আমরা নিজেদেরকে যারা মুসলিম বলি, সবাই সাক্ষ্য দিই- "লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ", কিন্তু এর প্রকৃত অর্থ কি অনুধাবন করতে পেরেছি?
আরবের মুশরিকরাও আল্লাহকে রব হিসেবে স্বীকৃতি দিত, তাঁকে আসমান জমিনের সবকিছুর নিয়ন্ত্রক হিসেবে মেনে নিত, অর্থাৎ তাওহীদুর রুবুবিয়্যাহ (আল্লাহকে একমাত্র রব হিসেবে স্বীকার করা)- তে তাদের কোনো সমস্যা ছিল না। কিন্তু তারা রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিরোধিতা এজন্যই করত যে ইবাদাতের ক্ষেত্রে তারা সম্পূর্ণভাবে আল্লাহকেই যোগ্য ভাবত না, বরং তারা ভাবত তাদের সেসময়কার সম্মানীয় ব্যক্তিবর্গ, অথবা পূর্বের কোনো নবী, ফেরেশতা, বা আউলিয়া প্রমুখ তাদেরকে আল্লাহর কাছাকাছি নিতে সক্ষম, তাই তাদের কাছে সুপারিশ চাইতে কোনো সমস্যা নেই। তাই তারা তাদের পূর্বপুরুষদের মূর্তি বানিয়ে রাখত, তাদের পূজা করত।
আমাদের মুসলিম সমাজে আজও কবরপূজা, পীরপূজা, মাজারপূজা এসব বিদ্যমান।
আমরা হয়ত বলি, আমরা তো তাদের মত পূজা করছি না, তবুও কেন আমাদের কাজকে শিরক বলা হবে? প্রকৃতপক্ষে এসব আমাদের জ্ঞানের অভাবে বলা।
কিন্তু এই কারণ দেখানো কি কিয়ামতের দিন আমাদেরকে বাঁচাতে পারবে? যেই গুনাহকে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন সবচেয়ে বড় কবিরা গুনাহ এবং বারবার তা থেকে দূরে থাকতে বলেছেন, সে সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা অপরিহার্য নয় কি?
বক্ষ্যমান বইটিতে শাইখ কুরআন সুন্নাহর আলোকে শক্ত দলিল দিয়ে এখনকার সময়ের মানুষদের শিরক, কুফর নিয়ে ভ্রান্ত ধারণার অপনোদন করেছেন।