Jump to ratings and reviews
Rate this book

তিস্তা যাবেই

Rate this book

160 pages, Hardcover

6 people are currently reading
98 people want to read

About the author

Sukanta Gangopadhyay

59 books84 followers
সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম ২১ জানুয়ারি ১৯৬১, হুগলির উত্তরপাড়ায়। পিতৃপুরুষ বিহারে প্রবাসী। মাতৃবংশ বাংলাদেশের দিনাজপুরে। স্কুল-কলেজের পাঠ উত্তরপাড়ায়। ফটোগ্রাফি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। একটি ফটোপ্রিন্টিং সংস্থার কারিগরি বিভাগের প্রধান। ছাত্রজীবনে লেখালিখির শুরু। দেশ পত্রিকায় প্রথম গল্প প্রকাশিত হওয়ার পর বৃহত্তর পাঠক মহলে সমাদর লাভ।শ্রেষ্ঠ উপন্যাস রচনার জন্য ১৯৯৯ ও ২০০২ আনন্দ-স্নোসেম শারদ অর্ঘ্য, শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ও শ্রেষ্ঠ ছোটগল্প রচনার জন্য ২০০৩ সালে আনন্দ-ন্যাশানল ইনসিয়োরেন্স শারদ অর্ঘ্য এবং শ্রেষ্ঠ ছোটগল্প রচনার জন্য ২০০৬ সালে ডেটল-আনন্দবাজার শারদ অর্ঘ্য পেয়েছেন। এ ছাড়া ১৯৯৭-এ পেয়েছেন গল্পমেলা পুরস্কার, ২০০১-এ সাহিত্যসেতু পুরস্কার, ২০০৫-এ বাংলা আকাদেমি থেকে সুতপা রায়চৌধুরী স্মারক পুরস্কার, ২০০৭-এ শৈলজানন্দ জন্মশতবর্ষ স্মারক পুরস্কার, ২০১৩-এ তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্য সম্মান, ২০১৪ সালে গজেন্দ্রকুমার মিত্র ও সুমথনাথ ঘোষ স্মৃতি পুরস্কার।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
25 (42%)
4 stars
17 (28%)
3 stars
11 (18%)
2 stars
5 (8%)
1 star
1 (1%)
Displaying 1 - 14 of 14 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,671 reviews441 followers
January 11, 2023
ধুর!
এইরকম বই পড়ার "শখ" জাগার জন্য নিজের প্রতি চরম বিরক্ত হচ্ছি।
এতো এতো মেলোড্রামা!এত্তো এত্তো মেলোড্রামা!!
Profile Image for Prithu.
71 reviews15 followers
March 13, 2019
এমনিতে সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়ের সাথে পরিচয় বলতে আনন্দমেলার পাতায় ঝিনুক আর দীপ কাকুর বৃত্তান্ত পড়তে গিয়ে। এই উপন্যাসের কথা প্রথম শুনি ক্লাসে। 'প্রবল বর্ষণের পর ধরিত্রী কর্ষণের উপযুক্ত ছিল'- এই অমোঘ লাইনটা স্যার ছুঁড়ে দিয়েছিলেন আমাদের দিকে। সাগ্রহে লুফে নিয়েছিলাম। বলা যায়, সেটা আবিষ্কারের নেশাতেই বইটা হাতে তুলি।

অবশ্যই নিরাশ হইনি। একেকটা শব্দ আর বাক্যবন্ধের এত গভীর ব্যঞ্জনা...অনেকদিন এ উপন্যাসের কিছু বাক্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
Profile Image for Dipabali Mahato.
22 reviews14 followers
August 17, 2022
জীবন প্রবাহের গল্প। কিভাবে প্রেম আর জীবন, দুটো জিনিস আলাদা তার গল্প। গভীর প্রেমে থাকা তিস্তা আর পরাগকে নিয়ে গল্পের শুরু। মাঝে আসে এক বিপত্তি। তিস্তা মিটিয়ে ফেলতে চাই তাদের ভালোবাসার বীজকে। এই থেকেই আসে ফাটল। জীবনে নতুন রং খুঁজে পাই দুজনেই। কিভাবে? জীবন কোথায় নিয়ে গেলো তাদের? এই নিয়েই গল্প। একবার পড়ার জন্য বেশ ভালো। তবে সারাজীবন মনে থাকার মতো নয়।
Profile Image for Azahar Hossain.
55 reviews9 followers
October 26, 2021
তিস্তা যাবেই ~ সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়

আদ্যপ্রান্ত প্রেমের একটা উপন্যাস। ভালোবাসার উপন্যাস, বিচ্ছেদের উপন্যাস, ভরসার উপন্যাস।
প্রত্যন্ত গ্রাম, নগর, বিদেশের সর্বাধুনিক শহর এই উপন্যাসের মানচিত্র। চরিত্ররা কিন্তু আমাদের আশপাশের চেনা-অচেনা মানুষজন। তাদের সুখ-দুঃখগুলো অনায়াসে ছোঁয়া যায়।
উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র পরাগ ছবি আঁকে। শিল্পকর্মটি ঠিক মত করে যাওয়ায়ই তার একমাত্র উচ্চাকাঙ্কা। প্রেম তার কাছে যত না কামনার তার থেকেও বেশি স্বপ্ন দেখার বিশ্বস্ত আধার।
তুলনায় প্রেমিক তিস্তা বাস্তববাদী ও আত্মোন্নতিকামী। সমুদ্রের ধারে এক প্রবল ঝড়-বৃষ্টির সন্ধেতে তিস্তার সমস্ত হিসেবে গোলমাল হয়ে যায়। সেই সুন্দর ভুলের ফলে এসে পড়ে অসময়ের সন্তান। পরাগ আপ্লুত হলেও তিস্তা গ্রাহ্য করে না। পরাগের মতামত ছাডাই নষ্ট করে তাদের প্রথম সন্তান।
উপন্যাসের আরেকটি প্রধান চরিত্র যোগব্রত। মধ্যবিত্ত সংসারের মেধাবী ছাত্র এখন সাফল্য ও উন্নতির শেষ চূড়ায়। কিন্তু অর্জন বলতে শুধুই একাকীত্ব।
লেখকের দক্ষ হাতের সুঠাম নিয়ন্ত্রণে উপন্যাসের মূল চরিত্ররা হয়ে উঠেছে এই সময়ের আক্রান্ত এক প্রজন্ম। এদের মাঝে মানস প্রতিবন্ধী কিশোরই একমাত্র ব্যতিক্রম। ঋষিপ্রতিম নীরব এই বালকের কাছেই যেন সময় থমকে দাঁড়িয়েছে।

১৬০ পৃষ্ঠা।
মূল্য - ১৫০ টাকা।
মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স।
Profile Image for Susmita Basak.
93 reviews13 followers
May 21, 2022
#পাঠ_প্রতিক্রিয়া

বর্তমান সময়ের অতি পরিচিত এবং বলিষ্ঠ লেখক হলেন সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়। উনার লেখার সাথে প্রথম পরিচয় ঘটে "সোনালি অর্কিড" এর মাধ্যমে। বেশ সুন্দর গোছানো, সাবলীল ঝরঝরে লেখা লেগেছিল আমার। ইচ্ছে ছিল উনার আরও লেখা পড়ার। আমার বেস্ট ফ্রেন্ড Payel Biswas এর রেকমেন্ডেশনেই তাই এই বইটি কেনা। সদ্য পড়ে শেষ করলাম এটি।

উপন্যাসের প্রধান চরিত্র পরাগ ও তিস্তার প্রথম সাক্ষাৎ শান্তিনিকেতনে বসন্তোৎসবের দিনে। এরপর প্রায়ই তাদের দেখা হতে থাকে।
"তিস্তা নিশ্চিতভাবে বুঝতে পারল অলক্ষ্যে কোনও এক মহান শক্তিমান কলকাঠি নাড়তে শুরু করেছেন। ছেলেটার সঙ্গে তার প্রায়ই দেখা হবে।" ঘন ঘন দেখা সাক্ষাৎ থেকে শুরু হল প্রেম। সেই প্রেমই সমুদ্রের ধারে এক প্রবল ঝড়-বৃষ্টির সন্ধেতে তিস্তার সব হিসেব গোলমাল করে দিল। অসময়েই চলে আসে সন্তান। পরাগ আপ্লুত হলেও তিস্তা কিন্তু গ্রাহ্য করে না। দিদি জামাইবাবুর পরামর্শমতো পরাগের মতামত ছাড়াই সে সিদ্ধান্ত নেয় বাচ্চাটি নষ্ট করে দেওয়ার।

ইন্ডিয়ান আর্ট কলেজের ফাইন আর্টসের পাশ করা ছেলে পরাগ। অসাধারণ ছবি আঁকে সে। বর্তমানে এক পটারিতে কাজ করে। শিল্পকর্মটি ঠিক মত করে যাওয়াই তার একমাত্র উচ্চাকাঙ্ক্ষা। প্রেম তার কাছে যত না কামনার তার থেকেই বেশি স্বপ্ন দেখার বিশ্বস্ত আধার। ভালোবাসার মানুষ তিস্তার প্রতি বিশ্বাসেই সে ভেবেছিল তিস্তা নিশ্চয়ই বাচ্চাটি নষ্ট করবে না। কিন্তু পরাগ যখন জানতে পারল তার ভালোবাসার মানুষ তাদের ভালোবাসার চিহ্নকে রাখতে চায় না, তখন বিস্ময়ে, ক্ষোভে অতিরিক্ত মদ্যপান করে বাড়ি ফেরার পথে শ্রীরামপুর স্টেশনে নামার সময় তার চোখে পড়ে ফাঁকা ট্রেনের কামড়ায় এক স্পেশাল চাইল্ডকে। সে প্রথমে না চাইলেও, ধীরে ধীরে সে জড়িয়ে পড়তে থাকে সেই স্পেশাল চাইল্ডের জীবনের সাথে।

স্পেশাল চাইল্ড অর্থাৎ হিজল(রানা), তার ভূমিকা এখানে অনেক। তাকে কেন্দ্র করেই বদলে যেতে থাকে পরাগ ও দূর্বার জীবন। দূর্বা হলো হিজলের দিদি। ভাইয়ের প্রতি দূর্বার অগাধ ভালোবাসা। খুব অল্প বয়সেই সে ভীষণ পরিণত। জীবনের কালো অধ্যায়ই বোধ হয় তাকে এত অল্প বয়সে পরিণত করে তুলেছে।
"দূর্বার মুখের দিকে তাকায় পরাগ, মেয়েটার মনের ভেতর অনেক খোপ, কোনও খোপে মায়া, কোনওটায় ক্রোধ, ঘৃণা, ভালবাসা, কাম... এর সঙ্গে মেশাটাই একটা জার্নি।"

উপন্যাসের আরেক অন্যতম প্রধান চরিত্র যোগব্রত। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবী ছাত্র গত দশ বছর ধরে আমেরিকায় চাকরিরত, এখন সাফল্য ও উন্নতির শেষ চূড়ায়। তবে সাফল্যের সাথে গ্রাস করেছে একাকীত্ব। বিদেশ থেকে কিছুদিনের ছুটি নিয়ে মাতৃভূমির টানে সে চলে আসে কলকাতায়। তার খুব ইচ্ছে দেশে পাকাপাকিভাবে ফিরে এসে দেশের গ্রাম বৈঁচিগ্রামের পৈত্রিক জমিতে বাড়ি করে থাকবে। কেউ সেভাবে বললে, থেকে যাবে।

এদিকে দেশে কয়েকটি দিন থাকাকালীন একদিন যোগব্রত উপস্থিত হয় তিস্তাদের বাড়িতে। তিস্তার বাবা দিবাকর শিক্ষকের ছাত্র ছিল সে। তিস্তাকে দেখে যেন কিছুটা অতীত ফিরে পায় সে। অন্যদিকে পরাগের উপেক্ষায় তিস্তা তখন বিষণ্ণ। যোগব্রতর স্নিগ্ধ উপস্থিতি তাকে নতুন জীবনের আশ্বাস দেয়। যোগব্রতর সাথে চলে যেতে চায় সে আমেরিকায়। ভুলে যেতে চায় অন্ধকার অতীতটাকে। কী হয় শেষ পর্যন্ত? তিস্তা তো যাবেই, কিন্তু কোন পথে যায় সে? যোগব্রতর সাথে আমেরিকায় নাকি ফিরে যায় পরাগের কাছে?

শেষ হয়েও যেন হইলো না শেষ। ভালো লাগলো উপন্যাসটি, তবে অসম্পূর্ণ অংশটি সম্পূর্ণ হলে আরও বেশি ভালো লাগতো। উপন্যাসে যে চরিত্রটি সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে সে হলো পরাগ। বাস্তবে এরকম মানুষ আছে যারা নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সাহায্য করে, বিনিময়ে কিছুই চায় না। তবে এখানে হয়তো পরাগের পিতৃসত্তা কাজ করছিল। নিজের শিকড় উপরে যাওয়ার পর হয়তো আরেক শিকড়কে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চেয়েছিল সে।
সর্বোপরি উপন্যাসটি ভালো লেগেছে। লেখকের অন্যান্য বইগুলোও পড়ার ইচ্ছে রইলো ভবিষ্যতে।
Profile Image for   Shrabani Paul.
397 reviews23 followers
March 13, 2022
🍂✨📖উপন্যাসের নাম - তিস্তা যাবেই📖✨🍂
✍️লেখক - সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়
🖨️প্রকাশক - মিত্র‌ ও ঘোষ
📃পৃষ্ঠা সংখ্যা - ১৬০



🍁🍂প্রত্যন্ত গ্রাম , নগর , বিদেশের সর্বাধুনিক শহর এই উপন্যাসের মানচিত্র । চরিত্ররা কিন্তু আমাদের আশপাশের চেনা - অচেনা মানুষজন । তাদের সুখ দুঃখগুলো অনায়াসে ছোঁয়া যায় ।
🍁এ সময়ের বলিষ্ঠ তরুণ কথাকার সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়ের কলমে ফুটে উঠেছে তৃতীয় বিশ্বের ঐতিহ্যের ওপর বিশ্বায়নের অভিঘাত ।
উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র পরাগ ছবি আঁকে । শিল্পকর্মটি ঠিক মত করে যাওয়াই তার একমাত্র উচ্চাকাঙ্ক্ষা । প্রেম তার কাছে যত না কামনার তার থেকেও বেশি স্বপ্ন দেখার বিশ্বস্ত আধার । তুলনায় প্রেমিকা তিস্তা বাস্তববাদী ও আত্মো ক্ষতিকামী । সমুদ্রের ধারে এক প্রবল ঝড় - বৃষ্টির সন্ধেতে তিস্তার সমস্ত হিসেব গোলমাল হয়ে যায় । অপ্রস্তুত অবস্থায় পরাগের সমস্ত মনোযোগ কেড়ে নেয় সে । সেই সুন্দর ভুলের ফলে এসে পড়ে অসময়ের সন্তান । পরাগ আপ্লুত হলেও তিস্তা গ্রাহ্য করে না । পরাগের মতামত ছাড়াই নষ্ট করে তাদের প্রথম সন্তান ।
🍁উপন্যাসের আরেকটি প্রধান চরিত্র যোগব্রত । মধ্যবিত্ত সংসারের মেধাবী ছাত্র এখন সাফল্য ও উন্নতির শেষ চূড়ায় । কিন্তু অর্জন বলতে শুধুই একাকীত্ব । বিদেশ থেকে কিছুদিনের ছুটিতে এসেছিল মাতৃভূমির টান উপলব্ধি করতে । কেউ সেভাবে বললে , থেকে যাবে এখানে । কেউ বলেনি ।
🍁স্কুলবেলার শিক্ষক দিবাকর স্যারের বাড়িতে গিয়ে দেখা হয়েছিল স্যারের ছোটমেয়ে তিস্তার সঙ্গে । যেন কিছুটা অতীত ফেরত পেয়েছিল যোগব্রত । পরাগের উপেক্ষায় তিস্তা তখন বিষণ্ন । যোগব্রতর স্নিগ্ধ উপস্থিতি তিস্তাকে নতুন জীবনের আশ্বাস দেয় । যোগব্রতর সঙ্গে আমেরিকায় চলে যেতে চায় সে ।
🍁লেখকের দক্ষ হাতের সুঠাম নিয়ন্ত্রণে উপন্যাসের মূল চরিত্ররা হয়ে উঠেছে এই সময়ের আক্রান্ত এক প্রজন্ম । এদের মাঝে মানস প্রতিবন্ধী কিশোরই একমাত্র ব্যতিক্রম । ঋষিপ্রতিম নীরব এই বালকের কাছেই যেন সময় থমকে দাঁড়িয়েছে । হয়ত এখান থেকেই শুরু হবে নতুন আগামীর ।🍂🍁
Profile Image for Pusparghya Das.
10 reviews
June 22, 2021
📘 পরাগ যেদিন জানতে পারে ওর ভালোবাসার মানুষ তিস্তা, ওদের দুজনের ভালোবাসার চিহ্নকে, abortion করিয়ে মুক্তি পেতে চায়, সেদিন বেহেড মাতাল হয়ে বাড়ী ফেরার সময় ট্রেনের কামরায় খুঁজে পায় এক special child কে। পরাগ প্রথমে না চাইলেও আস্তে আস্তে জড়িয়ে পড়ে ওই বাচ্চার জীবনের সাথে।
📗 এদিকে তিস্তা দিদি জামাইবাবুর সহযোগিতায় abortion করানোর পর থেকে অপরাধবোধে ভোগে। এমন সময় ওর বাবার ছোটবেলার ছাত্র যোগব্রত, যে এখন আমেরিকায় সুপ্রতিষ্ঠিত, দেশে ফিরে দেখা করতে আসে স্যারের সাথে। ধীরে ধীরে তিস্তা আর তার দিদি-জামাইবাবুর সাথে এক নিবিড় আত্মীয়তা গড়ে ওঠে যোগব্রতর। এরপরে কাহিনী কোন দিকে মোড় নেয়, সেটা জানার জন্য পড়তেই হবে তিস্তা যাবেই।
📙 উপন্যাসের নামে তিস্তার নাম থাকলেও শুরু থেকে শেষ অবধি আমি পরাগের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে থেকেছি। ওই চরিত্রকে ভালো না বেসে কিভাবে থাকবে কোনো পাঠক? তিস্তার গর্ভে ওদের সন্তানের জন্য পরাগের আকুলতা, হিজলের মতো special child এর প্রতি ওর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, জীবনকে শুধু টাকার অঙ্কে না মাপা - এ সবই আমাকে বাধ্য করে পরাগ নামক চরিত্রটির মধ্যে ঢুকে যেতে।
📕 শুধু একটাই দুঃখ - উপন্যাসের নামকরণটা আমার ঠিক ভালো লাগেনি। কারণ আমার কাছে এ উপন্যাস তিস্তার থেকেও অনেক বেশি পরাগের। ভালো থাকবেন প্ৰিয় লেখক। 🙂
Profile Image for Jiya...
59 reviews4 followers
March 9, 2024
বেশ অনেক দিন ধরেই সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা পড়ার ইচ্ছে ছিল কিন্তু পড়া হয়ে ওঠেনি। "তিস্তা যাবেই " বইটির মাধ্যমেই লেখকের লেখনীর সাথে পরিচয় ঘটলো। আর সবকটা বইয়ের মতো লেখকের এই বই নিয়েও আলোচনার অবকাশ নেই। কারোর কাছে বইটা must read, আবার কারোর কাছে melodrama. বইটা দৈনন্দিন জীবনের নানান সত্যকে তুলে ধরেছে ,যেগুলো আমরা সচরাচর এড়িয়ে যাই( যেমন - কোনো একটি স্পেশাল চাইল্ডের মনোভাব কিংবা তার প্রতি তার পরিবারের মনোভাব  কিংবা তার পরিবারের প্রতি সমাজের মনোভাব)। কিন্তু উপন্যাসের নামকরণ এবং সমাপ্তির ক্ষেত্রে একটু গোলমেলে ব্যাপার লক্ষ্য করেছি আমি(এটা ব্যক্তিগত মতামত)।
সর্বোপরি, লেখকের দক্ষহাতের সুঠাম নিয়ন্ত্রণে উপন্যাসের মূল চরিত্ররা হয়ে উঠেছে এই সময়ের আক্রান্ত এক প্রজন্ম। এদের মাঝে মানস প্রতিদ্বন্দ্বী কিশোরই  একমাত্র ব্যতিক্রম। ঋষিপ্রতিম এই বালকের পদতলে যেন সময় থমকে দাড়িয়েছে।হয়তো এখন থেকেই শুরু হবে নতুন আগামীর।
Must read না বললেও উপন্যাসটির বেশ কিছু লাইন মনে রাখার মতো।
7 reviews3 followers
December 27, 2024
"প্রেম, ভালোবাসা, বিশ্বাস এসব মানুষের তৈরি করা শব্দ | আসলে যে যার মতো বাঁচে | স্বার্থের কারণেই মানুষ একসঙ্গে থাকতে চায়, ঘর বাঁধে | সে ঘর শুধুই ইট, কাঠ, পাথরের | ভালোবাসার ছিটেফোঁটা নেই "--- তিস্তা যাবেই {সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়}
Profile Image for Shreya.
61 reviews
August 13, 2022
সুন্দর, বাস্তব -ঘেঁষা একটা গল্প , সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় এর সব লেখাই অবশ্য এরম . প্রতিটা চরিত্রেই কিছু ভালো কিছু খারাপ , ঠিক যেমন আমরা প্রত্যেকে .
Profile Image for Partha Goswami.
137 reviews3 followers
December 11, 2022
একটি আবেগঘন অথচ অসরল রৈখিক পরিবর্তনশীল আগ্রহ উদ্দীপক প্রেমের গল্প...
Profile Image for Huesofwords (Bandita).
65 reviews3 followers
June 27, 2023
১৯-২০ বয়সের পাঠকদের উপযোগী ব‌ই। মেলোড্রামায় ভর্তি বাংলা ধারাবাহিকের মতো লাগল।
Profile Image for Diana Tiwary.
50 reviews
January 28, 2024
পাঠক হিসেবে যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে এই বইটা না পড়লে বুঝতাম না।
পুরো বাংলা সিরিয়ালের মতো মেলোড্রামা। এসব বই পড়ে সময় নষ্ট এবং বইটা কিনে টাকা নষ্ট হলো আমার।

রেটিং 🌸
Profile Image for Utshab Roy.
6 reviews1 follower
April 11, 2020
সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা আসলেই খুবই চমৎকার এবং ব্যতিক্রমধর্মী। তার গল্পের শুরু থেকেই গল্পের প্রতি এক তীব্র আগ্রহ অনুভব করেছি।
এক একটা পৃষ্ঠা পড়া শেষ হচ্ছিল আর গল্পের প্রতি আমার আগ্রহ আরও বেড়ে যাচ্ছিল। তার লেখার ভাষা এবং ব্যক্তি জীবনের সুখ-দুঃখ এত সুন্দরভাবে বইয়ের ভেতরে প্রকাশ করেছেন যা আমি কথায় প্রকাশ করতে পারছি না।
মানুষের মনের ভেতরে চলতে থাকা প্রতিটি হৃদস্পন্দনের মতন যে অনুভূতিগুলো, লেখক খুব সহজ ভাষায় বইয়ের পাতার পর পাতা লিখেছেন।
Displaying 1 - 14 of 14 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.