রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
তিন গোয়েন্দা ভলিউম ৫১ এর মধ্যে রয়েছে তিনটা গল্পঃ পেঁচার ডাক,প্রেতের অভিশাপ ও রক্তমাখা ছোরা।
১.পেঁচার ডাকঃ রবিনের প্রতিবেশী কনি হুবারের বাড়িতে গভীত রাতে চোর এসে তার পুরো ঘরের জিনিস লন্ডভন্ড করে রেখে যায়। কৌতুহলবশত সেই বাড়িতে গিয়ে একটা লাল দস্তানা খু্ঁজে পায় কিশোর। সন্দেহ গাঢ় হয় তার মনে। কে চুরি করতে এসেছিল ঘরে? কি চুরি করতে এসেছিল? বাড়ির মালিক কনি হুবারের সাথেই এর কি সম্পর্ক?
গল্পটা প্রথমে চুরি দিয়ে শুরু হলেও ধীরে ধীরে রহস্য দানা বাধতে শুরু করে। তবে শেষটা আমার ভালো লেগেছে। বেশ ভালো লেগেছে গল্পটা।
★রেটিংঃ ৩.৫/৫
২.প্রেতের অভিশাপঃ প্রেতের অভিশাপ মূলত বেশ কয়েকটা হরর গল্পের সংকলন। কাকতাড়ুয়া ও জাদুর পুতুল গল্প দুইটা ভালো লেগেছে,বাকি দুইটা বিলো এভারেজ।
★রেটিংঃ ২.৫/৫
৩.রক্তমাখা ছোরাঃ প্রায় চারশো বছর আগের একটা অভিশপ্ত ছুরি— যার নাম বোরজিয়া ড্যাগার। কথিত আছে, যে এই ছুরি একবার স্পর্শ করে ফেলে তার মৃত্যু অনিশ্চিত। আসলেই কি তাই? এমনই এক অভিশপ্ত ছুরির কেসের আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িয়ে গেল তিন গোয়েন্দা।
গল্পটা এই ভলিউমের দ্বিতীয় সেরা গল্প। যদিও শেষটা প্রেডিক্টেবল ছিল। তবে পড়তে মন্দ লাগেনি। মোটামুটি ভালো বলা যায়।