অত্রির স্বপ্ন লেখক হওয়ার। সেই স্বপ্ন সার্থক করার জন্য ওর পাশে থাকে কেয়া। বাড়ির অমতে কেয়া বিয়ে করেছে অত্রিকে। নিজে চাকরি করে ও সংসার চালায়। অত্রিকে কোনও চাকরি করতে দেয় না। কিন্তু অত্রি কিছুতেই প্রতিষ্ঠিত লেখক হতে পারে না। এমন এক সময় অত্রির সঙ্গে অহনার পরিচয়। অহনা ক্রমশ চেনাতে থাকে সাফল্যের সিঁড়ি। ততদিনে কেয়া অন্তঃসত্ত্বা। আর অহনার সঙ্গে শরীরী সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে অত্রি। একদিকে কেয়া আর অন্যদিকে অহনা। দু’জনের কারও টানই এড়াতে পারে না অত্রি। আর এভাবে কাহিনি গিয়ে দাঁড়ায় এমন এক পরিস্থিতিতে যেখানে এই সময়কার দাম্পত্য জীবন এবং নারী-পুরুষের ভালবাসা, সম্পর্কের টানাপোড়েনকে আবার নতুন করে চেনা যায়। প্রেম, পরকীয়ার প্রচলিত ধারণার বাইরে পা ফেলতে থাকে চরিত্রেরা। আর এই নিয়েই সিজার বাগচীর প্রেমের উপন্যাস।
সিজার বাগচী-র জন্ম ১৯৭৭ সালে। দক্ষিণ কলকাতায়। পূর্বপুরুষের বসবাস ছিল অধুনা বাংলাদেশের ময়মনসিংহে। অল্প বয়সে পিতৃহীন। কলেজে পড়ার সময়ে লেখালিখি শুরু। ফিচার, গল্প, প্রবন্ধ, সমালোচনা, চিত্রনাট্য, কথিকা, উপন্যাস। সহজ তরতরে ভাষায় লেখা সব গল্প-উপন্যাসের বিষয়ই আলাদা। এবং তা উঠে আসে রোজকার জীবনযাত্রা থেকে। বড়দের পাশাপাশি ছোটদের গল্পও লিখছেন নিয়মিত৷ নানা পেশায় যুক্ত থেকেছেন। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার চাকরি করেছেন ‘আনন্দলোক’ পত্রিকায়। বর্তমানে ‘আনন্দমেলা’য় কর্মরত৷ লেখালিখি ছাড়াও বাংলার লোকসংস্কৃতি নিয়ে কাজ করতে ভালবাসেন।