Jump to ratings and reviews
Rate this book

টর্নেডো টেক্স

Rate this book
বাবা-মা মারা যাওয়ার পর ঋণের দায়ে বাড়িঘর হারিয়ে নিখোঁজ বড়ভাইয়ের খোঁজে পশ্চিমে এসেছে মেলিন্দা হ্যারিসন, সঙ্গে ছোটভাই জন আর বুড়ো গাইড চেরেকি। নেভিলে এসে জানতে পারল, বার এমএল র‌্যাঞ্চের মালিক হ্যারি নয়, কাড ব্রুস নামের একজন। আউটল দল ওয়াইল্ড ওয়ানসের আড্ডা। কিন্তু নিখোঁজ বড়ভাই ছাড়া এমন কেউ নেই যে ওদের!
এদিকে ইভান রাইন নামের একজন গরুব্যবসায়ী মেলিন্দাকে দূর থেকে দেখেই সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল।
শুরু হলো ঘটনা। একদিকে সুন্দরী অসহায় এক তরুণী, অন্যদিকে দুর্ধর্ষ ওয়াইল্ড ওয়ানস। মাঝখানে বার এমএল নামক এক রহস্যময় র‌্যাঞ্চ। জমে উঠল গল্প।

320 pages, Hardcover

Published November 1, 2016

6 people want to read

About the author

Masud Anwar

20 books5 followers
মাসুদ আনোয়ারের জন্ম ১ জানুয়ারি, ১৯৫৯ সালে (সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম)। বর্তমানে সাংবাদিকতার ও বার্তা বিভাগের অন্যান্য কাজের পাশাপাশি আমাদের জন্য লিখে যাচ্ছেন ওয়েস্টার্ন বই। সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তার বই এর সংখ্যা ১৫ ছাড়িয়ে গেছে বেশ আগে।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
3 (37%)
2 stars
5 (62%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
Profile Image for শুভাগত দীপ.
276 reviews43 followers
August 25, 2018
|| রিভিউ ||

বইঃ টর্নেডো টেক্স
লেখকঃ মাসুদ আনোয়ার
প্রকাশকঃ সেবা প্রকাশনী
প্রকাশকালঃ ২০১৬
ঘরানাঃ ওয়েস্টার্ন
প্রচ্ছদঃ রনবীর আহমেদ বিপ্লব
পৃষ্ঠাঃ ৩২০
মুদ্রিত মূল্যঃ ১১৫ টাকা
ধরণঃ পেপারব্যাক


কাহিনি সংক্ষেপঃ নিখোঁজ বড় ভাই হ্যারি নেলসনের খোঁজে পূব থেকে পশ্চিমে পাড়ি জমিয়েছে সুন্দরী তরুণী মেলিন্দা নেলসন। সঙ্গী হিসেবে আছে কিশোর ছোট ভাই জন নেলসন ও বুড়ো চেরেকি। হ্যারির দেয়া তথ্যানুযায়ী সে পশ্চিমে বার এমএল নামের এক র‍্যাঞ্চের মালিক। কিন্তু নেভিলে পা রেখেই মেলিন্দার কানে আসতে লাগলো নানা কানকথা। কোন জন্মেই নাকি বার এমএল র‍্যাঞ্চের মালিক হ্যারি ছিলোনা। এমনকি হ্যারি নামের কাউকে কেউ নাকি চেনেওনা। র‍্যাঞ্চটার মালিক নাকি কাড ব্রুস নামের এক লোক। তার চেয়েও বড় কথা, পুরো এলাকাটাই নাকি ওয়াইল্ড ওয়ানস নামের এক আউটল দলের আড্ডাখানা।

মেলিন্দা ও জনের মতো ভদ্র ঘরের দুটো ছেলেমেয়েকে দেখামাত্র ওদেরকে সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নিলো গরু ব্যবসায়ী ইভান রাইন। ঘটনাচক্রে সে নিজেও জড়িয়ে পড়লো জেরেমি লোটাস ও জেস্ট বিসলির মতো আউটলদের সাথে। অদ্ভুত একটা সম্পর্ক গড়ে উঠলো ওদের মধ্যে। এমনকি পিছনে লেগে গেলো শেরিফ ওয়েভালের নেতৃত্বাধীন পাসি বাহিনী। স্বনামধন্য একজন গরু ব্যবসায়ী থেকে রাতারাতি 'আউটল'-দের খাতায় নাম লেখানো ইভানের জীবন প্রভাবিত হতে লাগলো সম্পূর্ণ ভিন্নপথে।

এদিকে বার এমএল র‍্যাঞ্চের অদূরেই হাইরিভার নিয়ন্ত্রণ করছে একজন সাবেক আউটল ও বর্তমান আউটলদের আশ্রয়দাতা টাক টড। তার মাথার ওপরে আবার ছড়ি ঘোরাচ্ছে আউটলদের সর্দার জার্ক মনডে। বার এমএল র‍্যাঞ্চের দাবি নিয়ে আসা মেলিন্দা ও জনের পথ সেক্ষেত্রে কিভাবে আর সুগম হয়! হলোওনা তা। সেই সাথে অনিশ্চিত হয়ে পড়লো নিখোঁজ বড় ভাই হ্যারি নেলসনের খোঁজ বের করার ব্যাপারটাও। ধীরে ধীরে ইভান রাইনও চূড়ান্ত এক লড়াইয়ের দিকে এগিয়ে যেতে লাগলো। কিন্তু শত্রু তো একজন-দুজন না, অনেক। আর বুনো পশ্চিমের চিরায়ত রীতি মেনেই যেন বুলেট বৃষ্টি আর রক্তপাতের মধ্য দিয়েই এই কাহিনির যবনিকাপাত ঘটলো।


পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ 'টর্নেডো টেক্স' প্রকাশিত হওয়ার পরপর কেনা হলেও দীর্ঘদিন না পড়া অবস্থায় ফেলে রেখেছিলাম। অবশেষে বইটা পড়ার সু্যোগ হলো। কাহিনি খুব আহামরি ধরণের কিছুনা। বুনো পশ্চিমকে নিয়ে আটপৌরে গল্পই বলা চলে৷ একটা বিভ্রান্তিকর তথ্যকে আঁকড়ে ধরে অসহায় দুই ভাইবোনের পশ্চিম পাড়ি দেয়া, দয়ালু এক গরু ব্যবসায়ীর তাদেরকে সাহায্য করার মনোভাব, একঝাঁক ভয়ঙ্কর আউটল আর রক্তক্ষয়ী লড়াই নিয়েই এই ওয়েস্টার্ন কাহিনি।

মাসুদ আনোয়ারের এই ওয়েস্টার্ন কাহিনির একটা বাজে দিক হলো অহেতুক রিপিটেশন। একটা নির্দিষ্ট ব্যাপারকে একাধিকবার নানাভাবে ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে লিখেছেন তিনি। এই ব্যাপারটা বেশ বিরক্তিকর লেগেছে আমার কাছে। বারবার একই বক্তব্যের অহেতুক প্রয়োগ বইটার কলেবর বৃদ্ধির কৌশল ছাড়া আর কিছু মনে হয়নি।

৩২০ পৃষ্ঠার 'টর্নেডো টেক্স'-এর মাঝামাঝি এসে খুব বোরিং লাগছিলো। সেটার কারণ হিসেবে আমি দায়ি করবো একঘেয়ে ঘটনাপ্রবাহকে। এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিলো, জোর করেই বইটা পড়ছি বোধহয়। একটা কনফিউশনের কথা না বললেই না। সেটা হলো, ১৯৮ পৃষ্ঠার শুরুতেই বলা হয়েছে ইভান লোটাসকে হ্যারিকেনের ব্যাংক ড্রাফট ভাঙ্গাতে যাওয়ার ব্যাপারটা বাদ দিয়ে সবই বলেছে। কিন্তু ওই একই পৃষ্ঠায় দেখা গেছে কোন রকম পূর্বাভাস ছাড়াই ইভান লোটাসের কাছে এই ব্যাপারে মতামত চাইছে, যা সত্যিই বিভ্রান্তিকর। এই সিকোয়েন্সটা একেবারেই আমার মাথায় ঢোকেনি। একটা ব্যাপার অবশ্য ভালো লেগেছে। তা হলো, ইভান রাইনের সাথে জেরেমি লোটাসের সম্পর্কটা।

দীর্ঘদিন ওয়েস্টার্ন কাহিনি থেকে দূরে থাকার পর এই সিরিজে প্রত্যাবর্তনের জন্য 'টর্নেডো টেক্স' মোটেও কোন ভালো সাজেশন না। যদিও এটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত। চাইলেই বইটার কাহিনি অর্ধেকে নামিয়ে আনা যেতো। তার জন্য অবশ্য মাত্রাতিরিক্ত বর্ণনার ব্যাপারটা পরিহার করলেই চলতো। রনবীর আহমেদ বিপ্লবের প্রচ্ছদটা মন্দের ভালো ছিলো। প্রচ্ছদটা আসলেই ভালো লেগেছে।


ব্যক্তিগত রেটিংঃ ২.৫/৫
গুডরিডস রেটিংঃ ২/৫

© শুভাগত দীপ

(২৫ আগস্ট, ২০১৮)
Profile Image for S. M. Hasan.
162 reviews
May 28, 2022
সহজ ভাষায় বললে আমি বলব লেখক একদমই জমাতে পারেননি। টর্নেডো টেক্স নামক এক ব্যাক্তিকে নিয়ে বইটা লেখা, প্লটও তাকে ঘিরেই। কিন্তু পুরো বইয়ে টর্নেডো টেক্স শব্দটা এসেছে দুই কি তিনবার। সেটা সমস্যা না, বই পড়ে মনে হল লেখক থ্রিল দিতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেছেন
Profile Image for Masum Billah.
187 reviews3 followers
February 19, 2020
মাঝারি মানের একটা কাহিনী। আরো ভালো হতে পারত।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.