কলকাতার শহরতলি ছাড়িয়ে দূরে নির্জন একটি রস্তায় বহুকালের পুরোনো একটি পোড়ো বাড়ি। কাছাকাছি যারা থাকে কেউ সে-বাড়ির ধারে-কাছে ঘেঁষে না-হানাবাড়ি বলে এমনি তার দুর্নাম। বর্মা থেকে যুদ্ধের সময়ে বিতাড়িত একটি পরিবার বাধ্য হয়ে সেই বাড়িতে এসেই উঠলেন। কিন্তু প্রথম রাত্রেই এমন ভয় তাঁরা পেলেন যে সেখানে টেকা তাঁদের দায় হয়ে উঠল। পুলিশ তাঁদের সাহায্যে এগিয়ে এল, বন্ধুবান্ধবও তাঁরা পেলেন। কিন্তু সে-বাড়ির রহস্য ও বিভীষিকার কোনো কিনারাই হল না। তার ওপর হল একটি খুন। এই হানাবাড়িকে কেন্দ্র করে তারপর যেসব রোমাঞ্চকর ঘটনা ঘতল, লেখক পরিচালক প্রেমেন্দ্র মিত্র তা-ই নিয়ে বাংলায় অদ্বিতীয় একটি রহস্য চিত্র তুলেছেন। রুদ্ধ-নিশ্বাসে দেখবার সেই ছবিই এখানে ত্নময় হয়ে পড়বার উপন্যাস হয়ে উঠেছে। বাংলা দেশে উৎকৃষ্ট মৌলিক রহস্যকাহিনির সংখ্যা খুব বেশি নয়। সাহিত্যের সব্যসাচীরূপে প্রেমেন্দ্র মিত্র অন্যান্য অনেক বিষয়ের মতো এ-বিভাগেও অগ্রগণ্য।
Premendra Mitra (Bangla: প্রেমেন্দ্র মিত্র) was a renowned Bengali poet, novelist, short story writer and film director. He was also an author of Bengali science fiction and thrillers.
His short stories were well-structured and innovative, and encompassed the diverse to the divergent in urban Indian society. The themes of poverty, degradation, caste, the intermittent conflict between religion and rationality and themes of the rural-urban divide are a thematically occurring refrain in much of his work. He experimented with the stylistic nuances of Bengali prose and tried to offer alternative linguistic parameters to the high-class elite prosaic Bengali language. It was basically an effort to make the Bengali literature free from softness, excessive romance and use of old style of writing which were prevalent in older writings.
প্রেমেন্দ্র মিত্র সময়ের তুলনায় এগিয়ে থাকা এক স্রষ্টা ছিলেন। কবিতায় ও ফিকশনে নানাভাবে পথিকৃতের ভূমিকা পালন করা মানুষটি একসময় বেশ কিছু চিত্রনাট্যও রচনা করেছিলেন। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা বাংলা চলচ্চিত্র মাধ্যমটিকে, সাময়িকভাবে হলেও, আন্তর্জাতিক মানের সান্নিধ্যে এনেছিল। আলোচ্য উপন্যাসটি তেমনই এক চিত্রনাট্যের পরিবর্তিত রূপ। বিদগ্ধ পাঠক এই কাহিনিতে "দ্য হাউন্ড অফ দ্য বাস্কারভিলস্"-এর স্পষ্ট ছায়াপাত লক্ষ করবেন। কিন্তু ডয়েলের গথিক কাঠামোতে প্রেমেন্দ্র ক্রিস্টির রহস্যকাহিনির চলন এবং চরিত্রচিত্রণের নিপুণ প্রয়োগ ঘটিয়েছিলেন। অত্যন্ত পরিমিত সংলাপের সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটেছিল রসবোধ ও রোমান্সের। আর শেষে এসেছিল একটি প্রত্যাশিত হয়েও তুমুল উপভোগ্য ট্যুইস্ট। আজকের পাঠকের কাছে সবটাই হয়তো বহু ব্যবহারে ক্লিশে ঠেকবে। কিন্তু আজ থেকে ছয় দশকেরও বেশি আগে লেখা এই আখ্যান পড়তে আমার কিন্তু হেব্বি লাগল। সুযোগ পেলেই পড়ে ফেলুন।
আশাহত । নাম শুনে কত না কি ভেবেছিলাম। নাহ্ কোনো আশাই পূর্ণ হলো না। একবিন্দুও ভয় পেলাম না। অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম কবে বইটা পড়ার সুযোগ হবে,নাম শুনেই বেশ ভুতুড়ে ভুতুড়ে লাগছে,পড়তে বেশ লাগবে কিন্তু কোথায় কি !! কাহিনি সংক্ষেপে নিম্নে দিলাম -
কাহিনী শুরু হয় একটি হানাবাড়ির ভয়ংকর ঘটনা দিয়ে যেখানে দেখা যায় একজন তরুন যার নাম জয়ন্ত নির্জন রাস্তা দিয়ে ছুটে পালিয়ে আসছে। সে রাস্তার পার্শ্ববর্তী একটি বাড়িতে ঢোকে যার মালিক শ্রীমন্তবাবু। শ্রীমন্ত একাই থাকেন এবং তিনি পেশায় শিল্পী ও ভাস্কর। তিনি জয়ন্তকে আশ্রয় দেন। জয়ন্ত স্থানীয় থানায় জানায় যে ওই হানাবাড়িতে সে গাড়ি খারাপ হয়ে গেলে রাতটুকু আশ্রয়ের জন্যে ঢুকে একটি বিরাট গরিলার মতো কোনো জন্তুর মুখোমুখি হয়েছিল। পুলিশ ইন্সপেক্টর বলেন যে এসব ভুতুড়ে ব্যাপারে তাদের কিছু করার নেই। জয়ন্ত কলকাতায় ফিরে খোঁজ নেয় ও জানতে পারে তারই পূর্ব পরিচিত একজন সেই বাড়িটি কিনেছেন এবং শীঘ্রই সেই বাড়িতে দুই ভাগ্নী ললিতা ও নমিতাকে নিয়ে তাদের মামাবাবু সেখানে বসবাসের জন্যে যাচ্ছেন। রহস্য ভেদ করার জন্যে ও মামাবাবুদের নিরাপত্তা দিতে জয়ন্ত সেখানে থাকতে শুরু করে। সেই বাড়িতে হঠাৎ হঠাৎ এক ভিখারী ঢুকে পড়ে ভিক্ষা চায়, এবং রহস্যজনক কিছু মানুষ আশেপাশে খোঁজ খবর নেয়। বাড়ি জমি বিক্রয়ের অফিসে নাগ ও বাগ নামের দুই ব্যক্তির কাছে এক অচেনা ব্যক্তি খোঁজ নিতে আসে যে ওই হানাবাড়িটি বিক্রি আছে কিনা। সেই অচেনা ব্যক্তি কদিন পরেই খুন হয়ে যায়। এর মধ্যে বাড়ির ভেতরেই বনমানুষটিকে কয়েকবার দেখা যায়। শ্রীমন্ত, জয়ন্ত ও পুলিশের গুলিতে সে আহত হলেও তাকে পাওয়া যায়না। মামাবাবু বাড়ির গুপ্ত কুঠুরি থেকে আবিষ্কার করেন একটি নকশা যা তিনি দেন শ্রীমন্তকে। জয়ন্ত জানতে পারে যে নকশাটি গুপ্তধনের যার জন্যে সকলে এই বাড়ির দিকে নজর দিচ্ছে। এক রাত্রে অজ্ঞাত আততায়ী আক্রমনে মামাবাবু মারাত্মক আহত হন। পুলিশ জয়ন্তকে গ্রেপ্তার করে এই অভিযোগে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আসল অপরাধী ধরা পড়ে। জানা যায় ভিখারি বেশে বাউণ্ডুলে লোকটি আসলে গোয়েন্দা অফিসার।সেই গোয়েন্দা মিঃ রুদ্রই হানাবাড়ির রহস্যের সমাধান করেন।
Movie turned into a book, that's what it was, that's how it felt. Did I enjoy? Somewhat! Since it was old age story, didn't expect too much to begin with. At few places the description felt like movie script. Dialogue was good mostly. I liked the conversations between a few characters. Suspense was available and ending was tragic. Overall an average read.