেহ গিয়ে পরে ওর উপরেই! খানিকটা নিজের গরজেই অশোককে আরো একবার নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে নামতে হয় তদন্তে ...
তবে এ গল্পটিও শুরু হতে অনেকটা সময় নিলেও বেশ তারাতারি শেষ হয়ে গেছে। কিছু প্রশ্নের উত্তরও তেমনি পাওনা রয়েই গেল! তবে সেগুলো কি তা আর বলছি না, spoiler হয়ে যাবে যে!
১৯৭৩ সালে দে’জ পাবলিশিং থেকে প্রকাশিত উপন্যাসটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মরনে উৎসর্গ করে লেখা। রেটিং- ২.৫/৫।
..............................................................
‘একটি অস্পষ্ট স্বর’ ২য় সমগ্রের ২য় উপন্যাস। প্রকাশকালঃ ১৯৭২।
স্পুটনিক ক্লাবের পিকনিক থেকে উধাও হয়ে যায় লস্যময়ি তরুণী জিনা। একই ক্লাবের মেম্বার হওয়ায় শ্যামাপদ দারোগা এবারো উঠেপরে লাগে ঘটনার সাথে অশোকের সংস্লিষ্টতা প্রমান করতে। তদন্তে নামে কৌতুহলী অশোক। ধিরে ধিরে উন্মোচিত হতে থাকে সুশীল সমাজের নোংরা কদর্য একটি দিক যা সৃষ্টির আদি কাল থেকে আজ অবধি বিদ্যমান।
শুরু থেকেই বেশ ভালো লেগেছে উপন্যাসটি। লেখক অনেকটা চতুরতার সাথে প্রতিটি রহস্যের জট খুলেছেন। অন্তর্ধান, খুন, ধর্ষণ, গোয়েন্দাগিরি, কার চেজিং, এ্যাকশন - কি নেই এতে! পরিপূর্ণ গোয়েন্দা কাহিনী বোধ হয় একেই বলে। নিঃসন্দেহে এখন পর্যন্ত অশোক ঠাকুরের বেস্ট অভ দ্য বেস্ট অভিযান!
রেটিং- ৪/৫।
..............................................................
২য় সমগ্রের শেষ উপন্যাস ‘ম্যাকবেথঃ রঙ্গমঞ্চ কোলকাতা’। প্রথম প্রকাশ ১৯৭৭।
প্রথমেই বলে নেইঃ আমার বইটিতে প্রথম দিকের ১৭ টি পাতা মিসিং ছিল। তবে এটা একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে! লেখক অনেক সময় নিয়ে গল্প শুরু করেছেন! সে যাক, RCIM’এর এম.ডি প্রবীর রায়চৌধুরির হত্যাকে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে কাহিনী। ডি.এস.পি সাহেবের অনুরোধে তদন্ত করতে অশোক আর ফটিককে এবারই প্রথম পাড়া গাঁ ছেড়ে শহরে আসতে হয়। ১৩ জন সন্দেহভাজন পার-মাতাল কে নিয়ে শুরু হয় খেলা। কখনো ছদ্মবেশ, কখনো ছলনা আবার কখনো জীবনের ঝুকি নিয়ে এগোতে থাকে তদন্ত। আধুনিক কোলকাতা শহরের আলো ঝলমলে চাকচিক্যের আড়ালে নোংরা, লোভী, পাপী কিছু মানুষ যে আঁধারের খেলায় মেতে উঠেছে তা বের হয়ে আসতেও সময় লাগে না।
পরে অশোকরা কি পারে ক্লাবের টেবিলে মাতাল হয়ে খুন হওয়া প্রবীর চৌধুরীর হত্যাকারীকে খুঁজে বেড় করতে?
রেটিং- ৩.৫/৫।
..............................................................
৫টি অশোক কাহিনী নিয়ে গল্প সংকলন ‘হ্রেষাধ্বনি’ ১ম প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। এটি ২য় সমগ্রের শেষ বই।

১ম গল্প ‘জন্মদাতা’ তেমন রহস্য ঘেরা ছিল না। পাড়ার সুবিমল দাশগুপ্ত যখন জানতে পারেন তার স্ত্রী সন্তান-সম্ভবা তখন তিনি অশোকের দ্বারস্থ হন। প্রথমে অশোক আগা-মাথা কিছু না বুঝলেও পরে সুবিমল জানান তিনি নপুংসক। এ গল্পে অশোক অনেকটাই ভাগ্যের জোড়ে অপরাধীকে ধরে ফেলে।

২য় গল্প ‘নয়া ঠগী’ তে খন্ডকালিন অধ্যাপক শশীকান্ত দত্তকে মৃত অবস্থায় তার বাড়িতে পাওয়া যায়। দারোগা শ্যামাপদ ভট্টাচার্য্যের অনুরোধে তদন্তে নামে অশোক। বিবাহবহির্ভূত কোন সম্পর্কই যে সুখকর ইতি টানতে পারে না ‘নয়া ঠগী’ তার জ্বলন্ত উদাহরণ।

৩য় গল্প ‘প্রিয়তম সে’ তে কোলকাতার এক চাকুরীজীবী মহিলা হোস্টেলে খুন হলেন চিরকুমারী সুধা দত্ত তারই অত্যন্ত প্রিয়জনের হাতে। প্রেম ভালোবাসার চেয়ে সম্পদ কখনো যে অধিক গুরত্ব পায় তা এ গল্পের মুল উপজীব্য।

৪র্থ গল্প ‘হ্রেষা ধনি’র কাহিনী আবর্তিত হয়েছে পান্না গোয়ালার পাঁচ বছরের মেয়ের হত্যা রহস্যকে ঘিরে। এবারো পুলিশি তদন্তে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় অশোক। কাঞ্চনের উপস্থিত বুদ্ধি অশোকের সামনে রহস্যের দ্বার খুলে দেয়। সামান্য নেশা কে কেন্দ্র করে মানুষ যে কতোটা নিচে নামতে পারে তা হাড়ে হাড়ে টের পায় সবাই!

৫ম ও ২য় সমগ্রের শেষ গল্প ‘উড়াইয়া ছাই।’ বিলেত ফেরত ক্যামেস্ট্রির প্রফেসার প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায়ের রূপসী স্ত্রী হঠাৎ করেই হারিয়ে যায়। রহস্য উন্মোচনে স্থানীয় পুলিশের ব্যর্থতার পর কোলকাতার চৌকশ পুলিশ অফিসার মিঃ তরফদারও যখন গলা সমান পানিতে তখন রঙ্গমঞ্চে অশোকের আগমন। দীর্ঘ ছয় মাস রাত-দিন এক করে অবশেষে অশোক রহস্যের জাল ছাড়াতে পারে। কিন্তু প্রমাণের অভাবে অপরাধী ধরা ছোঁয়ার বাহিরেই থেকে যায়।
রেটিং- ৪/৫ (পুরো সংকলন)।

স্বর্ণচঞ্চু বাদ দিয়ে বাকি অশোক কাহিনীগুলোর বেশ উন্নতি চোখে পরেছে। গল্পগুলোতে লেখনী যেমন পোক্ত হয়েছে রহস্য ততোটাই দানা বেঁধেছে। আমার খুব একটা খারাপ লাগেনি। যাদের একটু পুরনো দিনের গল্প পছন্দ তারা চেখে দেখতে পারেন। সময় খারাপ কাটবে না এটুকু বলতে পারি!

প্রকাশকঃ অঞ্জলী প্রকাশনী, কলাকাতা।
দামঃ ২২৫ রুপি।

©️ ডাঃ তানভীর, নিপসম, ঢাকা।
Profile Image for Destination Unknown.
20 reviews3 followers
July 19, 2017
Detective stories with a different taste. Also do not find them copied from English authors like most of the other Bengali detective novels other than Feluda or Byomkesh. Even if the plot is copied, it so naturally blended in the Bengali culture and the story is woven around it, it feels completely original. Love the characterization of the lead and repeating characters like Ashok Thakur the main protagonist, local police inspector Shyamapada, Ashok's friend and distant relative Kanchan. All characters are nicely built. Love the hint of the sweet blossoming love between Ashok and Kanchan. Its a good read all together.
Displaying 1 - 7 of 7 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.