- বলুন তো, এক থেকে বিশের মধ্যে কয়টি পূর্ণ সংখ্যা আছে? - বিশটি। - আপনি ভুল জানেন। একুশটি। - কীভাবে? - অতিরিক্ত একটি সংখ্যা লুকিয়ে আছে এদের মধ্যে, যার নাম “ব্রিজ”। - তাই নাকি? তাহলে সংখ্যাটা গুনে দেখান তো। - এই সংখ্যা গুনে বের করা সম্ভব নয়! - যেকোনো পূর্ণ সংখ্যা গোনা যায়, তাহলে আপনার ঐ “ব্রিজ” কেন গোনা যাবে না? - কারণ অদৃশ্য একটি সত্ত্বা ঐ সংখ্যাটিকে পাহারা দিচ্ছে অবিরাম। - কে এই অদৃশ্য সত্ত্বা? - ব্রিজরক্ষক!
নাজিম উদ দৌলার জন্ম ১৯৯০ সালের ৪ নভেম্বর নানাবাড়ি কেরানীগঞ্জে। পৈত্রিক নিবাস যশোর জেলায় হলেও বেড়ে উঠেছেন ঢাকার আলো বাতাসের মাঝে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ থেকে বিবিএ ও এমবিএ শেষ করে বেশ কয়েক বছর বিজ্ঞাপনী সংস্থায় চাকরি করেছেন।বর্তমানে দেশের প্রথম সারির প্রডাকশন হাউজ আলফা আই-এ ক্রিয়েটিভ ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন। লেখালেখির চর্চা অনেক দিনের। দীর্ঘসময় ধরে লিখছেন ব্লগ, ফেসবুক সহ বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মে। ২০১২ সালে প্রথম গল্প “কবি” প্রকাশিত হয় কালান্তর সাহিত্য সাময়িকীতে। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৫-তে প্রকাশিত হয় তার প্রথম থ্রিলার উপন্যাস “ইনকারনেশন”। একই বছর আগস্টে প্রকাশিত হিস্টোরিক্যাল থ্রিলার “ব্লাডস্টোন” তাকে এনে দেয় বিপুল পাঠকপ্রিয়তা। এ পর্যন্ত ৬টি থ্রিলার উপন্যাস ও ৩টি গল্পগ্রন্থ লিখেছেন তিনি। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি চলচ্চিত্রের স্ক্রিপ্ট লেখায় মনোনিবেশ করেছেন। সাম্প্রতিককালে তার চিত্রনাট্যে নির্মিত "সুড়ঙ্গ" সিনেমাটি ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। শান, অপারেশন সুন্দরবন, দামাল, বুকের মধ্যে আগুন, দ্যা সাইলেন্স, লটারি-এর মতো বেশি কিছু আলোচিত সিনেমা ও ওয়েব সিরিজের চিত্রনাট্য লিখেছেন তিনি। অবসর সময় কাটে বইপড়ে, মুভি দেখে আর বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে। সদালাপী, হাসি খুশি আর মিশুক স্বভাবের এই মানুষটি স্বপ্ন দেখেন একটি সুন্দর বাংলাদেশের, যেখানে প্রত্যেকটি এক হয়ে মানুষ দেশ গড়ার কাজে মন দেবে।
প্লট অনুসারে লেখকের পড়াশোনা করার যে ব্যাপারটা এটাকে সাধুবাদ জানাতে হয়। গণিত নিয়ে সাজানো প্লটে লেখক বেশ দক্ষভাবে কিছু থিয়োরি এক্সপ্লেইন করেছেন। বিষয়টা ভালো লেগেছে।
লেখকের প্রায় প্রতিটা বইয়েরই প্লট খুব ভালো হয়। সমস্যা হয় উনার নাটক সিনেমা টাইপ সংলাপ আর এক্সিকিউশান নিয়ে। এই বইটা ওইসব ন্যাকামি আর নাটকীয়তা থেকে অনেকটাই মুক্ত। ইতোমধ্যে মাল্টিভার্স, প্যারালাল ওয়ার্ল্ড বিষয়ক অসংখ্য টিভি সিরিজ, মুভি দেখা আর বই টই পড়ার কারনে অতোটাও নতুনত্ব পাইনি আর কি আমি। তবুও বলা যায় বইটার সাথে সময়টা মন্দ যায়নি৷
এক থেকে বিশের মধ্যে ২০টা নয়, ২১টা পূর্ণ সংখ্যা আছে। এই অতিরিক্ত সংখ্যার নাম ব্রিজ। এবং একজন অদৃশ্য সত্ত্বা এই সংখ্যাকে পাহারা দেয়, যার নাম ব্রিজরক্ষক।
প্রফেসর আলমগির কবির একজন গণিতবিদ। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির গণিতের অধ্যাপক জন স্টুয়ার্টের কাজ থেকে একটা দায়িত্ব পেয়েছেন। মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রহস্যটির সমাধানের দায়িত্ব। কি সেই রহস! সেই রহস্য হলো ব্রিজ। গণিত নিয়ে যারা গবেষণা করে তারা জানে যে, গণিতে এমন অনেক সমীকরণ আছে যার সমাধান নাই। যেমনঃ 4x-2+3x=3x+12+4x-14 এটা ক্যালকুলেট করলে সমাধান আসবে 0=0 এটা কোনো সমাধান নয়। এমন আরও অনেক সমীকরণ রয়েছে যার কোনো সমাধান নাই। এগুলোকে আমরা অসংঙ্গায়িত বলি। প্রায় হাজার বছর আগে একজন গণিতবিদ বলেন, ১ থেকে ১০০ এর মধ্যে একটা অতিরিক্ত পূর্ণ সংখ্যা থাকলে এসব সমীকরনের সমাধান সম্ভব। সেই সংখ্যাটাই ব্রিজ। শুধুমাত্র সমীকরনের সমাধান হবে তা না। ব্রিজের ক্ষমতা আরও ব্যাপক। এই ইউনিভার্সে অসংখ্য জগতের মধ্যে যে ডাইমিনেশনের পার্থক্য সেটা দুর করবে ব্রিজ। প্রফেসর স্টুয়ার্ট ধারনা করছেন ১ থেকে ২০ এর মধ্যে হবে। হঠাৎ একদিন প্রফেসর জন স্টুয়ার্ট গায়েব হয়ে যান। কেউ জানে না তিনি কোথায়। প্রফেসর স্টুয়ার্টের অন্তর্ধানের পর গবেষণা শুরু করেন প্রফেসর আলমগির কবির। তিনি ব্রিজের প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছেন কিন্তু পাচ্ছেন না। তিনি স্পষ্ঠ বুঝতে পারছেন কেউ একজন তাকে ব্রিজের কাছে পৌছাতে দেয় না। যখন সমাধানের কাছে চলে আসেন তখনই বাধা দেয় সেই অদৃশ্য সত্ত্বা। যেটা হতো জন স্টুয়ার্টের সাথেও। উপরের ব্রিজের যে ক্ষমতা বর্ণনা করেছি, ব্রিজের ক্ষমতা এরচেয়ে অনেক বেশি। কি সেগুলো! সব কি আমিই বলে দিবো? আর প্রফেসর আলমগির কবিরের কি হলো জানতে ইচ্ছা করে? সে কি ব্রিজ পেলো? সেটা জানতে হলে পড়তে হবে "ব্রিজরক্ষক"।
পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ অনেকদিন পর সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার পড়লাম। এটাকে আসলে কোনো জেনোরায় ফেলা মুশকিল। এটাকে সাইফাইও বলতে পারেন। পুরো বইটা এক বসায় শেষ করছি। মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে ছিলাম বইটা পড়ার সময়। সাইন্সের স্টুডেন্টের কাছে বেশি আকর্ষণীয় লাগবে। কারন ম্যাথম্যাটিক্যাল টার্মগুলো সাইন্সের ছাত্ররা বুঝবে। তবে ম্যাথম্যাটিকস না বুঝলেও বইয়ের মজা আপনি পুরোপুরি পাবেন। লেখকের লিখনি যথেষ্ট ভাল ছিলো। ২/১ জায়গায় প্রিন্টিং মিসটেক ছিলো কিন্তু গল্পে জমে গেলে সেটা চোখে পড়বে না। এ ধরনের বইয়ে ফিনিশিং খুব বড় ভূমিকা রাখে। এই জায়গায়ও লেখক চমক দিছেন। সব মিলিয়ে দারুন একটা প্যাকেজ ছিলো "ব্রিজরক্ষক"।
কাহিনীর সারাংশঃ (যতটা সম্ভব স্পয়লারহীন রাখার চেষ্টা করেছি) কানাডা থেকে পিএইচডি করা সাইক্রিয়াটিস্ট ইকবাল মাহমুদ বিদেশে চাকরির সুবর্ণ সুযোগগুলো অগ্রাহ্য করে দেশে ফিরে এসেছে নাড়ির টানে। দেশে আসার পর চাকরি পায় শহরের নামকরা ‘সিটিজেন সাইক্রিয়াটিক সেন্টার’-এ। স্পেশালিস্ট ডক্টর হিসেবে তার প্রথম চাকরি। চাকরি প্রথম অ্যাসাইনমেন্টেই তাকে সামলাতে হয় নামকরা গণিতবীদ প্রফেসর আলমগির কবিরকে। কাজটা তার জন্য ছিল যতটা সম্মানের, ঠিক ততটা কঠিনও। তার রোগীর সমস্যাটাও অদ্ভুত। তার রোগীর ধারণা, ১ থেকে ২০ এর মাঝে মোট পূর্ণসংখ্যা ২০টি নয়, ২১টি। তিনি এই অতিরিক্ত সংখ্যাটি খুঁজছেন। দীর্ঘদিন গবেষণা করেও কোন সন্তোষজনক ফলাফল না পেয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। গণিতের অনেক তত্ত্ব, অনেক যুক্তি দিয়ে গবেষণার পরও তিনি এই সংখ্যাটি খুঁজে পাচ্ছেন না। অলীক সংখ্যাটি কী? এটা কেন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না? গণিতে এই সংখ্যাটির গুরুত্ব কতটুকু যে অন্য কারো এটা নিয়ে কোন ভাবনাই নেই? প্রফেসরের ধারণা, এই সংখ্যাটাকে কেউ পাহারা দিচ্ছে। কোন অদৃশ্যসত্ত্বা আড়াল করে রেখেছে সংখ্যাটাকে। তাই পাওয়া যাচ্ছে না এটাকে, গণনা করা যাচ্ছে না এটাকে। এই সংখ্যাটার গুরুত্ব কতটুকু? প্রফেসরের বিশ্বাস, এই সংখ্যাটাই পারবে গণিতকে পুরোপুরি নির্ভুল করতে। এই সংখ্যাটি বের করতে পারলেই গণিত শুধু বিজ্ঞানের একটা অপরিহার্য অংশ হিসেবে না থেকে পরিগণিত হবে – পরিপূর্ণ বিজ্ঞান হিসেবে। সেই সাথে সমাধান হবে জগতের সবচেয়ে বড় রহস্যের। এমন এক রহস্য যেটাকে কেউ রহস্য হিসেবে বিবেচনাও করছে না। কী সেই রহস্য? রহস্যের উত্তরটা লুকিয়ে আছে অদৃশ্যসত্ত্বা ব্রিজরক্ষকের কাছে।
প্রতিক্রিয়াঃ এই গল্পটা আমি পড়েছিলাম ২০১৪ এর মে মাসের দিকে। নাজিম ভাইয়ের লেখার সাথে পরিচয় এটা দিয়েই। কাহিনীটা ভাল লেগেছিল তখনই। এইবারও। ভাল একটা সায়েন্স ফিকশন কাহিনী। এবং, চমৎকার একটি সাইকোলোজিক্যাল থ্রিলারও। কাহিনীতে মনস্তাত্ত্বিক দিকটা খুব ভাল ভাবে ফুঁটে উঠেছে। আসলে গল্পে ধরেই রেখেছে এই মনস্তাত্ত্বিক দিকটা। যাদের কাছে গণিত বা বিজ্ঞান কাঠখোট্টা লাগে – তারাও গল্পে বুদ হয়ে যেতে পারবে। আর, যারা পারে তারা তো ডাবল বোনাস পেয়ে গেল। গল্পে টুইস্টের কমতি নেই। তবে, সবচেয়ে সেরা টুইস্টটা ছিল ‘একটা ম্যাজিক দেখবে তোমরা?’ এই বাক্যটায়। মুগ্ধতাটা চূড়ান্ত হয়েছে এই বাক্যটা পড়েই। এবার আসি কিছু নেগেটিভ দিক নিয়ে, আগেরবার যখন গল্পটি পড়েছিলাম তখন খুব সম্ভবত জেনি চরিত্রটি ছিল না। এটা নতুন করে সংযুক্ত করা হয়েছে। গল্পে এই চরিত্রটি অনর্থক ছিল। শেষ অধ্যায়ের এক বাক্য বাদে এই চরিত্র থাকা না থাকা সমান কথাই ছিল। খুব সম্ভবত এই চরিত্রের কারণেই গল্পের শেষ অধ্যায়ের সৃষ্টি হয়েছে। এই অধ্যায়টাকেও অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে আমার। পুরো গল্পে পারফেকশনের যে ছোঁয়াটা ছিল সেটা কিছুটা ম্লান হয়েছে এতে। এর থেকে ‘একটা ম্যাজিক দেখবে তোমরা?’ পর্যন্তই পরিপূর্ণ ছিল। এটা পাঠক হিসেবে আমার অভিমত। দ্বিতীয়ত, ‘বড়ো’ শব্দের বানান আসলে কোনটা সঠিক? সবসময় ‘বড়’ দেখে অভ্যস্ত। তাই এটায় একটু অস্বস্তি লেগেছে। যদি সঠিক বানানটা ‘বড়ো’ হয়ে থাকে – তাহলে এই অভিযোগ রহিত করা হবে। তৃতীয়ত, বইয়ে কিছু শব্দের জন্য নির্ঘণ্ট ব্যবহার করা উচিৎ ছিল। কিছু কিছু টার্ম সাধারণ পাঠকদের কাছে অপরিচিত। গল্পে ব্যাখ্যা বেশ ভাল হলেও – অপরিচিত টার্মগুলো দুর্বোধ্য ছিল। এগুলোর জন্য আলাদা করে নির্ঘণ্ট দিলে ভাল হত। চতুর্থত, ৪৮ ও ৪৯ পৃষ্ঠায় বেশ বড়সর দুইটা ভুল আছে। আসলে, ঐ ভুলগুলো গল্পের টোনটাই বদলে দিতে পারে। খুব সম্ভবত টাইপিং ও প্রুফিং মিস্টেক এটা।
লেখনী চমৎকার, সাবলীল। কঠিন বিষয়গুলো খুব সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বইতে। উপভোগ্য একটা বই। বিষয়বস্তুতে পুরোপুরি তৃপ্ত। বইয়ের কলেবর আরেকটু বড় হলে – অন্তত আমি অসন্তুষ্ট হতাম না।
বইটা শেষ করতে করতে চরম ডেজ্যা ভ্যু অনুভব করছিলাম। তবে বইটা আগে পড়িনি নিশ্চিত। বইটা সাইফাই৷ তবে রহস্য বেশি। নট থিওরি আর ব্রিজ সংখ্যার ব্যাপারে আগ্রহ জন্মেছে। ঘাটাঘাটি করব। লেখক বইটি লিখতে যেয়ে গণিত নিয়ে যে অনেক ঘেঁটেছেন বোঝা যায়। ওনার চেষ্টাকে সম্মান। বইয়ের শেষে রেফারেন্স দেয়া আছে যেই লিটারেচার আর মিডিয়া থেকে উনি গল্পটা লেখার জন্য ইন্সপায়ার্ড ছিলেন। পড়ে ভালো লেগেছে।
একটা খটকা লাগে। ব্রিজ সংখ্যা পাওয়ার সাথে সাথে সেটার প্র্যাক্টিকাল এপ্লিকেশন কীভাবে করল মানুষেরা?
ছোট্ট বই, ভাল লেখা।
পরে দেখলাম, গল্পটা Igor Teper এর দ্যা সিক্রেট নাম্বার এর সাথে পুরোপুরি মেলে। লেখকের এডিশন শুধু মেইন ক্যারেক্টারের দাম্পত্য জীবনের খুটিনাটি, আর রিসার্চ পেপার পড়ে এই কঠিন ব্রিজ সংখ্যার ডিসকাশন সহজ বাংলায় ইকুয়েশবে বোঝানো। বইটা কোনোভাবেই মৌলিক বলতে পারছি না, ইন্সপায়ার্ডও বলতে পারছি না। মূল গল্প দ্যা সিক্রেট নাম্বারের কপি, আর বাকি অংশগুলো যাই হোক, যত ভালো হোক, মূল গল্পের অংশ না।
ফ্ল্যাপে যা লেখা - কাহিনী ওইখানেই কমবেশি ঘুরপাক খেয়ে শেষ। প্রথমে গণিতের কিছু অংশ ভালো লেগেছে, কিছুটা যেমন স্কুলে বুঝাতো তেমন মনে হয়েছে। তবে আহামরি কিছু না। আরো বিরক্ত লেগেছে ডক্টর ইকবালের তার পেশেন্টের প্রতি আচরণ দেখে, যেটা খুব একটা ডাক্তারসুলভ লাগেনি।
লেখককে মারহাবা এমন অখাদ্য, কুখাদ্য লেখার জন্য। খুব জানতে ইচ্ছা হয় তিনি কোন জেলার গাঁজা খেয়ে বইটা লিখেছেন। টাকা নষ্টের কথা বাদই দিলাম। মেজাজ খারাপ ক্যামনে ঠিক হবে বুঝতে পারছি না। লেখক নিজে এত ঢাকঢোল পেটান নিজের নামে। তিনি সবসময়ে প্রতি বই বের হওয়ার আগে বলেন আমার জীবনের সেরা বই লিখেছি। আসলে হয় কি, উনি আগের বইয়ের চেয়েও জঘন্য বই লিখেন। স্যালুট লেখককে, কেউ আপনার মত মাথা ব্যথার উপদ্রব হতে পারবে না।