Jump to ratings and reviews
Rate this book

জাপান কাহিনি #3

জাপান কাহিনি, তৃতীয় খণ্ড

Rate this book

119 pages, Hardcover

First published February 1, 2017

Loading...
Loading...

About the author

Ashir Ahmed

15 books10 followers
আশির আহমেদ জাপানের কিয়ুশু বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহযোগী অধ্যাপক। গবেষণা করছেন তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে। গবেষণাগার খুলেছেন বাংলাদেশে। সামাজিক সমস্যা সমাধানের গবেষণাগার। গ্রামীণ কমিউনিকেশান্সের গ্লোবাল কমিউনিকেশন সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। জন্ম সিলেটে হলেও শৈশব আর প্রাইমারি স্কুল কেটেছে মতলব থানার এখলাসপুর গ্রামে। তারপর কুমিল্লা জিলা স্কুল আর ঢাকা কলেজ। বুয়েটে অল্প কিছুদিন ক্লাস করার পর ১৯৮৮ সালের অক্টোবরে জাপান শিক্ষামন্ত্রণালয়ের বৃত্তি নিয়ে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট কলেজ অব টেকনোলজি গ্রুপের প্রথম ব্যাচের ছাত্র হিসেবে জাপানে আসেন। জাপানের ৪৭টি প্রিফেকচারের ৪৭টিই চষে বেড়িয়েছেন। বানিয়েছেন হাজারো জাপানি বন্ধু। প্রায় তিন দশকের জাপানের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাভাষীদের জন্য লিখেছেন বেশ কিছু জাপান-কাহিনী।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
25 (27%)
4 stars
46 (50%)
3 stars
18 (19%)
2 stars
3 (3%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 10 of 10 reviews
Profile Image for Habiba♡.
360 reviews24 followers
June 30, 2023
জাপান কাহিনীগুলো পড়তে এত্ত ভালো লাগে। জাপানের নিত্য নতুন ধারনা সম্পর্কে জেনে ইচ্ছে এখনি সেখানে চলে যায় এবং সচক্ষে দেখি।
Profile Image for হাসান নাহিয়ান নোবেল.
105 reviews172 followers
March 8, 2018
বুদ্ধদেবের বইটা নিয়ে নদী গটগট করে চলে গিয়েছিল, কাজেই সেই রাতে আরিফের মেসে বসে তেমন কোনো কাজ পাচ্ছিলাম না। মেঝেতে বিছানো তোষকের পাশে আরিফের বইগুলো পড়ে ছিল, তার ভেতর থেকে এটা বের হয়ে আসলো। বেশ অনেক্ষণই অবহেলা করে ফেলে রেখেছিলাম। খুলে প্রথম পৃষ্ঠাটা পড়তে গিয়েই আটকে গেলাম—বেশ চমৎকার শুরু করেছেন তো?

বইটা ভালো লেগেছে। সাহিত্য হিসেবে খুব একটা উঁচুমানের না, কিন্তু ভাষাটা ঝরঝরে।

ইবরাহিম ভাই প্রায়ই একটা কথা বলতো, কোনো বই পড়তে হয় পৃষ্ঠার লাইন ধরে ধরে, আর কোনো বই পড়তে হয় পৃষ্ঠার কোণা বরাবর। ঝরঝরে ভাষার লেখা সাধারণত কোণাকুণি পড়তে হয়—ওটুকুতেই বোঝা যায় লেখক কী বলতে চাচ্ছেন। আশির আহমেদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সত্যি না। যেটুকু লিখেছেন সেখানে তথ্য যেমন আছে, তেমনই চিন্তা উদ্রেককারী (thought provoking) জিনিসপত্রও আছে। লেখক জাপানে গিয়ে মোহগ্রস্ত হননি, দুচোখ ভরে দেখেছেন, শিখেছেন। সেই দেশের ভালো কিছু দেখলে তার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছেন, আমরা এখানে বসে কী করতে পারি—তার একটা সম্ভাব্য ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছেন।

বাকি তিনটা খণ্ড পড়ে ফেলতে হচ্ছে।
Profile Image for Tahsina Alam.
109 reviews
December 13, 2021
লেখক বুয়েটে ভর্তি হওয়ার কিছুদিন পর মনবুকাগাশো বৃত্তি নিয়ে জাপানে আন্ডারগ্র‍্যাজুয়েট পড়তে চলে যান ১৯৮৯ সালে৷ বৃত্তির প্রথম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। সেই সময়ের জাপানে তার টুকরো টুকরো অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। হুমায়ূন আহমেদ স্টাইলের লেখা, ধুপধাপ পড়ে শেষ করে ফেলা যায়।

টোটাল ৭ টা খন্ড আছে।
Profile Image for Munna.
12 reviews4 followers
October 21, 2022
It's a compilation of small life stories of the author. The author shares his experiences in Japan. Also the life styles, views, beliefs of the Japanese are exposed in this book.
Profile Image for রি য়ে ন.
170 reviews25 followers
May 1, 2019
হয়তো একদিন আমার দেশেও...............

পড়ছিলাম ঐতিহ্য থেকে প্রকাশিত #আশির_আহমেদ এর #জাপান_কাহিনি ৩য় খন্ড।

আগের দুই খন্ড থেকে এই খন্ডটা বেশি ভালো ছিল। যারা সব খণ্ড কিনতে ইচ্ছুক না তারা শুধু এই খন্ডটি কিনে পড়তে পারেন। ভালো লাগবে গ্যারান্টি।বইটি পড়তে গিয়ে বার বার আফসোস হচ্ছিলো আমাদের দেশ কেন এমন না? কেন এমন করা হয়না? ২য় বিশ্বযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছিল জাপান। সেই জাপান আজ কত উন্নত! কিন্তু আমাদের দেশ! কেন পিছিয়ে আছে? জাপান কি করে এতোটা উন্নত দেশ হলো সেই গল্পই ছিল বইটির মূল। চলুন দেখা যাক কি জানলাম বইটি পড়ে আ
র আপনিও কি জানতে পারবেন।

সূচি পত্রের ১ম গল্প জাপানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কি করে শুরু হলো সেই গল্প দিয়ে। ২২ ফ্রেব্রুয়ারি জাপানে বিড়াল দিবস! তারপরে গল্প লেখকের জাপানি ভাষা শিক্ষকের। যিনি পরবর্তীতে লেখকের ছাত্র হয়ে যায় আর লেখক হয়ে যায় বাংলা ভাষা শিক্ষক। সে এক মজার গল্প। সাথে হৃদয়বিদারক ও।
তারপরে গল্প জাপানি একান্নবর্তী পরিবার নিয়ে। জাপানের নাগরিক দাবি, চাওয়া, পাওয়া তাদের ক্ষমতার গল্প। আমাদের দেশে নাগরীক ক্ষমতা না থাকলেও জাপান সে ক্ষমতা অনেক। সমস্যা ভুলের জন্য তারা সরকার কে চেয়ার থেকে নামিয়ে দিতে পারে। জাপনে নিরাপদ সড়ক চাই এর মতো আন্দোলন হয়না। সেখানে ছাত্রদের উপর গুলি করাও হয়না!
আপনি জানেন জাপান পৃথিবীরর পরিষ্কার দেশ গুলো একটা? এক সময় জাপানও আমাদের দেশের মতোই নোংরা ছিল। যেখানে সেখানে তারা ময়লা ফেলত। দেশের সরকার কি এমন করল যে পুরো দেশই পরিষ্কার হয়ে গেলে? বুদ্ধি গুলো যদি আমাদের দেশে কাজে লাগানো হতো কি এমন হতো ?
জাপানে পরিক্ষা হল গুলো কেমন হয়? আমাদের দেশে তো হলে প্রশ্ন পত্র পেয়ে ছাত্র সেলফি তুলে সেই ছবি ফেসবুকে দিয়ে ক্যাপশন দেয় “বন্ধুরা প্রশ্ন হাতে পেলাম। সবাই দোয়া করবেন যেন পরিক্ষা ভালো হয়।” কিন্তু জাপানে টেবিল থেকে পেন্সিল পরে গেলে সেটা উঠানোর নিয়ম নেই। এতো কঠিন সব নিয়ম কানুন যে আপনি হা হয়ে যাবেন পড়তে গিয়ে। আমার মনে হয়েছিল ধুর এতো নিয়মকানুন ফালতু হুদাই। দেখাদেখি করে পরিক্ষা দেওয়া মধ্যে মজাই আলাদা।
জানেন জাপানে বছরে একবার সকল নাগরিককে বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য পরিক্ষা করতে হয় ? জাপানে একটা দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় বার কে নেয়? আমাদের দেশে তো বিরোধী দলের নেতাদের দোষ দেয়।
জাপানিদের বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারণা কি? জাপানে কি তেলাপোকা আছে ? জাপানে কি সন্ত্রাসী আছে? তাদের কি করে দমন করা হয়? বিদেশে বসে প্রিয় জনের মৃত্যু সংবাদ শুনলে কেমন লাগে ? এই লেখা পড়তে গিয়ে আমার চোখে পানি চলে এসেছিল প্রায়। প্রেমিক প্রেমিকাদের জন্য আছে রোমান্স করার অসাধারণ কিছু জায়গা। কি করে যাবেন? কি কি করবেন? সব কিছু লেখক লিখে দিছেন সেখানে।
জাপানে মতো আমাদের দেশে না কেন? কেন তাদের মতো কিছু নেই আমাদের? একদিন আমারদের ও হবে! সেটা কবে? এমন মন খারাপ নিয়ে শেষ করতে দেন নি বইটি লেখক। আমাদের কি আছে তা নিয়ে গল্প করলেন। আমাদের গর্ব, আমাদের রত্ন ড. ইউনুস। চেনেন তাকে ? বর্তমানে আমাদের দেশে খুব সামন্য মানুষই চিনেন। কিন্তু দেশের বাইরে তাকে চেনেন অনেক মানুষ। জাপানে তিনি জনপ্রিয় একজন। প্রতি বছর তিনি ৫ দিনের জন্য জাপান যান। তার জন্য এক বছর থেকে চলে নানা প্রস্তুতি! বিশ্বাস হয় ?
বইটি শেষ করে গর্বের সাথে বলতে পারলাম আমাদের দেশেও কিছু আছে। পাবি তোরা ড. ইউনুসের মতো কাউকে? পাবি না। ইউনুস একটাই জন্মায়। এবং সেটা আমাদের দেশে জন্ম নিয়ে ফেলেছে।
আমার রেটিং ৫/৫
Profile Image for Lubaba Marjan.
130 reviews52 followers
July 31, 2024
তৃতীয় খন্ডটা আমার কাছে বেস্ট মনে হয়েছে। জাপানের ভর্তি পরীক্ষার হল অংশটা আশ্চর্য জনক লেগেছে পড়ে। আরও একটা জিনিস যেটা তুলে ধরতেছি -
শুধু জাপান নয়, পৃথিবীর অনেকেই জানে যুদ্ধ টা ছিল ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে। বাংলাদেশ হলো একটা বাই প্রোডাক্ট। মুক্তিযুদ্ধের পর যে ছবিটা পৃথিবীতে বেশি ছড়িয়েছে সেটা হলো - পাকিস্তানের নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেছে ভারতের অরোরার কাছে। সেখানে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ওসমানী নেই৷ মুজিব নেই, জিয়া নেই। বাংলাদেশের কথা নেই।

এই অংশটা পড়ে সবচেয়ে আশ্চর্য হয়েছি।
Profile Image for Anirudha Paul.
11 reviews1 follower
August 24, 2018
দ্বিতীয় খন্ড পড়ে জাপান সম্পর্কে জেনেছি কিন্তু এই খন্ড পড়ার পর জাপানিদের মত ভাবতেও শুরু করেছি! লেখনির উন্নতি লক্ষনীয় :-)
Profile Image for Tousif bin Parves.
28 reviews4 followers
April 8, 2024
জাপান কাহিনী তৃতীয় খণ্ড

এবারের খন্ডের প্রথম দিকের গল্প গুলো ভালো লাগেনি তেমন। একদম শর্ট ফরমেটেড। তবে শেষের দিকে প্রবন্ধ গুলো দারুণ। বেশ কিছু লেখাই ভালো লেগেছে।

জাপান কেন এত পরিষ্কার? এ নামে একটি প্রবন্ধ আছে। আবার এ প্রশ্ন আমাদের সবার মনে ঘোরে। একটি কমিউনিটি পরিষ্কার হতে পারে, একটা শহর পরিষ্কার হতে পারে বা একটা পাড়া হতে পারে পরিষ্কার। আমাদেরও এমন পরিষ্কার পাড়া, গ্রাম আছে। কিন্তু জাপানের পুরো দেশটাই পরিষ্কার! ক্যামনে সম্ভব?

শুরুটা হয়েছিল 64 এর অলিম্পিক আয়োজন কে সামনে রেখে। মাত্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিদ্ধস্ত জাপান বিশ বছরের মাথায় নিজেরা আয়োজন করে ফেলে একটি অলিম্পিক! সেটাও আরেক গল্প। বইয়ে আছে। তবে আমরা দেখবো, আজ জাপান কিভাবে জাতিগত ভাবে পরিষ্কার সেটা।

64 আগে জাপান উপমহাদেশের বাকি দেশ গুলোর মতোই ছিল। খালে বিলে কালো পানি। সবাই যত্র তত্র ঘরের আবর্জনা ফেলে। রাস্তার পাশে, বিদ্যুৎ পিলারের গোড়ায়। সেই ময়লা কাক, বিড়াল, কুকুর আধা খেয়ে আধা এদিক সেদিক ছড়িয়ে দেয়। নিজের দোষ আরেকটা দোষের সাথে তুলনা করে হালাল করে নেবার চেষ্টা জাপানিদের মধ্যেও ছিল। জাপান সরকার ডিসিশন নিলেন এ সব পরিবর্তন করতে হবে। রাস্তায় রাস্তায় ডাস্টবিন লাগিয়ে ক্ষান্ত দিলেন না। একটা মৌলিক জিনিস পরিবর্তন করলেন।

🌸 আচরণ পরিবর্তন করার পরিবেশ ডিজাইন।

সবার মগজে ঢুকিয়ে দিলেন এক ধরনের প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশের মতো জাপানিদের মধ্যেও একটা মেহমান প্রীতি ভাব আছে। সেটাকে কাজে লাগানো হলো।

নিজেদের মধ্যে ইজ্জত গেলে পাড়ার বদনাম। কিন্তু বিদেশিদের সামনে ইজ্জত গেলে পুরো দেশের বদনাম। পাড়ায় পাড়ায় লিডার বানানো হলো। প্রতিযোগিতা শুরু হলো কার পাড়া কত সুন্দর। লিডারদের উৎসাহ দেয়া হলো। সবাইকে বলা হলো আপনার পাড়া সবচেয়ে পরিষ্কার।

কোনো পেনাল্টির ভয় দেখানো হলো না, কোনো রকম পুরস্কারের ঘোষণাও করল না, শুধু উৎসাহতে কাজ হলো।

৬৪ সালে সুন্দর পরিষ্কার টোকিও শহরে অলিম্পিক হলো। সবাই খুশি। মানুষ অভ্যাসের দাস। পাড়া পরিষ্কার রাখার অভ্যাস এই যে একবার তৈরি হলো, সেটাই বজায় রইল। আজকে যেই পরিষ্কার জাপান দেখেন, তার কর্মসূচি শুরু হয়েছিল অলিম্পিককে লক্ষ করে। প্রায় ৬৬ বছর আগে।

জাপানিদের আচরনগত দিক দিয়ে যে জিনিসটা খুবই চোখে পড়ে সেটা হচ্ছে, কাউকে উপদেশ দেয়ার আগে নিজে সেটা মেনে চলা। এইযে পরিষ্কার এর এত নিয়ম কানুন। তা কি শুধু সাধারণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?

জাপানের প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে নিজের বাড়ির ময়লা পাড়ার নির্দিষ্ট স্থানে ফেলেন। ঘরের দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছেন। ময়লা ব্যাগে ভরার দায়িত্ব ফার্স্ট ল্যাডি তার বউ এর। আর ফেলানোর দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী আবে-র।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে আরো অনেক গল্প বইটিতে আছে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার মত আরেকটা জিনিস জাপানিদের যেটা চোখে লেগেছে বই পড়ার সময়, জাপানিদের শিক্ষা ব্যাবস্থায় পরীক্ষা নেয়ার সিস্টেম। যেখানে প্রশ্ন ফাঁসের হার শূন্য, নকলে ধরা পড়ার হার ও, সারা দেশে প্রতিটা ছাত্র ছাত্রী পরীক্ষা হলে পান একই রকম সুযোগ সুবিধা।

কিভাবে করসে এটা? এটাও ক্রুসিনিয়েটিং একটা প্রসেস -_-

জাপানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ভর্তি কমিশনকে নির্দেশ দেয়া আছে প্রত্যেক ছাত্র যেন পরীক্ষার হলে সমান সুযোগ পায়। এই সমান সুযোগ বলতে কী বোঝায় আর তা কীভাবে পালন করা হয় তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কমিশন একটা গাইডবই তৈরি করেছেন। ২২০ পৃষ্ঠার। সাথে ১০০টি FAQ।

দুটো নিয়ম যদি উল্লেখ করি।

(১) পরীক্ষার হলে কোনো ছাত্র কথা বলতে পারবে না।

(২) পরীক্ষা শুরু হবার আগে চেয়ারে বসবে, পরিদর্শকের অনুমতি ছাড়া সামান্য একটু উপুড় হতে পারবে না।

কথা হচ্ছে, কথা না বলতে পারলে, যদি টয়লেট ধরে কিভাবে বলবে? ডায়পার পড়ে পরীক্ষা দিবে? আর যদি কলম, রাবার নিচে পড়ে যায় তখন?

ওয়েল, উত্তর খুব সিম্পল। ছাত্র শুধু একটা হাত তুলবে। বাকি কাজ পরিদর্শকের। পরিদর্শক গিয়ে পেন্সিল তুলে দেবে।

একটা হলে ৫০ থেকে ৬০ জন ছাত্রের জন্য তিনজন পরিদর্শক থাকেন। দুজন ভেতরে একজন বাইরে। ভেতরের পরিদর্শকদ্বয় সবসময় হলের কোনাকুনি দিকে অবস্থান নেবেন। পরিদর্শকরা চোখ ঘোরাবেন ত এর মতো করে। এভাবে চোখ ঘোরালে নাকি ৩ সেকেন্ডেরও কম সময়ে ছাত্রের কোনো সন্দেহজনক এক্টিভিটি চোখের নজরে আসে। ছাত্র হাত তোলামাত্র পরিদর্শক একটা কুইজ টাইপের ফরম নিয়ে দৌড়ে যাবেন। ফরমে (ক) টয়লেটে যেতে চাই (খ) বমি বমি লাগছে (গ) পাশের ছাত্রটি পা কাঁপাচ্ছে (ঘ) টেবিল থেকে পেন্সিল পড়ে গেছে- এই ধরনের বিরাট একটা লিস্ট থাকে।

কঠিন সিস্টেম!

এমনকি সব হলে সবাই যাতে সমান সময় পায় সেজন্যে পরীক্ষা শুরু হবার ১ ঘণ্টা আগে পরিদর্শকগণ মেইন হলে একত্রিত হন। এক অভিনব পদ্ধতিতে সবার ঘড়ি সেকেন্ড লেভেলে সিঙ্কোনাইজ করা হয়।

মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ এর পড়াশোনা জাপানে। সেখান থেকে পড়ে, পরবর্তীতে স্কিল ট্রান্সফারের বিষয়টি উনি সুন্দর ভাবে মালয়েশিয়াতে ইমপ্লিমেন্ট করেছেন। ঝাঁকে ঝাঁকে মালয় তরুণ বিদেশ পাঠিয়ে স্কিলড করে এনে দেশের প্রধান পদগুলোয় বসিয়েছেন, ফাঁকা হয়েছে শ্রমিক শ্রেণীর কর্মগুলো যেগুলো পূরণ করেছেন বিদেশ থেকে শ্রমিক এনে। এনেছেন জাপানি ইনভেস্টমেন্ট এই স্কিল গুলোর প্রতি, আজ জাপানের অনেক ক্ষেত্রেই মালয়েশিয়ার সাথে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পর্ক আছে।

বই পড়ে যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ লেগেছে সেগুলো সমারাইজ করলাম। আরো কিছু প্রবন্ধ ভালো লেগেছিলো, যার মাঝে আছে শেষোক্ত ড মুহাম্মদ ইউনূস কে নিয়ে লিখাটি।
Profile Image for Labiba Fairuz  Subha .
13 reviews
March 15, 2026
A really nice book for knowing Japan from an Bangladeshi's experience. Author's witty & relaxed writing made the a perfect choice for light & cozy reading. Like first two books, he continued to show his thoughts on both Japan & Bangladesh through his humorous writing. Highly recommended for both new & old readers.
Profile Image for Zahid Hasan Mithu.
34 reviews2 followers
August 11, 2023
পড়ার সময় মনে হয় যেন লেখক সামনে বলে গল্প করছেন। সুখপাঠ্য বই। গল্পে গল্পে চিন্তার খোরাক যোগায়।
Displaying 1 - 10 of 10 reviews