Jump to ratings and reviews
Rate this book

আমি রহস্যভেদী মেঘনাদ #01

আমি রহস্যভেদী মেঘনাদ ১

Rate this book
এই সংকলনে আছে লেখকের সেরা চারটি রহস্য-অ্যাডভেঞ্চার-গোয়েন্দা কাহিনী। এর মধ্যে ‘ড্রাগন পাহাড়ের রহস্য লেখকের প্রথম সাড়া জাগানো অ্যাডভেঞ্চার। এই সংকলনের প্রতিটি কাহিনীরই পাতায় পাতায় আছে শিহরণ জাগান বিস্ময়। বিচিত্র পটভূমিতে লেখা কাহিনীগুলির আকর্ষণ এমনই যে পাঠক একবার পড়তে শুরু করলে শেষ না করে রেহাই নেই। প্রকৃতপক্ষে আজকের বাংলা সাহিত্যে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্যভেদী মেঘনাদকেই হেমেন্দ্রকুমার রায়ের জয়ন্ত-মানিক এবং সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদার যথার্থ উত্তরসূরী বলা যেতে পারে।

সূচীপত্র-

ড্রাগন পাহাড়ের রহস্য
রোহিতগড়ের রক্ত চোষা
চিল্কার চিংড়ি বিভীষিকা
রায়ভিলার রহস্য

224 pages, Hardcover

Published July 1, 2016

6 people are currently reading
30 people want to read

About the author

Swapan Bandyopadhyay

47 books8 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (33%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
3 (50%)
2 stars
1 (16%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 39 books1,870 followers
April 4, 2019
ছোটোবেলায় এই উপন্যাসগুলো কিশোর জ্ঞান বিজ্ঞান ও অন্যান্য পত্রিকায় পড়ে বিলক্ষণ রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। এখন পড়তে গিয়ে বুঝলাম, ভুল হয়ে গেছে বিলকুল!
Profile Image for Little Blezz.
70 reviews21 followers
July 1, 2017
বইটা পড়তে পড়তে একটা জিনিস মাথায় ঘুরছিল। গোয়েন্দা যখনই কিছু চিন্তা ভাবনা করার জন্য মুখে কুলুপ আঁটে, সহকারী কেন এই একটি বাক্যের অবতারনা করে বারবার, "বুঝতে পারলাম, এখন ওকে জিজ্ঞাসা করে কিছুই জানা যাবে না..."?? ওহে বাঙালী, প্রতি গল্পে এই এক জিনিস না মনে করে দিলেও আমরা বুঝতে শিখে গেছি, যে আমাদের গোয়েন্দারা দরকারী সময়ে কিছুতেই কিছু বলবে না; শার্লক বাবুও বলেন নি, পাশের বাড়ীর ফেলু মিত্তিরও বলে নি; সুতরাং তার উত্তরসূরী মেঘনাদও বলবে না। উত্তরসূরী!!! চমকে ওঠার কিছু নেই। বইয়ের শুরুতেই প্রকাশনী সংস্থা মেঘনাদকেই জয়ন্ত-মানিক আর ফেলু মিত্তিরের ফ্ল্যাগ-বিয়ারার বানিয়ে দিয়েছে। ফলে এক্সপেকটেশন উর্ধগামী ছিল শুরু থেকেই। গোয়েন্দাগিরি মাত্রাছাড়া হয়নি অবশ্যই, তবে হ্যাঁ প্রদোষ দোষে দুষ্টও হয়নি। :p বরং প্রথম ও তৃতীয় গল্পে গোয়েন্দগিরি কম ও মারকাটারি ব্যাপার বেশী হয়েছে সামান্য।

কিন্তু লেখকের আর একটা ব্যাপারে বাড়াবাড়ি রকম দুর্বলতা চোখে পড়লো। মোটামুটি সবকটা গল্পেই (১ম, ২য়, ৪র্থ ও ৩য়টায় সামান্য) একটা গুপ্ত ল্যাবরেটরি বা নিদেনপক্ষে একটা কন্ট্রোল প্যানেল (যেখান থেকে দূরনিয়ন্ত্রক যন্ত্রের সাহায্যে সবকিছু চালনা করা হয়) থেকে থাকে। ১ম পর্বে এর থেকে লেখক বেড়োতে পারেননি। আশা করি পরবর্তী পর্বগুলোয় এই ব্যাপারটা কাটিয়ে উঠবেন তিনি।

তবে লেখনি ভারী ঝরঝরে। কোথাও বিশ্রামের অবকাশ কিন্তু মেলেনি, বলতে বাধ্য হচ্ছি। যেটুকু না লিখলেই নয়, তার বাইরে একটা বাজে শব্দ খরচ করে পাতার পর পাতা লম্বা করে গেছেন লেখক; এটা তাঁর লেখা অপছন্দ করে এমন পাঠকও বলতে পারবেন না। অযথা চরিত্রের আমদানি করেন নি (যেটা আমার শেষ পড়া বইয়ে বড় বিরক্তিকর লেগেছিল)। সবকয়টা চরিত্রের মাঝে দুর্জয়বাবুর চরিত্রটা অনেকদিন মনে থাকবে আমার। অর্জুনের গল্পে (সমরেশ মজুমদার) মেজরের ছায়ায় তৈরী; নিমেষে এটাই মনে এসেছে।

আচ্ছা এ তো গেল ভালো কথা...এবার যে জিনিসগুলোর হিসাব মিললো না, সেগুলো নিয়ে বসা যাক...



সবমিলিয়ে বইটি বেশ ভালো।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.