With the summer heat in Kolkata becoming unbearable, Feluda, Topshe and Lalmohon Babu decides to go to the beaches of Puri to cool off. However, in the course of their travels in Puri, they come across two intriguing characters – a wildlife photographer who has returned from Nepal and an astrologer who can read one’s past and the future by touching his/her forehead.
While not obvious at first, it soon becomes clear to Feluda that strange events involving these two men and a few others in Puri are strung by a common thread – a mysterious man named D. G. Sen, who a certain uncle of Feluda used to know.
কেন জানি চরিত্র অনেক বেশি মনে হচ্ছিল। প্রায়ই হারায় যাচ্ছিলাম। কে যে কে সেটাও ভুলে যাচ্ছিলাম। :P কিন্তু তারপরও দুর্দান্ত লাগলো। রহস্যের কোন কূলকিনারা করতে পারি নাই শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত। আর এটাই তো গোয়েন্দা গল্পের মজা।
এতো মানুষের হিসেব রাখতে গিয়ে একটু গোলমালই লাগছিলো। তবে একটা ব্যাপার, ফেলু মিত্তিরের গল্প গুলোতে এমন সব সৌখিন লোকেদের দেখা মেলে, যারা পুথি সংগ্রহ করেন, ঘড়ি কিংবা মুখোশ। এই লোকগুলো কি হারিয়ে গেছে ইদানীং? এধরণের লোকের কথা পড়িনা কেন কোথাও? আমার পুরী যাওয়ার ইচ্ছা হচ্ছিলো, ক'দিন আগেই (আদতে এক মাস) ঘুরে এলাম সেন্টমার্টিন থেকে। আমার ধারণা, পুরী হবে আমাদের কক্সবাজারের মতো, কারণ আমি দেখেছি পুরী বেশ ফেমাস জায়গা- সব ধরণের লোকেই যায়। তাই হয়তো এমনই হবে!
"আমরা দুজনেই ফেলুদার দিকে চাইলাম। ও একটা ওমলেটের আধখানা মুখে পুরে দিয়ে বলল, 'এক পায়ে না হলেও, খাড়া থাকতে হবে আজ রাত্তিরে।' 'কোথায়?' লালমোহনবাবু জিজ্ঞেস করলেন। 'দেখতেই পাবেন।' 'কারণটা কী?' 'জানতেই পাবেন।'"😂😂😆
বছর শেষ হতে বাকি আড়াই মাস, গুডরিডস চ্যালেঞ্জ শেষ। তাই আরাম করে আয়েশে বসে পুরনো বই পড়া যায়। হত্যাপুরী সম্ভবত আমার পড়া প্রথম ফেলুদা ছিল, যখন আমি কিছুই বুঝতাম না , শুধু বানান করে রিডিং পড়তে শিখেছি; তখনকার পড়া। পরে যখন পড়েছি তখন বুঝলাম , এটা ফেলুদার ডার্ক গল্পগুলোর একটা। যাক , বৈকুণ্ঠ মল্লিকের জন্যই শুধু একটা তারা বাড়িয়ে দেওয়া যায় বইটাকে।
গোয়েন্দা গল্পে আমি অনুমান করার চেষ্টা করি পড়তে পড়তে যে কে আসল কালপ্রিট। গল্প এগুতে থাকলে অনেক সময় অনুমান পালটে যায়...এখানেই লেখকের মুন্সিয়ানা, ভাবতে না পারা নামই শেষে যেয়ে কালপ্রিট হয়ে দেখা দেয় অনভিপ্রেত উপায়ে। কিন্তু এই গল্পে শুরু থেকেই আমার গণৎকারকে সন্দেহ হইসে...
फेलू बाबू के किस्से हमेशा ही रोचक होते हैं। और हिंदी में उनके किस्सों को पढ़ना तो सोने पर सुहागा। एक और मज़ेदार उपन्यास। पढ़ा नहीं है तो जरूर पढ़ियेगा।
"হত্যাপুরী" পড়ে বেশ ভালো লেগেছে, যদিও ফেলুদা সিরিজের অন্যান্য সেরা বইগুলোর তুলনায় হয়তো একটু পিছিয়েই থাকবে।
পুরীর সমুদ্রতট, রথযাত্রা আর গণৎকারের রহস্যময় বাড়ি — গোটা পরিবেশটাকে এক অন্য মাত্রা দিয়েছে। শুরুর দিকটা একটু ধীরগতির মনে হয়েছিল — লালমোহনবাবুর হাস্যরস আর টুকরো টুকরো ঘটনা নিয়ে বেশ কিছুটা সময় কেটে যায়, তাই গল্পের আসল উত্তেজনা জমে ওঠে বেশ দেরিতে। কিন্তু একবার পুঁথি নিয়ে হট্টগোল আর আচমকা একজন খুন হয়ে গেলে গল্পের গতি পাল্টে যায় দ্রুতই। আর মনে প্রশ্ন ঘুরঘুর করে, বিলাস মজুমদার আসলে কে? আর দুর্গাগতি সেনের "গাউট" কি আসলেই সত্যি? লক্ষ্মণ ভট্টাচার্যই বা কে?
সব মিলিয়ে মোটামুটি হালকা মেজাজের একটা রহস্য-উপন্যাস — জমজমাট না হলেও পড়তে ভালোই লাগে। অসাধারণ বলব না, তার চেয়ে বরং বলা যায় মোটামুটি উপভোগ্য লেগেছে। রহস্য, পুরীর আবহ আর ফেলুদা-তোপসে-জটায়ুর পরিচিত সঙ্গ—এই তিনের জন্য বইটি পড়ার সময়টা বেশ ভালোই কেটেছে।
পুরী হল হত্যাপুরী।দু দুটো খুন। সাথে আটশ বছরের পুরাতন একটা পুথি উধাও। এদিকে পুরীর বালুবেলায় দেখা গেল রহস্যজনক পায়ের ছাপ সাথে একটা লাঠির ছাপ। সাধারনত লাঠি সবাই ডানহাতে ধরলের লাঠির ছাপ বা দিকে। ফেলুদা এবার পুরীতে। তিনমাস ধরে তার কোন কেস নেই। তবে ফেলুদা ঘরের বাইরে গেলেই রহস্য যেন তাকে ঘিরে ধরে। পুরী গিয়েই আবিষ্কার করলেন একটা ডেথবডি। পরে জানা গেল মৃতদেহটা একজন নেপালি'র। এদিকে পুরী গিয়েই লালমোহন বাবু সন্ধান পেলেন এক ভদ্রলোকের যে কপালের মধ্যে হাত রেখে বলে দিতে পারে তার ভূত, ভবিষ্যৎ, বর্তমান। একরাতে ফেলুদা মাথায় বাড়ি খেয়ে পড়ে রইলেন সমুদ্রের ধারে। মাথায় রক্ত অথচ মাথা ফাটেনি। হাটতে হাটতে লালমোহন গাঙ্গুলী আবিষ্কার করলেন এক অর্ধ-বিদ্ধস্ত ভুতুড়ে বাড়ি। এমনিতে কারোও থাকার কথা নয় সেখানে, তবে মানুষের চিহ্ন সেখানে পরিষ্কার, সদর দরজায় পানের পিক, ব্যাবহৃত চার-পাঁচটা দিয়াশলাই, পায়ের ছাপ।
ফেলুদার সাথে চোরাচালানকাড়ীদের মোলাকাতগুলো সবসময়ই বেশ রোমাঞ্চকর হয়, এবারও ব্যতিক্রম না। চরিত্রসংখ্যা বেশি হওয়ার কারনে বেশ করেকবার তালগোল পাকিয়ে ফেলেছি। রহস্যও বেশ অনেকগুলো, সাসপেক্টও কম না। ফেলুদা কি পারবেন এই রহস্য সমাধান করতে, অবশ্যই পারবেন। তবে কি ভেলকি দেখাবেন এবার ফেলু মিত্তির সেটা জানার জন্যই পড়তে হবে 'হত্যাপুরী'।
Oh man Feluda defined my childhood. Our very own Indian Sherlock Holmes never disappoints. This story was quite fun: I could more or less guess the reveal but the story/motive that follows was beyond my grasp. My only issue was, that in true Sir Arthur Conan Doyle/Agatha Christie fashion a volley of characters were introduced in the first 5-6 pages and that confused me a bit.
ফেলুদা ঘুরতে এলেন পুরীতে। এসেই পেলেন লাশ। পুরী হল হত্যাপুরী। কে করল এসব হত্যাকাণ্ড? অমূল্য পুথি কেই বা চুরি করে ফেল্ল? বরাবরের মত এবারো ফেলুদা আনডিফিটেড।
আমার খুব পছন্দের একটা গল্প। ফেলুদা সমগ্রের দ্বিতীয় খণ্ড শুরু হয় এই গল্পটা দিয়ে, আর গল্পটা আনএক্সপেক্টেডলি বেশ ভালো লেগেছিলো আমার। এখনো মোটামুটি সবই মনে আছে 😅
When it comes to thrillers or mystery fiction, writers generally take a long time in building a plot, throwing off suspicion with conflicting evidence and then, in the end, surprise us. But I guess in just around 100 pages, this is the best you get.
This is the first Satyajit Ray I read. And I think he did a decent job at surprising us with the end. All in all, 3 stars for the good ending but uninteresting start of the book.
গতকাল রাত্রে ২০২২ সালে রিলিজ হওয়া ইন্দ্রানীল সেনগুপ্তের অভিনীত ফেলুদার হত্যাপুরী অভিযান নিয়ে করা সিনেমাটা দেখা শুরু করছিলাম কিন্তু পরাক্ষণে মন বলল, তগে বইটা না পড়ে সিনেমা দেখা হয়ত ঠিক হচ্ছে না। তাই মুভি pause করেই আগে বইয়ের পৃষ্ঠায় নজর দিলাম। আর হারিয়ে গেলাম পুরীতে।
সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টি, বাঙালির সবচেয়ে প্রিয় গোয়েন্দা হচ্ছে ফেলু মিত্তির। চরমম আসক্তি ধরানো এই সিরিজটা এ মাসে প্রায় শেষের দিকে নিয়ে এসেছি পড়ে। এত এত উপভোগ করছি তা বলার বাইরে। কি অসম্ভব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন লেখক।
তবে এই গল্পটা কেন জানি শেষে গিয়ে খাই হারিয়ে ফেললো। সবই ঠিকঠাক ছিল, হঠাৎ করে কি যে হল। কেস সলভের জায়গাটা অনেক প্যাচঘ্যোচ লাগছে। সে যাইহোক, এখন মুভিটা দেখব, আর তর সইছে না।
এই বইটি পড়ে তিনটি বিষয় সম্পর্কে নতুন ধারণা হয়েছে একটা হচ্ছে উড়িষ্যার পুরী সমুদ্র সৈকত,দ্বিতীয় টি হল পুঁথি যেটি প্রাচীন আমলে গাছের ছাল সরু লম্বা করে কেটে লেখা হতো যেটিকে বলা হয় ভুর্জিপত্র এবং কপালের মাঝ বরাবর জায়গাটিকে বলা হয় পিনিয়াল গ্ল্যান্ড।
ভ্রমণের উদ্দেশ্যে পুরী গেল ফেলুদার দল। ভ্রমণ থেকে রোমাঞ্চ। সেখানে এক পুরনো, ভুতুড়ে বাড়ির দিকে তাকিয়ে লালমোহনবাবুর উক্তি করা "হত্যাপুরী" নামটাই হয়ে গেল এই রোমাঞ্চ উপন্যাসের টাইটেল।
লেখক বলছিলেন পুরীর সমুদ্র সৈকতে রাতের বেলা ঢেউ আছড়ে পড়ার শব্দে গা কেমন ছমছম করে। এমন একটা ছমছমে পরিবেশের মধ্যে উপস্থিত রহস্য। দুইয়ে মিলে খুব উপভোগ করেছি হত্যাপুরী।
সত্যজিৎ রায়ের বই মানেই অসাধারণ কিছু একটা। পড়তে গেলে মনে হয় যেন চোখের সামনে সব ভেসে উঠছে। পুরীতে না গিয়েও সেখানকার সমুদ্রের গর্জন, বালিতে পা ফেলে হাটা সব এত বেশি সুন্দর করে লেখা মনে হয়েছে যেন আমি নিজেই ফেলুদার সাথে রহস্যে জড়িয়ে পড়েছি। খুবই অসাধারণ বই। মাস্ট রিড ফর এভরিওয়ান। ❤️
Feluda goes to Puri with Topse and Jatayu. While there, Topse and Jatayu discover a body on the beach. Later, they visit D.G. Sen's house to see his ancient scripture collection. During their visit, they meet Bilash Majumder, who has partially lost his memory after falling off a cliff in Nepal. He believes that D.G. Sen pushed him, as Sen was the only one present with him at the time.
Soon after, D.G. Sen's assistant, Nisith Pramanik, is found dead in a dilapidated house. From the evidence found at the scene, it becomes clear that Nisith was secretly selling Sen's scriptures without his knowledge and replacing them with fakes.
Feluda is attacked and struck with a blunt instrument but survives. He later meets Sen's estranged son, with whom Sen has had no contact for years.
One night, Feluda and his team stake out on the beach and spot two suspicious figures. When the men realize Feluda's presence, they shoot at him, but Feluda confronts them and, with Topse's help, manages to capture them. The two men are revealed to be Bilash, who is actually Sarkar in disguise, and Laxman, a doctor and astrologer living on the ground floor of D.G. Sen's house.
The truth is revealed: Sarkar is a smuggler who assumed Bilash Majumder's identity. He came to Puri to steal Sen's collection. He is the one who pushed Sen in Kathmandu with the help of his driver, Singh. The real Bilash Majumder had died long ago. Nisith Pramanik had caught Laxman stealing a manuscript, so Laxman killed him. Sarkar also killed Singh, who had come to extort more money from him.