Jump to ratings and reviews
Rate this book

সাদা আমি কালো আমি প্রথম খন্ড

Rate this book
কর্মজীবন শুরু চা বাগানে। দক্ষ ফুটবল খেলোয়াড় হিসাবে সুনাম অর্জনের পর কলকাতা পুলিশে যোগদান করেন খেলোয়াড় হিসাবেই। দুর্ঘটনায় খেলোয়াড় জীবনের অকাল সমাপ্তির পর কলকাতা পুলিশের একজন সুদক্ষ অফিসার হিসাবে সুনাম অর্জন করেন লেখক। ষাট, সত্তরের দশকে কলকাতা তথা বাংলার উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্হিতিতে পুলিশ হিসাবে লেখকের কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ হলো এই গ্রন্থ।

312 pages, Hardcover

Published January 26, 1997

Loading...
Loading...

About the author

Runu Guha Neogi

3 books3 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (16%)
4 stars
7 (58%)
3 stars
2 (16%)
2 stars
1 (8%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
Profile Image for Shadin Pranto.
1,526 reviews580 followers
August 1, 2026
কমরেড চারু মজুমদার কলকাতাতেই আত্মগোপনে ছিলেন। বলতে গেলে পুলিশের নাকের ডগাতেই। তার দলের একজন কেন্দ্রীয় পলিটব্যুরো সদস্য এই খবর পুলিশকে ফাঁস করে দেওয়ার আগপর্যন্ত তিনি ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। বাইরের কোনো লোক নয় ; পুলিশের কোনো জাসুসও চারু মজুমদারের খোঁজ বের করতে পারেনি। এই মহান বিপ্লবীর গ্রেফতার অংশটুকু ভীষণ স্পর্শকাতর। তিনি ভাবতেই পারেননি এভাবে পুলিশ তাকে ধরে ফেলবে। আর, পুলিশ কর্মকর্তা রণু গুহ নিয়োগীরও চিন্তার বাইরে ছিল কমরেড চারু মজুমদারকে এত সহজে পাওয়া যাবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমরেড সিরাজ সিকদারকেও তারই এক ঘনিষ্ঠ নারী ধরিয়ে দিয়েছিল বলে রটনা আছে।

রণু গুহ নিয়োগীর লেখায় একটা আলাদা আমেজ আছে। বেশ মজলিশিভাব। গল্পের মতো করে অপরাধ ও অপরাধীদের গ্রেফতারের কাহিনি পাঠককে শুনিয়েছেন। যারা 'রিয়েল কপ' কাহিনি পড়তে চান, তাদের জন্যই রণু গুহ নিয়োগীর আত্মকথা 'সাদা আমি কালো আমি'।

এই বইয়ে যেসব খুন-খারাবির কথা আছে তাতে রোমহষর্ক টিভি সিরিজ ও চলচ্চিত্র নির্মাণ করা যাবে। মোটামুটি বিস্তারিত লিখেছেন রণু গুহ। তবে হ্যাঁ, তিনি পুলিশ। তাই তার বর্ণনায় নিজ বাহিনীর পক্ষে সাফাই থাকবে তা মেনেই বইটা পড়া ভালো।

পাঁচ খণ্ডে রণু গুহ আত্মস্মৃতি লিখেছেন। দুর্ধর্ষ এই পুলিশ অফিসারের লেখা আত্মকথার বাকি খণ্ডগুলো পড়ার ইচ্ছে রইল।

পুলিশি তদন্ত, নকশাল আন্দোলন এবং অপরাধজগতের বাস্তব অভিজ্ঞতা জানতে আগ্রহী পাঠকদের জন্য 'সাদা আমি কালো আমি' নিঃসন্দেহে একটি আকর্ষণীয় পাঠ।
Profile Image for Kinshuk Majumder.
205 reviews13 followers
May 23, 2024
"সাদা আমি কালো আমি" - রুনু গুহ নিয়োগী
পর্ব ১ - জিনিয়া পাবলিশার্স, মুদ্রিত মূল্য ₹৭০ (১৯৯৭)
পর্ব ২ - জিনিয়া পাবলিশার্স, মুদ্রিত মূল্য ₹৭০ (১৯৯৮)
পর্ব ৩ - জিনিয়া পাবলিশার্স, মুদ্রিত মূল্য ₹৭০ (১৯৯৯)
পর্ব ৪ - এম এল দে এন্ড কোং, মুদ্রিত মূল্য ₹৮০ (২০০১)

কোচবিহারের এক বর্ধিষ্ণু পরিবারে রুনু গুহ নিয়োগীর জন্ম। ওপার বাংলার ময়মনসিংহ জেলা থেকে তাঁর পূর্বপুরুষ আসেন কোচবিহারে। তাঁর বাবা ছিলেন কোচবিহার আদালতের উচ্চ পদস্থ অফিসার। জেনকিনস স্কুল থেকে পাশ করে ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে স্নাতক হন‌ তিনি। তাঁর কর্মজীবন শুরু হয় চা বাগানের চাকরি দিয়ে। ভালো ফুটবল খেলার সুবাদে কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ অফিসার মিস্টার রঞ্জিত গুপ্তের সহায়তায় রুনু গুহ নিয়োগী কলকাতা পুলিশে জয়েন করেন। কিন্তু একবার কলকাতা পুলিশ টিমের সাথে মহামেডান স্পোর্টিং এর খেলাতে হাটুতে মারাত্মক চোট পান তিনি, শেষ হয়ে যায় তাঁর খেলোয়ার জীবন। এরপর তিনি পুরোপুরি তাঁর চাকরিতে মনোনিবেশ করেন।

মুচিপাড়া থানার পোস্টিং থেকেই তার প্রকৃত কর্মজীবনের শুরু। সেই সময় ওই অঞ্চলটা ছিল গুন্ডা, সমাজবিরোধী, মাস্তানদের স্বর্গরাজ্য। ধীরে ধীরে তার সাথে আলাপ হতে থাকলো সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষদের। তাঁর নিজস্ব একটা সোর্স বাহিনী গড়ে উঠলো। ১৯৬২ সালে সেপ্টেম্বর মাসে সুরেন্দ্রনাথ কলেজের এক ছাত্রকে শিয়ালদা পুলিশ অ্যারেস্ট করেছিল, সেই ঘটনা নিয়ে তুমুল ছাত্র বিক্ষোভ হয় এবং সেই বিক্ষোভটিকে খুব দক্ষতার সাথে রুনু গুহ নিয়োগী মোকাবিলা করেছিলেন।

ষাট সত্তরের দশক জুড়ে মালদার একটি অঞ্চলে একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটছিল। উত্তরবঙ্গ থেকে চা মশলা বা অন্য দামী জিনিস নিয়ে আসা লরিগুলো দক্ষিণবঙ্গের দিকে আসার পথে রাতের অন্ধকারে উধাও হয়ে যেত। সেই সময় রুনু গুহ নিয়োগী মুচিপাড়া বড়বাজার জোড়াসাঁকো থানা হয়ে লাল বাজারে গোয়েন্দা বিভাগে কর্মরত। ১৮৬৮ সালে লালবাজারে এই গোয়েন্দা বিভাগটির জন্ম হয়। অত্যন্ত দক্ষতার সাথে রুনু গুহ নিয়োগী এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড সমাদ্দারকে গ্রেফতার করে।

নিউ আলিপুরে নিজের বাড়িতে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের ম্যানেজারের স্ত্রী মহালক্ষী দত্ত খুন হন। তারপর অনেক কষ্ট করে কটকের এক প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে খুনী নকুল জানাকে গ্রেফতার করেন রুনু গুহ নিয়োগী। আফিং এর নেশা কি করে একজন মানুষকে খুনীতে পরিণত করে নকুল ছিল তার জলজ্যান্ত প্রমাণ।

১৯৬৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ তেতে উঠেছিল খাদ্য আন্দোলন এবং উত্তরবঙ্গের নকশাল বাড়ির কৃষক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। সেই সময় একদিন সকালের দিকে পার্ক স্ট্রিট পোস্ট অফিসের কাছে একটি গলির ভেতর থেকে পোস্টাল ভ্যান থেকে ৪ লাখ টাকা ডাকাতি হয়। তার পরপরই সদর স্ট্রীটের একটি সিগারেট সরবরাহকারী কোম্পানির কর্মচারীদের থেকে লক্ষাধিক টাকা ডাকাতি হয়। তারপর ডাকাতি হলো নিউ আলিপুরে ন্যাশনাল গ্রিল্ডলেস ব্যাঙ্কে। তারপরে কিছুদিনের মধ্যেই কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় পরপর পাঁচখানা টাইম বোম ফাটে। সন্ত্রাসবাদ পৌছে যায় একদম চরমসীমায়। ধীরে ধীরে কলকাতা পুলিশ অফিসাররা এর মধ্যে বেশ কিছু কেসের সমাধান করেন। গ্রেপ্তার করা হয় ট্রেড ইউনিয়নের নেতা কল্যাণ রায়, অনন্ত বাবু সহ আরো কয়েকজনকে।

৬৯ সালে চারু মজুমদারের নেতৃত্বে যখন নকশাল আন্দোলন দানা বাধে তখন সারা কলকাতায় শুরু হয় এক কালো দিন। চতুর্দিকে তখন নকশাল আন্দোলন, জঙ্গী আন্দোলন এবং সন্ত্রাস। যারা দীর্ঘ আন্দোলন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজনীতি এসেছিল তাদের সঙ্গে হঠাৎ হওয়া নকশালদের তফাৎ ছিল বিরাট। ব্যক্তি হত্যার পাশাপাশি একাত্তরে সাধারণ নির্বাচন বয়কটের ডাক দিয়েছিল নকশালরা। সম্পূর্ণ বিনা কারণে সর্বভারতীয় ফরওয়ার্ড ব্লক পার্টির চেয়ারম্যান হেমন্ত বাবুকে তারা খুন করেন। প্রায় দু বছর পর হেমন্ত বাবুর খুনের প্রকৃত অপরাধী পাণ্ডবেশ্বর ও বীরেনকে অ্যারেস্ট করা হয়। মিডিল রোডের একটি বাড়ি থেকে শেষ পর্যন্ত রুনু গুহ নিয়োগী চারু মজুমদারকে গ্রেফতার করেন। ধীরে ধীরে অস্তমিত হয় নকশালদের সন্ত্রাস। পরে গৌহাটি থেকে আরো এক কুখ্যাত নকশাল নেতা প্রিন্স ধরা পড়ে।

একবার আউটড্রাম ঘাটের কাছে কিছু আর্মি জওয়ান একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে। হেসস্টিং থানার অফিসাররা সেই ঘটনা তদন্ত করেন, দোষীদের হাতেনাতে পাকড়াও করেন। তারপর আর্মি থেকে তাদের কোর্ট মার্শাল হয় এবং তারা যথাযথ শাস্তি পায়।

সত্তরের দশকে সঞ্চয়িতা ইনভেসমেন্ট এর একটি চিটফান্ড তৈরি হয়েছিল যাতে সমাজের প্রায় সব অংশের লোকই লগ্নি করেছিলেন। শম্ভু মুখোপাধ্যায়, বিহারীলাল মুরারকা এবং স্বপন গুহ ছিলেন এই কোম্পানির তিনজন অংশীদার। আমানতকারীদের টাকা নিয়ে লটারি করত। লটারির মাধ্যমে পুরানো আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিত নতুন আমানতকারীদের টাকা দিয়ে। অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই এদের ব্যবসা খুলে ফেঁপে উঠেছিল। সমাজের সর্বস্তরেই সঞ্চয়িতার এজেন্ট ছিল। কিন্তু পরে যখন আমানতকারীরা তাদের নিজের টাকা ফেরত পাচ্ছিল না তখন তারা বিভিন্ন কোর্টে সঞ্চয়িতার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সঞ্চয়িতার সমস্ত সম্পত্তি এবং উদ্ধার করা আমানত নিয়ে লগ্নিকারীদের বিলি ব্যবস্থা করার জন্য একটা কমিশন গঠন করেন।

ষাট থেকে আশির দশকের মধ্যে যতগুলো ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল তার মধ্যে অনন্ত সিংয়ের দলের ছেলেরা ছিল রাজনৈতিকভাবে সচেতন এবং চরিত্রবান। তারা বিশ্বাস করত ভারতবর্ষে সন্ত্রাস বিপ্লবের আর সেই বিপ্লবের প্রয়োজনই ডাকাতি। আর সেই ডাকাতিগুলোর মধ্যে ছিল সাংগঠনিক ছাপ।

ষাটের দশকের মাঝামাঝি লালবাজারে এক অদ্ভুত খবর এলো। ভবানীপুর অঞ্চলে একটি বেসরকারি বাসে এক ভদ্রমহিলার পিঠের দিকে ব্লাউজের নিচে কোমরের শাড়ির উপরে লম্বা করে প্রায় দুই ইঞ্চি কে যেন কেটে দিয়েছে। এবং এই ধরনের ঘটনা কলকাতা শহরের বিভিন্ন জায়গায় পরপর কয়েকদিনই ঘটতে থাকলো। রুনু গুহ নিয়োগী বুঝতে পারলেন এটা কোন পাকা পকেটমারের কাজ, যারা ব্লেড চালাতে খুব অভ্যস্ত। এই ঘটনাতে আবদুলকে হাতে না হাতে ধরে ফেলেন রুনু গুহ নিয়োগী।‌ কিন্তু বেশি কেউ আবদুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য না দেওয়ায় জামিনে ছাড়া পেয়ে যায় আবদুল। কিন্তু ছেড়ে দেওয়ার আগে আবদুলকে এমন মার মারা হয় যে আবদুল প্রতিজ্ঞা করে যে এই ধরনের কাছে সে কখনও আর করবে না।

কালীঘাটের প্রমিলা আর কালীঘাটের মঞ্জু দুই যৌনকর্মী অস্বাভাবিকভাবে নিজের ঘরে খুন হয়। তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ প্রমিলার ঘর থেকে একটি সাদা ধুতির সন্ধান পায়। সেই সূত্র ধরে পুলিশ গোপেশ্বর এবং ধীরেন নামের দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। ফরেনসিক পরীক্ষায় জানা যায় যে তারা হাইড্রোসায়ানাইড অ্যাসিডের সোডিয়াম ও পটাশিয়াম সল্ট এর একটা মিশ্রিত বিষ দিয়ে এই খুন গুলো করতো এবং খুন করার পর যৌনকর্মীদের দেহ থেকে সমস্ত গয়না নিয়ে পালিয়ে যেত।

১৯৮৩ সালে এক নামকরা অভিযাত্রী, কলকাতার বিজ্ঞান কলেজের শারীরবিদ্যার অধ্যাপক পিনাকী চট্টোপাধ্যায় বালি ব্রিজের খানিকটা উত্তরে গঙ্গায় নৌকো উল্টে মারা যান। কিন্তু ওই নৌকার অন্য যাত্রীরা সবাই বেঁচে যান। সঙ্গে ছিলেন প্রেসিডেন্সি কলেজের শারীর বিদ্যার অধ্যাপিকা অমৃতা মৈত্র ও তার স্বামী দেবব্রত মৈত্র। আর ছিলেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা সজনেখালি বাস প্রকল্পের ডেপুটি রেঞ্জার রঞ্জিত রায়। বাগচাতুর্যে ও ক্লান্তি হীন পরিশ্রমে পিনাকীবাবু যে কোন মানুষকেই তাঁর অনুগামী করে নিতে পারতেন। সমাজের সবস্তরে ছিল তাঁর অবাধ গতি। কিন্তু পিনাকীবাবুর চরিত্রের দুটি দোষ ছিল। একটি হল মদের নেশা এবং অন্যটি হলো‌ নারী শরীর। অমৃতা মৈত্রর সাথে পিনাকীবাবু বহুবার শারীরিক ভাবে লিপ্ত হয়েছিলেন। ঘটনার দিন নৌকাতে দেবব্রতবাবু ও পিনাকীবাবুর মধ্যে ঝগড়া হয়, দেবব্রতবাবু গলা টিপে মেরে ফেলেন পিনাকীবাবুকে। মাঝিদের সাথে কথা বলে নৌকা উল্টে দেন গঙ্গাতে এবং তারা সবাই সাঁতার কেটে পারে চলে আসেন। পরে মাঝি সাহাদাতের বয়ান ও ফরেনসিক রিপোর্ট থেকে সব পরিষ্কার হয়ে যায়।

এইরকম অসংখ্য ঘটনার অবতারণা রয়েছে রুনু গুহ নিয়োগীর লেখা চারটি খন্ডের এই বইটিতে, যেই ঘটনাগুলোর সাথে তিনি নিজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত ছিলেন।

সব অপরাধই অপরাধ। কিন্তু সব অপরাধীকে ধরবার পদ্ধতি একরকম নয়। কারণ সব অপরাধীর চরিত্র আলাদা আলাদা। একই রকম অপরাধ হলেই যে অপরাধীরা একই চরিত্র হবে এমনটাও নয়। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ একই ধরনের অপরাধ করতে পারে, এমনকি তাদের উদ্দেশ্যও এক হতে পারে। কিন্তু অপরাধীদের চরিত্রের পার্থক্যের জন্য তাদের মোড অফ অপারেশন আলাদা হয়ে যায়। তাই অনেক চিন্তা ভাবনা করে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে হয়। যে সেটা পারে সে সফল, যে পারে না সে ব্যর্থ। সেই পদ্ধতি কখনো হয় সাদা কখনো বা কালো।
Profile Image for Jubair Sayeed Linas.
85 reviews10 followers
July 17, 2023
পুলিশের প্রেক্ষিতে নকশাল আন্দোলনের দিনগুলি কেমন ছিল তার ভাল বর্ণনা ছিল।
সত্য কিংবা মিথ্যা সেই বিষয়ে খুব একটা বিশ্বাস করতে পারেনি। তবে প্রচেষ্টা ভাল ছিল।
ভুল কমিউনিস্ট আন্দোলনের অন্ধ ঝোক অনেকের জীবন শেষ করে দিয়েছে সেটি সত্য।
তবে মাঝে মাঝে খেই হারিয়ে গেছে।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews