Jump to ratings and reviews
Rate this book

খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন

Rate this book

Hardcover

1 person is currently reading
38 people want to read

About the author

Rabindranath Tagore

2,587 books4,262 followers
Awarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."

Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.

The complete works of Rabindranath Tagore (রবীন্দ্র রচনাবলী) in the original Bengali are now available at these third-party websites:
http://www.tagoreweb.in/
http://www.rabindra-rachanabali.nltr....

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
47 (36%)
4 stars
62 (47%)
3 stars
16 (12%)
2 stars
5 (3%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 8 of 8 reviews
Profile Image for Rakib Hasan.
462 reviews80 followers
September 9, 2023
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এই কারনে ভালো লাগে যে একদম ছোট কিন্তু সমাজের মধ্যে ঘটে যাওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে লিখে যা বেশ বিষন্ন প্রকৃতির। সমাজে অনেকেই আছে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নিজের বাবাকে ভুলে যায়। এই গল্পটাও তেমন। আমার কাছে ভালো লেগেছে।
Profile Image for Aishu Rehman.
1,114 reviews1,089 followers
June 21, 2019
‘খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন’ প্রতিবার পড়ার পরেই মনে হয়, নির্দয়তার একেবারে চূড়ান্ত! সাহিত্যিক ভাষায় চোখের কোণে দরদ উত্থলে পড়া যে রাবীন্দ্রিকতা সাধারণত ‘রোমান্টিকতা’র ধুয়ো তুলে স্মরণে রাখি, তার খুব বিপরীত। যেমন এই একটি স্বাভাবিক ও স্থির বাক্য: ‘একবার ঝপ করিয়া একটি শব্দ কিন্তু বর্ষার পদ্মাতীরে এমন শব্দ কত শোনা যায়।’ ‘খোকাবাবু প্রত্যাবর্তনে’র খোকা পদ্মায় পড়ল, তখন তার চাকর রাইচরণ কদম ফুল তুলছিল!
Profile Image for Preetam Chatterjee.
7,217 reviews391 followers
February 13, 2025
#আমার রবীন্দ্রনাথ:

রবি বাবুর এই গল্পটি শিশুসুলভ সারল্য, বিশ্বাস এবং গভীর মানবিকতার এক অনন্য প্রতিচিত্র। এটি স্রেফ এক সম্পর্কের গল্প নয়, এটি আমাদের সমাজের শ্রেণিবিভেদ, মানবিকতা ও মূল্যবোধের এক দর্পণ। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হল শশিবাবু, এক ধনী পরিবারের সন্তান, যিনি ছোটবেলায় বেহারার সঙ্গে বড় হয়েছেন। সেই বেহারা হল রতন, যিনি অপত্য স্নেহ ও মমতা দিয়ে শশিবাবুকে বড় করেন। কিন্তু ধনী ও দরিদ্রের সামাজিক ব্যবধানের কারণে শশিবাবুর বড় হওয়ার পর রতন তার জীবনে গুরুত্ব হারায়। অনেক বছর পর রতন যখন শশিবাবুর কাছে ফিরে আসে, তখন সে আর আগের মতো সহজ সম্পর্ক খুঁজে পায় না। শশিবাবুর মনের জটিলতা, সমাজের ভেদাভেদ, এবং অতীতের স্মৃতির ভার এই গল্পের মূল উপজীব্য। ছোটবেলায় যে সম্পর্কটি ছিল নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় গড়া, বড় হয়ে তা সমাজের চোখে পরিণত হয় এক অপ্রয়োজনীয় বন্ধনে। শশিবাবুর জীবনের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠলেও, সে রতনের প্রতি যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়। গল্পটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, মানবিক সম্পর্ক কখনো সমাজের নিয়মে বাঁধা থাকতে পারে না, বরং তা হৃদয়ের অনুভূতিতে গড়ে ওঠে। গল্পটি পড়ে এক ধরনের বিষাদময় অনুভূতি হয়। রতনের প্রতি শশিবাবুর উদাসীনতা সমাজের কঠিন বাস্তবতাকে মনে করিয়ে দেয়।

গল্পটি আমাদের শেখায়, অতীতের সম্পর্কগুলোকে লালন করতে। তাদের অবহেলা না করতে। গল্পটি আমাদের বিবেককে নাড়া দেয় এবং গভীরভাবে ভাবতে শেখায় — সম্পর্ক কি কেবল প্রয়োজনের ভিত্তিতে তৈরি হয়, নাকি ভালোবাসা ও অনুভূতির এক অবিচ্ছেদ্য বন্ধন?

হয়তো এমন অল্পসংখ্যক পাঠক আছেন, যাঁরা এই গল্পটি পাঠ করেননি। পরবর্তী প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করুন রবীন্দ্রনাথকে চিনতে ,এই গল্পটি পড়তে বলুন। পাঠ শেষ করার বহু পরেও এই গল্প আমাদের অন্তরে এক দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে, যা মনকে প্রশ্ন ও চিন্তায় আচ্ছন্ন করে রাখে।
Profile Image for Saumen.
255 reviews
August 28, 2023
অদ্ভুত এই গল্পটা। ছেলে শেষপর্যন্ত বাপকে চিনতে পারল না, এরকম কল্পনা রবীন্দ্রনাথ কিভাবে করলেন, ভাবছি। 

পৃথিবীতে অনেক বড় বড় গল্পকার আছেন। কিন্তু ছোট প্রাণ,ছোট ব্যথা, ছোট ছোট দু:খকথা, তারি দু চারিটি অশ্রুজল ধরতে রবীন্দ্রনাথের মত কেউ পারবে না।

তবে হ্যাঁ, একদিন হয়ত সব ছেলেই বাপ হয়, আর পিতৃস্নেহ যে কি বিষম বস্তু, তা এই গল্প থেকে আন্দাজ করতে পারলাম। জানি না ভবিষ্যতে আমার কি হবে, তবে ছেলে বা মেয়েকে এই গল্পটা শোনাব এবং ব্যাখ্যা করব।এটাই এই অসাধারণ গল্পের প্রতি আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি।

গল্পটি পড়েননি? পড়ে ফেলুন। ভাবুন।
Profile Image for Ahmed Reejvi.
78 reviews5 followers
December 7, 2023
 'খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন' গল্পের মুখ্য চরিত্র রাইচরণ। বারো বৎসর বয়সে বাবুদের বাড়ীতে এসে অনুকূলবাবুকে লালন-পালন করার মধ্যদিয়েই মনিব বাড়িতে তার চাকুরী জীবনের শুরু। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মেই একসময় অনুকূলবাবু বড় হয়, বিয়ে করে সন্তান জন্ম দেয়। 

আর অনুকূলবাবুর ছেলে জন্ম হওয়ার পর রাইচরণের দায়িত্ব যেন আবার বেড়ে যায়। অনুকূলবাবুর পুত্র নবকুমারের লালন-পালনের দায়িত্ব রাইচরণের উপরই পড়ে। মবকুমারের শৈশবের চালচলন দেখে রাইচরণ মা ঠাকুরণকে বলে – 'মা তোমার ছেলে বড়ো হলে জজ হবে,' 

ঠেলা গাড়িতে চাপিয়ে রাইচরণ একদিন নবকুমারকে নিয়ে যায় পদ্মাপারে।

গাড়িতে তাকে রেখে কদমফুল তুলতে গিয়ে এসে নবকুমারকে পায়নি। জলে ভেসে গেছে সে। রবীন্দ্রনাথের ভাষায়- 

"একবার ঝপ্‌ করিয়া একটা শব্দ হইল, কিন্তু বর্ষার পদ্মাতীরে এমন শব্দ কত শোনা যায়। " খোকাবাবুকে হারানোর দু:খ এবং  "চুরির" বদনাম কাঁধে নিয়ে গ্রামে চলে যায় রাইচরণ। দৈবক্রমে এর কিছুকাল পর তার স্ত্রী অধিক বয়সে পুত্র সন্তান প্রসব করে।


অনুকূলবাবুর পুত্রকে হারিয়ে নিজে পুত্রসুখ উপভোগ করার মতো পাপ কাজ তিনি করবেননা, তাই রাইচরণ পুত্রের প্রতি তার বিদ্বেষ জন্মায়, তদুপরি তার বোন ভাগ্নের  নামটাও রাখে "ফেলনা"।  কিছুদিন পরে হঠাৎ  রাইচরণের বিশ্বাস হয় যে  তার পুত্রের মধ্য দিয়ে খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের ভাষায় 

"এই বিশ্বাসের অনুকূলে কতকগুলি অকাট্য যুক্তি ছিল। প্রথমত, সে যাইবার অনতিবিলম্বেই ইহার জন্ম। দ্বিতীয়ত, এতকাল পরে সহসা যে তাহার স্ত্রীর গর্ভে সন্তান জন্মে এ কখনোই স্ত্রীর নিজগুণে হইতে পারে না। তৃতীয়ত, এও হামাগুড়ি দেয়, টল্‌মল্‌ করিয়া চলে এবং পিসিকে পিসি বলে। যে-সকল লক্ষণ থাকিলে ভবিষ্যতে জজ হইবার কথা তাহার অনেকগুলি ইহাতে বর্তিয়াছে।"

 তখন ফেলনাকে যত্ন করে খোকাবাবুর  মতো করে মানুষ করতে থাকেন। নিজের জমিজমা বিক্রি করে ছেলেকে কলকাতায় নিয়ে বিদ্যালয়ে ভর্তি করেন। পরবর্তীকালে ফেলনার চাহিদা পূর্ণ করতে অসুবিধা হওয়ায় রাইচর অনুকূলবাবুদের বাসায় এসে বলে তাদের ছেলেকে সে চুরি করেছে। পরে ফেলনাকে তাদের হাতে তুলে দেয়। পুরো গল্প জুড়ে রাইচরণের
মধ্যে স্নেহশীল পিতা ও সম্ভূত্যের ছবি ফুটে ওঠেছে।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Ajanta.
119 reviews28 followers
August 4, 2020
কিছু মানুষ পৃথিবীতে আসেই সম্ভবত পরের জন্য নিজের সম্পূর্ণ জীবন ব্যয় করার জন্য।
পরের জন্য মাথা নিচু করে, হাজার গঞ্জনা, বঞ্চনা সহ্য করে নিজেকে বা নিজের আপন মানুষকে বঞ্চিত করে কিভাবে সেই কর্তাকে খুশি রাখা যায় তা করেই জীবন অতিবাহিত করে।

রক্তের টান বা নিজের রক্ত বলে যে ব্যাপারটা আছে এটা মানুষ মুখে স্বীকার না করলেও মনের মধ্যে এ নিয়ে চাপা অহংকার বা গর্ববোধ থাকে।
এজন্য যখন আপন ভাবা মানুষ পর করে দেয় তখন মানুষ সৃষ্টিকর্তার কাছে অভিযোগ করতে পারে, পথ দেখাতে বলতে পারে।

কিন্তু যখন নিজের রক্ত বা আপনজন অল্প সময়ের ব্যবধানে পর করে দেয় বা মুখ ফিরিয়ে নেয়,
তখন আ���াতটা ঠিক কোথায় লাগে আর কেমন অনুভূতি হয় তা শুধু যার সাথে হয় সেই বলতে পারবে।
Profile Image for Al- Mubin.
62 reviews1 follower
November 24, 2024
নিজেকে উজাড় করে দিয়ে, নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে, শত লাঞ্ছনা-গঞ্জনা মাথা পেতে নিয়ে অপরকে খুশি করার যে প্রত্যয়, এই প্রত্যয় নিয়ে অল্প কিছু মানুষই এই জগতে বাস করে। তেমনি এক ব্যক্তিকে খুঁজে পেয়েছি আমরা এই গল্পের মাধ্যমে, অবাক করার বিষয় এটাই যে ছেলে তার পিতাকে চিনতে পারল না শেষ অবধি, হয়ত পিতা নিজেকে সব সময় আড়াল করে রেখেছিল বলেই।
তবে এতটুকু বলার কোন অপেক্ষা রাখে না, খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন রবীন্দ্রনাথের এক অনবদ্য সৃষ্টি।
Profile Image for Pritom Paul.
134 reviews1 follower
July 18, 2020
অসাধারণ একটি গল্প 💝
Displaying 1 - 8 of 8 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.