নর্মদা ও গৌঢ় নদীর মধ্যে যে গভীর জঙ্গল তার চারপাশে সুউচ্চ পাহাড়। পাহাড়ের গা বেয়ে অপরিসর পথ। এখানেই নর্রঐ নামক স্থানে রানীর সঙ্গে মুঘল সৈন্যের প্রচন্ড সংঘর্ষ হয়। প্রথম যুদ্ধে রানী অবশ্যৈ জয়লাভ করেন। পরদিন জব্বলপুর থেকে বারো মাইল দূরে তীরবিদ্ধ হওয়ায় রক্তক্ষরণের ফলে রানী মারা যান। দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এক সংকীর্ণ পথের ওপর রানীর সমাধি। স্থানীয় বিশ্বাস গভীর রাতে বনস্থলী থেকে আশা শন শন বাতাসে রানীর বিদেহী আত্মা যেন তার প্রয়াত সৈনিকদের ডাক দিয়ে যুদ্ধের জন্যে তৈরি হতে বলে।