Jump to ratings and reviews
Rate this book

স্মৃতিচারণ

Rate this book
উৎস থেকে মোহনায় ছুটে চলে নদী। মানবজীবন তেমনই। ফেলে-আসা পথের দু’পাশে। প্রতিটি অর্থপূর্ণ বাঁকে মুখর হয়ে থাকে অমূল্য সব স্মৃতি। মহাজনের স্মৃতিকথা শুধু অতীত ইতিহাস নয়, এক অপূর্ব ভাবসম্পদও বটে। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের সুযোগ্য পুত্র দিলীপকুমার রায়ের ‘স্মৃতিচারণ’-এর পাতায় পাতায় রবীন্দ্রনাথ, দ্বিজেন্দ্রলাল, অতুলপ্রসাদ, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র, শ্রীঅরবিন্দ, গিরিশচন্দ্র, শরৎচন্দ্রের মতো মহামানবেরা কথা বলেছেন অন্তরঙ্গ ভঙ্গিতে, ঊনবিংশ শতকের ভারতীয় মনীষার অমৃতের স্বাদ পাঠককে উপহার দিয়েছেন দিলীপকুমার। বইটি ব্যতিক্রমী এখানেই যে, স্মৃতি-পরিক্রমার পাশাপাশি ভাস্বর হয়ে আছে, এক সাধকের সুগভীর আত্মজিজ্ঞাসাও। পাঠ-প্রতিক্রিয়ায় রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর জানিয়েছিলেন, “সরলভাবে আন্তরিকতার সঙ্গে লিখতে গিয়ে লেখা থেকে তোমার আত্মপরিচয় কত স্পষ্ট ফুটে উঠেছে তা তুমি বোধহয় নিজেও জানো না।”

“স্মৃতিচারণ” গ্রন্থে আত্মানুসন্ধানী দিলীপকুমার ক্রম-প্রকাশিত হয়েছেন মহাজীবনের আশ্চর্য গন্ধে-ভরা সময়ের ভেতর।

630 pages, Hardcover

Published August 1, 2011

2 people are currently reading
13 people want to read

About the author

Dilip Kumar Roy

84 books7 followers
Dilip Kumar Roy (22 January 1897 – 6 January 1980), also spelt Dilipkumar Roy, was an Indian musician, singer, musicologist, novelist, poet, essayist and yogi. He was the son of Dwijendralal Ray (or Roy). In 1965, the Sangeet Natak Akademi, India's National Academy for Music, Dance and Drama, awarded him its highest honour for lifetime achievement, the Sangeet Natak Akademi Fellowship.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (50%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
1 (50%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Shadin Pranto.
1,487 reviews568 followers
May 16, 2021
দ্বিজেন্দ্রলাল পুত্র দিলীপ রায়ের এই ছয়শ পাতার ঢাউস কেতাবকে 'স্মৃতিচারণ' বলা যাবে না কোনোভাবেই। বরং বইটিকে আত্ম-প্রচারণার নিকৃষ্টতর দৃষ্টান্ত বলব। প্রথম দু'শ পাতায় দিলীপ রায়ের পিতা কত বড়ো মহত্তম ব্যক্তি ছিলেন তা উদাহরণসহ লিখেছেন। দ্বিজেন রায়ের এমন গুণপনার কথা খোদ দ্বিজেন রায় ওয়াকিবহাল ছিলেন কিনা সন্দেহ। দিলীপ রায়ের বয়ান পড়লে মনে হবে বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তির দ্বিজেন রায় এবং তার মতো ব্যক্তি ভূ-ভারতে কস্মিনকালেও আর আসেনি ও আসবেও না! পিতার এত কীর্তির কথা প্রচার করলেও রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে দ্বিজেন রায়ের ছোটোলোকি নিয়ে দিলীপ রায় মোটামুটি নির্বাক!

বইয়ের পাঠযোগ্য অংশটি সুভাষ বসুকে নিয়ে লেখা। দিলীপ রায়ের সহপাঠী ছিলেন সুভাষ বসু। বসুকে নিয়ে অনেককথাই লিখেছেন দিলীপ রায় যা পড়তে বেশ ভালো লাগবে। অসাধারণ ব্যক্তিত্ব সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে জানাশোনার আগ্রহ বাড়বে।

দিলীপ রায় নিজেকে 'সর্বত্যাগী ঋষি' হিসেবে উপস্থাপন করতে চেয়েছেন। কিন্তু একজন ঋষি কীভাবে নিজেই নিজের কীর্তির কথা গর্বভরে লিখতে পারে তা বোধগম্য হচ্ছিল না।

এটি কোনো 'স্মৃতিচারণ' নয়। এই বইকে একজন বিস্মৃতপ্রায় নার্সিসিস্টের নিজস্ব আ্যডভাটাইজমেন্ট হিসেবে অভিহিত করলে ঠিক হবে।
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.