What do you think?


মিহি ও মোটা কাহিনি
- GenresFiction
127 pages, Hardcover
First published January 1, 1938
About the author
Manik Bandopadhyay
135 books540 followersManik Bandopadhyay (Bengali: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়) was an Indian Bengali novelist and is considered one of the leading lights of modern Bangla fiction. During a short lifespan of forty-eight years, plagued simultaneously by illness and financial crisis, he produced 36 novels and 177 short-stories. His important works include Padma Nadir Majhi (The Boatman on The River Padma, 1936) and Putul Nacher Itikatha (The Puppet's Tale, 1936), Shahartali (The Suburbia, 1941) and Chatushkone (The Quadrilateral, 1948).
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 5 of 5 reviews
Read
February 4, 2026পছন্দের গল্প - বিড়ম্বনা, কবি ও ভাস্করের লড়াই, আশ্রয়, শৈলজ শিলা, খুকি ইত্যাদি। মানিক কতোটা বৈচিত্র্যময় গল্পকার ছিলেন তা শৈলজ শিলা আর খুকি পাশাপাশি পড়লে বোঝা যায়। প্রথমটা নিষিদ্ধ যৌন আকাঙ্ক্ষার রুদ্ধশ্বাস কাহিনি,পরেরটা এতো মিষ্টিমধুর প্রেমের গল্প যে তা মানিকের লেখা বলে বিশ্বাস করা শক্ত।
August 4, 2020
মানিক বন্দোপাধ্যায়ের গল্পের বিশেষত্ব হলো বিষয়বস্তুর বিচিত্রতা।এই গল্পগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে ১৯৩৮ সালে।সে সময়ে বসে তিনি 'খুকি' নামের অত্যাধুনিক গল্প কিভাবে লিখেছেন ভাবতেই অবাক লাগে।এই গল্পগ্রন্থের বেশিরভাগ গল্পই সাইকোলজিক্যাল।প্রথম চারটি গল্পে রয়েছে বিদ্রুপাত্মক রচনাভঙ্গিতে মানুষের অদ্ভুত সাইকোলজির আখ্যান ('টিকটিকি' গল্পটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য)।হাত নিয়ে এক বিচিত্র আখ্যান আছে 'হাত' গল্পে।বৃদ্ধের অনবদমিত কামনা,প্রেমের লড়াই ইত্যাদি বিচিত্র বিষয় নিয়ে গল্প আছে এতে।
কিন্তু মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো গল্প একটাও পেলাম না এই যা আফসোস।অন্যধাঁচের গল্পগুলো পড়তে ভালো লাগে মানিকের লেখনীর গুণেই।কোন গল্পই সেইভাবে ভালো না লাগায় চার তারা দেয়া গেলো না।
কিন্তু মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো গল্প একটাও পেলাম না এই যা আফসোস।অন্যধাঁচের গল্পগুলো পড়তে ভালো লাগে মানিকের লেখনীর গুণেই।কোন গল্পই সেইভাবে ভালো না লাগায় চার তারা দেয়া গেলো না।
April 3, 2025
৪.৫/৫
একটি ছাড়া আর সব গল্পগুলোকে একেবারে খাসা লাগলো।
একটি ছাড়া আর সব গল্পগুলোকে একেবারে খাসা লাগলো।
November 2, 2022
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের এক অপার বিস্ময়ের নাম। যার লেখা পাঠ করলে তাঁর নিজস্ব ভঙ্গিমার অপরূপ ভাষার সৌন্দর্যের সমান্তরালে মানিকের সমাজঅনুসন্ধান এবং মানবচরিত্রের বিভিন্ন আপাত ক্ষুদ্রাতিক্ষু্দ্র বিষয়ের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ পাওয়া যায়।
১২ টি গল্পের সমন্বয়ে এই গ্রন্থটি প্রকাশিত। প্রতিটি গল্পই যেন নিজস্ব প্রবাহমানতার দিকে কারো ধার না ধেরেই এগিয়েছে। মানিকের সাথে একটা বিষয়ে কোথায় জানি দয়েস্তভস্কির মিল পাই আমি। লেখনীর কথা বলছি না। ভাবালুতায় পূর্ণ এবং শুস্ক, ম্যাড়ম্যাড়ে লেখার যুগকে পাশ কাটিয়ে তীব্র বেগে লেখক এগিয়েছেন অন্যান্য বিষয় নিয়ে। যার মধ্যে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল ভায়োলেন্স। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল রহস্যময় মনুষ্যমনের বিশ্লেষণের প্রয়াসের সুকঠিন পথে লেখনীর মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া।
'টিকটিকি' গল্পটিতে আমরা প্রতীকি ব্যঞ্জনা পাই। বিপত্মীকে মানিকের লেখা পঠনে একজন কোল্ড ব্লাডেড রাইটারের দেখা পাই। এই যে শীতল রক্তস্রোতের লেখালেখি তা পরে বাংলা সাহিত্যের অনেকে নিজেদের লেখায় এনেছেন। 'হাত' গল্পে অস্বস্তিকর এবং অস্থির এবং অসহায় ভায়োলেন্ট মাইন্ডের দেখা পেতে পারেন পাঠক। 'বিড়ম্বনা' গল্পে চমক না দিতে চেয়েও মনে হয় সন্তপর্ণে কর্মটি করেছেন মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। 'রকমারি' তে নিদারুন এক কমিক রিলিফের দেখা পাবেন পাঠক বন্ধুরা। রম্যরচনায় মানিকের অদ্ভুত দক্ষতা ভুলার নয়। একদম দম ফাঁটানো হাসির গল্প। 'কবি ও ভাস্করের লড়াই' এ এমন এক দ্বৈরথ ফুটিয়ে তুলা হয়েছে যা মানবমনের দ্বৈততা এবং ঈর্ষার বহিপ্রকাশ ঘটায়। 'আশ্রয়' গল্পটি একইসাথে মনকে আনন্দিত এবং বিমর্ষ করার মিশ্র অনুভূতি এনে দেয়।
আমার বেশি পছন্দের গল্পগুলো নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করলাম। তবে প্রতিটি গল্প স্বীয় শক্তিতেই বলীয়ান। মানিকের গল্পকার হিসেবে সুযোগ্যতার পাশাপাশি বারবার হিউম্যান সাইকোলজির অব্যক্ততার ব্যক্ত রূপ সুচারুভাবে সচেতন পাঠকের সামনে আবির্ভাব ঘটাবে।
পরিশিষ্টে বাংলা সাহিত্যের এই গ্রেইটের সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জি এবং গ্রন্থপঞ্জী পাঠ করে যে কেউ মুগ্ধ হয়ে যেতে পারেন।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচনা করেছেন এক ভিন্ন সময়ের গল্প। গ্রন্থটির টাইমলাইন লেইট থার্টিজের। কিন্তু মানবমনের অনেক প্রকরণ, আচরণ, অস্বস্তি, ঈর্ষা, ভায়োলেন্স, যৌন অবদমন এখনো প্রাসঙ্গিক।
কোন কোন গল্পসমূহ হয়তো তূলনামূলকভাবে হাল্কা ও ভারী চরিত্রের।
মানবজীবনের সূক্ষ্ম এবং স্থুল অনুসঙ্গ লেখক অনবদ্য গল্পকার হিসেবে বইয়ের দুই মোড়কের মাঝে তাঁর লেখনীর মাধ্যমে যেন অঙ্কন করেছেন।
ঠিক এই কারণেই মনে হয় এই গল্পসংকলন গ্রন্থের নাম 'মিহি ও মোটা কাহিনি'।
পাঠ প্রতিক্রিয়া
মিহি ও মোটা কাহিনি
লেখক : মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
( প্রথম প্রকাশ : ১৯৩৮ সন )
অবসর প্রকাশনা প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০১৬
প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণ : সব্যসাচী হাজরা
জনরা : গল্প সংকলন
রিভিউয়ার : ওয়াসিম হাসান মাহমুদ
১২ টি গল্পের সমন্বয়ে এই গ্রন্থটি প্রকাশিত। প্রতিটি গল্পই যেন নিজস্ব প্রবাহমানতার দিকে কারো ধার না ধেরেই এগিয়েছে। মানিকের সাথে একটা বিষয়ে কোথায় জানি দয়েস্তভস্কির মিল পাই আমি। লেখনীর কথা বলছি না। ভাবালুতায় পূর্ণ এবং শুস্ক, ম্যাড়ম্যাড়ে লেখার যুগকে পাশ কাটিয়ে তীব্র বেগে লেখক এগিয়েছেন অন্যান্য বিষয় নিয়ে। যার মধ্যে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল ভায়োলেন্স। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল রহস্যময় মনুষ্যমনের বিশ্লেষণের প্রয়াসের সুকঠিন পথে লেখনীর মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া।
'টিকটিকি' গল্পটিতে আমরা প্রতীকি ব্যঞ্জনা পাই। বিপত্মীকে মানিকের লেখা পঠনে একজন কোল্ড ব্লাডেড রাইটারের দেখা পাই। এই যে শীতল রক্তস্রোতের লেখালেখি তা পরে বাংলা সাহিত্যের অনেকে নিজেদের লেখায় এনেছেন। 'হাত' গল্পে অস্বস্তিকর এবং অস্থির এবং অসহায় ভায়োলেন্ট মাইন্ডের দেখা পেতে পারেন পাঠক। 'বিড়ম্বনা' গল্পে চমক না দিতে চেয়েও মনে হয় সন্তপর্ণে কর্মটি করেছেন মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। 'রকমারি' তে নিদারুন এক কমিক রিলিফের দেখা পাবেন পাঠক বন্ধুরা। রম্যরচনায় মানিকের অদ্ভুত দক্ষতা ভুলার নয়। একদম দম ফাঁটানো হাসির গল্প। 'কবি ও ভাস্করের লড়াই' এ এমন এক দ্বৈরথ ফুটিয়ে তুলা হয়েছে যা মানবমনের দ্বৈততা এবং ঈর্ষার বহিপ্রকাশ ঘটায়। 'আশ্রয়' গল্পটি একইসাথে মনকে আনন্দিত এবং বিমর্ষ করার মিশ্র অনুভূতি এনে দেয়।
আমার বেশি পছন্দের গল্পগুলো নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করলাম। তবে প্রতিটি গল্প স্বীয় শক্তিতেই বলীয়ান। মানিকের গল্পকার হিসেবে সুযোগ্যতার পাশাপাশি বারবার হিউম্যান সাইকোলজির অব্যক্ততার ব্যক্ত রূপ সুচারুভাবে সচেতন পাঠকের সামনে আবির্ভাব ঘটাবে।
পরিশিষ্টে বাংলা সাহিত্যের এই গ্রেইটের সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জি এবং গ্রন্থপঞ্জী পাঠ করে যে কেউ মুগ্ধ হয়ে যেতে পারেন।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচনা করেছেন এক ভিন্ন সময়ের গল্প। গ্রন্থটির টাইমলাইন লেইট থার্টিজের। কিন্তু মানবমনের অনেক প্রকরণ, আচরণ, অস্বস্তি, ঈর্ষা, ভায়োলেন্স, যৌন অবদমন এখনো প্রাসঙ্গিক।
কোন কোন গল্পসমূহ হয়তো তূলনামূলকভাবে হাল্কা ও ভারী চরিত্রের।
মানবজীবনের সূক্ষ্ম এবং স্থুল অনুসঙ্গ লেখক অনবদ্য গল্পকার হিসেবে বইয়ের দুই মোড়কের মাঝে তাঁর লেখনীর মাধ্যমে যেন অঙ্কন করেছেন।
ঠিক এই কারণেই মনে হয় এই গল্পসংকলন গ্রন্থের নাম 'মিহি ও মোটা কাহিনি'।
পাঠ প্রতিক্রিয়া
মিহি ও মোটা কাহিনি
লেখক : মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
( প্রথম প্রকাশ : ১৯৩৮ সন )
অবসর প্রকাশনা প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০১৬
প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণ : সব্যসাচী হাজরা
জনরা : গল্প সংকলন
রিভিউয়ার : ওয়াসিম হাসান মাহমুদ
August 8, 2020
১২টি মিহি ও মোটা কাহিনীকে প্রথমেই দুভাগ করে পাঠক। একদিকে থাকে তার প্রত্যাশিত মানিক। আর অন্যদিকে অচেনা অপ্রত্যাশিত মানিকের কিছুটা দূর থেকে বলে যাওয়া গল্প।
শুরুতে দূর থেকে বলেন লেখক। তাই তার স্বর তেমন জোরালো হয়ে ওঠে না। কিন্তু দূরত্বেরও অন্যরকম আবেদন আছে। অন্যপ্রকার ভাবনা আছে।
যেমন, বিপত্নীক চরিত্রের কাছে ফাঁস নেয়া স্ত্রীর চাইতেও জরুরী হয়ে উঠতে পারে তার ফাঁসের দড়ি হুকে আটকানোর ব্যাপারটি।
এই ব্যাপার ভাবতে ভাবতেই দেখা যায় হাত নিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে কেউ। এভাবেই রকমারি গল্প এগিয়ে চলে। কবি ও ভাস্করের লড়াই চলে। এবং অবশেষে পাঠক তার প্রত্যাশিত মানিকের আশ্রয় খুঁজে পায়। খুঁজে পায় মানব মনের বিচিত্র প্রেম ও তার প্রভাব।
সে দেখে গড়ানো চাকা গড়িয়েই চলেছে। শৈলজ শিলাতেও সে প্রেমের রেশ থেকে যায়। এবং গল্পের ভেতর থেকে লেখক আচমকা-- হে পাঠক হে পাঠিকা বলে ডাকতেই পাঠক সচকিত হয়ে ওঠে। সে বোঝে, লেখক খুব নিকটে রয়েছে। গল্প জমে ওঠে। খুকির সঙ্গে তার সময় বেশ কাটে।
শেষে সিঁড়ি বেয়ে নামতে নামতে তার মনে হয়, এই সিঁড়িটাই একটা মাস্টারপিস। যেন গভীর কোন কথা এখানে লুকানো রয়েছে। ভাবতে ভাবতে পাঠক আনমনে সিঁড়ির একেবারে তিন-চারটা ধাপ টপকে যায়।
শুরুতে দূর থেকে বলেন লেখক। তাই তার স্বর তেমন জোরালো হয়ে ওঠে না। কিন্তু দূরত্বেরও অন্যরকম আবেদন আছে। অন্যপ্রকার ভাবনা আছে।
যেমন, বিপত্নীক চরিত্রের কাছে ফাঁস নেয়া স্ত্রীর চাইতেও জরুরী হয়ে উঠতে পারে তার ফাঁসের দড়ি হুকে আটকানোর ব্যাপারটি।
এই ব্যাপার ভাবতে ভাবতেই দেখা যায় হাত নিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে কেউ। এভাবেই রকমারি গল্প এগিয়ে চলে। কবি ও ভাস্করের লড়াই চলে। এবং অবশেষে পাঠক তার প্রত্যাশিত মানিকের আশ্রয় খুঁজে পায়। খুঁজে পায় মানব মনের বিচিত্র প্রেম ও তার প্রভাব।
সে দেখে গড়ানো চাকা গড়িয়েই চলেছে। শৈলজ শিলাতেও সে প্রেমের রেশ থেকে যায়। এবং গল্পের ভেতর থেকে লেখক আচমকা-- হে পাঠক হে পাঠিকা বলে ডাকতেই পাঠক সচকিত হয়ে ওঠে। সে বোঝে, লেখক খুব নিকটে রয়েছে। গল্প জমে ওঠে। খুকির সঙ্গে তার সময় বেশ কাটে।
শেষে সিঁড়ি বেয়ে নামতে নামতে তার মনে হয়, এই সিঁড়িটাই একটা মাস্টারপিস। যেন গভীর কোন কথা এখানে লুকানো রয়েছে। ভাবতে ভাবতে পাঠক আনমনে সিঁড়ির একেবারে তিন-চারটা ধাপ টপকে যায়।
Displaying 1 - 5 of 5 reviews






