লেখকের ভাষায় আমি চিরকালিই ক্রনিক ডিপ্রেশনের রুগী। আর সেই আমাকেই ভাগ্যের পরিহাসে রম্যরচনা লিখতে হলো। পড়ে কেউ বলল সুখকর। কেউ বলল রম্যরচনা নয় গল্প হয়ে গেল।
হাসতে হাসতে কুপোকাৎ! কেয়াবাৎ কেয়াবাৎ!
হাসতে হাসতে –
হাসির জন্যে হাহাকার ঘেঁটে দিলে নতুন হবে জীবন ওপেন-গোপনে তাল-বেতাল-মাতাল ডাক্তারবাবু বৃত্তান্ত মাস্টার-পিস জামাইয়ের ষষ্ঠীপুজো একটি গরম (}) রচনা ভোজনং যত্রতত্র ছাতা-মাথা দিন তো গেল, সন্ধে হল ঠগি-ঠ্যাঙাড়ে একটি ঘিয়ে ভাজা ম্যানিফেস্টো পার্বণ ব-ব-ব-বউভাত ! মেলাবেন তিনি মেলাবেন ওম অ্যাডজাস্টেবল রাধাকৃষ্ণগ এবং ওয়াটার অব ইণ্ডিয়া
উল্লাস মল্লিকের জন্ম ১৯৭১ হাওড়া জেলায়, গাছগাছালি দিঘি ঘেরা এক শান্ত গ্রামে।বাবা সমরসিংহ মল্লিক, মা গীতা মল্লিক। একটু বড় হয়ে সপরিবারে চলে আসেন হাওড়া জেলারই আর এক চমত্কার গ্রাম কেশবপুরে।বাবা ছিলেন সেখানকার বিশিষ্ট শিক্ষক। স্নাতক হবার পর শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু।চাকরি ছেড়েছেন; পেশা বদলেছেন।দুষ্টুমির বাল্যকৈশোর, অনিশ্চিত কর্মজীবন, চেনা-অচেনা, ভাল-মন্দ বাছবিচার না করেই মানুষের সঙ্গে মেলামেশা, অদ্ভুত সব ঘটনা আর স্নিগ্ধ প্রকৃতি তাঁর লেখা জুড়ে।মনে আনন্দ আর রসবোধ নিয়েই বেঁচে থাকতে চান। ২০০০ সালে লেখালিখির শুরু।বিভিন্ন বছরে ‘দেশ’ হাসির গল্প প্রতিযোগিতায় বিজয়ী।একডজন উপন্যাস, দেড়শোর বেশি গল্প আর রম্যরচনা লিখেছেন।