Jump to ratings and reviews
Rate this book

মানবজনম

Rate this book
হেমা এক পা এগিয়ে নয়নের গা ঘেঁষে দাঁড়াল। তারপর প্রায় ফিসফিস করে বলল, “জগতের প্রতিটি মানুষই তার বুকের ভেতর একান্ত নিজস্ব কিছু কষ্ট বয়ে বেড়ায়। সেই কষ্ট সে আর কারও কাছেই বলতে চায় না। কিংবা পারে না। কারণ সে জানে, তার এই কষ্ট বুঝবার ক্ষমতা সে ছাড়া আর কারও নেই। আর কেউ তার ওই অনুভূতি ছুঁতেও পারবে না। হয়তো এ কারণেই হাজার হাজার মানুষের ভিড়েও মানুষ আসলে দিনশেষে একাই। তাই না?'

নয়নের হঠাৎ কী হলো কে জানে! সে আচমকা হেমাকে জড়িয়ে ধরল। তারপর কাঁদতে লাগল শিশুর মতো। হেমা মুহূর্তকাল স্থবির দাঁড়িয়ে রইল। তাকে জড়িয়ে ধরে শিশুর মতন কাঁদতে থাকা এই মানুষটাকে সে এর আগে কখনো দেখে নি। তার সঙ্গে পরিচয়ের এই দীর্ঘ ছয় বছরেও না। কী এমন গোপন দুঃখ এই মানুষটার? কী হয়েছে তার? হেমা জানে না। তবে সে শক্ত করে নয়নকে বুকের সঙ্গে জড়িয়ে রাখল।

আচ্ছা, ক্রন্দনরত ওই মানুষটাকে জড়িয়ে ধরে সে নিজেও কি কাঁদছে?

528 pages, Hardcover

First published February 1, 2017

59 people are currently reading
949 people want to read

About the author

Sadat Hossain

39 books380 followers
Sadat Hossain (born 29 June 1984) is a Bangladeshi author, screenwriter, film-maker, and novelist. Sadat Hossain was born In Madaripur, Dhaka, Bangladesh. He studied anthropology at Jahangirnagar University. He was a photojournalist in a newspaper. Then the editor told him that he should write the story of those photos. Eventually, with these, he published his first book in 2013 named Golpochobi. Then, he started to write short stories. In 2014 Janalar Opashe published. In 2015 Aarshinagor is the first book when people recognize him in 2015.[4] Besides writing he has interest in filmmaking as well. He has a production house named ‘ASH’ Production house, released a number of visual contents like short films, dramas, music videos, documentaries, etc.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
100 (33%)
4 stars
87 (29%)
3 stars
55 (18%)
2 stars
31 (10%)
1 star
25 (8%)
Displaying 1 - 30 of 33 reviews
Profile Image for Mehjabeen Choity.
18 reviews20 followers
February 12, 2018
এই লেখকের বই পড়তে গিয়ে বাংলার জনগণের নাকের পানি, চোখের পানি এক হয়ে যাচ্ছে দেখে খুব আগ্রহ নিয়ে বইটা কিনেছিলাম। অতি আবেগে লেখকের তিন-তিনটা বই বগলদাবা করতে যাচ্ছিলাম, তখনই জনৈক ভদ্রলোক বাগড়া দিয়ে বসলেন। ভাগ্যিস দিয়েছিলেন, এই এক বই-ই হজম করতে পারছি না, বাকিগুলা কী করতাম?
বইটার লেখনী আপাদমস্তক হুমায়ূন আহমেদকে নকল করা। হুমায়ূন আহমেদ অত্যন্ত প্রভাবশালী লেখক। আমি চারপাশে অনেকের স্ট্যাটাসে হুমায়ূন আহমেদের লেখার ছাপ পাই, পড়তে ভালোই লাগে। কিন্তু, আপনি যখন চার ফর্মায় কাগজ ছাপিয়ে রঙিন মলাটে বাঁধিয়ে বই বিক্রি করবেন, তখন এরকম আদল মিলে যাওয়াটা বিরক্তি ছাড়া আর কিছু যোগায় না।
হুমায়ূন আহমেদের বই ধরলে শেষ করে উঠা যায় না আর এই বই শেষই করতে পারছি না।
সবাই লেখকের অনেক প্রশংসা করেছে। আমি সমালোচনাই করে দিলাম। এতে যদি ভবিষ্যতে আরো উন্নত মানের লেখা পাই, তবেই এই রিভিউ সার্থক হবে।
Profile Image for বিমুক্তি(Vimukti).
157 reviews92 followers
November 12, 2020
পুরো পড়ি নি, যতোটুকু পড়েছি তার জন্য দুই তারা৷ গল্প ভালোই ছিল, কিন্তু আসল গন্ডগোলটা লেগেছে লেখার স্টাইল নিয়ে। হুমায়ূনের মতো লেখার চেষ্টা করেন সাদাত সাহেব, কিন্তু হুমায়ূনের সবচে' বড় যে শক্তির জায়গা, সেটা হচ্ছে সংলাপ। সাদাত হোসাইনের এই জায়গায় সমস্যা আছে। উনার সংলাপগুলো ততোটা শক্তিশালী নয়। অনুকরণ দ্বারা শুধু দোষ গুলোই আয়ত্ত্ব করা যায়, এই বই তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। হুমায়ূনের যে জিনিসে অনেকে বিরক্ত হন সেটা হচ্ছে অতিমাত্রার দর্শন, আপনি দর্শন প্রদান করতে পারেন....কিন্তু এর আগে নিজের তৈরি চরিত্রগুলোকে মানোত্তীর্ণ হতে হবে। যাতে ওদের মাধ্যমে দেয়া দর্শনের বুলি গুলো লোকজনের মাথায় ঢুকে। সেটাতেও ঘাপলা আছে, কিছু জায়গায় পড়ে হাসি পেয়েছে....একদম সস্তা ফিলোসফিতে ভরা ছিল।


একজন লেখকের চেষ্টা করা উচিত নিজের স্টাইল ডেভেলাপ করা, সাদাত হোসাইন যেনো দিন দিন আরও বেশি করে হুমায়ূনকে আঁকড়ে ধরতে চাইছেন। হুমায়ূন হওয়ার একটা ইচ্ছা আছে উনার মধ্যে, কিন্তু সেটা সম্ভব না। হুমায়ূনের মতো লিখতে গেলে হুমায়ূনের মতো চিন্তা করতে হবে, দেখতে হবে....এইসব জিনিস এডপ্ট করা ইম্পসিবল।


সাদাত ভাই আমাকে হতাশ করেছেন, আমার দেশের সবচে' জনপ্রিয় লেখকের ভালো দিক একটাই, গল্পে ভালো প্যাচ লাগাতে পারেন। তবে এই জিনিস নিয়ে বেশিদিন টিকা সম্ভব না। একজন লেখকের প্রথম দিককার লেখায় এইসব মানা যায়, কিন্তু কিন্তু দিনের পর দিন একই জিনিসের পুনরাবৃত্তি ঘটলে লোকে পড়বে না।
Profile Image for Nusrat Mahmood.
594 reviews736 followers
September 11, 2017
লেখকের পড়া আমার প্রথম বই। এর আগে কোন একটা গ্রুপে সম্ভবত বইমেলার সময় লেখকের অন্যান্য বই সম্বন্ধেও ভাল রিভিউ পড়েছিলাম। তা বইটির স্বাস্থ্য ভাল ( মোটাকে মোটা বলিও না ), প্রচ্ছদ সুন্দর, ভিতরে বানান ভুল নেই। চোখকে আরাম দেয়। কিন্তু একটা বইয়ের প্রধান উপাদান- গল্প , কাহিনী, চরিত্র সেগুলো মনকে কতটুকু নাড়া দিতে পেরেছে সেটাই আসল কথা।

গ্রামের যে বংশ পলিটিক্স নিয়ে প্রধান কাহিনী আবর্তিত হয়েছে তা উপভোগ্য। প্রথম থেকেই সরাসরি প্রধান জায়গাগুলো তুলে না ধরে খুব আস্তে আস্তে উপহারের মোড়ক খুলে তা উন্মোচনের মতো সেগুলো পুরো বই জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে সামনে আনা হয়েছে যা পাঠককে নিঃসন্দেহে আটকে রাখে এবং একটা বিশাল পরিসরের কাহিনী, একটা স্বাস্থ্যবান বইয়ের জন্য এই জিনিসটা খুব জরুরী। তবে এক্ষেত্রে যেটা বেশি চোখে লাগে তা হলো গ্রাম্য গল্পে যেখানে আমরা জানি মানুষের পরস্পরের সাথে মিলমিশ, আন্তরিকতা অনেক বেশি থাকে। সেক্ষেত্রে গল্পে প্রধান চরিত্রগুলোর পাশাপাশি আর অনেক চরিত্র আসা উচিত ছিল। প্রয়োজনীয় না যে সেসমস্ত চরিত্রগুলো পুরো গল্প জুড়ে থাকুক কিন্তু গল্পের পরিবেশ অনুযায়ী, বাস্তবসম্মত করবার জন্য এগুলো দরকার যা প্রথমদিকে খুবই অল্প দেখা দিলেও পরে আর দেখা যায়নি।

তাছাড়া আমাদের যে কমন সমস্যা, কিছু কিছু চরিত্র অঙ্কন, তাদের কথা আচরণ খুবই হুমায়ূন ঘেঁষা। যা থেকে লেখক বেড়িয়ে আসতে গিয়েও আবার ফিরে এসেছে। তবে গল্পের শেষদিকে এসে হয়তো তা সামঞ্জস্য হলেও কিছুটা চোখে তো লাগেই। আমোদী চরিত্রটি এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ।

তবে হ্যাঁ। রহস্য গল্প না হয়েও একটা পাজেলের মতো কাহিনী বিন্যাস করেছেন লেখক খুব সুন্দর করে যা শেষে গিয়ে এমনভাবে খাপে খাপে লেগেছে যে পূর্ণতা পেয়েছে পুরো বইটা। লেখকের অন্যান্য বইগুলো পড়বার ইচ্ছা থাকলো।
Profile Image for Muhammad Kamruzzaman.
33 reviews9 followers
July 10, 2020
মানবজনম সাদাত হোসাইনের লেখা আমার প্রথম বই, বেশ কয়েকদিন যাবৎ লেখকের বেশ নাম ডাক শুনছিলাম। সেই সূত্রে এই বই পড়ার শুরু। বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা ৫২৬, বিশাল কলেবরে বড় একটি গল্প লিখতে চেয়েছেন লেখক। গ্রাম্য এক ওঝার কুকীর্তির উপাখ্যান "মানবজনম"। ওঝা আব্দুল ফকির, শাপের বিষ নামানোর নামে অনেক কিশোরীর জীবনে কালো অধ্যায়ের সূত্রপাত করে, এমনকি এলাকার প্রভাবশালী তৈয়বখাঁর মেয়েও রেহাই পায় না। কিন্তু গ্রামীণ মানুষ গুলো ঘটনা ধামাচাপা দেয়, এবং আব্দুল ফকির তার কুকীর্তি করে যেতেই থাকে। শেষ পর্যন্ত তাকে তার মেয়ের হাতে খুন হতে হয়।

এই বইয়ে কি নেই থ্রিলার, প্রেম, বিচ্ছেদ, রাজনীতি। স্থান মূলত ঢাকা শহর এবং মাদারীপুর। লেখক যখন ই ঢাকার ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন, লেখা আমার কাছে খাপছাড়া লেগেছে, গ্রামের ঘটনাগুলো পরিপূর্ণ ছিল। লেখক যখন ই প্রেমের বর্ণনা দিয়েছেন, অতি কাব্যিক এবং অবাস্তব লেখা বিরক্তির উদ্রেক করেছে। লেখক যেই গল্প বলেছেন, আমার ব্যক্তিগত ভাবে মনে হয়েছে, অনেক অপ্রয়োজনীয় ঘটনা তিনি যোগ করেছেন, যা না থাকলে আদৌ গল্পের কোন ক্ষতি হতো না।
Profile Image for Farzana Raisa.
533 reviews243 followers
Read
February 7, 2019
আমি হতাশ! বিরক্তও কি না বুঝতে পারছি না -_- সাদাত হোসাইন ভক্তরা আমাকে মাইর-ধর করার জন্য ছুটে চলে আসলে কিছু করার নেই। কাহিনি ভালো কিন্তু অযথা অনেক কিছুই আছে।

এক প্রভাবশালী বৃদ্ধ তৈয়ব উদ্দিন খাঁ, তার কিছুটা অস্বাভাবিক কন্যা কোহিনূর। বিয়ের আগে অতি রূপবতী এই কন্যা নিয়ে গ্রামের মানুষজন নানান কথা ছড়ালেও কী এক অজানা কারণে বিয়ের পর মেয়ে আর বাবার মুখোমুখি হয়নি। কেন হয়নি সেটা এক প্রশ্ন। কোহিনূরের প্রসঙ্গ ধরে চলে আসে ওর ছেলে, কিছুটা কেন্দ্রীয় চরিত্র, নয়ন। চরিত্র হিসেবে আরও আছে রহস্যময় ওঝা আব্দুল ফকির ওরফে ফইরসাব। মূল চরিত্র বোধ হয় তাকে বলা যায়। গল্প আবর্তীত হয়েছে এই রহস্যময় 'ফইরসাব'-কে ঘিরে। আছে পারুল, নুরুন্নাহার, তাবারন, আমোদি বেগম, মনির, এস্কান্দার, ফজু ব্যাপারী, লতা, হেমা ও আরও অনেকে...

রিভিউ লিখতে যেয়ে সব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। আরশী নগর বইটা পড়ায় প্রত্যাশা একটু বেশি ছিলো, কিন্তু মানবজনম অতোটা ভালো লাগেনি। রেটিং দিব না, থাক।

#হ্যাপি_রিডিং
#বই_হোক_অক্সিজেন
Profile Image for Rifat.
502 reviews328 followers
January 28, 2021
বিশাল পরিসরের বই মানবজনম মূলত গ্রামীণ পটভূমিতেই লেখা। উপন্যাসের নায়ক নয়ন আর নায়িকা চরিত্র হেমাদ্রী ওরফে হেমা। এদের উপস্থিতি থাকলেও আমার মতে মূল চরিত্র ফতেহপুর গ্রামের ওঝা আব্দুল ফকির, ভারী ইন্টারেস্টিং চরিত্র। এই ফকির সাবের কীর্তিকলাপকে কেন্দ্র করেই মূলত পুরো বইয়ের কাহিনীর আবর্তন।
ফতেহপুর গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি অশীতিপর তৈয়ব উদ্দিন খাঁ। তিনি হঠাৎ করেই তার প্রাণ প্রিয় মেয়ে কোহিনূরের বিয়ে দিয়ে দেন, তারপর আর মেয়ের মুখ দেখা হয় নি তার। নয়ন এই কোহিনূরেরই ছেলে। এমবিবিএস পাশ করার পর সে কোনো একটা জিনিস সম্পর্কে জানতেই হাজির হয় নানা বাড়িতে। এরপর থেকেই কাহিনী গড়াতে থাকে।

এই বইয়ের পারুল চরিত্র আমার কাছে অন্যরকমের ভালো লেগেছে। পারুল, আব্দুল ফকিরের একমাত্র মেয়ে। তবে পারুলের চরিত্রায়নে আমি হুমায়ূন আহমেদের একদম সরাসরি ছাপ পেয়েছি। এছাড়া কোহিনূর চরিত্রটিও এই গ্রুপের অন্তর্গত।

মনির চরিত্রও কম যায় না। হঠাৎ করে মুরগির বাচ্চা থেকে বাঘের বাচ্চা হয়ে ওঠাটাও গ্রামের নোংরা ষড়যন্ত্রের পার্ফেক্ট উদাহরণ।

এই বইয়ে প্রধান অপ্রধান চরিত্রের অভাব নেই - আমোদী বেগম, বজলু ব্যাপারী, ফজু ব্যাপারী, সালেহা, রাহাত, রেনু,তাবারন,ছবিরন,খবির খাঁ,মনির, জুলফিকার,ফখরুল আলম আরও অনেকে আছে বোধহয়। মনে নাই আর । চরিত্রের ঘনঘটা🙄কিছু চরিত্র কাহিনীর প্রয়োজনেই চলে এসেছে , আবার কিছু চরিত্রের ক্ষেত্রে মনে হয়েছে এদের আদৌ কোনো দরকার ছিল কিনা!?😒

ইশ বইটা যদি আরেকটু চিকন হইত!! চিকন হলে পড়ে শান্তি পাওয়া যেত আরকি। মোট পাঁচশত আটাশ পৃষ্ঠা; যেহেতু মোটকু একটি বই , তাই ধৈর্য্য নিয়ে পড়তে হবে😐 এই কাহিনী নিয়ে এটা এতই বড় যে সাধারণ ভাবেই পাঠক বিরক্ত হবার সম্ভাবনা আছে🙄এই বইটা ৩০০ পেইজে সীমাবদ্ধ রাখলে কি হত!বেশি টানাটানি😒

তবে এটা আমার জন্য রেকর্ড হয়ে থাকবে। এই রেকর্ড ভাঙতে পারবো কিনা জানি না। এই বইটা আমি একদিনে শ্যাষ করছিলাম। ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে রাত পৌনে বারোটা নাগাদ শেষ হইছিল মে বি। কেমনে শেষ হইছিল আল্লাহ জানে। তবে বুঝতে পারছি আমার প্রচুর ধৈর্য্য!!😌
Profile Image for Saifuddin Rajib.
Author 3 books30 followers
January 21, 2018
লেখকের আরশিনগরের পরে অন্দরমহল বাদ দিয়ে মানবজনম পড়তে বসেছিলা। বাংলাদেশি লেখকদের এত বড় বই আমার পড়া হয়নি। মানবজনম সম্পর্কে আমার প্রতিক্রিয়া আলাদা। বিশেষ কারণে পূর্ণাঙ্গ রিভিউ না না দিলেও বলতে হয় অসাধারণ গল্প মানবজম। সামাজিক উপন্যাসের মধ্যে সেরা একটি উপন্যাস হতে পারতো বইটি তবে আমার দৃষ্টিতে আরশিনগরকে ছাড়াতে পারেননি লেখক। মানুষের জন্মের যে বৈচিত্রতা সেটা দেখিয়েছেন দারুণভাবে, সে অর্থে লেখক সার্থক।

অপ্রয়োজনীয় কিছু চরিত্র শুধু বইটির পৃষ্ঠা বাড়িয়েছে। ডায়ালজিক ফিকশন লিখতে গিয়ে লেখক পৃষ্ঠার ডানপাশ ফাকা রেখেছেন। একটু বেশি অতিরিক্ত লেগেছে। সময়ের বর্ণনা দিতে গিয়ে কখনো মনে হয়েছে নব্বইয়ের শুরুর প্লট আবার কখনো দেখিয়েছেন ফেসবুকের গল্প। সময়ের এই বিষয়টা এই গুণী লেখক খেয়াল রাখতে পারতেন।

Profile Image for Fatema-tuz    Shammi.
126 reviews22 followers
October 27, 2020
মাঝে মাঝে ভালো লেগেছে। আবার বিরক্তি ও লেগেছে।

কোহিনূর চরিত্র টা কে কেন যেনো অনেক ভালো লেগেছে।....

গল্পে হুমায়ূনীয় ভাব লক্ষনীয়। অতি আবেগীয় ব্যাপার যেমন আছে আবার অনেক ফিলোসোফি টাইপ কথাবার্তাও অনেক।বিরক্ত লাগছে মাঝে মধ্যে৷ তবুও খুব একটা খারাপ লাগে নাই। সবমিলিয়ে ভালো.....

বড় বই এর ছোট করে রিভিউ! 😴
Profile Image for Mitul Rahman Ontor.
161 reviews60 followers
June 29, 2020
মানবজনম - আমার পড়া সাদাত হোসেনের সবচেয়ে দুর্বলতম বই, দুর্বলতম লেখা।


মানবজনম ২০১৭ সালে প্রকাশিত। এই বছরের শুরুতে সাদাত হোসেনের ২০১৯ সালের বই নির্বাসন পড়েছিলাম। এই দুই বছরে লেখক অনেকখানি ইম্প্রুভ করেছেন।


৫২৭ পৃষ্ঠার মানবজনমে ৪৮০ পৃষ্ঠা কেবল দর্শন, ফিলোসফিকাল আর ভাবুক কথাবর্তা। যার বেশিরভাগই সস্তা, পড়তে বিরক্ত লাগে। সব চরিত্রই যাকে পায় তাকে ধরে তার ভাবুক দর্শন কপচায়!!


বইটা শেষের দিকে পড়তে রীতিমত বিরক্ত লাগছিল! যদিও গল্পের শুরুটা বেশ ভালোই ছিল। সব বইকে টেনে ৫০০ পৃষ্ঠা করার প্রয়াস লেখকের বাদ দেওয়া উচিত। কোথায় এবং কতটুকে গল্পের ইতি টানতে হবে - লেখকের এই বোধের জায়গাটায় উন্নতি প্রয়োজন। 


বইয়ে এমন অনেক অনেক অধ্যায় আছে - যেগুলো যাস্ট রীতিমতো ছিড়ে ফেলে দিলেও গল্পের কোনো পরিবর্তন ই হবে না।


সাদাত হোসেনকে আমি অন্যতম সম্ভাবনাময় লেখক হিসেবে মানি। তবে লেখকের উন্নতির এখনো অনেক জায়গা রয়েছে। 

সাদাতের গল্প পাঠককে যেভাবে গল্পের চরিত্র এবং কাহিনীর সাথে এনগেজ করতে পারে - যেন চরিত্রগুলো ঠিক চোখের সামনে দেখা যায়, অনুভব করা যায়। এমন ক্ষমতা আমি এসময়ের খুব কম লেখকের মাঝেই পেয়েছি। 


বাহুল্য দোষে দুষ্ট না হলে, মানবজনম হয়ত আরো ভালো বই হতে পারতো। 
Profile Image for Sharmin Sultana  Shamoly.
89 reviews23 followers
October 20, 2021
লেখককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, এতো বড় একটা উপন্যাস লেখার জন্য। এখনকার বেশীরভাগ লেখাই এতো ছোট পড়ার আগে শেষ হয়।

তবে উপন্যাস দীর্ঘ করতে গিয়ে লেখক মূল লেখা থেকে সরে গিয়ে কেমন খাপছাড়া বর্ণনা দিয়েছেন। সবগুলো চরিত্র সম্পর্কে বিশদ বর্ণনায় তিনি খেই হারিয়েছেন।
উপন্যাসটাকে সামাজিক উপন্যাসের কাতারে ফেলতে পারিনি কারন পুরো উপন্যাস জুড়ে টুইস্টে ভরপুর। আবার ঠিক যেনো থ্রিলার নয়।

ভারতীয় সিরিয়ালের মতো সবগুলো চরিত্র রাজ্যের সমস্যা নিয়ে ঘুরে। আবার দুজন কথা বলার সময় দার্শনিকতার চর্চা করে।

লেখকের উপন্যাসের কোনো না কোনো চরিত্র গান গাওয়ার পাশাপাশি গান লিখে সুরও করতে পারে। তারপর সেইগান উপন্যাস জুড়ে কয়েকবার দেয়া থাকে। আগেও একটাতে এমন পড়েছি।

উপন্যাসের শেষের দিকে সবার যখন মিল হয়ে যাচ্ছিল তখন "এটাই মানবজনম", "এটাই মানবজন্ম" - এই রকমের বাক্যের পুনরাবৃত্তি যথেষ্ট বিরক্তিকর।

লেখক আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহারে সতর্ক ছিলেন বলে মনে হয়নি। কারন তিনি কোন অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করেছেন সেটা সনাক্ত করতে পারিনি।
আঞ্চলিক ভাষার উৎকৃষ্ট জগাখিচুড়ি মনে হয়েছে।

নয়নকে দেখে পারুলের প্রেম জাগ্রত হয়েছিল। পরে দেখা গেলো, ওরা দুই মায়ের পেটে জন্ম নিলেও বাবা একজনই। নয়ন বড় হওয়ার পর জানতে পারে, যাকে বাবা ডাকে সে আসল বাবা নয়। তার প্রেমিকা হেমাকে বাসায় গিয়ে জানিয়ে আসে, সে একটা বাস্টার্ড। এই উচ্চারণটা একই সময়ে অনেকবার করে। যার এমন দুঃখ সে এতোবার বলতে পারবে কিনা বাস্তবে সেটাই ভাবার বিষয়।

আমি আগেও একটা বই পড়েছিলাম সেখানে সব চরিত্র পরকীয়া করে বেড়ায়। নায়ক থেকে শুরু করে আরো কয়েকজন তাদের মায়ের প্রেমিকের সন্তান।
এই উপন্যাস পড়ে এমন মনে হলো, ��েশীরভাগ মেয়ে চরিত্র পরিকল্পিত ধর্ষণের স্বীকার এবং সবাই গর্ভবতী হয়। কেউ আত্মহত্যা করে, কেউ বাচ্চার জন্ম দেয়। আবার কেউ কেউ আছে বাবা মায়ের অনাকাঙ্ক্ষিত সন্তান। বাবা মায়ের ডিভোর্স হবে হবে করে হচ্ছে না। নয়ন মায়ের অবৈধ সন্তান, হেমা বাবা মায়ের অনাকাঙ্ক্ষিত সন্তান।

আরেকটা বিষয় অনেক খারাপ লাগছে তা হলো, বমি করা। উপন্যাসের সব চরিত্র কিছু হলেই বমি করে ভাসায়। পড়তে গিয়ে নিজেরই বমি আসছিল।

উপন্যাসে সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেন জানি মনে হয়েছে লেখক কোন সময়কে বুঝিয়েছেন লেখক নিজেই জানে না। অজপাড়াগাঁয়ের মেয়ে ফোনে শহরের ছেলের সাথে প্রেম করে, সারাদিন লঞ্চের কেবিনে কাটায় - এটা কিভাবে বোধগম্য নয়। তাও আবার ছেলেগুলো পারুল আর লতার সাথে সত্যিকার প্রেম করতে যায়নি। শুধুই নারী সম্ভোগের জন্য এই প্রেম প্রেম খেলা। শহর থেকে কোনো পরিচিত মাধ্যম ছাড়া একটা ছেলে প্রেম করতে গ্রামে গেলো?
তারপর প্রেম করে, শারীরিক সম্পর্ক করে দুটো ছেলে হাওয়ায় মিলিয়ে গেলো। কেউ খুঁজে পেলো না।

লেখক ভাববাচ্যে কথা বলে কিনা জানি। তার কবিতা কিংবা চরিত্রের কথোপকথনে ভাববাচ্যের ব্যবহার লক্ষণীয়।

আবদুল ফকিরকে রহস্যময় রেখেই বই শেষ। একটা লোক দিনের পর দিন সাপের বিষ নামানোর কথা বলে দুই দিন ধরে মেয়ে ধর্ষণ করলো কেউ জানলো না। এটা বিশ্বাসযোগ্য না হয়ে বরং খাপছাড়া লাগছে।

এটা কোনো রিভিউ নয়। অনেকগুলো প্রশ্নের উত্তর খুঁজার চেষ্টা করেছি।
সাদাত হোসাইনের পাঠক বেশী নাকি ফ্যান?
যারা পড়ে অসঙ্গতি তাদের চোখে পড়ে না কেন? লেখকের প্রতি অন্ধ ভালোবাসা থেকে? এই অন্ধতা কি লেখকের জন্য ভালো?
এইসব বই কি টিকে থাকবে?
যদিও অতি আবেগে লেখককে কেউ কেউ কালজয়ী বলে ফেলেন।
Profile Image for SirLaughsALot.
88 reviews19 followers
April 28, 2018
~রিভিউ অফ ৫২৮ পেজেস লং স্টোরি আন্ডার ১০০ ওয়ার্ডস~

তৈয়ব উদ্দিন খাঁ এখনো বেঁচে আছে। ফখরুল আলম ও কোহিনূরের ছেলে নয়ন। রেণু আর আসলাম সাহেবের মেয়ে হিমাদ্রি। নয়ন, তার পিতা আব্দুল ফকির কে খুন করতে চায়। আব্দুল ফকিরের মেয়ে পারুল। আব্দুল ফকির খুন হয়েছে তার মেয়ে পারুলের হাতে। পারুলের যাবজ্জীবন জেল হয়েছে। পারুলের মেয়ের নাম অপেক্ষা। নয়ন এবং হেমার বিয়ে বাফারিং হচ্ছে।

*পারুলের মেয়ে কিভাবে আসলো এইটা জানার জন্য বইটি পড়েই দেখুন। অনেক অনেক সত্য প্রকাশ আছে বইটিতে।
Profile Image for Shammiul Siraji.
28 reviews46 followers
April 10, 2018
amar review likhtei olosh lagtesse! pura shomoy ta noshto korlam okhaddo pore :S
Profile Image for Habiba♡.
352 reviews22 followers
October 30, 2020
'আমরা বেশিরভাগ ভালোবাসা বলতে দেখি মানুষ। কিন্ত ভালোবাসা হচ্ছে পূর্ণতার অনুভূতি। ফিলিং অফ ফুলফিলনেস'।
🌻___
সাদাত হোসাইনের সবচেয়ে বড় বই মনে হয় মানবজনম।প্রায় ৫২৬ পৃষ্টার।বিশাল কলরবের এই বইটি পড়া সার্থক।

ভেবে দেখুন তো আপনি যাকে মা বাবা বলেন আসলে তারা আপনার কেউ নন,তাদের সাথে আপনার কোনো সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে যাকে কখনো দেখেননি তার সাথে আপনার রক্তের সম্পর্ক,ভুলের সম্পর্ক।

ফতেহপুর গ্রামের প্রভাবশালী একজন ব্যাক্তি তৈয়ব উদ্দিন খাঁ। গ্রামের সবাই তাকে ভয় করে।কিন্তু তিনিই আড়ালে ভয় পান সামান্য এক ওঝা আব্দুল ফকিরেকে,যে কিনা সাপের বিষ নামায়। খাঁ সাহেব তার দুই ছেলের চাইতে বেশি ভালোবাসাতেন তার মেয়ে কোহিনূর কে। কিন্তু এত আদরের মেয়েকে তিনি নিজের থেকে দূর করলেন কেন?

বহুবছর পর সদ্য এমবিবিএস পাস করা নয়ন কেন এই গ্রামে এসে আটকে পড়েছে?হেমা তার ভালোবাসার মানুষ।কিন্তু কী কারণে সে হেমার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে?তার অস্তিত্ব কেন তাকে ঘৃণার মনে হচ্ছে?তাছাড়া ফকির সাহেবকে নিয়ে কেন তার এত কৌতূহল?

বইটির পিছনে রয়েছে একজন মানুষের কূকীর্তির কাহিনী।যে অনেক মানব জীবনের কালো অধ্যায়ের সূচনা।
মানবজনম আসলেই কী? হয়তো বিভ্রম বা অপেক্ষার নাম মানবজীবন।
Profile Image for Pranta Biswas.
122 reviews4 followers
May 11, 2024
হুমায়ুন আহমেদের লেখার ধরন অনুসরন (কপি) করার জন্য পাঠক মহলে বেশ দুর্নাম আছে এই লেখকের। সাহিত্যের ইতিহাসে এ জিনিস পূর্বেও দেখা গেছে যে কোন শক্তিশালী লেখকের লেখার ধরন তার সমকালীন লেখকেরা অনুসরন করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময়ও রবীন্দ্রধারার কাব্যরচনার একটি প্রবনতা তৎকালীন অনেক নামকরা কবি সাহিত্যিকদের মধ্যে দেখা গিয়েছিলো। তবে তারা রবীন্দ্রনাথের লেখার ধরন/ভাব অনুসরন করলেও নিজ নিজ আলোয় সমুজ্জ্বল ছিলেন। তাহলে সাদাত হোসেইন এর ক্ষেত্রে সমস্যা কোথায়? সত্যি কথা বলতে হয়তো সাদাত হোসেইনের বেশি বই না পড়ার কারনে কিংবা হুমায়ুন আহমেদের ডাইহার্ড ফ্যান না হওয়ার কারনে, হুমায়ুন আহমেদের লেখার স্টাইল ফলো করে সাদাত হোসেন ঠিক কি ভুল করে ফেলেছেন সেইটা জানা নেই।
সাদাত হোসেনের প্রথম বই পড়েছি 'অন্দরমহল'। এক জমিদার পরিবারের বাইরের এবং ভেতরের রাজনীতি নিয়ে মোটামুটি বড় কলেবরে লেখা বইটি খুব একটা খারাপ লাগে নি। 'মানবজনম' আরো বড় কলেবরের বই। হার্ড কপি প্রায় ৫০০+ পেইজ। ঢাউস সাইজের এই বইয়ের কাহিনী তেমন বড় কিছু মনে হয়নি। মানে একটা ৫০০+ পেইজের বইয়ের কাহিনী যতটা বড় কলেবরের হওয়ার কথা তেমন মনে হয়নি। অনেক নায়ক নায়িকা থাকলেও উপন্যাসের মূল চরিত্র মূলত গ্রাম্য ওঝা 'আব্দুল ফকির' ও অশীতিপর বৃদ্ধ 'তৈয়ব উদ্দিন খাঁ'। এই দুই চরিত্রকে কেন্দ্র করেই প্রায় পুরো বইয়ের সকল চরিত্র আবর্তিত হয়েছে। চরিত্রের কথা বললে, বইয়ে প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় চরিত্রের কোন অভাব নেই। অভাব যেটা মনে হয়েছে তা হলো এতো সব চরিত্র নিয়ে ঘটনার ঘনঘটা। দুই একটি চরিত্র ছাড়া বাকি চরিত্রের কোন উল্লেখযোগ্য ঘটনা নেই পুরো বইয়ে। সেসব চরিত্র না থাকলেও ঘটনার কোন পরিবর্তন হতো না। তবে কাহিনীর একটা ভাল স্পিড আছে। এই স্পিড না থাকলে এই কাহিনীর ৫০০ পাতার বই পড়া আমার পক্ষে সম্ভব হতো না।
জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমদের ভক্তদের অনুযোগ যে সাদাত হোসাইনের লেখনীতে হুমায়ুনী ভাব থাকলেও কাহিনী/সংলাপে তার ধারে কাছেও নেই বইগুলো। হয়তো তারা ঠিকই বলে। হুমায়ুন আহমেদের বেশিরভাগ বইগুলোর আকার তুলনামূলক ছোট হওয়ায় 'রিডার্স ব্লক' কাটানোর জন্য খুবই উৎকৃষ্ট মনে হয় আমার কাছে। এছাড়া হাতে গোনা কয়েকটা ছাড়া হুমায়ুন আহমেদের ম্যাক্সিমাম উপন্যাসের কাহিনী মনে তেমন দাগ কাটেতে পারেনি, কাহিনীও মনে নাই। সেই হিসেবে আমি আসলে হুমায়ুন ভক্তদের কাতারে পড়িনা। আমার কাছে মনে হয়েছে বইয়ের সাইজ আকারে ছোট হলে সাদাত হোসাইনের বইগুলিও 'রিডার্স ব্লক' কাটানোর জন্য ভাল বই হতে পারতো।
Profile Image for Junaed Alam Niloy.
86 reviews10 followers
August 13, 2020
কয়েকদিন চেষ্টা করেও শেষ করতে পারিনি। মনে হচ্ছিল সেইম লেখাই বা সেইম পৃষ্ঠা বারবার পড়ছি, মাঝে মাঝে সন্দেহ হচ্ছিলো যে কিরে ভুলে পিছনের পেইজে চলে আসলাম নাকি! ভাইয়ের লেখায় হুমায়ুন ��হমেদের লেখার প্রভাব স্পষ্ট!
আর বইটা এত্তত্তত্তত্তত বড় করার কোনো প্রয়োজনই ছিল না। ভাগ্য ভাল, না কিনে একজন এর কাছ থেকে ধার এনেছিলাম।
আরশিনগর টা খুব ভাল লেগেছিল, আফসোস লেখক সেই স্টান্ডার্ড ধরে রাখতে পারলেন না।
Profile Image for Shamim Raze.
20 reviews
March 1, 2020
অনেক নামডাক শুনে বইটি পড়া শুরু করে ছিলাম। কিন্তু আমার জীবনে পড়া বাজে লেখনির বই যে কয়টা পড়েছি এটি তাদের মাঝে শ্রেষ্ঠ। কাহিনি টেনে টেনে এত বড় করা হয়েছে। আর কাহিনিটি ঠিকযেন আগেরদিনের বাংলা সিনেমার মত। শুধুমাত্র সময়ের অপচয়।
Profile Image for Aprostut Azhar.
19 reviews7 followers
March 30, 2020
সবচেয়ে বেশি হতাশ হয়েছি লেখার স্টাইলের কারণে। সুপার বোরিং। নয়ন বললো, রিতা বললো... লাগাতার এইভাবে চলতেছে। খামাখাই লম্বা করছে টেনে। হুমায়ূন আহমেদকে হাইলি কপি করার চেষ্টা ছিলো। কিন্তু তাতে সফল হন নাই। শেষে একটা আজগুবি জিনিস হইছে।
1 review
December 2, 2020
The best novel I've ever read!
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Yasin Akib .
60 reviews4 followers
July 20, 2021
আপনার কখনও বই পড়ে বমি পেয়েছে? আমার পেয়েছে। এই বইটি পড়ে পেয়েছে। এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না আমি ৫৫০/- টাকা খরচ করে এই বই কিনেছি। টাকাগুলো জলে গেল। আর কখনও সাদাত হোসাইন এর কোন বই পড়ছি না। বহুকষ্টে এটা শেষ করলাম। এই কষ্ট আর চাই না।
Profile Image for Alvi Rahman Shovon.
476 reviews16 followers
July 23, 2021
লেখকের অন্য বইগুলো পড়তে গিয়ে মাঝে মাঝে বিরক্তির উদ্রেক হলেও এই বইটি পড়তে বিরক্তি আসেনি। পড়তে বেশ ভালো লেগেছে।
Profile Image for Habib R Rahman.
11 reviews28 followers
Read
September 5, 2024
যদিও লেখকের স্বীকারক্তি রয়েছে উনি সব কিছু অনেক ভেঙ্গে ভেঙ্গে,বিস্তারিত লিখতে পছন্দ করেন তবুও বলবো 'গল্প আরো ছোট হতে পারতো ' ।
January 13, 2026
আমরা যা দেখতে পাই না, জীবনের সেখানেই লুকিয়ে থাকে। তেমন করে এক গোলকধাঁধা অধ্যায় নিয়ে শুরু হয় মানবজীবন। সাদাত ভাইয়ের বইয়ের মধ্যে আমার পছন্দের একটা বই মানবজনম।
93 reviews18 followers
April 16, 2017
মানবজনম-সাদাত হোসাইন-বুক মিভিউ

আগের বইগুলো পড়ার সময়ে লেখকের উপর যে রাগ ক্ষোভ ছিল তা এই বই থেকে তুলে নিয়ে নিলাম। দীর্ঘ তিন সপ্তাহ সময় লাগিয়ে বইটি পড়েছি। কিছু কিছু অংশ পড়ে চুপ করে শুয়ে থেকেছি। ভেবেছি-যে পরে কি হতে পারে। সহজ সাধারন কপচানো উপন্যাস অনুযায়ী অনেক কিছু ভেবেছি। কিন্তু বইয়ের দীর্ঘতা-সময়ের ব্যপ্ততা তা অনুমানযোগ্য হতে দেয় নি। তাই বড় ও বেশি দামী বই লেখার জন্য লেখকের উপর যে রাগ ছিল ক্ষোভ ছিল তা তুলে নিলাম। হয়তো দুইশ পৃষ্ঠার বই হিসেবে লিখলে, কিংবা প্রতি বইমেলায় দুইতিনটা বই বের করলে আমরা খুশি হতাম-কিন্তু এই যে চরিত্রের গভীরতা, তাদের মানসিক বৃষ্টি, হাতের কদম ফুলের ছোয়া, তা কি এভাবে বুঝতে পারতাম। মনে হয় পারতাম না।
সাদাত হোসাইন তার আলাদা পাঠক গোষ্ঠী সৃষ্টি করতে চলেছেন বলাই যায়। যারা প্রতিবছর তার বই পড়বার জন্য অপেক্ষা করবে। তবে মজার ব্যাপার হল-দুই তিনটা বই পড়ার পর আমার মত যারা ভাবালুতা লাইন পড়তে অপছন্দ করে, কিংবা মনটা খারাপ হয়ে যাবে ভেবে সেগুলো পড়তে চাননা, তারাও বুঝে যাবেন-আচ্ছা ঠিকাছে-এই কয় লাইন না পড়লেও চলে।
তৈয়ব উদ্দিন খা, আব্দুল ফকির, নয়ন, হেমা, পারুল যেন সেই মানবমনের স্বপ্নের মত। দীর্ঘ তিন সপ্তাহের এই যাত্রায় আমারই যেন মায়া পড়ে গিয়েছিল পারুলের উপর, নয়নের উপর। সাপের মত ভয় করছিল আব্দুল ফকির কে। তবে শেষ ৫০ পৃষ্ঠা টানা শেষ না করে পারিনি। সব কিছুতো সেই চক্রই তাই আর ধরে রাখিনি। কোহিনুরকে মনে হয়েছে, আমোদি বেগমকে মনে হয়েছে-সেই বটবৃক্ষের মত-যারা সব কিছু সয়ে গেছে, দেখে গেছে-শেষে এসে ভেঙ্গে গিয়ে বটতলা ভেঙ্গে সেই হাড়ি বের করে দিয়েছে। অথচ কিনা তৈয়ব উদ্দিন খা নিজেকে বট ভেবে বসে আছেন। পারুলের প্রতি অপরিসীম মায়া জমা থাকল। তার কষ্ট বোঝার ক্ষমতা এই অবোধ পাঠকের নেই। সহজ সরল হাসিমুখের এই মেয়েটির দুঃখই শেষ পর্যন্ত মনকে বেশি ভাবিয়েছে।
ভালো লেগেছে-চরিত্র গুলোকে গড়তে লেখক অনেক সময় নিয়েছেন বলে। আবার একসাথে চার পাচটি সত্ত্বার সাথে ক্রমাগত কথা বলে যাওয়ায়, একই ভাবনায় অনেকক্ষন ডুবে থাকতে হয় নি। মিলে মিলে সব শেষে এক হয়ে যায়-যদিও সারা বই জুড়ে তার একটা যোগসূত্র ছিল।
আরশিনগর উপন্যাসের ধারার একটু ছোয়া ছিল বইতে, তবে কাহিনীর বিশালতায় মানবজনম লেখককে ছাড়িয়ে গিয়েছে। ভালো লেগেছে বইটি।
“ আচ্ছা এই মানবজনম যদি সত্যি সত্যিই স্বপ্ন হয়, তখন কি এই মানবজন্মের এই এত এত মানুষ, এত এত সম্পর্ক, অনুভূতি, এদের জন্য তার খারাপ লাগবে? নিশ্চয়ই লাগবে। স্বপ্ন শেষ হয়ে গেলেও তো তার রেশ থেকে যায়। মৃত্যু কি তবে এই মানবজন্মের স্বপ্নভংগ হয়ে অন্য কোনো জন্মে জেগে ওঠা?” বইটি থেকে এই লাইনগুলি না তুলে পারলাম না।
Profile Image for Arif  Raihan Opu.
219 reviews7 followers
January 9, 2018
আমি কঠিন হৃদয়ের মানুষ । সচরাচর তেমন কাদি না । বলা ভালো একটু চেপে রাখি । কারণ কান্না মানুষ কে দুর্বল করে দেয় । আমি দুর্বল হতে চাই না । আর সাহসীরা সহজে কাদে না । তারা বুকে চেপে রাখে । কঠিনতম সময়ে যাতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ।

সবাই এটাই বলে আমার মায়াদয়া কম । তখন হাসি পায়, মনে মনে এক চোট হেসে নেই । কত সহজ একজন মানুষ কে বিচার করা । তার বাইরের রুপ দেখে ভিতর টাও জেনে ফেলা । কিন্তু সত্যি বলতে, অনেক অনেক চাপা কষ্ট জমা রয়েছে । আর সেগুলো নিয়েই হাসি মুখে আমার মানবজনম ।

এই বইটা আমার তিন রাত না ঘুমানোর ফসল । তিন রাত না ঘুমিয়ে এই বইটা পড়েছি । কত অদ্ভুত মানুষের জীবন । যে যার স্থান থেকে চিন্তা করে । আমরা সবাই স্বার্থপর পর । হ্যা কেউ জীবনের জন্য, কেউ জীবিকার জন্য আবার কেউ হিংস্রতার চরম নেশার জন্য । ভালো আর মন্দের দ্বন্দে সবাই ভাগে হয়ে যায় । কেউ কেউ নিজেকে চিনতে পুরো জীবন পার করেরে দেয় আবার কেউ আপন মানুষ চিনতে ও ভুল করে । সব ই আসলে এক চক্রের মধ্যে আবব্ধ । যেই চক্রের নাম মানবজনম ।

আমাদের জন্ম হয় কোন উদ্দেশ্য তা আমরা আগে থেকে জানতে পারি না । কিন্তু জন্মের পর থেকে শুরু হয় আমাদের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যের খোজ । হয়ত এই খোজ চলতে থাকে আমৃত্যু আবার মৃত্যুর আগেই কেউ পেয়ে যায় সব কিছু । মানুষ আসলে তার নিজেকে চিনতে সময় নেয় । তার চিন্তা চেতনা আর ভাবনা গুলো বিকাশ করার মত সুযোগ খোজে সব সময় । কিন্তু কারো কারো খোজ চলতেই থাকে, যেন তা শেষ হবার নয় ।

প্রতিটি মানুষ ই ভালবাসা চায় । চায় একটু যত্ন,আদর, নিরাপত্তা । যেখানে সে নিজের মত করে থাকে বা থাকতে পারে । যার কাছে তার কোন সংকোচ নেই, নেই কোন ভয় । যার হাতে সে নির্ভয় এ হাত রাখতে পারে । যাকে চোখ বন্ধ করেই বিশ্বাস করা যায় । কিন্তু অনেক সময় ভুল জায়গায়, ভুল মানুষ কে বেছে নেয় অনেকেই ।

সম্পর্ক আসলে মায়া । শুধু মানুষ ই এই মায়াতে থাকে বা তাদের এই অনুভূতি আছে । অন্য প্রাণির নেই । তাই তারা মানুষ নয় । কিন্তু এই সম্পর্ক যেমন বাবা মা, ভাই বোন,স্বামী স্ত্রী সব আছে কিন্তু তারপর ও অনেক কিছুই নেই । বুকে হাত রেখে যদি বলতে পারেন আমি আমার এই সম্পর্কে খুশি আছি তবে সেটাই সার্থক । কিন্তু প্রতিটি মানুষ ই সম্পর্কের কোন না কোন জায়গায় অখুশি । কেউ তার সেই জায়গাতে খুশি না ।

তবুও মানবজনম......
Profile Image for Ishtiak Ahmed.
1 review
January 24, 2020
Strongly recommended. You will fall in love with this book for sure. It will make you laugh, cry and you will discover the meaning "MANOBJONOM" in a new different way. I'm touched....really haven't read something like this in a while. Thank you Sadat Hossain.
Displaying 1 - 30 of 33 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.