বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং ফার্ম ‘ম্যাট্রিক্স’- এর ছ’টি চরিত্রকে নিয়ে এই উপাখ্যান। চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রকাশ নাঠানি, অপারেশন্স ম্যানেজার তাপস রায়চৌধুরি, টিম লিডার গুঞ্জা ভোইমিক, টেলিকলার বিপাশা রায়চৌধুরি ও শালিনী বসু এবং ড্রাইভার যাদব রঞ্জিত। ২০০৮ সালের বিশ্বজোড়া অর্থনৈতিক মন্দা তাপস ও বিপাশার, প্রকাশ ও শালিনীর আশা-আকাঙ্খাকে কীভাবে তছনছ করে দেয় –এই উপাখ্যান তাই নিয়ে। এই উপাখ্যানে উঠে এসেছে একুশ শতকের প্রথম দশক, যার অন্য নাম শূন্যের দশক। শূন্য এবং একের বাইনারি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে উপাখ্যানের গঠনে। প্রতিটি অধ্যায়ক্রম বাইনারি ভাষায় চিহ্নিত হলেও অন্তিম অধ্যায়ে ফিরে এসেছে প্রচলিত সংখ্যাপদ্ধতি। যেভাবে নিজেদের আত্মাকে আউটসোর্স করে দেওয়ার হাতছানি অগ্রাহ্য করে ঘরে ফেরে যাদব ও গুঞ্জা।
ইন্দ্রনীল সান্যালের জন্ম হাওড়ার বালিতে, ১৯৬৬ সালে। নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ থেকে এম বি বি এস। প্যাথলজিতে এম ডি, পিজি হাসপাতাল থেকে।সরকারি চাকরির সূত্রে কাজ করেছেন সুন্দরবনের প্রত্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মহাকরণের ডিসপেনসারিতে, লালবাজার সেন্ট্রাল লকআপ থেকে গঙ্গাসাগর মেলার হেল্থ ক্যাম্পে।বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।প্রথম প্রকাশিত গল্প ২০০৪ সালে ‘উনিশকুড়ি’ পত্রিকায়।শখ: বই পড়া, ফেসবুকে ফার্মভিল এবং হ্যাপি অ্যাকোয়ারিয়াম খেলা, সুদোকু সমাধান।