এই পর্বের তিনটি প্রধান ঘটনা প্রথম বিশ্বমহাযুদ্ধ, রবীন্দ্রনাথের তিরোভাব ও দ্বিতীয় বিশ্বমহাযুদ্ধ। লেখক দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সমসময়ে রচিত সাহিত্যের আনুপূর্ব ও অনুপুঙ্খ আলোচনার শেষে ইতি টেনেছেন। এই খণ্ডেও—আনন্দ সংস্করণের পূর্ববর্তী খণ্ডগুলির মতোই-নতুনভাবে বিন্যস্ত হয়েছে পুরনো কয়েকটি পরিচ্ছেদ, নতুনতর তথ্যের সংযোজন ঘটেছে, নতুনভাবে লেখা হয়েছে, কিছু কিছু অংশ ও পরিচ্ছেদ, বিচার বিশ্লেষণে অন্যতর দৃষ্টিভঙ্গি প্রযুক্ত হয়েছে। এখানে সবিশেষ উল্লেখ্য, জীবনাবসানের স্বল্পকাল আগে আনন্দ-সংস্করণের প্রেসকপি প্রস্তুত করার সময়, গ্রন্থকার এই খণ্ডে আলোচিত কালসীমার বিস্তার ঘটাবেন ভেবেছিলেন। ব্যক্ত করেছিলেন সেই অভিপ্রায়ও। কিন্তু কর্মব্যস্ততার জন্য পরিকল্পিত সংযোজনটি লেখার অবসর তিনি পাননি। শতাব্দীর সমান বয়সী এই শ্রদ্ধেয় লেখকের সতর্ক ও সন্ধানী মন আমৃত্যু যে কত জঙ্গম ছিল, তারই বিরল উদাহরণ হয়ে রইল ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস’-এর এই আনন্দ সংস্করণ।