বিশ্বজুড়ে কতিপর দেশ যখন পুরো দুনিয়া শাসনের পরিকল্পনা করছে নিজেদের মতো করে, তখনই সবার দৃষ্টির অন্তরালে এক অজানা শক্তি মাকড়সার মতো জাল বুনেছে পৃথিবীর বুকে। ক্ষমতার শির্ষে থাকা একদল মানুষ কলকাঠি নেড়ে সবগুলো দেশকে ঠেলে দিচ্ছে এক নতুন মহাযুদ্ধের দিকে। আসন্ন বিপর্যয়ে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালি করে তুলতে প্রতিটি দেশ মরিয়া হয়ে উঠেছে। এই সুবিশাল ষড়যন্ত্রের শিকার হলো বাংলাদেশের মাটি। সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নড়েচড়ে বসলো দেশকে শত্রুর কবল থেকে উদ্ধার করতে। কিন্তু দেশকে শত্রুমুক্ত করতে পৌঁছাতে হবে ষড়যন্ত্রের গোড়ায়, যেখান থেকে শুরু হয়েছে সবকিছু। আর সেজন্যই আমিন চৌধুরির নির্দেশে সেই দানবিয় শত্রুর বিরুদ্ধে অসম্ভব এক যুদ্ধে নামতে হলো শাফাত রায়হানকে।
ব্ল্যাকগেট ও সার্কেল-এর পর ডগমা-তে চূড়ান্ত পরিণতি পেল ‘সার্কেল ট্রিলজি।’
Javed Rasin (Bengali: জাবেদ রাসিন) is a Bangladeshi poet & fiction writer. He was born in Mymensingh but has raised in Dhaka from childhood. Javed completed his graduation & post-graduation in law from the University of Dhaka. He likes the charm of prosody and playing with words which fits into poetry. Shunno Pother Opekkhay (শূন্য পথের অপেক্ষায়) was his maiden published poetry.
Also the world of fiction, especially thriller & horror fiction fascinated him and he started writing in this genre. His first published thriller fiction novel was Blackgate (ব্ল্যাকগেট), co-authored with Tarim Fuad. His other works are horror novel Tomisra (তমিস্রা) & conspiracy novel Circle (সার্কেল). He continued to produce poetry and to work on fiction novels.
কনকর্ড প্রজেক্ট। বলা যায়, এই প্রজেক্ট হলো বিশ্বগ্ৰাসী পরিকল্পনার নীল নকশা। নকশামতে– অর্থনীতি, সামরিক শক্তি, মিডিয়া, ভূমি ও মস্তিষ্কের উপর নিয়ন্ত্রণে আধিপত্য অর্জন করে বিশ্বে ছড়ি ঘোরানোই লক্ষ্য। কিন্তু সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ থাকবে কোনো একক সংগঠনের মধ্যে। তারা এমনসব পণ্য ও চাহিদার বাজার সৃষ্টি করে, যার উপর মানুষ পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। আর এভাবেই তারা ধীরে ধীরে এগোয়।
এমনই এক সংগঠন 'সার্কেল' প্রথম উন্মোচিত হয় বাংলাদেশে অস্থিতিশীল ঘটনার জন্ম দিয়ে; দুজন রাষ্ট্রদ্রোহীর মাধ্যমে। বাংলাদেশ এর মোকাবিলা করতে গিয়ে আবিষ্কার করে, এই আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে আসলে জড়িয়ে আছে বেশ কয়েকটি দেশ। সার্কেলের মতো বিপজ্জনক এই নেটওয়ার্ক নিশ্চিহ্ন করতে বিশ্বের দুই ক্ষমতাবান দেশ মরিয়া। তবে.. আসলেই কি এত বছর ধরে গড়ে তোলা নেটওয়ার্কটি তারা ধ্বংস করতে চাইছে নাকি নিজেরাই কুক্ষিগত করতে চাইছে?
▪️▪️▪️
গল্পের ফাঁকফোকর বন্ধ করার চেষ্টা ভালো ছিল। কিন্তু উচ্চপদস্থ মানুষগুলোর জন্য সেফটি সিস্টেম একেবারেই সামান্য হয়ে গেল। বুঝতে পারলাম না সিকিউরিটি নিয়োগে এত কিপ্টেমি কেন করল। ভাগ্যের সহায়তা কাকতালভাবে খুব বেশিবার পেয়ে যাচ্ছিল, এটা চোখে বিঁধেছে।
শেষ ভালোতেই সব ভালো–'ডগমা' বাজেভাবে শেষ হয়নি, এতেই খুশি। গল্পের খাতিরে মজা পেয়েছি পড়ে। যদি বাস্তবেও এত সহজে যুদ্ধ শেষ হতো!
এই সিরিজের প্রথম দুটি বইয়ের তুলনায় এটি সুলিখিত। গতিময় লেখা আর ত্রিমাত্রিক চরিত্রায়নের সমন্বয়ে বইটা পড়তে সত্যিই ভালো লাগে। কিন্তু... ১. প্লট একেবারে গাঁজাখুরি। ২. বিদেশি এস্পিওনাজ থ্রিলার আর সিনেমা থেকে 'অনুপ্রাণিত' বস্তুকে মৌলিক থ্রিলার বলে চালানোর এই চেষ্টা আর কদ্দিন চলবে? আই অ্যাম ডান হিয়ার।
শেষ হল সার্কেল ট্রিলজি। ডগমা যদিও শেষ হয়েও হইল না টাইপ। বই হিসেবে ভাল। আরামেই পড়েছি। গল্পের মধ্যেও অসামঞ্জস্যতা কম। ভাল কথা বলতে গেলে বলা লাগবে লেখকের কল্পনাশক্তি। অনেক বিশাল পরিসরে সাজানো। আমেরিকা, রাশিয়া, ইরান, চায়না, মিয়ানমার কাউকেই লেখক ছাড়েন নাই। সবাইকে নিয়েই বিশাল এক স্পাই থ্রিলার সাজিয়েছেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এরকম বই ইংরেজি সাহিত্যে ভুড়ি ভুড়ি আছে। সে হিসেবে অনেক কমন একটা বই। সার্কেল ওরগানাইজেনেকে আসলে অতটা শক্তিশালী হিসেবে স্থাপন করতে লেখক ব্যর্থ। এত বড় এবং সুসংগঠিত ওরগানাইজেনেকে এত সহজে ধ্বংস করে ফেলেটা মনে মানতে চায় না। কিন্তু শেষে লেখক ক্লু দিয়ে রেখেছেন এর পরিসরকে বাড়ানোর। দেখা যাক সামনে আর কিছু আসে কিনা।
বাংলাদেশের জৈন্তাপুরে ইউরেনিয়ামের অস্তিত্ব জানতে পেরে তা দখলে নেবার চেষ্টা করে সার্কেল নামের সংগঠন! প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করে তাদের লোককে ক্ষমতায় বসানোর চেষ্টাতে ব্যর্থ হয়। আর এবার আরো বড় পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসে সার্কেল!
তাদের এই পরিকল্পনায় যোগ দেয় ইরান, চীন, মায়ানমার। উদ্দেশ্য 'ডগমা' প্রতিষ্ঠা করা। এদিকে সার্কেলের লম্বা হাতের ব্যাপারে জানতে পেরে নড়েচড়ে বসে আমেরিকা, রাশিয়া সহ বড় বড় পরাশক্তির দেশ! বাংলাদেশের সাথে ঘনিয়ে আসা অনিবার্য যুদ্ধ কি থামাতে পারবে শাফাত রায়হান?
প্রথমেই বলে নেই সিরিজের শেষ বইটি পড়ে তৃপ্তি পেয়েছি। লেখকদ্বয়ের লেখার মান ভালো হয়েছে। তবে কিছু কিছু ব্যাপদর আপনাকে জোর করে 'বিশ্বাস' করতে হবে (অন্তত আমি করেছি)। তা নাহলে, আপনি পড়ে এটাকে 'গাঁজাখুরি' প্লট বলে চালিয়ে দেন কিছু বলার থাকবে না!
সমস্যা হলো, 'অনুপ্রাণিত'র মতো ব্যাপারগুলো নিয়ে। আমি মনে করি না লেখকদ্বয়ের কোন যোগ্যতা বা ক্ষমতা নেই যে তারা মৌলিক বই লিখতে পারবেন না। 'বিশ্ব কাঁপানো' না হলেও 'বাংলাদেশ কাঁপানো' হলেও চলবে! অন্তত দিল খুলে প্রশংসা করতে পারব..
This entire review has been hidden because of spoilers.
এই ট্রিলজির আগের দুইটা বই কিনে শিক্ষা হয়ে গেছে। টাকা পুরোটাই জলে। তাই এইটা কিনি নাই। নেটে ফ্রি পিডিএফ পেয়ে পড়ে ফেললাম। এই বইটা, এই পুরো ট্রিলজি- এক কথায়- "গু"। গাঁজাখুরি, আকাশকুসুম প্লট থ্রিলারে ভাল লাগে না। এরচেয়ে এটার পটভূমি স্টার ওয়ার্সের মত করে দিয়ে সাইফাই বানালে তাও মানা যেত। আবার বলি, জঘন্য।
বইয়ের নামঃ ডগমা বইয়ের ধরণঃ স্পাই থ্রিলার / গুপ্তচরভিত্তিক রোমাঞ্চোপন্যাস। লেখকঃ তাকরীম ফুয়াদ ও জাবেদ রাসিন প্রচ্ছদঃ সুজন প্রকাশনীঃ বাতিঘর প্রকাশকালঃ ২০১৭ পৃষ্ঠাঃ ৩০৪ মুল্যঃ ২৮০ টাকা (মুদ্রিত মূল্য); ১৯৬ টাকা (রকমারি মূল্য) সার-সংক্ষেপঃ বিশ্বজুড়ে কতিপর দেশ যখন পুরো দুনিয়া শাসনের পরিকল্পনা করছে নিজেদের মতো করে, তখনই সবার দৃষ্টির অন্তরালে এক অজানা শক্তি মাকড়সার মতো জাল বুনেছে পৃথিবীর বুকে। ক্ষমতার শির্ষে থাকা একদল মানুষ কলকাঠি নেড়ে সবগুলো দেশকে ঠেলে দিচ্ছে এক নতুন মহাযুদ্ধের দিকে। আসন্ন বিপর্যয়ে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালি করে তুলতে প্রতিটি দেশ মরিয়া হয়ে উঠেছে। এই সুবিশাল ষড়যন্ত্রের শিকার হলো বাংলাদেশের মাটি। সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নড়েচড়ে বসলো দেশকে শত্রুর কবল থেকে উদ্ধার করতে। কিন্তু দেশকে শত্রুমুক্ত করতে পৌঁছাতে হবে ষড়যন্ত্রের গোড়ায়, যেখান থেকে শুরু হয়েছে সবকিছু। আর সেজন্যই আমিন চৌধুরির নির্দেশে সেই দানবিয় শত্রুর বিরুদ্ধে অসম্ভব এক যুদ্ধে নামতে হলো শাফাত রায়হানকে। পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ Dogma (ডগমা)। ইংরেজি শব্দ। অর্থ করলে দাঁড়ায় মতবাদ বা আদর্শ। চিন্তাধারাও বলা যায়। আলোচ্য বইটি লেখক তাকরিম ফুয়াদ ও জাভেদ রাসিনের যৌথভাবে লিখিত স্পাই থ্রিলার সিরিজ "সার্কেল ট্রিলজী"র তৃতীয় ও শেষ বই। এই ট্রিলজির অন্যান্য বইগুলোর রিভিউ আপনারা গ্রুপের ডকে পাবেন। তো... শুরু করা যাক... লেখকযুগল তাকরিম ফুয়াদ ও জাভেদ রাসিন ২০১৫ সালে এই ট্রিলজি শুরু করেন। প্রথম বই ব্ল্যাকগেট বেশ ভালো ছিল। ২য় বই সার্কেল ছিল মোটামুটি। তার তৃতীয়টির বেলায় এটাই বলবো যে ভাল। সার্কেল থেকে ভালো। তবে ব্ল্যাকগেটের মত হয়নি। আলোচ্য বইটির গল্প শুরু হয় বেশ ভালোভাবেই। সার্কেল যেখানে শেষ হয়, ডগমা শুরু হয় সেখান থেকেই। গল্পের শুরুতে দেখা যায় একদল নিষিদ্ধ অনুপ্রবেশকারী মায়ানমার সীমানা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে। অতঃপর তারা সীমানায় নিয়োজিত রক্ষীদের উপর বোমা বিস্ফরিত করে সারাদেশে আতঙ্ক ��ড়িয়ে দেয়। তৎপর হয়ে ওঠে সরকার ও সামরিক বাহিনী। প্রাথমিকভাবে ব্যাপারগুলোকে স্থানীয় রাজনৈতিকভাবে দেখা হলেও আস্তে আস্তে বের হয়ে আসতে ���াকে গভীর ষড়যন্ত্রের জাল। আলোচ্য বইয়ের কিছুদিক যেমন ভালো লেগেছে, তেমনি খারাপও লেগেছে কিছু। নিচে পয়েন্ট আকারে প্রত্যেকটি জিনিসই তুলে ধরার চেষ্টা করছি... => গল্পের প্লট বেশ ভালো। অন্যান্য বইগুলোর মত এর কাহিনীও বেশ বিস্তৃত। => গল্পের লেখনী ভালো। দৃশ্যপটগুলো স্পষ্ট। => সাধারণত উপন্যাসে অধিক চরিত্রের আগমন ঘটালে কাহিনী কিছুটা এলোমেলো হয়ে যায়। সব চরিত্রের উপর সমানভাবে সুবিচার করা যায় না। আলোচ্য বইয়ে এই সমস্যা বেশ ভালোমতই চোখে পড়েছে। কিছু অতিরিক্ত চরিত্র আনাতে পাঠকের তাল মেলাতে কষ্ট হয়েছে। => বইটির কাহিনীতে বিশ্ব রাজনীতির দিকগুলো আনা সংগত কারণেই দরকার ছিল। কিন্তু সেটা কিছুটা কম আনলেই ভালো হত। বই পড়ার সময় প্রায়ই মনে হচ্ছে কোন বিদেশি থ্রিলার এর অনুবাদ বা এডাপটেশন পড়ছি। দেশের তুলনায় দেশের বাইরে ঘটনা ঘটছে বেশি। => নায়ক শাফাত রায়হান এই বইটিতেও তেমন একটা ভালো কাজ দেখাতে পারেনি। বরং তাকে কিছুটা সাইড নায়ক হিসেবেই মনে হয়েছে আমার। বরং আমীন চৌধুরী চরিত্রটিকেই বেশি হাইলাইট করে হয়েছে। => বইয়ের ক্লাইম্যাক্স আরো ভালো হতে পারতো। কেমন যেন ফাইটিং এর জায়গাতেও খাপ ছাড়া লেগেছে। => বইটির ছাপা বেশ সুন্দর। কাগজের মান ভালো। বাঁধাইও ভালো। => বইটির প্রচ্ছদ ও সাইজটা বেশ আকর্ষনীয়। বাতিঘর প্রকাশনীর এই বিশেষ এক্সপেরিমেন্টটা বেশ ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ তাদেরকে। সব শেষে এটাই বলবো, থ্রিলার হিসেবে ডগমা বইটি বেশ ভালো। বিশেষ করে জানা এই ধরণের আর্মি ইন্টেলিজেন্সের ব্যাপারে আগ্রহ পোষন করেন, তাদের কাছে এই বইয়ের মিলিটারি টার্ম ও অস্ত্র সস্ত্রের বর্ণনা বেশ ভালো লাগবে। ধন্যবাদ! হ্যাপি রিডিং! :) রেটিংঃ ৩.৫/৫
প্লট স্পাই গল্পের অনেক কমন ছকে সাজানো হলেও সেটা ছিল ওয়েল বিল্ডআপ। আর লেখকদ্বয় প্রত্যেকটা বইতেই আগের চেয়ে ম্যাচিউরড হয়েছেন। তাই 'ডগমা' ই আমার কাছে 'সার্কেল' ট্রিলজির সবচেয়ে সুলিখিত বই মনে হলো। গল্পটা উপভোগ্য। এক স্বৈরাচার মতবাদের শক্তিশালী গুপ্তসংঘ, আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র, সেটার সাথে আন্তর্জাতিক রাজনীতির সম্পর্ক, এসপিওনাজ, যুদ্ধ, এইসব বিষয়কে বাংলাদেশের পটভূমিতে আনা, সবমিলিয়ে গল্পটাকে ভালোভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে। আর এসব ক্ষেত্রে লেখকদ্বয় টেকনিক্যাল দিকগুলিকে ফ্যাক্ট (বরাবরের মতোই ওয়েল রিসার্চড) আর ফিকশনের মিশ্রনে গল্পে বেশ ভালোভাবেই উপস্থাপন করতে পেরেছেন।
চরিত্রায়ন আর অ্যাকশন দৃশ্য নির্মাণেও উন্নতি এসেছে। তবে খারাপ লেগেছে গল্পে কিছু জায়গার অনেক অযৌক্তিক জিনিস। প্লট হোলসও আছে বেশ। সার্কেল সংঘের শুরুটা যতটা ভালো ছিল শেষ হয়েছে ততোটাই অসামঞ্জস্য। লেখকদ্বয় রিয়েলিস্টিক এসপিওনাজ থ্রিলার লিখতে চাইলেও কিছু ব্যাপার হয়ে গেছে অতি গাঁজাখুরি। তারপরও 'ডগমা' বইটা আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। লেখনী আর প্লট বিল্ডআপের ক্ষেত্রে এটাই ট্রিলজির সেরা, তবে থ্রিল আর সাসপেন্স 'সার্কেল' বইটাই সবচেয়ে ভালোভাবে দিতে পেরেছে।
সার্কেল সিরিজের আরেকটি বই দেখে পড়তে বসি খুব আগ্রহ নিয়ে। কিন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে কোয়ালিটি ধীরে ধীরে আরো কমছে। দুনিয়া জয় করতে চাওয়া একটি সংগঠনের পারসোনাল সিকিউরিটি একদমই নেই! এতো সহজে তাদেরকে মেরে ফেলতে পারলো সি আইএ আর সাফায়েত! প্ল্যান প্রোগ্রাম ছিলো সিআইএর, সাফায়েত এর হাতে পরিচয়, অস্ত্র সব সাপ্লাই ও করলো CIA, জাস্ট খুন করতেই গড়িমসি? হিউস্টনের সাথে আমিনউদ্দীনের চুক্তি খুবই হাস্যকর ছিলো। দুনিয়া জয় করতে চাওয়া এই সংগঠনের এতো বিগ সিক্রেট কিভাবে রিভিল হলো তার কোন ডিটেইলস বর্ণনা নাই। খুব দুর্বল ছিলো এই জায়গাটা।
This entire review has been hidden because of spoilers.
দারুণভাবে শেষ হয়েছে । সাম্ভালা'র পরে সার্কেল ট্রিলজি পড়ে মজা পেয়েছি । সমসাময়িক ঘটনার সাথে তালমিলিয়ে বাংলাদেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র । রেসিপিটা ভাল লাগল ।