অশুভ ১৩ বইটির গল্পগুলো কোনওটি নির্জলা আতংকের, কোনওটি স্রেফ ভয়ের। তবে প্রতিটি গল্পের সমাপ্তি ঘটেছে এমন অশুভ ইংগিত নিয়ে যা শিহরিত করে তুলবে পাঠককে। ১৩ সংখ্যার প্রতি এলার্জি না থাকলে বইটি নিয়ে বসে যান। আশা করি নিরাশ হবেন না!
জন্ম ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯। জন্মস্থান বরিশাল, পিতা প্ৰয়াত লক্ষী কান্ত দাস। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে অনার্স সহ এম, এ করেছেন। ১৯৯৫ সালে | লেখালেখির প্রতি অনীশের ঝোক ছেলেবেলা থেকে । ছাত্রাবস্থায় তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় সাপ্তাহিক, পাক্ষিক এবং মাসিক পত্রিকাগুলোতে চিত্তাকর্ষক ফিচার, গল্প এবং উপন্যাস অনুবাদ শুরু করেন । হরর এবং থ্রিলারের প্রতি তাঁর ঝোকটা বেশি। তবে সায়েন্স ফিকশন, ক্লাসিক এবং অ্যাডভেঞ্জার উপন্যাসও কম অনুবাদ করেননি। এ পর্যন্ত তাঁর অনুদিত গ্ৰন্থ সংখ্যা ১০০’র বেশি। অনীশ দাস অপু লেখালেখির পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত। তিনি দৈনিক যুগান্তর- এ সিনিয়র সাব এডিটর হিসেবে কাজ করেছেন । তবে লেখালেখিই তার মূল পেশা এবং নেশা ।
আমার পড়া অনীশ দাস অপুর পয়লা বই। সেই কবেকার কথা। কমপক্ষে দশ বছর তো হবেই। হাতে তখন বই ছিল না। এই বইয়ের গল্পগুলো কতবার পড়েছি তার হিসাব নেই। চার তারকা সেই অনুভূতিরই প্রকাশ। দেশি ও বিদেশি কাহিনির অনেকগুলো গল্প থাকলেও ভিনদেশি গল্পগুলোই ছিল আসল রত্ন। একটি অভিশপ্ত হোটেল নিয়ে গল্প ছিল। এখনও অস্পষ্টভাবে গল্পটার কথা মনে আছে।