এ বইয়ের কয়েকটি গল্প লেখার সময় বিচিত্রসব অনুভূতি কাজ করেছে আমার ভেতর। কখনও আঁতকে উঠেছি, কখনও বা শিরশির করে উঠেছে গা; একটি গল্প তো রাতের বেলায় লিখতেই পারিনি-এমন ভয় করছিল। কোন্ গল্পটি জানতে চান? ওটি রহস্যই থাক। শুধু বলি-আমার অনুভূতি শেয়ার করতে চাইলে বসে যান এ-বই নিয়ে। তারপর দেখুন 'অশুভ ছায়া'র আড়াল থেকে বেরোতে পারেন কি না।
জন্ম ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯। জন্মস্থান বরিশাল, পিতা প্ৰয়াত লক্ষী কান্ত দাস। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে অনার্স সহ এম, এ করেছেন। ১৯৯৫ সালে | লেখালেখির প্রতি অনীশের ঝোক ছেলেবেলা থেকে । ছাত্রাবস্থায় তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় সাপ্তাহিক, পাক্ষিক এবং মাসিক পত্রিকাগুলোতে চিত্তাকর্ষক ফিচার, গল্প এবং উপন্যাস অনুবাদ শুরু করেন । হরর এবং থ্রিলারের প্রতি তাঁর ঝোকটা বেশি। তবে সায়েন্স ফিকশন, ক্লাসিক এবং অ্যাডভেঞ্জার উপন্যাসও কম অনুবাদ করেননি। এ পর্যন্ত তাঁর অনুদিত গ্ৰন্থ সংখ্যা ১০০’র বেশি। অনীশ দাস অপু লেখালেখির পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত। তিনি দৈনিক যুগান্তর- এ সিনিয়র সাব এডিটর হিসেবে কাজ করেছেন । তবে লেখালেখিই তার মূল পেশা এবং নেশা ।
হরর সংকলন অনীশ দাস অপুর লিখা। মোট ৮টা গল্প আছে এটি। হরর না বলে সায়েন্স ফিকশন বললে মন হয় বেশী ভাল হয়। ২ তারা দিতাম যদি 'হন্তরক' নামক মাঝারি সাইজের গল্পটি না থাকত। হন্তরকের কনসেপ্ট সাধারন হলেও পড়তে খারাপ লাগেনি। হরর পড়া বা দেওয়ার সময় মনে হয় চলে এসেছে। অনেক বেশীই পড়া হয়ে যাচ্ছে হরর।