ইন্দ্রনীল সান্যালের জন্ম হাওড়ার বালিতে, ১৯৬৬ সালে। নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ থেকে এম বি বি এস। প্যাথলজিতে এম ডি, পিজি হাসপাতাল থেকে।সরকারি চাকরির সূত্রে কাজ করেছেন সুন্দরবনের প্রত্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মহাকরণের ডিসপেনসারিতে, লালবাজার সেন্ট্রাল লকআপ থেকে গঙ্গাসাগর মেলার হেল্থ ক্যাম্পে।বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।প্রথম প্রকাশিত গল্প ২০০৪ সালে ‘উনিশকুড়ি’ পত্রিকায়।শখ: বই পড়া, ফেসবুকে ফার্মভিল এবং হ্যাপি অ্যাকোয়ারিয়াম খেলা, সুদোকু সমাধান।
রিভিউ:রোশনী দাশগুপ্ত পেশায় রেডিও জকি।তবে পত্রিকায় টুকটাক লেখালেখির সুবাদে জনপ্রিয় একটি পত্রিকা থেকে অফার পায় পঞ্চাশ হাজার শব্দের মধ্যে একটি উপন্যাস পাঠাবার।এদিকে রেডিও অনুষ্ঠানে রোশনীর অতিথি হন বিখ্যাত গায়ক কুন্দনলাল সায়গলের অনুরাগী অখিলেশ মিত্র।ঘটনাক্রমে অখিলেশ জানতে পারে রোশনীদের সামনের বাড়িতেই বাস করতেন সায়গল।এমনকি রোশনীর নব্বই বছর বয়সী ঠাকুমারও পরিচিত ছিলেন।তাই সায়গল সম্বন্ধে তথ্য সন্ধানে রোশনীদের বাসায় যাতায়াত বাড়ে অখিলেশের।ঠাকুমার জবানবন্দিতে দৃশ্যমান হয় সায়গলের ক্ষণিকের জীবন।অর্থ,সম্পদ,নাম,যশ কোন কিছুই সুখ এনে দিতে পারেনি সায়গলকে।তাই দুঃখ ভুলে থাকতে মদ্যপানকে করেছিলেন আপনসঙ্গী।এই মদের নেশা একদিন তার জীবনের কাল হলো।তিনি জানতে পারলেন তার শরীরে বাসা বেধেছে মরণব্যাধী ক্যান্সার।যাদুকরী কন্ঠে নেমে এল জড়তা।শুরু হলো নিয়মিত কেমোথ্যারাপী।অবশেষে আসলো ১৯৪৬ সালের সেই দিন।৪২ বছর বয়সে ঝরে পড়লো এক প্রতিভাময়ী সুর।জীবনের মায়া কাটিয়ে বিদায় নিলেন জাদুকরী কন্ঠের কুন্দললাল সায়গল।উপন্যাসের ভাষা বৈশিষ্ট্য সরল এবং সাবলীল।ইতিহাস এবং বাস্তবতার মিশ্রণে এ এক অসাধারণ গল্প।
This entire review has been hidden because of spoilers.
কুন্দনলাল সেহগলের জীবনের খণ্ডচিত্রকে কেন্দ্র করে রচিত উপন্যাস। সাথে জুড়ে যায় বর্তমান যুগের এক অভিনব উপাখ্যান। গায়ক নায়কের জীবনের সাথে সাথেই বর্তমানের চরিত্রদের জীবনও চলচ্চিত্রর মতই নাটকীয়তায় ভরপুর। ডঃ স্যান্যালের অসাধারণ লেখনী মুগ্ধ করে।