মৃৎ মূলত শিল্প-সাহিত্য-দর্শন-চিন্তা চর্চার উদার উর্বর ভূমি। নানান-মতের, পথের, ঘরানার সন্নিবেশ ঘটিয়ে আমরা পাঠকের সামনে হাজির করতো চাই চিন্তার দোকান। পাঠক সদাই করা বা বাতিল করার সম্পূর্ণ অধিকার সংরক্ষণ করেন। হাজার ওয়েভের দোকান বিস্তৃতকরণের মধ্য দিয়ে প্রতিদিন আমরা নতুন সংকট ও সম্ভবনার সাথে পরিচিত হচ্ছি। নানামুখি সংকট-শঙ্কায় পৃথিবীর এই অস্থির দিনগুলো আমাদের শুধু ভাবিত করে না বরং অস্তিত্বের সংকটে ফেলে দেয় যখন প্রতিদিন মানুষ হয়ে ওঠে মানুষের যম। পাশাপাশি আগ্রাসী কর্পোরেট পুঁজি নির্মিত কেন্দ্রিভূত ক্ষমতার বিপরীতে মানুষ ক্রমশ শেকড় বিচ্ছিন্ন একা হয়ে উঠছে। ভোগবাদী জীবনাদর্শ অতিক্রম করে কবে আমরা সত্যিকার অর্থে ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারবো জানি না। পৃথিবী কবে শঙ্কামুক্ত-সুস্থ-স্থির সময়ে ফিরবে আমরা জানি না। কিংবা সুন্দরবন বেঁচে উঠবে কিনা নতুন কোন কানসাটে আমাদের জানা নেই। এই অস্থির সংকটময় মুহূর্তে মৃৎ আমাদের স্বপ্ন ও অতি সামান্য সাহস।
এ সংখ্যার মূল উপজীব্য কবিতা হলেও মৃৎ এর প্রতি সংখ্যায় বিষয় বৈচিত্র্য থাকবে।
ইহা আমাদিগের খুলনাশহরনিবাসী ভাই-ব্রাদারকর্তৃক প্রকাশিত একটি ছোটকাগজ। বোধ করি দুবছর ধরে এটি বের করার চেষ্টা চলছে। সবাই ভয়াবহ অলস হওয়ায় আর হয়ে উঠছিল না। তবুও রোমেল ভাইরে স্লোগান আমরা মনে রেখেছিলাম, "মৃৎ মরে নাই"।
যাহোক, প্রচ্ছদ সুন্দর হইছে। বানানবিভ্রাট ঘটেনাই। একজন ছাড়া সবার লেখা ভালো ছিল। আমাদের বন্ধু আশরাফুল যে কিনা আনসারুল্লাহ বাংলার হাতে নিহত হয় তার কয়েকটি কবিতা এখানে আছে। তাকে নিয়ে রোমেল ভাইয়ের লেখাটা ভালো হইছে। রতনদা সবসময়ই বস পাবলিক। সে লিখলেই একটা ঘটনা ঘটে। মশিরুজ্জামান ওল্ডি দি গোল্ডি, মাহমুদ সানা নবীন কিন্তু ধারালো।