What do you think?


তমিস্রা ভুবন #1.5
অসূয়া
পুরো ঘর খালি। তবে খালি ঘর বলে সহজেই ইরফানের চোখ চলে গেলো সেই জিনিসটার দিকে। ওটার দিকে একবার তাকিয়ে তৌহিদসাহেবের দিকে আরেকবার তাকাল সে। তৌহিদ মাথা নেড়ে বুঝিয়ে দিল এটাই সেই জিনিস।
ইরফানের শোকেসের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো।
ইরফানের শোকেসের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো।
112 pages, Hardcover
Published February 2, 2017
About the author
Javed Rasin
20 books209 followersJaved Rasin (Bengali: জাবেদ রাসিন) is a Bangladeshi poet & fiction writer. He was born in Mymensingh but has raised in Dhaka from childhood. Javed completed his graduation & post-graduation in law from the University of Dhaka. He likes the charm of prosody and playing with words which fits into poetry. Shunno Pother Opekkhay (শূন্য পথের অপেক্ষায়) was his maiden published poetry.
Also the world of fiction, especially thriller & horror fiction fascinated him and he started writing in this genre. His first published thriller fiction novel was Blackgate (ব্ল্যাকগেট), co-authored with Tarim Fuad. His other works are horror novel Tomisra (তমিস্রা) & conspiracy novel Circle (সার্কেল). He continued to produce poetry and to work on fiction novels.
Also the world of fiction, especially thriller & horror fiction fascinated him and he started writing in this genre. His first published thriller fiction novel was Blackgate (ব্ল্যাকগেট), co-authored with Tarim Fuad. His other works are horror novel Tomisra (তমিস্রা) & conspiracy novel Circle (সার্কেল). He continued to produce poetry and to work on fiction novels.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 46 reviews
June 29, 2024
বেশ লেগেছে। পিচ্চি সাইজের বই। কিন্তু গল্পের গাথুনি, প্লট দুটোই দুর্দান্ত। ইরফান সাহেব যেহেতু সিরিজটার প্রধান চরিত্র হতে যাচ্ছে সেহেতু তাকে নিয়ে একটা পার্শ্ব গল্পের ভীষণ প্রয়োজন ছিল। লেখক সেটা সম্পন্ন করেছেন নিপুন হাতে। তমিস্রাতে পাওয়া সুলেমানি আংটির খেল দেখতে চেয়েছিলাম। ওটা লেখক হয়তো পরবর্তী বইয়ের জন্য তুলে রেখেছেন। এখন চলে যাচ্ছি তৃতীয় বইতে। টা টা।
March 30, 2017
১. প্লট খুবই দুর্বল।
২. এক বাক্যের পুনরাবৃত্তি লক্ষ্য করার মত! একই কথা ঘুড়ায় ফিরায় লেখা পুরো গল্পে!
৩. লেখার ধরন immature.
৪. ১১০ পেজের বইয়ে ১০৫ পেজ পর্যন্ত কিছু নেই। আর শেষের ৩ পেজের মিস্ট্রি সলভড। ১০৫ পেজ পর্যন্ত একই কথা বারবার লেখা।
৫. "তমিস্রা" তাও ভালো ছিল। "অসুয়া" পড়ে আমি চরম হতাশ। waste of money, waste of time. :(
২. এক বাক্যের পুনরাবৃত্তি লক্ষ্য করার মত! একই কথা ঘুড়ায় ফিরায় লেখা পুরো গল্পে!
৩. লেখার ধরন immature.
৪. ১১০ পেজের বইয়ে ১০৫ পেজ পর্যন্ত কিছু নেই। আর শেষের ৩ পেজের মিস্ট্রি সলভড। ১০৫ পেজ পর্যন্ত একই কথা বারবার লেখা।
৫. "তমিস্রা" তাও ভালো ছিল। "অসুয়া" পড়ে আমি চরম হতাশ। waste of money, waste of time. :(
April 26, 2020
প্রথম গল্পটা পড়তে যেয়ে যতটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছিলাম এটা পড়তে যেয়ে তার দ্বিগুণ বিরক্তি লাগতেছিল,প্রচুর বানান ভুল আর অপ্রয়োজনীয় কাহিনীর আনাগোনা জন্য মূলত রেটিং দুটো তারাতেই সীমাবদ্ধ রাখলাম
March 6, 2019
ধনী পরিবারের একমাত্র ছোট্ট মেয়ে আফসারার দুঃস্বপ্ন দিয়ে গল্পের শুরু । দুঃস্বপ্ন তো স্বাভাবিক ভাবে সব মানুষই দেখে, তাহলে এক্ষেত্রে দুঃস্বপ্ন এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? কারণ আফসারা দুঃস্বপ্ন দু'মাস ধরে প্রায় রাতেই দেখছে। ডাক্তার, সাইকিয়াট্রিষ্ট দেখিয়েও যখন কোন কাজ হচ্ছিলো না তখন আফসারার বাবা তৌহিদ এলাহি শরণাপন্ন হন রাকি ইরফানের (ওঝা তবে সেটা ধর্মীয় দিক থেকে)।
ইরফান আফসারার বাড়িতে এসে প্রাথমিক ভাবে কিছু বুঝতে না পারলে তার জ্ঞান থেকে বলে আফসারার রুম থেকে সকল প্রকার পোস্টার এবং পুতুল সরিয়ে ফেলতে, যাতে করে ফেরেশতাদের প্রবেশে কোন বাধা না থাকে। তৌহিদ এলাহি তাই করেন। কিন্তু পরের দিন সকালেই জরুরী ভিত্তিতে একটা জিনিস দেখানোর জন্য আফসারাদের বাড়িতে ডেকে আনা হয় ইরফানকে।
সেই জিনিসটা হলো একটা পুতুল, যেটা দেখতে যত না বেশী কুৎসিত তার চাইতে বেশী কুৎসিত তার মুখের হাসি। তবে তার চাইতেও আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, গতকাল রাতেই ইরফানের নির্দেশে আফসারার রুম থেকে সব পুতুল সরিয়ে ট্রাংকে তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়।
সেই পুতুলগুলোর মাঝে এই পুতুলটিও ছিলো, যেটা কিনা তালাবদ্ধ ট্রাংক থেকে কোন এক আজব উপায়ে বের হয়ে এসেছে! ইরফানের মনে হলো পুতুলটার হাসি এই জগতের কোন প্রাণীর হাসির মতো নয়। কেমন যেন ঠান্ডা, অপার্থিব!
বাকিটুকু বই থেকেই পড়ে নিয়েন। আমি আর স্পয়লার দিলাম না।
পাঠ প্রতিক্রিয়া এক কথায় অসাধারণ। ঠিক এই টাইপের বইই খুঁজি আমি। প্লট, লেখনী, বর্ণনাভঙ্গি, ক্যারেক্টারাইজেশান সবকিছু একদম পারফেক্ট মনে হয়েছে। জাবেদ রাসিন ভাইয়ের কাছ থেকে এরকম আরো বইয়ের অপেক্ষায় থাকলাম।
ইরফান আফসারার বাড়িতে এসে প্রাথমিক ভাবে কিছু বুঝতে না পারলে তার জ্ঞান থেকে বলে আফসারার রুম থেকে সকল প্রকার পোস্টার এবং পুতুল সরিয়ে ফেলতে, যাতে করে ফেরেশতাদের প্রবেশে কোন বাধা না থাকে। তৌহিদ এলাহি তাই করেন। কিন্তু পরের দিন সকালেই জরুরী ভিত্তিতে একটা জিনিস দেখানোর জন্য আফসারাদের বাড়িতে ডেকে আনা হয় ইরফানকে।
সেই জিনিসটা হলো একটা পুতুল, যেটা দেখতে যত না বেশী কুৎসিত তার চাইতে বেশী কুৎসিত তার মুখের হাসি। তবে তার চাইতেও আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, গতকাল রাতেই ইরফানের নির্দেশে আফসারার রুম থেকে সব পুতুল সরিয়ে ট্রাংকে তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়।
সেই পুতুলগুলোর মাঝে এই পুতুলটিও ছিলো, যেটা কিনা তালাবদ্ধ ট্রাংক থেকে কোন এক আজব উপায়ে বের হয়ে এসেছে! ইরফানের মনে হলো পুতুলটার হাসি এই জগতের কোন প্রাণীর হাসির মতো নয়। কেমন যেন ঠান্ডা, অপার্থিব!
বাকিটুকু বই থেকেই পড়ে নিয়েন। আমি আর স্পয়লার দিলাম না।
পাঠ প্রতিক্রিয়া এক কথায় অসাধারণ। ঠিক এই টাইপের বইই খুঁজি আমি। প্লট, লেখনী, বর্ণনাভঙ্গি, ক্যারেক্টারাইজেশান সবকিছু একদম পারফেক্ট মনে হয়েছে। জাবেদ রাসিন ভাইয়ের কাছ থেকে এরকম আরো বইয়ের অপেক্ষায় থাকলাম।
August 13, 2020
ব্ল্যাক ম্যাজিক, এই জিনিসটা আগে বিশ্বাস করতাম না।কিন্তু,যখন জানলাম এই কালো জাদু নবীজি (সা.) এর উপরেও করা হয়েছে তা বিশ্বাস না করে উপায় নেই।কালো জাদুর প্রভাব কেমন ভয়ানক হতে পারে তা আশেপাশের অনেক ভুক্তভোগীকে দেখেই বুঝেছি।
.
এই বইটিও কালোজাদু নিয়ে।ছয় বছরের বাচ্চা মেয়ে আফসারা,ঘুমের ঘোরে দুঃস্বপ্ন দেখে।খুব বাজে স্বপ্ন! আফসারার বাবা তৌহিদ এলাহি,এ নিয়ে দুশ্চিন্তা শুরু করেন।এরপর তিনি একজনের রাকির খোঁজ পান,যার নাম ইরফান।রাকিদের কাজ রুকাইয়াহ করা।
.
ইরফান আফসারাকে দেখেই বুঝেছিলো তার উপর জাদু করা হয়েছে।তারপর,বুঝতে পারে এ যেমন তেমন কোনো জাদু নয়।খুব ভয়ানক জাদু,যার প্রভাব পড়ে আশেপাশের মানুষের উপর।আর এ জাদুটি করা হয়েছে আফসারার একটি পুতুলের মাধ্যমে, আফসারাকে এই পুতুল উপহার দেন তার জ্যাঠা।
.
আফসারার জ্যাঠার সাথে কথা বলে জানা যায় তাকে এক মহিলা দিয়েছে এই পুতুলটি। মহিলার পরিচয় জানার পর,এসে পড়ে আরেক রহস্য!কে এই মহিলা?কেনোই বা আফসারার উপর জাদু করেছে?
📖পাঠ প্রতিক্রিয়া -
ছোটকাল থেকেই এইসব কালোজাদুতে বিশ্বাস করতাম না।যখন বিশ্বাস করতে শুরু করেছি, এ সম্পর্কে আগ্রহ বেড়ে যায়। কালোজাদু সম্পর্কে ছিলো বইটি,তাই পড়তে সময় লাগে নি।কারণ কোনো বই পড়তে গেলে, বইয়ের বিষয়বস্তুর উপর যদি আগ্রহ থাকে তাহলে বইটি পড়তে সময় বেশী লাগে না।যদিও কাহিনীটা হরর কাহিনীর মতোই,এমন ধাচের অনেক গল্পই পড়েছি।
.
এই বইটিও কালোজাদু নিয়ে।ছয় বছরের বাচ্চা মেয়ে আফসারা,ঘুমের ঘোরে দুঃস্বপ্ন দেখে।খুব বাজে স্বপ্ন! আফসারার বাবা তৌহিদ এলাহি,এ নিয়ে দুশ্চিন্তা শুরু করেন।এরপর তিনি একজনের রাকির খোঁজ পান,যার নাম ইরফান।রাকিদের কাজ রুকাইয়াহ করা।
.
ইরফান আফসারাকে দেখেই বুঝেছিলো তার উপর জাদু করা হয়েছে।তারপর,বুঝতে পারে এ যেমন তেমন কোনো জাদু নয়।খুব ভয়ানক জাদু,যার প্রভাব পড়ে আশেপাশের মানুষের উপর।আর এ জাদুটি করা হয়েছে আফসারার একটি পুতুলের মাধ্যমে, আফসারাকে এই পুতুল উপহার দেন তার জ্যাঠা।
.
আফসারার জ্যাঠার সাথে কথা বলে জানা যায় তাকে এক মহিলা দিয়েছে এই পুতুলটি। মহিলার পরিচয় জানার পর,এসে পড়ে আরেক রহস্য!কে এই মহিলা?কেনোই বা আফসারার উপর জাদু করেছে?
📖পাঠ প্রতিক্রিয়া -
ছোটকাল থেকেই এইসব কালোজাদুতে বিশ্বাস করতাম না।যখন বিশ্বাস করতে শুরু করেছি, এ সম্পর্কে আগ্রহ বেড়ে যায়। কালোজাদু সম্পর্কে ছিলো বইটি,তাই পড়তে সময় লাগে নি।কারণ কোনো বই পড়তে গেলে, বইয়ের বিষয়বস্তুর উপর যদি আগ্রহ থাকে তাহলে বইটি পড়তে সময় বেশী লাগে না।যদিও কাহিনীটা হরর কাহিনীর মতোই,এমন ধাচের অনেক গল্পই পড়েছি।
January 15, 2020
একটি সম্পন্ন পরিবারের একমাত্র সন্তান এক ভয়ংকর স্বপ্ন দেখতে লাগল প্রতি রাতে। তারপর কী হল? সমস্যার সমাধান খুঁজতে গিয়ে কী জানা গেল?
লেখাটা পড়ে ফেললাম গত দিনদুয়েকে। উপলব্ধি করলাম, পৈশাচিক বানান, একই কথার পুনরুক্তি, আসল কথা কম বলে ভ্যাজর-ভ্যাজর - এই সমস্যাগুলো বাদ দিলে লেখাটা ভালোই। কিছু-কিছু বর্ণনা রীতিমতো ভয়াবহ, যা পড়ে একা ঘরে বেশ সমস্যাই হপ্য।
কিন্তু বানান শুদ্ধ না করলে, আর ন্যারেটিভের ধার বাড়াতে না পারলে লেখকের বই পড়তে গিয়ে চাপ হতে বাধ্য।
লেখাটা পড়ে ফেললাম গত দিনদুয়েকে। উপলব্ধি করলাম, পৈশাচিক বানান, একই কথার পুনরুক্তি, আসল কথা কম বলে ভ্যাজর-ভ্যাজর - এই সমস্যাগুলো বাদ দিলে লেখাটা ভালোই। কিছু-কিছু বর্ণনা রীতিমতো ভয়াবহ, যা পড়ে একা ঘরে বেশ সমস্যাই হপ্য।
কিন্তু বানান শুদ্ধ না করলে, আর ন্যারেটিভের ধার বাড়াতে না পারলে লেখকের বই পড়তে গিয়ে চাপ হতে বাধ্য।
July 19, 2022
আগের আর পরের গল্পগুলা পড়তে পারলে হয়তো আরও ভালো লাগতো। এটায় চমক বলতে তেমন কিছুই নাই । তাও কালোজাদুর প্লটে খারাপ লাগলো না৷
June 14, 2023
সুন্দর!! সাদামাটা।
এই সিরিজের অন্যান্য গল্প গুলোর মত টেনে লম্বা বানানো হয়নি, অযথা বর্ণনা কম। সুন্দর গতিতে এগিয়ে টুক করে শেষ হয়ে যায়।
এই সিরিজের অন্যান্য গল্প গুলোর মত টেনে লম্বা বানানো হয়নি, অযথা বর্ণনা কম। সুন্দর গতিতে এগিয়ে টুক করে শেষ হয়ে যায়।
October 26, 2024
আমার পড়া জাভেদ রাসিনের লেখা প্রথম বই এটি। লেখার স্টাইল সহজ এবং সাবলীল, পড়তে আমার ভালোই লেগেছে। তবে, অন্যান্য নতুন লেখকদের মতো রাসিনেরও কিছু জায়গায় একই বিষয় বারবার বলার প্রবণতা ছিল।
আরেকটা জিনিস চোখে পড়ার মতো, তিনি অনেক কাহিনী বললেও সেটি আর ডেভলপ করেনি। শাহ বাবার চরিত্র নিয়ে অনেক লেখা থাকলেও তাঁর ভূমিকা বা প্রভাব সম্পর্কে কোনও গভীর আলোচনা দেখা যায়নি, যা আমার কাছে প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছিল।
মূল চরিত্রটি হুমায়ূন আহমেদের মিসির আলীর চরিত্রের সাথে কিছু মিল আছে বলে মনে হয়েছে। তিনি মিসির আলীর মতো একাকীত্ব এবং বিশদগ্রস্ততার মধ্যে থাকেন। যদিও মিসির আলী একাকীত্বকে উপভোগ করেন, এখানে চরিত্রটি মনে হচ্ছে তা ইচ্ছাকৃত নয়; বরং সে অনিচ্ছায় এই পরিস্থিতিতে রয়েছে। মিসির আলীর পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণী ক্ষমতার পরিবর্তে, এখানে চরিত্রটি বিশেষ অলৌকিক ক্ষমতা ও জ্ঞানের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে।
আরেকটি বিষয় হলো, বইটিতে ইসলাম ধর্মের অনেক দিক তুলে ধরা হয়েছে, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে মনে হয়েছে লেখক শুধুমাত্র একটি বিজ্ঞাপনের মতো প্রচার করছেন। কিছু ইসলামিক প্র্যাকটিসের প্রসঙ্গ এসেছে, কিন্তু সেগুলোর পক্ষে যথেষ্ট যুক্তি প্রদান করা হয়নি। নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আমলের উদাহরণ দেয়া হয়েছে, তবে সেগুলোকে বাস্তব ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা কম ছিল।
সার্বিকভাবে, বইটি ভালো লেগেছে, তবে গল্পে আরও সামঞ্জস্য ও গভীরতার প্রয়োজন।
আরেকটা জিনিস চোখে পড়ার মতো, তিনি অনেক কাহিনী বললেও সেটি আর ডেভলপ করেনি। শাহ বাবার চরিত্র নিয়ে অনেক লেখা থাকলেও তাঁর ভূমিকা বা প্রভাব সম্পর্কে কোনও গভীর আলোচনা দেখা যায়নি, যা আমার কাছে প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছিল।
মূল চরিত্রটি হুমায়ূন আহমেদের মিসির আলীর চরিত্রের সাথে কিছু মিল আছে বলে মনে হয়েছে। তিনি মিসির আলীর মতো একাকীত্ব এবং বিশদগ্রস্ততার মধ্যে থাকেন। যদিও মিসির আলী একাকীত্বকে উপভোগ করেন, এখানে চরিত্রটি মনে হচ্ছে তা ইচ্ছাকৃত নয়; বরং সে অনিচ্ছায় এই পরিস্থিতিতে রয়েছে। মিসির আলীর পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণী ক্ষমতার পরিবর্তে, এখানে চরিত্রটি বিশেষ অলৌকিক ক্ষমতা ও জ্ঞানের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে।
আরেকটি বিষয় হলো, বইটিতে ইসলাম ধর্মের অনেক দিক তুলে ধরা হয়েছে, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে মনে হয়েছে লেখক শুধুমাত্র একটি বিজ্ঞাপনের মতো প্রচার করছেন। কিছু ইসলামিক প্র্যাকটিসের প্রসঙ্গ এসেছে, কিন্তু সেগুলোর পক্ষে যথেষ্ট যুক্তি প্রদান করা হয়নি। নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আমলের উদাহরণ দেয়া হয়েছে, তবে সেগুলোকে বাস্তব ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা কম ছিল।
সার্বিকভাবে, বইটি ভালো লেগেছে, তবে গল্পে আরও সামঞ্জস্য ও গভীরতার প্রয়োজন।
March 11, 2026
- 🎎 𝑾𝒉𝒂𝒕 𝒊𝒇 𝒕𝒉𝒆 𝒎𝒐𝒔𝒕 𝒊𝒏𝒏𝒐𝒄𝒆𝒏𝒕-𝒍𝒐𝒐𝒌𝒊𝒏𝒈 𝒈𝒊𝒇𝒕 𝒘𝒂𝒔𝒏'𝒕 𝒎𝒆𝒂𝒏𝒕 𝒕𝒐 𝒃𝒓𝒊𝒏𝒈 𝒋𝒐𝒚—𝒃𝒖𝒕 𝒕𝒐 𝒅𝒆𝒍𝒊𝒗𝒆𝒓 𝒂 𝒄𝒖𝒓𝒔𝒆 𝒘𝒓𝒂𝒑𝒑𝒆𝒅 𝒊𝒏 𝒑𝒓𝒆𝒕𝒕𝒚 𝒑𝒂𝒄𝒌𝒂𝒈𝒊𝒏𝒈?
Envy is a silent flame. It doesn't announce itself. It doesn't knock. It slips inside through a smile, a gift, a child's toy—and burns everything from within. জাবেদ রাসিন’s Bangladeshi Gothic ‘অসূয়া’ (তমিস্রা ভুবন #১.৫) is exactly that kind of horror. Not cosmic. Not grand. Surgical.
Listed as #1.5, this is the second published book of Tomisra Bhubon/ The Tenebrous World series—but chronologically, it's the fourth, slotting between তমিস্রা and বিস্তৃত আঁধার, deeply connected to কুরুকারা.
Six-year-old Afsara has been drowning in nightmares for two months. Doctors fail. Psychiatrists fail. Her desperate father Touhid finally comes to Irfan—who takes one look at the child and knows: this isn't illness. This is intention. The weapon? A grotesque doll. The motive? Something far more human than any demon: envy.
Asuya strips the Tomisra universe down to its skeleton—no sprawling village mysteries, no parallel timelines. Just 112 focused pages asking one quietly devastating question: what happens when someone's jealousy becomes so poisonous it weaponizes childhood itself? Javed Rasin's answer is uncomfortable because it's familiar. This isn't fiction about monsters from another dimension (well, it is in a way). It's fiction about your neighbor, relative, lover, spouse etc. The person who smiled at your success and felt something rot inside them. The portrayal of Ruqyah remains the series' strongest asset—grounded, researched, refreshingly free of Hollywood theatrics or superstitious folklore. And the counter-superstition thread—exposing তাবিজ-কবজ culture as কুফর—gives the horror genuine moral weight.
But the novella stumbles where Rasin habitually stumbles: repetition. The same symptoms cycle, the same information resurfaces. For a 112-page book, that's an expensive indulgence. The Islamic references occasionally feel promotional rather than organic—cited without being fully argued. And the ending, deliberately unresolved, will frustrate newcomers while rewarding series loyalists as well as someone like me who is reading chronologically.
Reading this after Kurukara and Tomisra, the moment Touhid's name appeared, I knew exactly where the story was going. And yet—I never felt bored. That's the quiet achievement here.
If তমিস্রা is a monsoon, অসূয়া is the humidity that precedes it—smaller, tighter, but no less suffocating. Because sometimes the darkest curses don't arrive in ancient manuscripts. Sometimes they arrive wrapped in a bow, carried by someone who once called you family.
⁉️ 𝐐𝐎𝐓𝐃: If you discovered someone's jealousy had literally cursed your child, would forgiveness or vengeance consume you first?
⛉ 𝐋𝐢𝐤𝐞𝐝 𝐭𝐡𝐢𝐬 𝐩𝐨𝐬𝐭? Hit the ❤️. 🔖 Save if you love compact horror novellas, cursed object fiction, Islamic exorcism narratives, black magic revenge plots, or believe envy kills more effectively than any demon ever could. SHARE it ↗️ with fellow readers who dare to explore the darker corners of the human heart!
🔔 𝐅𝐨𝐥𝐥𝐨𝐰 𝐦𝐞 for more bookish ramblings, reviews, and recommendations.
🔗 𝑮𝑶𝑶𝑫𝑹𝑬𝑨𝑫𝑺: Nazmus Sadat → goodreads.com/dsony7
📸 𝑰𝑵𝑺𝑻𝑨𝑮𝑹𝑨𝑴: @dSHADOWcatREADS
𝔹𝕆𝕆𝕂 𝕀ℕ𝔽𝕆ℝ𝕄𝔸𝕋𝕀𝕆ℕ
📖 Title: অসূয়া / Asuya (Envy)
✍️ Author: জাবেদ রাসিন / Javed Rasin
🌐 Genre: Dark Fantasy | Supernatural Thriller | Bangladeshi Occult Fiction | Islamic Exorcism Fiction
📅 Published: First published February 2017 by Batighar Prokashoni/ বাতিঘর প্রকাশনী. Republished 2020 by Iha Prokash/ ঈহা প্রকাশ.
📦 Book From: Iha Prokash Stall, Amar Ekushey Book Fair 2026
📊 My Rating: ★★★¾ (3.75/5)
#Asuya #TomisraBhubon #TomisraBhubon1.5 #JavedRasin #dSHADOWcatREADS
Envy is a silent flame. It doesn't announce itself. It doesn't knock. It slips inside through a smile, a gift, a child's toy—and burns everything from within. জাবেদ রাসিন’s Bangladeshi Gothic ‘অসূয়া’ (তমিস্রা ভুবন #১.৫) is exactly that kind of horror. Not cosmic. Not grand. Surgical.
Listed as #1.5, this is the second published book of Tomisra Bhubon/ The Tenebrous World series—but chronologically, it's the fourth, slotting between তমিস্রা and বিস্তৃত আঁধার, deeply connected to কুরুকারা.
Six-year-old Afsara has been drowning in nightmares for two months. Doctors fail. Psychiatrists fail. Her desperate father Touhid finally comes to Irfan—who takes one look at the child and knows: this isn't illness. This is intention. The weapon? A grotesque doll. The motive? Something far more human than any demon: envy.
Asuya strips the Tomisra universe down to its skeleton—no sprawling village mysteries, no parallel timelines. Just 112 focused pages asking one quietly devastating question: what happens when someone's jealousy becomes so poisonous it weaponizes childhood itself? Javed Rasin's answer is uncomfortable because it's familiar. This isn't fiction about monsters from another dimension (well, it is in a way). It's fiction about your neighbor, relative, lover, spouse etc. The person who smiled at your success and felt something rot inside them. The portrayal of Ruqyah remains the series' strongest asset—grounded, researched, refreshingly free of Hollywood theatrics or superstitious folklore. And the counter-superstition thread—exposing তাবিজ-কবজ culture as কুফর—gives the horror genuine moral weight.
But the novella stumbles where Rasin habitually stumbles: repetition. The same symptoms cycle, the same information resurfaces. For a 112-page book, that's an expensive indulgence. The Islamic references occasionally feel promotional rather than organic—cited without being fully argued. And the ending, deliberately unresolved, will frustrate newcomers while rewarding series loyalists as well as someone like me who is reading chronologically.
Reading this after Kurukara and Tomisra, the moment Touhid's name appeared, I knew exactly where the story was going. And yet—I never felt bored. That's the quiet achievement here.
If তমিস্রা is a monsoon, অসূয়া is the humidity that precedes it—smaller, tighter, but no less suffocating. Because sometimes the darkest curses don't arrive in ancient manuscripts. Sometimes they arrive wrapped in a bow, carried by someone who once called you family.
⁉️ 𝐐𝐎𝐓𝐃: If you discovered someone's jealousy had literally cursed your child, would forgiveness or vengeance consume you first?
⛉ 𝐋𝐢𝐤𝐞𝐝 𝐭𝐡𝐢𝐬 𝐩𝐨𝐬𝐭? Hit the ❤️. 🔖 Save if you love compact horror novellas, cursed object fiction, Islamic exorcism narratives, black magic revenge plots, or believe envy kills more effectively than any demon ever could. SHARE it ↗️ with fellow readers who dare to explore the darker corners of the human heart!
🔔 𝐅𝐨𝐥𝐥𝐨𝐰 𝐦𝐞 for more bookish ramblings, reviews, and recommendations.
🔗 𝑮𝑶𝑶𝑫𝑹𝑬𝑨𝑫𝑺: Nazmus Sadat → goodreads.com/dsony7
📸 𝑰𝑵𝑺𝑻𝑨𝑮𝑹𝑨𝑴: @dSHADOWcatREADS
𝔹𝕆𝕆𝕂 𝕀ℕ𝔽𝕆ℝ𝕄𝔸𝕋𝕀𝕆ℕ
📖 Title: অসূয়া / Asuya (Envy)
✍️ Author: জাবেদ রাসিন / Javed Rasin
🌐 Genre: Dark Fantasy | Supernatural Thriller | Bangladeshi Occult Fiction | Islamic Exorcism Fiction
📅 Published: First published February 2017 by Batighar Prokashoni/ বাতিঘর প্রকাশনী. Republished 2020 by Iha Prokash/ ঈহা প্রকাশ.
📦 Book From: Iha Prokash Stall, Amar Ekushey Book Fair 2026
📊 My Rating: ★★★¾ (3.75/5)
#Asuya #TomisraBhubon #TomisraBhubon1.5 #JavedRasin #dSHADOWcatREADS
September 25, 2022
এই লেখকের বই প্রথম পড়ি ২০১৬ সালে। তমিস্রা! সহজ সাবলীল লেখার ভঙ্গি এবং গল্পের প্লট বেশ সুন্দর থাকা সত্ত্বেও শেষটা একদম ভালো লাগেনি। তাই এরপর এই লেখকের আর কোন বই ও পড়া হয়ে ওঠেনি। সুতরাং তমিস্রা সিরিজের যে আরো বই বেরিয়েছে তাও অজানাই ছিলো। গুডরিডস ঘাটতে গিয়েই তমিস্রা সিরিজের আরো বই এর সন্ধান পাই। পিডিএফ পড়েছি বলে লেখকের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
বই এর নাম পড়েই বুঝতে পেরেছি যে এটা প্রতিহিংসা মূলক কালো জাদুর গল্প। ছোট্ট একটা গল্প। কিন্তু লেখকের উপস্থাপনা বেশ ভালো লেগেছে। টেনে হিচড়ে গল্পকে বড় করা হয়নি। লেখকের সৃষ্ট চরিত্র ইরফানকে দিয়ে লেখক বেশ কিছু সত্যি কথা বলিয়েছেন। বিশেষ করে পীর ফকিরের কাছ থেকে তাবিজ নিয়ে আসার ব্যাপারটা। সব মিলিয়ে এই ছোট্ট গল্পটা পড়তে ভালোই লাগলো।
বই এর নাম পড়েই বুঝতে পেরেছি যে এটা প্রতিহিংসা মূলক কালো জাদুর গল্প। ছোট্ট একটা গল্প। কিন্তু লেখকের উপস্থাপনা বেশ ভালো লেগেছে। টেনে হিচড়ে গল্পকে বড় করা হয়নি। লেখকের সৃষ্ট চরিত্র ইরফানকে দিয়ে লেখক বেশ কিছু সত্যি কথা বলিয়েছেন। বিশেষ করে পীর ফকিরের কাছ থেকে তাবিজ নিয়ে আসার ব্যাপারটা। সব মিলিয়ে এই ছোট্ট গল্পটা পড়তে ভালোই লাগলো।
May 22, 2020
৩.৫/৫
এক হাসিখুশি পরিবারের ছোট মেয়েকে জাদু করা হয়। নানান রকম অদ্ভূত স্বপ্ন দেখতে থাকে সে! ধীরে ধীরে এর প্রভাব পরতে থাকে বাকিদের উপর। ইরফানের কাছে জাদু আর জাদুকর দুটিই অপরিচিত! সে কি পারবে পরিবারটিকে রক্ষা করতে?
মোটামুটি এই হলো ঘটনা। তমিস্রার চেয়ে ভালো লেগেছে। ছোটখাটো সাইজের বইয়ে মশলা ভালোই আছে! কিন্তু এন্ডিং.. :3
এক হাসিখুশি পরিবারের ছোট মেয়েকে জাদু করা হয়। নানান রকম অদ্ভূত স্বপ্ন দেখতে থাকে সে! ধীরে ধীরে এর প্রভাব পরতে থাকে বাকিদের উপর। ইরফানের কাছে জাদু আর জাদুকর দুটিই অপরিচিত! সে কি পারবে পরিবারটিকে রক্ষা করতে?
মোটামুটি এই হলো ঘটনা। তমিস্রার চেয়ে ভালো লেগেছে। ছোটখাটো সাইজের বইয়ে মশলা ভালোই আছে! কিন্তু এন্ডিং.. :3
December 19, 2020
ছোট মেয়ে আফসারা। তার জীবনের সবই ঠিক আছে, শুধু সমস্যা হল রাতে দুঃস্বপ্ন দেখে। আফসারার বাবা তৌহিদ এ সমস্যা সমাধানে ডাক দেয় ডাক্তার ওরফে রেকি (ওঝা) ইরফান হাবীবকে। ইরফান অনুভব করে ছোট্ট আফসারাকে কালো যাদু করা হয়েছে যার উৎস হল একটা পুতুল। এখন কি করবে ইরফান?
ছোট উপন্যাস। ভালই গতিতে এগিয়ে গল্প শেষ হয়ে গিয়েছে। খুব একটা চমক যে আছে তাও নয়।
ছোট উপন্যাস। ভালই গতিতে এগিয়ে গল্প শেষ হয়ে গিয়েছে। খুব একটা চমক যে আছে তাও নয়।
April 18, 2017
হতাশ! হতাশ! আরো আশা ছিল। -_-
August 15, 2020
প্রথমবারের মতো এমন ধরনের কোনো বই পড়া। বেশ ভালোই লেগেছে।
July 5, 2018
শুভপুর গ্রামের কথা মনে আছে? ওই যে ময়মনসিংহ জেলার গ্রামটা। যেখানেই কিনা নিঃসংশ ঘটনা ঘটেছিল। (তমিস্রা দ্রষ্টব্য) সেখানকার ইরফানকে নিয়েই কাহিনী। নাহ সে জ্বিন তাড়ানোর চিকিৎসা ছেড়ে দেয়নি। এমনই এক বাসায় জ্বিন তাড়াতে গিয়ে দেখে এক ছোট বাচ্চাকে জাদু করা হয়েছে। তার দায়িত্ব পড়ে বাচ্চাকে জাদু থেকে বাচাতে। কিন্তু জাদু কাটাতে গিয়ে সে আস্তে আস্তে জানতে পারে অনেক কিছু।
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ তমিস্রার আর বিস্তৃত আঁধারের মাঝের সাইড স্টোরি বলা চলে অসূয়াকে। কাহিনী হিসেবে খারাপ না, টেনে পড়ে শেষ করা যায়।
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ তমিস্রার আর বিস্তৃত আঁধারের মাঝের সাইড স্টোরি বলা চলে অসূয়াকে। কাহিনী হিসেবে খারাপ না, টেনে পড়ে শেষ করা যায়।
February 21, 2017
আরবান ফ্যান্টাসি আগেও পড়েছি। কিন্তু লেখার মাঝে ইসলাম ধর্ম বা কুরআন শরীফের রেফারেন্স টানা এই প্রথম দেখলাম। সেই হিসেবে খুব ভাল লেগেছে। এবং কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লেখা খুব খুব খুব ভালো লেগেছে। তাবিজ কবজ, ঝাড়ফুঁক, পানি পড়া এগুলো যে কুফরি কালাম তা অনেকেই জানেন না বা জানলেও মানেন না।।। আশা করি তারা এবার বুঝতে পারবেন।।।
October 25, 2018
তমিস্রা -র মত হয়নি। যতটা জমাটি হবে বলে আশা করেছিলাম ততটা না। পরেরটা সংগ্রহ করে পড়বো।
September 2, 2020
হরর ঘরানার লিখায়, লেখক সার্থক। চলুক।
September 14, 2026
অসূয়া
ইরফান নতুন আরেকটি কেস পেয়েছে। শুভপুরের সেই ঘটনা তার মনে এখনো প্রভাব ফেলছে। এবারে এক ব্যবসায়ীর পিচ্ছি মেয়ে। অদ্ভুত অদ্ভুত কিছু স্বপ্ন দেখে। স্বপ্ন দেখে প্রচুর ভয় পায়। মা-বাবাকে পাশে ঘুমাতে দেয় না। সেই ব্যবসায়ী তার এক কর্মচারীর মাধ্যমে ইরফানের খোজ পায়। ইরফান প্রথমে বাড়িতে এসে কিছু অনুভব করে না। সাধারণত যদি অশরীরী কিছু থেকে থাকে সেটা ইরফান অনুভব করতে পারে। কিন্তু এবার সেটা হয়না। তাই সে পিচ্ছি মেয়েকে দেখে কিছু সন্দেহ করে আর তার বাবা-মা কে বলে ঘর থেকে সব পুতুল ছবি সরিয়ে ফেলতে।
পরের দিন আবার ফোন আসে ইরফানের কাছে। ইরফান তাড়াতাড়ি সেই বাড়িতে যায়। আর গিয়ে দেখে পিচ্ছি মেয়েটার আলমারিতে একটা পুতুল রাখা। যদিও আগেরদিন নাকি সব পুতুল সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। আর এতে বুঝে যায় ইরফান যা সে সন্দেহ করেছিল তা সত্যি। পিচ্ছি মেয়েটাকে কেউ যাদু করেছে। আর যাদুটা করা হয়েছে এই পুতুল দিয়ে কারন পুতুলের গায়ে এমন কিছু আলামত পাওয়া গেছে যা থেকে এটা বলা যায়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই ব্যাপারে ইরফানের ধারণা নেই তেমন। আর যদি যাদু সম্পর্কে বা যাদুকরকে নিয়ে কোন ধারণা না থাকলে, যদি কিছু করে সেটা হিতে বিপরীত হতে পারে। যাদুকর তার উপর প্রতিশোধ নিতে পারে। তাই ইরফান চাচ্ছে এই ব্যাপারে ভালো করে জেনে তারপরে চিকিৎসা করতে। কিন্তু অবস্থা দিনকেদিন খারাপ হচ্ছে। ইরফান কি পেরেছিল পিচ্ছি মেয়েটাকে সুস্থ করতে? পেরেছিল কি জানতে কে করেছে এই যাদু? কেন করলো এই যাদু?
.
প্রতিক্রিয়াঃ-
কয়েকমাস আগে 'তমিস্রা' পড়লাম দারুণ লেগেছিল বইটা। সাধারণত এই টপিক নিয়ে কাউকে এভাবে উপন্যাস লিখতে দেখিনি বলে আরো ভালো লেগেছিল পড়তে।
তো কি মনে করে রাতে ঘুমানোর আগে 'অসূয়া' নিয়ে বসলাম। ভাবলাম যে ছোট বই হয়তো পড়তে পড়তে ঘুম চলে আসবে। ঘুমতো আসেনি বরং চলে গিয়েছে।
'তমিস্রা' যখন পড়ি তখন হলে ছিলাম। হলে সাধারণত একটু ভীড় থাকে, আড্ডা থাকে গভীর রাত পর্যন্ত। তাই যখন পড়ি সেভাবে ফিল করেনি ভয়টা। আর তখন বইটা একনাগাড়ে পড়ে শেষ করেনি। এটাও হয়ত ভয় তেমন না পাওয়ার কারন।
কিন্তু 'অসূয়া' যখন পড়ছি তখন আমি গ্রামে। গ্রামে সাধারণত অল্প রাতেও মনে হয় যে গভীর রাত। আমার রুম ছাড়া সব রুমের লাইট অফ। পড়তে পড়তে অনেক ভয় পাচ্ছি। তারপরেও ভয় নিয়ে পুরো বই পড়া শেষ করি। এই ফিলটা রয়ে যায়। বই পড়া শেষ হলে ওয়াশরুমে যাবার সময় ভয় হচ্ছিল। আয়নার দিকে তাকাতে ভয় হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল কেউ পিছনে দাঁড়িয়ে নেই তো। এমন ভয় পেয়েছি রাতে আর একা ঘুমাইনি। ছোট ভাইয়ের সাথে ঘুমাইছি। শুধু মনে হচ্ছিল আশেপাশে কিছু নাইতো?
আমি এমনিতে হরর খুব কম পছন্দ করি। তাই হরর বই তেমন পড়া হয়না। হরর মুভি ও দেখা হয়নি তেমন। আর এইসব কালো যাদু বিষয়ক হলে আগ্রহ থাকে কিন্তু আবার মনে একটু ভয়ও লাগে। তাই এই কারনে আমি 'ডাব্বে' মুভি সিরিজ বা 'সিজ্জিন' মুভি সিরিজ এখনো দেখিনি। মনের মধ্যে একটা চাপ পড়ে বলে।
.
'তমিস্রা' পড়া থাকলে এটার প্রতি আগ্রহ বেশি থাকবে। সিকুয়েল হলেও যদি আগের বই পড়া না থাকেও তাহলে এই বই পড়তে অসুবিধা হবেনা দুয়েক জায়গা ছাড়া। তবে আমি ভাবছিলাম এই বইটা 'তমিস্রা'র সাথে সংযোগ থাকবে।
তবে আগের বইয়ের চাইতে এই বই অনেক সাদামাটা। তবে তাই বলে আমার নিজের খারাপ লাগেনি। হয়ত পরিবেশ এর কারনে।
কাহিনী খুব সোজাভাবে এগিয়ে গেছে। প্লটে তেমন ঘোরপ্যাঁচ ছিলনা। টুইস্ট ছিলনা।
তারপরেও কাহিনী যা ছিল তাতে আরেকটু বিস্তারিত লিখলে মনে হয় ভালো হত। আসলে 'তমিস্রা' পড়ার পর এক্সপেকটেশন অনেক ছিল এর সিকুয়েল এর প্রতি।
আগেও বলেছি বইটা পড়ার সময় ভয় পেয়েছি বলে প্লটের ব্যাপারটা নিয়ে ভাবিনি। ভালো লাগছিল পড়তে।
তবে আইরিন চরিত্রটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ছিল। ওর ব্যাপারে তেমন কিছু বলা হয়নি। হয়তবা পরের বইতে এই ব্যাপারে বলা হবে। ওর জার্নি নিয়ে কিছু লিখা হয়নি। সাধারণ একটা মেয়েতো নিশ্চয় এত দ্রুত পরিবর্তন হবেনা। কি তাকে এরকম হতে সাহায্য করলো। এভাবে তার জার্নিটা লিখলে ভালো হতো।
এছাড়া একটা জায়গায় বলা আছে এই যাদু তার আশেপাশের মানুষের উপর প্রভাব ফেলবে। মূলত আশেপাশের মানুষের উপর প্রতিশোধ নেয়ার জন্যে এই যাদু করা হয়। তাই পিচ্ছিটার মা-বাবার মধ্যে ঝগড়া মনোমালিন্য এগুলো আরেকটু দেখাতে পারতো। মায়ের মধ্যেও যখন এই যাদু কাজ করতে লাগলো তখন এর প্রভাবটা আরেকটু ভালো করে দেখানো লাগতো।
.
তবে কিছু জিনিস অনেক ভালো লেগেছে। ইরফানের ফ্ল্যাশব্যাকে পুতুল নিয়ে ঘটনাটা যাদুর ভয়াবহতা ভালো পরিমাণে ছিল। এই অংশটা পড়ে সত্যি কেমন জানি লাগছিল। এছাড়া একটু ভুল তথ্য আছে। লেখক এখানে বলেছেন 'নেফাস'র কথা। অথচ হবে 'হায়েজ'। আর 'নেফাস' হলো প্রসব পরবর্তী বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত। আর যারা এই যাদু প্রতিহত করে তারাও যে আসলে খুব বিপদে থাকে তাও দেখানো হয়েছে।
আমাদের মাঝে পীর নিয়ে, মাজার নিয়ে, তাবিজ নিয়ে অনেক ভ্রান্ত ধারণা আছে। এই ব্যাপারে কথাগুলো ভালো লেগেছে। মাজার নিয়ে যে একধরনের অন্ধভক্তি আছে অনেকের মাঝে তাও ফুটে উঠেছে।
ইরফান নতুন আরেকটি কেস পেয়েছে। শুভপুরের সেই ঘটনা তার মনে এখনো প্রভাব ফেলছে। এবারে এক ব্যবসায়ীর পিচ্ছি মেয়ে। অদ্ভুত অদ্ভুত কিছু স্বপ্ন দেখে। স্বপ্ন দেখে প্রচুর ভয় পায়। মা-বাবাকে পাশে ঘুমাতে দেয় না। সেই ব্যবসায়ী তার এক কর্মচারীর মাধ্যমে ইরফানের খোজ পায়। ইরফান প্রথমে বাড়িতে এসে কিছু অনুভব করে না। সাধারণত যদি অশরীরী কিছু থেকে থাকে সেটা ইরফান অনুভব করতে পারে। কিন্তু এবার সেটা হয়না। তাই সে পিচ্ছি মেয়েকে দেখে কিছু সন্দেহ করে আর তার বাবা-মা কে বলে ঘর থেকে সব পুতুল ছবি সরিয়ে ফেলতে।
পরের দিন আবার ফোন আসে ইরফানের কাছে। ইরফান তাড়াতাড়ি সেই বাড়িতে যায়। আর গিয়ে দেখে পিচ্ছি মেয়েটার আলমারিতে একটা পুতুল রাখা। যদিও আগেরদিন নাকি সব পুতুল সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। আর এতে বুঝে যায় ইরফান যা সে সন্দেহ করেছিল তা সত্যি। পিচ্ছি মেয়েটাকে কেউ যাদু করেছে। আর যাদুটা করা হয়েছে এই পুতুল দিয়ে কারন পুতুলের গায়ে এমন কিছু আলামত পাওয়া গেছে যা থেকে এটা বলা যায়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই ব্যাপারে ইরফানের ধারণা নেই তেমন। আর যদি যাদু সম্পর্কে বা যাদুকরকে নিয়ে কোন ধারণা না থাকলে, যদি কিছু করে সেটা হিতে বিপরীত হতে পারে। যাদুকর তার উপর প্রতিশোধ নিতে পারে। তাই ইরফান চাচ্ছে এই ব্যাপারে ভালো করে জেনে তারপরে চিকিৎসা করতে। কিন্তু অবস্থা দিনকেদিন খারাপ হচ্ছে। ইরফান কি পেরেছিল পিচ্ছি মেয়েটাকে সুস্থ করতে? পেরেছিল কি জানতে কে করেছে এই যাদু? কেন করলো এই যাদু?
.
প্রতিক্রিয়াঃ-
কয়েকমাস আগে 'তমিস্রা' পড়লাম দারুণ লেগেছিল বইটা। সাধারণত এই টপিক নিয়ে কাউকে এভাবে উপন্যাস লিখতে দেখিনি বলে আরো ভালো লেগেছিল পড়তে।
তো কি মনে করে রাতে ঘুমানোর আগে 'অসূয়া' নিয়ে বসলাম। ভাবলাম যে ছোট বই হয়তো পড়তে পড়তে ঘুম চলে আসবে। ঘুমতো আসেনি বরং চলে গিয়েছে।
'তমিস্রা' যখন পড়ি তখন হলে ছিলাম। হলে সাধারণত একটু ভীড় থাকে, আড্ডা থাকে গভীর রাত পর্যন্ত। তাই যখন পড়ি সেভাবে ফিল করেনি ভয়টা। আর তখন বইটা একনাগাড়ে পড়ে শেষ করেনি। এটাও হয়ত ভয় তেমন না পাওয়ার কারন।
কিন্তু 'অসূয়া' যখন পড়ছি তখন আমি গ্রামে। গ্রামে সাধারণত অল্প রাতেও মনে হয় যে গভীর রাত। আমার রুম ছাড়া সব রুমের লাইট অফ। পড়তে পড়তে অনেক ভয় পাচ্ছি। তারপরেও ভয় নিয়ে পুরো বই পড়া শেষ করি। এই ফিলটা রয়ে যায়। বই পড়া শেষ হলে ওয়াশরুমে যাবার সময় ভয় হচ্ছিল। আয়নার দিকে তাকাতে ভয় হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল কেউ পিছনে দাঁড়িয়ে নেই তো। এমন ভয় পেয়েছি রাতে আর একা ঘুমাইনি। ছোট ভাইয়ের সাথে ঘুমাইছি। শুধু মনে হচ্ছিল আশেপাশে কিছু নাইতো?
আমি এমনিতে হরর খুব কম পছন্দ করি। তাই হরর বই তেমন পড়া হয়না। হরর মুভি ও দেখা হয়নি তেমন। আর এইসব কালো যাদু বিষয়ক হলে আগ্রহ থাকে কিন্তু আবার মনে একটু ভয়ও লাগে। তাই এই কারনে আমি 'ডাব্বে' মুভি সিরিজ বা 'সিজ্জিন' মুভি সিরিজ এখনো দেখিনি। মনের মধ্যে একটা চাপ পড়ে বলে।
.
'তমিস্রা' পড়া থাকলে এটার প্রতি আগ্রহ বেশি থাকবে। সিকুয়েল হলেও যদি আগের বই পড়া না থাকেও তাহলে এই বই পড়তে অসুবিধা হবেনা দুয়েক জায়গা ছাড়া। তবে আমি ভাবছিলাম এই বইটা 'তমিস্রা'র সাথে সংযোগ থাকবে।
তবে আগের বইয়ের চাইতে এই বই অনেক সাদামাটা। তবে তাই বলে আমার নিজের খারাপ লাগেনি। হয়ত পরিবেশ এর কারনে।
কাহিনী খুব সোজাভাবে এগিয়ে গেছে। প্লটে তেমন ঘোরপ্যাঁচ ছিলনা। টুইস্ট ছিলনা।
তারপরেও কাহিনী যা ছিল তাতে আরেকটু বিস্তারিত লিখলে মনে হয় ভালো হত। আসলে 'তমিস্রা' পড়ার পর এক্সপেকটেশন অনেক ছিল এর সিকুয়েল এর প্রতি।
আগেও বলেছি বইটা পড়ার সময় ভয় পেয়েছি বলে প্লটের ব্যাপারটা নিয়ে ভাবিনি। ভালো লাগছিল পড়তে।
তবে আইরিন চরিত্রটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ছিল। ওর ব্যাপারে তেমন কিছু বলা হয়নি। হয়তবা পরের বইতে এই ব্যাপারে বলা হবে। ওর জার্নি নিয়ে কিছু লিখা হয়নি। সাধারণ একটা মেয়েতো নিশ্চয় এত দ্রুত পরিবর্তন হবেনা। কি তাকে এরকম হতে সাহায্য করলো। এভাবে তার জার্নিটা লিখলে ভালো হতো।
এছাড়া একটা জায়গায় বলা আছে এই যাদু তার আশেপাশের মানুষের উপর প্রভাব ফেলবে। মূলত আশেপাশের মানুষের উপর প্রতিশোধ নেয়ার জন্যে এই যাদু করা হয়। তাই পিচ্ছিটার মা-বাবার মধ্যে ঝগড়া মনোমালিন্য এগুলো আরেকটু দেখাতে পারতো। মায়ের মধ্যেও যখন এই যাদু কাজ করতে লাগলো তখন এর প্রভাবটা আরেকটু ভালো করে দেখানো লাগতো।
.
তবে কিছু জিনিস অনেক ভালো লেগেছে। ইরফানের ফ্ল্যাশব্যাকে পুতুল নিয়ে ঘটনাটা যাদুর ভয়াবহতা ভালো পরিমাণে ছিল। এই অংশটা পড়ে সত্যি কেমন জানি লাগছিল। এছাড়া একটু ভুল তথ্য আছে। লেখক এখানে বলেছেন 'নেফাস'র কথা। অথচ হবে 'হায়েজ'। আর 'নেফাস' হলো প্রসব পরবর্তী বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত। আর যারা এই যাদু প্রতিহত করে তারাও যে আসলে খুব বিপদে থাকে তাও দেখানো হয়েছে।
আমাদের মাঝে পীর নিয়ে, মাজার নিয়ে, তাবিজ নিয়ে অনেক ভ্রান্ত ধারণা আছে। এই ব্যাপারে কথাগুলো ভালো লেগেছে। মাজার নিয়ে যে একধরনের অন্ধভক্তি আছে অনেকের মাঝে তাও ফুটে উঠেছে।
July 7, 2023
জাবেদ রাসিনের হরর থ্রিলার "অসূয়া" পড়ে শেষ করলাম। বইয়ের নামের সাথেই এর বিষয়বস্তু নিহিত। অসূয়া অর্থ পরশ্রীকাতরতা,হিংসা। "অসূয়ার"মূল কাহিনীও মুলত এই হিংসা বিদ্ধেষকে কেন্দ্র করেই। মানুষের মনের ভিতরকার হিংসা এবং প্রতিশোধ পরায়ণতার বিষ যে অনেক খারাপ কিছু ঘটাতে পারে তার চিত্রায়নই মুলত এর কাহিনী।
এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছোট্ট মেয়ে আফসারা,প্রায় রাতেই সে দুঃস্বপ্ন দেখে এবং ভয়ার্ত মুখে জেগে ওঠে । কোন প্রতিকারেই তার দুঃস্বপ্ন দেখা বন্ধ হয়না,তার শরীর স্বাস্থ্যও ধীরে ধীরে খারাপ হতে থাকে,এমতাবস্থায় আফসারার বাবা তৌহিদ সাহেব ইরফান নামক এক তরুন রাকিকে (যারা খারাপ জ্বিন,জাদু টোনার বিরুদ্ধে কাজ করে) নিয়ে আসেন। ইরফান এসে আফসারার চিকিৎসা শুরু করে এবং ক্রমশ বুঝতে পারে আফসারার উপর কোন খারাপ ধরনের কালো জাদু করা হয়েছে, এবং সেই জাদুর মাধ্যম হলো আফসারার কাছে থাকা এক কুৎসিত দেখতে পুতুল। এই জাদুর প্রভাব পরতে থাকে পরিবারের বাকিদের উপর। ইরফান খুব ধাঁধিয়ে যায় সে বুঝতে পারে এটি খুব ভয়ঙ্কর ধরনের জাদু।ইরফান কি পারবে আফসারা এবং তার পরিবারকে রক্ষা করতে?
গল্পের প্লটটা ভালোই ছিলো কিন্তু একই কথার পুনরাবৃত্তি এবং মাঝে মাঝে কিছু অপ্রয়োজনীয় কথা পাঠকের মনোযোগ নষ্ট করবে। কিছু কিছু বর্ননা আছে যা সত্যিই ভয় পাওয়ানোর জন্য যথেষ্ঠ।বইয়ের শেষের দিকটা আমার বেশ ভালো লেগেছে বিশেষ করে শেষের প্যারাটায় একটা "শেষ হয়ে হইলো না শেষের" মত ব্যপার আছে। এই বইয়ের আরেকটা জিনিস আমার ভালো লেগেছে তা হলো বইয়ে বর্নিত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে ইসলামিক এক্সরসিজমের ব্যবহার। বাংলা ভৌতিক সাহিত্যে ইসলামিক রেফারেন্স ব্যবহার একেবারেই নতুন।
মোটামুটি বলতে গেলে বইটি খারাপ না।যারা ভৌতিক সাহিত্য পছন্দ করে তাদের ভালো লাগবে।
এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছোট্ট মেয়ে আফসারা,প্রায় রাতেই সে দুঃস্বপ্ন দেখে এবং ভয়ার্ত মুখে জেগে ওঠে । কোন প্রতিকারেই তার দুঃস্বপ্ন দেখা বন্ধ হয়না,তার শরীর স্বাস্থ্যও ধীরে ধীরে খারাপ হতে থাকে,এমতাবস্থায় আফসারার বাবা তৌহিদ সাহেব ইরফান নামক এক তরুন রাকিকে (যারা খারাপ জ্বিন,জাদু টোনার বিরুদ্ধে কাজ করে) নিয়ে আসেন। ইরফান এসে আফসারার চিকিৎসা শুরু করে এবং ক্রমশ বুঝতে পারে আফসারার উপর কোন খারাপ ধরনের কালো জাদু করা হয়েছে, এবং সেই জাদুর মাধ্যম হলো আফসারার কাছে থাকা এক কুৎসিত দেখতে পুতুল। এই জাদুর প্রভাব পরতে থাকে পরিবারের বাকিদের উপর। ইরফান খুব ধাঁধিয়ে যায় সে বুঝতে পারে এটি খুব ভয়ঙ্কর ধরনের জাদু।ইরফান কি পারবে আফসারা এবং তার পরিবারকে রক্ষা করতে?
গল্পের প্লটটা ভালোই ছিলো কিন্তু একই কথার পুনরাবৃত্তি এবং মাঝে মাঝে কিছু অপ্রয়োজনীয় কথা পাঠকের মনোযোগ নষ্ট করবে। কিছু কিছু বর্ননা আছে যা সত্যিই ভয় পাওয়ানোর জন্য যথেষ্ঠ।বইয়ের শেষের দিকটা আমার বেশ ভালো লেগেছে বিশেষ করে শেষের প্যারাটায় একটা "শেষ হয়ে হইলো না শেষের" মত ব্যপার আছে। এই বইয়ের আরেকটা জিনিস আমার ভালো লেগেছে তা হলো বইয়ে বর্নিত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে ইসলামিক এক্সরসিজমের ব্যবহার। বাংলা ভৌতিক সাহিত্যে ইসলামিক রেফারেন্স ব্যবহার একেবারেই নতুন।
মোটামুটি বলতে গেলে বইটি খারাপ না।যারা ভৌতিক সাহিত্য পছন্দ করে তাদের ভালো লাগবে।
July 11, 2025
হরর গল্প হিসেবে পড়তে ভালোই লেগেছে। বিশেষ করে গল্পের শেষে ফিনিসটা ভালোই লেগেছে। তবে বইয়ের একটা জায়গায় খটকা লেগেছে। সাধারণত এই সমস্ত কাজে যে সমস্ত রাকীরা কাজ করেন তারা খুবই নিয়ম তান্ত্রিক পদ্ধতিতে জীবন যাপন করেন। ইসলামী ধর্মীয় মতে সবসময় তাদেরকে পূত-পবিত্র অবস্থায় চলাফেরা করতে হয় এবং শরীর বন্ধক দিয়ে রাখতে হয়।
ইরফানকে একজন রাকী হিসাবে দেখানো হয়েছে। বইয়ের এক জায়গায় এই রাকীকে অপবিত্র ডিওডেরেন্ট পারফিউম স্প্রে গায়ে দিতে দেখা যায়। এক্ষেত্রে উনি পবিত্র আতর ব্যবহার করলে মনে হয় ভালো হতো। কেননা এই সমস্ত অপবিত্র জিনিস ব্যবহার করলে অজু ভেঙে যায় এবং শরীরে বন্ধক করাও কেটে যায়।
ইরফানকে একজন রাকী হিসাবে দেখানো হয়েছে। বইয়ের এক জায়গায় এই রাকীকে অপবিত্র ডিওডেরেন্ট পারফিউম স্প্রে গায়ে দিতে দেখা যায়। এক্ষেত্রে উনি পবিত্র আতর ব্যবহার করলে মনে হয় ভালো হতো। কেননা এই সমস্ত অপবিত্র জিনিস ব্যবহার করলে অজু ভেঙে যায় এবং শরীরে বন্ধক করাও কেটে যায়।
April 27, 2020
তমিস্রার ধারেকাছেও নেই। ১১০ পৃষ্ঠার বইয়ে ১০০ পৃষ্ঠা পর্যন্ত বার বার একই জিনিসের পুনরাবৃত্তি মনে হয়েছে। এরপর ১০ পৃষ্ঠা কাহিনী যখন একটু জমেছে তখন মনে হয়েছে হুট করে অসম্পূর্ণ অবস্থায় শেষ হয়ে গেছে। সর্বোপরি দূর্বল প্লট এটি। উপরি পাওনা বানান ভুল তো আছেই। তবে লেখকের লেখনী সাবলীল। যাই হোক, এরপর বিস্তৃত আঁধার পড়ে দেখি কি অবস্থা। যদি অসূয়ার মত হয়, হতাশ হব আবার।
February 15, 2017
3.5 actually...
September 10, 2017
ডরাইছি!!
May 8, 2022
তমিস্রা পড়ার পর এটা স্বভাবতই তেমন আগ্রহের জায়গা টা পূরন করতে পারেনি। তবে মোটামুটি যেহেতু প্লট টা ইরফান কেন্দ্রিক ছিল সেই হিসেবে ভালোই ছিল।
June 9, 2023
2.8/5 actually!!
September 23, 2023
তমিস্রার তুলনায় নিছকই সাদামাটা এইটা৷ উপন্যাসিকা বলা যায় বড়জোর।
April 14, 2025
reviewNone
August 1, 2026
ভূত এফএম টাইপ স্টোরি। ৩০-৪০ পাতার গল্প টেনে ১১০ পৃষ্ঠা বানাইছে।
Displaying 1 - 30 of 46 reviews






























