Jump to ratings and reviews
Rate this book
Rate this book
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা
ছোটবেলায় ইলা একবার জলপদ্ম দেখেছিল। মাঝ পুকুরে সাঁতার কাটছে টকটকে লাল রঙের কি আশ্চর্য এক ফুল! যে ফুলের কাছে যাওয়া যায় না, যাকে হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় না-শুধু দূর থেকে মুগ্ধ হয়ে দেখতে হয়।
ইলা বড় হল জলপদ্মের স্বপ্ন চোখে নিয়ে। তার সেই স্বপ্নের কথা কেউ জানত না। সব স্বপ্নতো বলে বেড়াবার নয়। কিছু স্বপ্ন হৃদয়ের গহীনে লুকিয়ে রাখতে হয়। ইলা লুকিয়ে রেখেছিল-লুকিয়ে রাখতে রাখতে একদিন সে নিজেই একটা জলপদ্ম হয়ে গেল। এই আশ্চর্য রূপান্তর কি করে হল সেই গল্পই জলপদ্মের গল্প।

102 pages, Hardcover

First published November 1, 1992

7 people are currently reading
214 people want to read

About the author

Humayun Ahmed

456 books2,926 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
79 (14%)
4 stars
182 (34%)
3 stars
205 (38%)
2 stars
55 (10%)
1 star
10 (1%)
Displaying 1 - 30 of 32 reviews
Profile Image for Samiha Kamal.
121 reviews115 followers
April 27, 2025
হুমায়ূন আহমেদের গল্পের সবচে' রিয়েলিস্টিক দিক বোধহয় এটাই খারাপ লোকগুলো শাস্তি পায় না। দিব্যি ভালো জীবন যাপন করে এবং তাদের বিন্দুমাত্র অনুশোচনাবোধ থাকে না।
Profile Image for Wasim Mahmud.
357 reviews29 followers
October 10, 2023
নিম্নবিত্ত পরিবারের অত্যন্ত রূপবতী মেয়ে ইলা। হুমায়ূন আহমেদের গল্প / উপন্যাসের মূল নারী চরিত্র সবসময় এরকম রূপবতী হয়। এক সাক্ষাৎকারেও তাঁর সৃজন করা নারী চরিত্রগুলোর রূপ প্রদানের সময় তিনি কখনো কার্পন্য করেন না জানিয়েছিলেন লেখক হুমায়ূন।

তবে ইলার স্বামী জামান খুব‌ই কৃপণ এবং বদমেজাজি। যথারীতি বেশ খানিকটা রহস্যময়‌ও জামান। এ উপন্যাসে পরস্পর সম্পর্কহীন কয়েকটি অমানবিক ঘটনা আছে। এসব ঘটনার ঘনঘটার আশপাশে ইলা ছিলো। কিন্তু বিয়ের পর সাহসী মেয়ে ইলার ভিতুর ডিমে রূপান্তরিত হ‌ওয়ায় কোন পদক্ষেপ নিতে পারে নি।

জামানের অনেক টাকাভর্তি মানিব্যাগ খোয়া যাওয়ার পর পর‌ই কাহিনীতে কিছু পরিবর্তনের আভাস চোখে পড়ে। নিম্নবিত্ত হ‌ওয়ার কারণে চাচার বাসায় আশ্রিত হাসানের‌ও অবস্থা বেশ কিছুটা আমাদের ইলার মতোই।

হুমায়ূন আহমেদের সাদামাটা গল্প কিংবা উপন্যাস‌ও বেশ দ্রুতগতিময়তাসম্পন্ন এবং পাঠককে ধরে রাখার মতো হয়। সম্ভবত লেখকের টার্গেট‌ই ছিলো গদ্যে সুখপাঠ্যতা আনা। এ কর্মে হুমায়ূন আহমেদ খুব‌ই সফল।

প্রশ্ন হলো জলপদ্মের মতো মানুষটি কে এ ব‌ইয়ে? জলপদ্ম স্বপ্নের মতো সুন্দর কিন্তু থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। ইলার ভাই বাবু কিংবা এক সময়ের ক্রাশ নাসিম কতগুলো দারুন মানুষ‌ই। বোন রুবাও। মা সুরমা যা করেছিলেন তা ইলার ভালোর জন্য‌ই।

উপন্যাসের শেষাংশে লেখক অনেক কিছু সাবটেক্সটে বলেছেন। অনেক কিছুই আলো-আঁধারির খেলায় রেখেছেন। তবে ইলা অনেক ভয়ানক অন্যায় ঘটনার ন্যায়সঙ্গত সমাধানের পথেই যায়।

শেষের দিকটা লেখক পাঠকের উদ্দেশ্যেই ছেড়ে দিয়েছেন। পাঠকভেদে ঘটনার ব্যাখ্যার ভিন্নতা থাকতে পারে। তবে আমার মনে হয় ইলা চুড়ান্ত প্রতিশোধ নেয়ার অপেক্ষায় ছিলো। সবসময় জলপদ্ম হ‌ওয়ার প্রতিশ্রুতি নিজের মধ্যে রাখা ইলা পরিণত হয়ে যায় জলপদ্মে।

উপন্যাসটি জুড়ে লেখকের মূল উদ্দেশ্য ছিলো জলপদ্মের দেখা না পাওয়া পাঠকের মনে বিষণ্নতা সৃষ্টি করে দেয়া।

ব‌ই রিভিউ

নাম : জলপদ্ম
লেখক : হুমায়ূন আহমেদ
প্রথম প্রকাশ : নভেম্বর ১৯৯২
প্রকাশক : সময় প্রকাশন
প্রচ্ছদ ও অলংকরণ : সমর মজুমদার
রিভিউয়ার : ওয়াসিম হাসান মাহমুদ
Profile Image for Ashik Riham.
23 reviews3 followers
January 30, 2020
যান্ত্রিক আর স্বার্থপরতার এই ধরায় কিছু মানুষ পারে, শত বিষন্নতা ঝেড়ে ফেলে নিজের স্বপ্ন নিয়ে বিভোর হয়ে থাকতে, পারে ক্লান্তি থেকে পরিত্রাণ পেতে। ইলা কিছুটা এরকম টাইপই বলা চলে। আর অন্যদিকে নাসিম, বাবু, যারা অন্যদের স্বপ্ন গড়ায় নিঃস্বার্থ ভাবে হাতুড়ি চালিয়ে যায়, তাদের কেবলই থেতলে দেয়া হয়। বড়ই করুণ, বড়ই আজব!
Profile Image for Israt Jerin Dolon.
9 reviews
April 27, 2025
জলপদ্ম তেমনই এক গল্প, যেটা পড়তে পড়তে মনে হয় — সত্যি কি এমন মানুষ এখনো আছে?
জলপদ্ম স্বপ্নের মতো সুন্দর একটা চরিত্র, কিন্তু বাস্তবে ওর মতো হওয়া বড়ই কঠিন।
ইলিয়াস ভাই, নাসিম, সুরমা — এদের ছোট ছোট ভালোবাসা, কষ্ট, আর মানবিকতা মিশে গল্পটা অনেক আপন লাগে।
Profile Image for Jenia Juthi .
258 reviews68 followers
March 6, 2021
ময়লা কাপড় মানুষ যেভাবে আছড়ায়, আমার ইচ্ছে করছিলো ইলার স্বামী জামানকে ওভাবে আছড়াতে!অন্তুর মৃত্যুর জন্য তো জামান দায়ী, তবুও এমন ভাব করলো যেনো কিছুই হয় নি। শেষটা কিন্তু শেষ হয়েও শেষ হলো না.....
Profile Image for Dystopian.
438 reviews235 followers
November 25, 2025
জলপদ্ম আসলে মানুষের ভেতরের নিঃশব্দ আবেগ আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম দূরত্বগুলোকে খুব শান্তভাবে তুলে ধরে। এখানে বড় কোনো ঘটনা নেই—শক্তি পুরোটা চরিত্রগুলোর আচরণ আর মনে-অভিমানকে ঘিরে।

হুমায়ুন আহমেদ এই বইয়ে খুব সংযত ছিলেন। কথাবার্তা কম, কিন্তু ইঙ্গিতগুলো গভীর। চরিত্রগুলো যেমন—অল্প কথা, কিন্তু ভেতরে অনেক কিছু জমে থাকা; বইটাও ঠিক সেইভাবেই চলে।

গল্পের গতি ধীর, তবে ধীরতার মধ্যেই সৌন্দর্য আছে। বইটি পড়তে পড়তে মনে হয়—মানুষ আসলে কত ছোট ছোট কারণে ভেঙে পড়ে, আবার তেমন ছোট কারণেই একটু শান্তিও পায়।

শেষটা খুব নাটকীয় না, বরং বাস্তব; আর এই বাস্তবতা বইটাকে বিশ্বাসযোগ্য রাখে। যারা চরিত্র–নির্ভর, শান্ত স্বাদের হুমায়ুন আহমেদের লেখা পছন্দ করেন, তাদের কাছে “জলপদ্ম” ভালো লাগবে নিশ্চিত।
Profile Image for Tarik Mahtab.
167 reviews3 followers
December 19, 2022
বিরক্তি আর বিষণ্নতার খনি।

৩.৫/৫
Profile Image for Ajanta.
119 reviews28 followers
April 28, 2020
রিকশা থেকে নামার সময় ইলা লক্ষ্য করল তার হাত-পা কাঁপছে। বুক ধকধক করছে। হাতের তালু ঘামছে। এত ভয় লাগছে কেন তার? ভয় কাটানোর জন্যে কিছু একটা করা দরকার, কি করবে বুঝতে পারছে না।
এটা সম্ভবত একটা অসুখ। নাহলে শুধুশুধু এভাবে মানুষের খারাপ লাগবে কেন?

মা আর তিন ভাইবোনের সংসারে মেঝ ইলা। বড় ভাই বাবু যে নিতান্তই সাধাসিধা ভালো মানুষ। আর ছোট বোন রূবা যার মধ্যে কলেজে ভর্তি হওয়ার পর অদ্ভুত পরিবর্তন এসেছে।
পরিবর্তন এসেছে ইলার মধ্যেও। জামান নামক মানুষটার সাথে বিয়ে হওয়ার পর থেকে। মানুষটাকে ইলা বুঝতে পারে না। আর বুঝতে পারে না দেখেই ভয় পায়।
ছোট্ট অন্তু মিয়া ইলাকে কিছুটা স্বস্তি দিতো, যাকে সে ভিক্ষাবৃত্তি থেকে সরিয়ে বাসায় কাজে রেখেছে।

ইলার বড় ভাই বাবুর বন্ধু নাসিম যার প্রতি তার একটা দুর্বলতা ছিল। কিন্তু মার সূক্ষ্ম কৌশল বুঝতে পেরেও ইলা তার ভাগ্যকে মেনে নেয়।

বাড়িওয়ালার ভাতিজা হাসান, সেও নিজের ভাগ্যকে মেনেই শত গঞ্জনা বঞ্চনা সহ্য করে চাচার বাড়িতে পড়ে আছে মেরুদন্ডহীন প্রাণির মতো।

জলপদ্ম বইটা মূলত আমাদের সমাজেরই একটা খন্ডচিত্র।
মানুষের প্রতিনিয়ত যুদ্ধের চিত্র।

অন্তু, হাসান, বাবু, নাসিম, রূবা বা ইলা এরা সবাই কি পারবে জীবন যুদ্ধে সুখী হতে?
সুখ আসলে কিসে?
সাফল্যে? অর্থে? প্রশান্তিতে? নাকি মৃত্যুতে?
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Mubtasim  Fuad.
336 reviews45 followers
March 27, 2024
শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে পড়তে বসেছিলাম বইটা। ভেবেছিলাম হুমায়ুন আহমেদের বাকি বইগুলার মতন এটাও হয়ত ঘরোয়া পরিবেশ আবর্তীত একটা উপন্যাস হবে। যেটার ইন্ডিংটা নিয়ে মনের মাঝে বিন্দু বিন্দু করে আশা জমাচ্ছিলাম যে, হয়ত আঁধার রাত পেরিয়ে হবে সূর্যোদয়! কিন্তু না, হুমায়ুন আহমেদ যেখানে লেখক তার উপন্যাসে গোছানো একটা উপসংহারের আশা কিভাবে করি।
তবুও আমার কাছে মনে হল, শেষটা অনেক তাড়াহুড়ো করে হয়ে গেল.. চাইলে আরেকটু দীর্ঘ করা যেতে পারত।

বইটা ছিল একগাদা বিমর্ষতা দিয়ে পরিপূর্ণ, তবে আমি সবথেকে বেশি কষ্ট পেয়েছি, অন্তু মিয়াকে নিয়ে। বেচারার জন্য কান্না এসেও এলো না, মনের মাঝে সহ্য করতে পারছিলাম না, অসুস্থতাকে বুড়া আঙুল দেখায় উঠে বসে পড়ছিলাম। তবুও চোখ ভিজল না। কতটা নিষ্ঠুর আমি।
হুমায়ুন আহমেদ অনেকটা নির্দয় ভাবে এই উপন্যাসের, অন্যতম প্রধান চরিত্র ইলার স্বামী জামানকে তুলে ধরেছেন। মানুষ এতটা নিকৃষ্ট কিভাবে হয়!

আমি মানসিক একটু তৃপ্তির আশায় পড়া শুরু করছিলাম, এখন উল্টা মাথাটা ভারি হয়ে গেছে। ঘুম গায়েব হয়ে গেছে। জ্বরটা হয়ত বাড়ছে, মনের মাঝে একটা ইন্ডিং নিজে নিজে বানানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি, জামানকে কোন ভাবে জেতানো যাবে না।
Profile Image for Hemlock ♡.
63 reviews
August 24, 2022
বরাবরের মত মধ্যবিত্ত বাঙালি রোমান্টিসিজম নিয়ে বই। সাদামাটা হুমায়ুন আহমেদ লেখনি। এক টানা পুরো বই পড়ে ফেলা যায়।

🐠 নদীর মাছ আকারে লম্বা হয় পুকুরের মাছের তুলনায়। কারণ নদীর মাছকে স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটতে হয়। এই তথ্য জানা ছিল না।


🐠 ইলা। মধ্যবিত্ত স্বপ্নময়ী মেয়ে। তাঁর স্বপ্নে ছিল জলপদ্ম। আর ছিল তাঁর খুব পছন্দের একজন মানুষ, নাসিম ভাই। বাস্তবতার ফেরে তাঁর বিয়ে হয় জামানের সাথে। ইলার স্বপ্নের সাথে আকাশ পাতাল তফাত তার বাস্তব জীবনের। জামান প্রচণ্ড কৃপণ। ইলাকে বিশ্বাস করে না। ছোট করে দেখে তাঁর পরিবারকে। ইলাও ভীত হয়ে থাকে তার ভয়ে। জামানের হাতে মারা যায় বাসার কাজের ছেলে অন্তু। ঘটনাটা ভীষণভাবে নাড়া দেয় ইলাকে।


🐠 হাসান। বাড়িওয়ালার ভাগ্নে। বাড়িওয়ালার বাসায় থাকে। ইলার স্নেহ কাজ করে এই ছেলেটার প্রতি।


🐠 রুবা। ইলার ছোট বোন। হুমায়ুন আহমেদ এর ছটফটে কিশোরী। রুবার কথাবার্তাগুলো অদ্ভুত। সুন্দর। ছটফটে। ভালো লাগে পড়তে।
Profile Image for Shefa.
28 reviews
September 29, 2021
ভালো মানুষরা নাকি কষ্ট বেশি পায়?আসলেই কি?
জানিনা।আমি ভালো মানুষ না,তাই এই এক্সপেরিয়েন্স আমার নাই।তবে জলপদ্ম বইয়ে একজন নয় কয়েকজন ভালো মানুষ আছে।তাদের কষ্ট আছে,কিন্তু আর পাঁচটা ভালো মানুষের মতো কষ্টটা তারা মনে না নিলেও মেনে নিয়েছে।
ইলা নামের একজন গম্ভীর(!) এবং আমার দৃষ্টিতে বাস্তববাদী মেয়ে আছে।আমাদের সমাজের আর পাঁচজন মায়ের মতো তার মা-ও তাকে সুখী দেখতে চেয়েছেন।তাই তথাকথিত সাময়িক আবেগ থেকে মেয়েকে টেনে হিচরে সরিয়ে এনেছেন বুদ্ধির জোড়ে।এটা বুদ্ধি না বলে মাতৃত্বের সাহস বলা যেতে পারে!!
মেয়েকে তুলে দিয়েছেন ভালো এবং ভরসাযোগ্য(!) একজন হৃদয়হীন মানুষের হাতে।
ইলা কেমন আছে সেখানে?সেও কি তার মায়ের মতো সেই মানুষটিকে ভরসা করতে পারে?নাকি শুধুই মেনে নিচ্ছে?
Profile Image for Mehadi  Menon.
30 reviews2 followers
January 14, 2023
ইলা বলল, আমি এখন উঠব। সে কদমবুসি করবার জন্যে নিচু হল। বি. করিম সাহেব হাসিমুখে মেয়েটির দিকে তাকিয়ে রইলেন। ভদ্রলোক চিরকুমার। সারাজ্জীবন একা কাটিয়েছেন। তার জন্যে কোন রকম অতৃপ্তি তিনি বোধ করেন নি। আজ করলেন। আজ হঠাৎ করে মনে হল–বিরটি ভুল হয়েছে। সংসার করলে হত। এই মেয়ের মত একটা মেয়ে তাহলে তাঁর থাকত।

চাচা যাই?

করিম সাহেবের খুব ইচ্ছা করল বলেন–আবার এস মা। বলতে পারলেন না। দীর্ঘদিন মা ডাকেন না। আজ হঠাৎ করে কাউকে মা ডাকা সম্ভব না। তিনি কোমল গলায় বললেন, আবার এস। ইলা বলল, আমি আর আপনাকে বিরক্ত করব না।
Profile Image for Shafiul Hasan.
59 reviews
December 9, 2024
ইলা খুব সুন্দর করে সেজেছে। বিয়ের লাল বেনারসীটা পরেছে। ঠোটে কড়া করে লিপিস্টিক দিয়েছে। বিয়ের সময় জামান তাকে অনেক গয়না দিয়েছিল আজ সে সবই পরেছে। বিছানায় নীল চাদর বিছিয়ে সে বসেছে মাঝখানে। সদর দরজা খোলা। অন্যদিন দরজা খোলা রাখলে সে ভয়েই মরে যেত। আজ এতটুকু ভয় করছে না। সে পা গুটিয়ে খাটে বসে আছে। অপেক্ষা করছে জামানের অন্যে। তার এগারটায় ফেরার কথা। এগারটা বাজতে খুব বাকি নেই। নীল বিছানায় লাল বেনারসী পরা ইলাকে দেখাচ্ছে জলপদ্মের মত।
Profile Image for Oroni Imroz.
12 reviews
June 15, 2022
এই বইয়ের অনেককিছুই ধোঁয়াশা। দু'য়েকটা কাজ বাদে ক্যারেক্টারগুলো কি করছে, কেন করছে, তা বিশ্লেষণ করা হয় নি।

অন্তু মিয়ার জন্য মন খারাপ করা এবং জামান, সুরমা—এই দুইটা ক্যারেক্টারকে কড়া কথা শুনিয়ে দিতে মন চাওয়া ছাড়া আপাতত মাথায় কিছুই ঘুরছে না। ভালো থাকুক ইলা, নাসিম, রুবা, বাবু, হাসানরা।
Profile Image for মাহদী আহনাফ.
42 reviews1 follower
February 13, 2024
ভালোই লাগলো। বাট হুমায়ূন আহমেদ তো এমনিতেই এন্ডিং টা না দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধহস্ত, এই বইখানায় তো আরোও এক কাঠি সরেস। কাহিনী ভালোই,এন্টারটেইনিং। বাট কেন পড়লাম ভাউ? লাস্টে কি হলো? কে জানে,তাও পড়ে এঞ্জয় করসি,এটাই অনেক। টাইম টা জলে যায় নাই।worthy book...
Profile Image for S. M. Hasan.
162 reviews
September 18, 2020
শুরুটা দারুণ হলেও শেষটা ঠিক হুমায়ুন আহমেদের মত হলো না, বলতেই হচ্ছে শেষটা একটু বাজে লেগেছে।
Profile Image for Fahima Nizam.
24 reviews5 followers
January 6, 2021
It the story of ila who is very beautiful and got married with a person named zaman.
Profile Image for Jemin Nelim.
39 reviews
June 18, 2021
এই ফার্স্ট হুমায়ুন আহমেদ এর কোনো বই পড়ে মনে হলো সময় নষ্ট করলাম! প্রথমে ভালোই এগুচ্ছিলো,কিন্তু শেষটা একদম যাচ্ছেতাই। একদম ভাল্লাগলো নাহ।
3 reviews
September 18, 2021
কি হইলো শেষে? রেপ কে করলো? কেন করলো? মনে হইলো লেখক হঠাত ভাবছে সে আর লিখবে না
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Alastair Finn.
1 review
January 13, 2023
শুরু টা প্রচণ্ড বিরক্তিকর ছিল। শেষ টা সুন্দর ও সীমাহীন অর্থ বহন করেছে বলেই জলপদ্মের সার্থকতা অসীম।
Profile Image for Ishtiyak Fahmi.
133 reviews25 followers
August 9, 2024
আমাদের সমাজটাই এমন অদ্ভূত। যেখানে ভালো মনের মেয়েদের কপালে এমন সঙ্গী জুটে এবং ভালো ছেলেদের ক্ষেত্রেও তার বিপরীত রকমের সঙ্গীনী

অন্তুর মতো অনেক বাবু আমাদের সমাজে নির্যাতিত হয়। এদের উপর যারা অত্যাচার করে তারা আদেও মানুষ তো?
Profile Image for Nein.
143 reviews1 follower
November 7, 2025
Ila decides to let go of her dear and finally bloomed like a waterlily in the muds
Profile Image for Kazi Md. Al-Wakil.
297 reviews6 followers
April 12, 2022
ইলা আর জামান এর সংসার থেকে গল্পের শুরু। তাদের ঘরে কাজ করে অন্তু মিয়া। অন্তু মিয়াকে জামান চড় মেরে গুরুতর আহত করে, তারপর ভাব করে এটা তেমন কিছুই না। সেই অন্তুর অপরাধ ছিলো সে ইলার কথা মতো দরজা খুলেনি, কারণ এখন ডাকাত এর খুব উপদ্রব। সেই অন্তু মিয়াকে নিয়ে হাসান হাসপাতালে গেলো। হাসান বাড়িওয়ালার ভাগ্নে। খুবই লাজুক ধরণের ছেলে। সারাক্ষণ হীনমন্নতায় ভুগে কারণ তার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই, অন্যের আশ্রয়ে বড় হচ্ছে।

হাসান সম্পর্কে বলা যাক, প্রচন্ড পরিমাণে কিপ্টে ও বদমেজাজী। মানুষের সাথে কথা বলার সামান্য কার্টিসিও তার নেই। সে শুধু জানে কাজ আর টাকা। আজে বাজে খরচ সে একদমই সহ্য করতে পারেনা।

ইলার পরিবারে আছে তার মা সুরমা, ছোট বোন রুবা আর ভাই বাবু। সুরমার দিন যায় পরিবার এর সকল কাজ করতে করতে। আর রুবার কাজ পড়াশোনা করা আর রোমান্টিক বই পড়ে কাঁদা আর তাদের এই পরিবার চালাচ্ছে তাদের বড় ভাই বাবু। বাবু তার বন্ধুর নসিম এর সাথে এক সাপ্লাই বিজনেসে নেমেছিলো। সেই বিজনেস কাজ করেনি, পার্টি টাকা দেয়নি। সেই টাকা কিভাবে উদ্ধার করা যায় তা নিয়ে নানা কান্ড রটায় নসিম। তা নিয়ে তো একবার জেলেও যায় নসিম। নসিমকে জেল থেকে উদ্ধার করে তখন ইলা। তার কাছে ছিলো জামান এর মানিব্যাগ থেকে পাওয়া অনেক গুলো টাকা। টাকাগুলো সে নানাভাবে খরচ করে। তার পরিবারকে দেয়, হাসানকে একটি শার্ট কিনে দেয়। ভালোই লাগে ইলার।

নসিম এর উপর ইলা এক সময় প্রেমে মগ্ন ছিলো, তাই সুরমা তার মেয়ে এর জীবন বাচানোর জন্য তাকে বিয়ে দিয়ে দেন। ইলার এই আফসোস সারা জীবন থাকবে। নসিম ভাই ছিলো ফেল করা এক যুবক। যার প্রধান কাজ ছিলো আড্ডা দেয়া আর মানুষের মন জয় করা। অসাধারণ এক মানুষকে ইলা ভালোবেসেছিলো।

রুবাদের পরিবারে ছিলো কষ্ট। বাবুর কামাই তেমন ছিলো না। কোনোরকমে যা কামাই হতো তা দিয়ে বাসার কাজ করা হতো। নিজের জন্য এক পয়সা খরচ করতো না বাবু। রুবার ইচ্ছা করে স্কুল থেকে বনভোজন এ যেতে, ঘুরতে, খেতে। কিন্তু পারে না। প্রতিদিন সকালে রিকশা ভাড়ার জন্য বক বক করেও এক পয়সা সে পায় না। মাঝে মাঝে সে চলে যায় তার বোন এর বাসায়, সেখানেও তাকে জামানের দ্বারা পর্যুদস্ত হতে হয়।

অন্তুর মৃত্যু হয় হাসপাতালে। শেষ পর্যন্ত একটি ছেলে হাসপাতালে অচেনা মানুষের পাশে মারা যায়, মৃত্যুর সময় তার পাশে তার কোনো আপনজন ছিলো না, সে হয়তো ইলাকে চেয়েছিলো তার পাশে। কিন্তু জামান ইলাকে হাসপাতালে যেতে দেয়নি। বেওয়ারিশ লাশ এর নাকি খুব ভালো ব্যবস্থা আছে হাসপাতালে।


একদিন ইলা আর রুবার কাছে রিকশা ভাড়া ছিলো না। তখন তাদের ভালোই হয়রানির শিকার হতে হয় মানুষের কাছে। সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করে বি করিম সাহেব। তার কাছে ইলা গিয়েছিলো টাকা ফেরত দিতে। তিনি প্রায় ভুলেই গিয়েছিলেন। তিনি ভেবেছেন ইলা হয়তো এসেছে কোনো মুভির পার্ট এর জন্য। তিনি আবার চলচিত্রের লেখক। ইলা বার বার বি করিম এর কাছে ফিরে গিয়েছে, কারণ তার মাঝে সে তার বাবাকে দেখতে পেয়েছিলো।

পরিশেষে, ইলার বাচ্চা হবে। এই খবরটা নিষ্ঠুর নাটকীয় ভাবে দেয়ার জন্য এলা সুন্দর করে সেজেছে, অপেক্ষা করছে তার নতুন জীবনের জন্য। খুবই বাজে এন্ডিং।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Displaying 1 - 30 of 32 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.