Jump to ratings and reviews
Rate this book

পুঁইমাচা

Rate this book

17 pages, Unknown Binding

9 people are currently reading
142 people want to read

About the author

Bibhutibhushan Bandyopadhyay

209 books1,130 followers
This author has secondary bangla profile-বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.

Bibhutibhushan Bandyopadhyay (Bangla: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়) was an Indian Bangali author and one of the leading writers of modern Bangla literature. His best known work is the autobiographical novel, Pather Panchali: Song of the Road which was later adapted (along with Aparajito, the sequel) into the Apu Trilogy films, directed by Satyajit Ray.

The 1951 Rabindra Puraskar, the most prestigious literary award in the West Bengal state of India, was posthumously awarded to Bibhutibhushan for his novel ইছামতী.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
85 (50%)
4 stars
56 (32%)
3 stars
27 (15%)
2 stars
2 (1%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 17 of 17 reviews
October 3, 2023
আমার অন্যতম ভালোলাগার একজন কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তার উপন্যাস এবং ছোট গল্প আমাকে পাগলের মত টানে, এই পড়ো পড়ো করে।পুঁই মাচা, ছোট গল্প পড়ে আমার চোখ দিয়ে মনের অজান্তে পানি গড়িয়ে গেছে। এর অন্যতম কারণ
ক্ষেন্তির ভিতরে আমি আমার প্রতিচ্ছবি দেখতে পেয়েছি।ক্ষেন্তি মেয়েটি যেমন খেতে ভালবাসে আমিও তেমন ;তবে আমি মনে হয় ওর মত এত সহনশীলা নয়।
মানুষের জীবনের কোন কিছু থেমে থাকে না।ক্ষেন্তি মেয়েটি পুঁই এর ডগা দেখে যেমন উচ্ছ্বসিত হয়েছিলো, সে রকম উচ্ছ্বসিত কিছু মানুষকে কোহিনূর এনে দিলেও হবে কিনা সন্দেহ। মেয়েটির বিয়ে নিয়ে বাবা-মা উৎকন্ঠিত ছিল যার অবসান হয়েছিল ৪০বছরের এক বুড়োর সাথে তার বিবাহ সম্পন্নের মাধ্যমে। ক্ষেন্তি মেয়েটি এতই বোকা যে, সে তার ভাগ্যের এমন বিড়ম্বনা কে আশীর্বাদ মনে করেছিল।সে অনেক খুশি এবং সে ভেবেছিল তার হাতের লাগানো পুঁইশাক একদিন বড় হবে এবং বাপের বাড়ি আসলে সে এটা দিয়ে ভূরিভোজ করবে।কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস এই যে,এই কিশোরী মেয়েটি বসন্ত রোগ এবং শ্বশুর বাড়ির অসহ্য নির্যাতনের বলি হয়।এখন শীতকাল তার মা পিঠা বানাচ্ছেন, উঠনে বাড়ন্ত হয়েছে পুঁইয়ের ডগা কিন্তু আজ এই পিঠা ভক্ষণ করে কেউ
বলবে না মা অনেক ভালো হয়েছে খেতে!!কেউ বলবে না চিংড়ী দিয়ে পুঁই ডগা রাঁধতে কারণ সেই লোলুপ বোকা মেয়েটি এই ধরণীর মায়া ত্যাগ করেছে কিন্তু তাতে এই পৃথিবীর কোন ক্ষতি হয়নি, থেমে থাকে নি কিছুই।এটাই তো বাস্তবতা- আজ আছি বেঁচে তাই দাম একটু হলেও আছে,কাল মরে গেলে সবাই ভুলে যাবে!!
Profile Image for Preetam Chatterjee.
7,534 reviews379 followers
April 9, 2024
বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের সৃষ্টি বাংলা সাহিত্যে স্বতন্ত্র। আধুনিক জীবনের ক্ষুদ্রতা, নির্মমতা থেকে শতযোজন দূরে তাঁর সাহিত্য।

কিন্তু তবু তিনি সমাজসচেতন -- বাস্তবসিদ্ধ পদ্ধতিতে মৃত্তিকাচারী তিনি। 'পুঁইমাচা' গল্পেও সেই সমাজ আছে -- সহানুভূতিতে রসসিক্ত সে সমাজ।

যদিও সে সমাজে হিংসা আছে, আছে স্বার্থপরতা, পরের বিরুদ্ধে নিজের স্বার্থে আঘাত লাগলে, ঘোঁট পাকানোর প্রতিশোধস্পৃহাও আছে।

কালীময় চৌধুরী মণিগাঁয়ের শ্রীমন্ত মজুমদারের কাছে বিস্তর দেনায় পড়েছে। তাই মজুমদারের কুম্ভকার বধুর সাথে অবৈধ সম্পর্কের জেরে গণধোলাই খাওয়া ছেলের সাথে সহায়হরির মেয়ে ক্ষেন্তির সাথে সম্বন্ধ ঠিক করে সর্বময় সমাজপতি কালীময়।

পাত্রের দুশ্চরিত্রের খবর পেয়ে সহায়হরি আশীর্বাদ হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও সম্বন্ধ ভেঙে দেয়। তাকে একঘরে করার হুমকি দেয় কালীময়।

এগোতে থাকে গল্প।

শহরের চুন ব্যবসায় পয়সা করা, চল্লিশ বছরের পাত্রের দ্বিতীয় পক্ষ হিসাবে ক্ষেন্তির বিয়ে দেওয়া হল। শ্বশুরবাড়ির লোক, মাত্র সাড়ে তিনশ টাকা বাকি থাকায় মেয়ের সাথে দেখা করতে দেয়নি বাবাকে।

ক্ষেন্তিকে 'ছোটলোকের মেয়ে' বলে দিনরাত গালি পাড়া হয়। সহায়হরি পৌষমাসে বেহাই বাড়ি গেলে শাশুড়ি শুনিয়ে শুনিয়ে বললে, "ছোটলোকের সঙ্গে কুটুম্বিতা করলেই এ রকম হয়। যেমনি মেয়ে তেমনি বাপ। পৌষ মাসের দিন মেয়ে দেখতে এলেন শুধু হাতে।" বসন্ত হওয়া বৌমাকে, ক্ষেন্তির দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের ঘাড়ে ফেলে দেয় শ্বশুরবাড়ির লোক।

খুলে নেওয়া হয় তার গায়ের গয়না। অকালে ঝরে যায় ক্ষেন্তি।

এই গল্পে সমাজ আছে, সমাজবাস্তবতা আছে। তবে কালীময় বা ক্ষেন্তির শ্বশুরবাড়িকে Unalloyed Villain' হিসাবে আঁকেননি লেখক। ক্ষেন্তির 'tragedy'-কে উপস্থাপিত করার জন্য ঠিক যতটুকু প্রয়োজন, সমাজ ঠিক ততটুকুই এসেছে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাতে এই প্লট পড়লে এই গল্পই হয়তো আরেকটি 'পল্লীসমাজ' হয়ে উঠতো।

শেষ করা যাক নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় মহাশয়ের এই উক্তি দিয়ে: "বিভূতিভূষণ গ্রামীণ-কিন্তু গ্রাম্যতা বর্জিত। পল্লীজীবনের দীনতা হীনতা কুশ্রীতা তিনি দেখেছেন। কিন্তু শরৎচন্দ্রের মত খড়গপাণি হয়ে ওঠেননি”

না পড়ে থাকলে পড়ে নিন এই গল্প।
Profile Image for Yeasmin Nargis.
215 reviews3 followers
July 16, 2025
"পুঁইমাচা"এক জীবনের বিনিময়ে আঁকা সামাজিক ব্যাঙ্গচিত্র

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পুঁইমাচা’... কোনো সরল গ্রামীণ কাহিনি নয়, এটি বাংলার পল্লীজীবনের মুখোশ খুলে দেওয়া এক নির্মম প্রতিচ্ছবি। এখানে তিনি সমাজকে দোষারোপ করেন না, কিন্তু তার নিষ্ঠুর স্বরূপটুকু আমাদের চোখের সামনে তুলে ধরেন নীরব অথচ তীব্র কষ্টের ভাষায়।

ক্ষেন্তির জীবন যেন সমাজের ব্যবস্থাপনা ব্যর্থতার এক কাব্যিক অথচ করুণ উপস্থাপনা। তার দুঃখ একার নয় তা গোটা সমাজের আত্মপ্রবঞ্চনার ফসল। শ্বশুরবাড়ির প্রতিহিংসা, গরিব বাবার অপমান, আত্মীয়স্বজনের ঠান্ডা অবহেলা সব মিলিয়ে ক্ষেন্তি যেন নিঃশব্দে মুছে যাওয়া এক 'পুঁইমাচা' যার সবুজ পাতায় সমাজ একবারও জল দেয়নি।

বিভূতির মুন্সিয়ানা এখানেই তিনি কালীময় কিংবা ক্ষেন্তির শ্বশুরবাড়িকে একমাত্র দোষী করেন না; বরং দেখান, কীভাবে একটা গোটা সমাজ কাঠামো ধীরে ধীরে একটি মেয়েকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়, অথচ কেউ দায় নেয় না।

এই গল্প কাঁদায় না অসহায় করে তোলে। আর এখানেই বিভূতির সাহিত্যিক শক্তি।
Profile Image for Shreyashree.
252 reviews3 followers
March 25, 2023
পুঁইমাচা আমার পড়া বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের সর্বশ্রেষ্ট গল্প। এমন হৃদয়বিদারক গল্প আমি আগে কখনো পড়িনি। ক্ষেন্তি, পুঁটি ও রাধা - এই তিন কন্যা নিয়ে সংসার অন্নপূর্ণা দেবী ও তার স্বামী হরি সহায় বাবুর। ক্ষেন্তির বয়েস ১৫ ছুঁই-ছুঁই, তাই তার মা তার বিবাহের চিন্তায় সদাই মগ্ন। তবে ক্ষেন্তির মন এখনো সেই ছোট্ট বালিকার মতন কখনো পুঁইমাচায়, কখনো মেঠো আলুর ক্ষেতে, কখনো বা দীঘির চিংড়ি মাছের পরে ছুটে বেড়ায়। ভোজনরসিক মেয়েটা পাতে একটু অতিরিক্ত চচ্চড়ি বা পিঠে পেলেই তার মুখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। সমাজের নিয়মানুসারেই তাকে এক বিপত্নীক মধ্যবয়েসী এক ব্যক্তির নিকট পাত্রস্থ করতে হলো হরি সহায় বাবু কে। শেষে শশুরবাড়িতে শান্ত-শিষ্ট, সরল মেয়েটিকে যৌতুক এর জন্যে অত্যাচারিত হতে হতে প্রাণ দিতে হলো। মৃত্যুর আগে তার গা থেকে সব গয়নাও খুলে নিয়েছিলেন শশুরবাড়ির লোকেরা। এ গল্পের শেষের কিছু পাতা আমায় বাকরুদ্ধ করেছে। লেখক যে আবেগ নিয়ে এই গল্প রচনা করেছেন, তা সত্যিই সন ১৪২৯ এ এসে দুর্লভ্য ও অকল্পনীয়।
Profile Image for Munem Shahriar Borno.
208 reviews10 followers
April 26, 2025
"তিনজনেই খানিকক্ষণ নির্বাক হইয়া বসিয়া রহিল, তাহার পর তাহাদের তিনজনেরই দৃষ্টি কেমন করিয়া আপনা-আপনি উঠানের এক কোণে আবদ্ধ হইয়া পড়িল…"

বিভূতিভূষণের একটা লাইন-ই যথেষ্ট গল্পের ভাব বুঝতে। ❤️
Profile Image for Samia Rashid.
319 reviews18 followers
December 24, 2025
এত্ত কঠিন যে বুঝতেই গলদঘর্ম হয়ে যাওয়ার মত অবস্থা! একে তো সাধু ভাষা, তার উপর অতিরিক্ত কঠিন লেখা। আমার বোঝার সাধ্যের বাইরে।
Profile Image for Tamanna Binte Rahman.
185 reviews143 followers
December 22, 2022
কাহিনীটুকু পড়বার পরে মনে হতে পারে এতো সাধারণ গল্প। বাল্যবিবাহ আর যৌতুক প্রথার এরকম গল্পতো আমরা 'হৈমন্তী' পড়বার সময় জেনেছি। বিষয়টা হল সেইযুগে মেয়েদের আসলে কোনো মূল্যই ছিলোনা। বাল্যবিবাহ আর যৌতুক প্রথার বলি হতে হতো কতশত মেয়েদের। এখোনো কি সেই প্রথা খুব কমেছে? গরীব বাবা-মায়েরা কি মেয়ে শিশুদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন? পারেন তাদেরকে সমাজের বিষবাষ্প থেকে বাঁচাতে? গল্পের মেয়েটি খুব খেতে ভালবাসতো। ঐ একটিমাত্র স্বপ্ন (গরীব মেয়ে খেতেই পায়না তো আর স্বপ্ন দেখতো কী করে!)। অথচ অবস্থাসম্পন্ন পরিবারে বিয়ে হলেও তাকে খেতে দেয়া হয়নি, যত্ন নেয়া হয়নি। শেষে বিয়ের বছর না ঘুরতে বসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারাই গেল। এখোনো যখন পত্রিকায় ২০২২ সালে এসেও এসব খবর পড়ি তখোনো খারাপ লাগে। বইটা পড়ে পু্রো সকালটাতে বিষাদে মন আচ্ছন্ন হয়ে গেল।
Profile Image for Jannatul Anamika.
61 reviews1 follower
July 7, 2025
I don’t know how to put it into words. This short story just left me quiet…! Touched something I didn’t know how to explain.
So I’m sharing someone else’s words, they somehow carry exactly what I feel...

“কেউ কেউ থেকে যায়, কেউ কেউ চলে যায়।
যার থাকার কথা ছিল না, হয়তো সে-ই থেকে যায়।
আবার কখনো এমনও হয়, একজন থেকে যায় অন্যজনের স্মৃতি নিয়ে। তার সবটুকু ছায়া থেকে যায় অন্যজনের মাঝে!"
Profile Image for Israt Sharmin.
325 reviews3 followers
December 19, 2025
বিভূতিভূষণ সহজ-সরল গ্রাম্যজীবনের আটপৌরে
ছবি যেমন আঁকতে পারেন, সেইসঙ্গে পাঠককে প্রাকৃতিক নিসর্গের কাছাকাছিও নিয়ে যেতে পারেন কাকতালীয়ভাবে।
পুঁইমাচা গল্পটি তৎকালীন সমাজের নির্মম বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। যেখানে পুঁইশাকের মাচা যেন ক্ষেন্তির অপূর্ণ স্বপ্নগুলোর প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা কখনো মরে না বরং লকলক করে বেড়ে ওঠে, স্মৃতির পাতায় চিরজাগরুক থেকে।
Profile Image for সুমাইয়া সুমি.
248 reviews4 followers
December 25, 2025
তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের এক নির্মম সত্য লেখক সুনিপুণ ভাবে তুলে ধরেছেন।
ক্ষেন্তির জন্য মনটা কেমন করে উঠেছে। পুঁইমাচা দেখলেই মনে পড়বে।
Profile Image for Progoti Paul.
82 reviews4 followers
February 10, 2026
এতো বড় হয়েও ক্ষেন্তির মতো একটা কাল্পনিক গল্পের চরিত্রের জন্য কি মন খারাপ বা কান্না করা উচিত?
Profile Image for Madhurima Nayek.
361 reviews135 followers
April 16, 2019
এই গল্পের প্রধান চরিত্র ক্ষেন্তি সরল,স্বল্পবুদ্ধি,পেটুক ও নির্বোধ।এই মেয়েটির বিয়ে হয় পৌঢ়ের সঙ্গে।শ্বশুরবাড়িতে নিগ্রহ ও অকালমৃত্যু এই হল ঘটনাক্রম।ক্ষেন্তি গরীবের মেয়ে,খেতে ভালোবাসতো।ক্ষেন্তির সারল্য এই গল্পের সম্পদ।

নিঃসন্দেহে খুব ভালো একটি গল্প।
Displaying 1 - 17 of 17 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.