আমার ছেলেদেরকে কবে আর কখন খুন করলে ভালো হয়? ভাবলেন সুলতান সুলেইমান। পারব কি কাজটা করতে? আমার পিতা পেরেছিলেন। তার পর এই দায়িত্বটা তো আমার উপরেই বর্তায়। আমি কেন মুস্তাফার জন্য পিতা হিসেবে একই কাজটা করব না? হ্যাঁ, শাহজাদা তো মুস্তাফাই। কিন্তু একবার সিংহাসনে বসার পর, রাতে শান্তির ঘুম ঘুমাতে চাইলে অন্য দাবীদারকে ওর হত্যা করতেই হবে। সেলিমকে হারাতে খুব একটা কষ্ট হবে না। কিন্তু ছোট্ট জাহাঙ্গীরের কী হবে? বাচ্চাটা তো মাছির কষ্টও সহ্য করতে পারে না! পঙ্গু ছেলেটা কার কী ক্ষতি করবে! ওকেও কী জল্লাদের হাতে তুলে দেব? আর হুররেম, আমার মিষ্টি হুররেম; ওর কী হবে? মুস্তাফা সিংহাসনে বসার সাথে সাথে ওর মা হুররেমকে বসফরাসের পানিতে চুবিয়ে পারবে। আগেও একবার গুলবাহার ক্ষতি করতে চেয়েছিল রানির। এখন নাকি মোটা হয়েছে মুস্তাফার মা। মানিশায় বসে বসে হুররেমের নামে কুৎসা গেয়ে আর ওকে ডাইনী বলে গালি দিয়েই দিন কাটে এখন তার। ওর কাছ থেকে আর যা-ই হোক, ক্ষমা আশা করা যায় না। কী করব তাহলে আমি? আমার অন্য সন্তানদের খুন করব? নাকি সমস্যাটা মৃত্যুর সময় আমার বড় ছেলের ঘাড়ে চাপিয়ে দিব? আর যদি খুন করি, তাহলে কবে বা কখন করব? আর ওদের মা, একমাত্র যে মেয়েটাকে আমি এ জীবনে ভালবেসেছি, তার-ই বা কী হবে?
Colin Falconer writes fast-paced historical adventures that sweep readers across centuries and continents, from the battlefields of Rome to the intrigues of forgotten empires. His novels blend action, danger, and unforgettable characters in richly imagined worlds.
Born in London, Colin now lives in Australia with his wife and their cocker spaniels. Click FOLLOW for updates on new releases, or join his mailing list for exclusive offers.
কথা হচ্ছে, এই বই পড়ার আগে (হারেমকে ধরেই), সুলতান সুলেইমানের সিরিজটার জনপ্রিয়তার কোন কারণ আমার মাথায় আসে নাই। হারেম পড়ে মনে হয়েছিল, বইটা ভালো হলেও এমন পাগল হবার মতো কিছু না। জিনিস যে আসলে এখানে লুকান, তা বুঝেছিল কে? সত্যি বলতে কী, সাজিদ ভাই যখন এটা অনুবাদ করার সিদ্ধান্ত নিলেন, তখন আমার একটু দ্বিমতই ছিল। মনে হচ্ছিল, মানুষ কি এটাকে নেবে? আর তাছাড়া এই বই কেমন হবে? কয়েকটা ইস্যু ছিল, প্রথমত বইটা পাশ্চাত্য এক মনোভাবসম্পন্ন লেখকের লেখা। ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী মুসলমান সাম্রাজ্যের নেতা ছিলেন সুলেইমান। তিনি নাকি প্রতিটা যুদ্ধের পর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতেন তার ভুলের জন্য। তাকে প্রথম বইতে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তা পছন্দ হয়নি। এটাকে আপনি ধর্মীয় প্রেজুডিসের মাঝেও ফেলে দিতে পারেন। সাদা চোখে বইটির ব্যাপারে এখন কিছু কথা বলা যাক। বইটির কাহিনি জানা, এর এন্ডিং জানা। কিন্তু ভেতরের কলকব্জা যে এমন আকর্ষনীয় যে কী আর বলব। সফটকপিটা যখন হাতে পাই, তখন সম্ভবত রাত বারোটা। পরেরদিন অফিসে যেতে হবে বলে রাত তিনটাই ঘুমিয়েছি। এর মাঝে এক সেকেন্ডের জন্য টয়লেটেও যাইনি! পাতায় পাতায় কুটনামি, সুলেইমানের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত, হুররেমের অস্বাভাবিক প্রতিশোধ, পাতায় আটকে রাখতে বাধ্য। বিশেষ করে শেষ প্রতিশোধ বা কূটনামী...এক কথায় অসাধারণ। এতো দিনে বুঝে আসল, কেন এই সিরিজ এতোটা জনপ্রিয়। কূটনামী তো ভালো লাগবেই :) অনুবাদের ব্যাপারে কিছু বলার নাই। পরীক্ষা প্রার্থনীয়।
প্রথম বইটার তুলনায় অনেকগুণে বেশি ভালো। পড়তে গিয়ে কখন ঘুমাবার টাইম হয়ে গিয়েছে, টেরই পাইনি। তবে কিছু কথা না বললেই না, লেখক মনে হয় একটু ইসলাম ফোবিক। অনেক কিছুতেই নীচু করার প্রবণতা আছে বলে মনে হয়েছে। দুই একটা ক্ষেত্রে প্রশংসা করে সেটাকে ঢাকার চেষ্টাও দেখলাম মনে হলো। আমি ভাবিনি, এই রকম কূটনামি বই এতোটা আকর্ষণ করবে। দিন শেষে সুলেইমানের প্রতি বিতৃষ্ণা ছাড়া আর কিছু আসেনি। কে জানে, এটাই হয়তো... অনুবাদের সফট কপি পড়লাম, ভালো হয়েছে বলেই মনে হয়েছে।
সেই যে অটোমান সাম্রাজ্যের গ্রেট সুলতান, পৃথিবীর অধীশ্বর... এক পুত্র, একজন স্ত্রী আর নিজের রাজ্য নিয়েই খুশি ছিলেন তিনি। মায়ের পীড়াপীড়িতে বাধ্য হয়ে যান হেরেম পরিদর্শনে। ব্যাস... কট খেয়ে যান তিনি.. সেই সাথে কট খেয়ে যায় ইতিহাসও।
আরেকটু পরিষ্কার করেই বলি, হারেমে সুলতানের নজর কেড়ে নেয় এক রাশিয়ান এক মেয়ে, হুররেম। সুলতানের সু(কিংবা কু)দৃষ্টি আর নিজের বুদ্ধি আর ভাগ্যকে কাজে লাগিয়ে হয়ে উঠেন তাঁর প্রধান রক্ষিতা। সেই রক্ষিতার এমনই প্রভাব! মহল ছাড়া করেন সুলতানের স্ত্রী গুলবাহার আর উসমানীদের উত্তরসূরি মুস্তফাকে। সুলতান কিছু দেখেও দেখেন না, বুঝেও বুঝেন না। পারবেন কি করে? তিনি তো হুররেমের প্রেমে অন্ধ! কথায় আছে প্রেম নাকি স্বর্গীয়। পৃথিবীর অধীশ্বরের মর্ত্যে বসে স্বর্গসুখ লাভ করার মধ্য দিয়ে (সাথে অবশ্য আরও অনেক ঘটনার ঘনঘটা আছে) শেষ হয় কলিন ফ্যালকনারের বই 'দ্যা সুলতান'স হারেম'। মানুষের কৌতুহলী মন কেবল খালি কু কু করে.. খালি জানতে ইচ্ছা করে কি হল এরপর, কি হল তারপর? কলিন ফ্যালকনার মানুষ মন্দ না। লিখে ফেললেন আস্ত আরেকখান বই... "সেরাগ্লিও" সুলতান'স হারেমকে যদি ভূমিকা বলি এই বই তার পরিণতি।
সুলতান আর রাজ্য- এই দুইয়ে তফাত নেই কোন। রাজ্য মানেই সুলতান আর সুলতান মানেই রাজ্য। আর সেই সুলতান যদি হন, পৃথিবীর অধীশ্বর তাঁর প্রিয়তমার ক্ষমতা কি রকম হবে- সেটা আন্দাজ করার জন্য গবেষক হতে হয় না। এই বইয়ে দেখা যায় সুলতানের প্রধান রক্ষিতা হুররেম কিভাবে ধীরে ধীরে নিজের প্রভাব বিস্তার করেছেন। সুলতানের সহচরী হয়ে নাক গলিয়েছেন সাম্রাজ্যের প্রতিটি কাজের ব্যাপারে। তিনি যা চেয়েছেন তার সবই পেয়েছেন বলা ভাল অর্জন করে নিয়েছেন নিজের দেহ সৌষ্ঠব আর ক্ষুরধার মস্তিষ্কের মাধ্যমে। সুলতানের চার চারটি সন্তান গর্ভে ধারণ করার পরও তিনি ঠিক 'রানী' হয়ে উঠতে পারছিলেন না... রক্ষিতাই হয়ে ছিলেন। শত হলেও তিনি একজন নারী। স্বীকৃতি ছাড়া আধিপত্য কাঁহাতক আর সহ্য করা যায়? দাবার বোর্ডে দিলেন আরেক চাল... আর যায় কোথা! বেচারা প্রেমান্ধ সুলতান! কয়েক পুরুষের রীতিনীতি বিলুপ্ত করে মাথায় পাগড়ি পড়ে সুরসুর করে বুড়া বয়সে বাসর ঘরে ঢুকে পড়লেন :3
এতেই কি সব শেষ হয়ে গেল? হুররেমের মতো উচ্চাকাঙ্ক্ষী নারীর জন্য এসব কিছুই নয়... তাঁর আরও চাই! হুররেমের সঙ্গী তার কিসলার আঘাসি। আব্বাস নামের এই কিসলার আঘাসি বইয়ের সবচেয়ে হতভাগা চরিত্র। তীব্র বিতৃষ্ণা নিয়ে হুররেমের একান্ত সহচর। আর হুররেমও জানেন কাজ আদায়ের পন্থা! ছলে, বলে কিংবা কৌশলে ঠিকই সব কাজ হাসিল করে নেন। রাণী হুররেমের চরিত্র দুমুখো সাপকেও হার মানাবে। কি করেছেন সেই প্রশ্ন না করে বরং ক্ষমতার জন্য কি করেননি সেই প্রশ্ন করাটাই বেটার। আমাদের সম্রাটও আরেক চিজ -_- ব্যাটা প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে দিন দুনিয়া সবই ভুলে খেয়ে বসেছিল। কি করছে না করছে তার কোন হুশই ছিল না! এবং বলাই বাহুল্য.... তিনি এর মূল্য চুকিয়েছেন বেশ ভালভাবেই :)
যা হোক, কলিন ফ্যালকনারের লেখা সুলতান'স হারেম কিংবা সেরাগ্লিওর ঘটনাগুলো সত্য না অসত্য সে বিচার করতে যাচ্ছি না। কিংবা সত্যের সাথে ঠিক কতটুকু কল্পনার রস মিশেছে সে বিচার করার ভারও না হয় আপাতত দূরে থাকুক। তবে এ-ও ঠিক, যা রটে তার কিছু তো ঘটে। :3 সুলতান কিংবা মোঘল সম্রাট কিংবা অন্যান্য রাজা- সবার জন্যই কয়েক মিনিট নীরবতা আর একগাদা সান্ত্বনা দেয়া ছাড়া আপাতত আর কিছু করার নাই। ঘুরেফিরে সব একই রকম। ক্ষমতা, ক্ষমতা এবং ক্ষমতা। যেখানে প্রেম নেই, ভালবাসা নেই, পারিবারিক বন্ধন বলে কিছু নেই, নেই মানুষের প্রতি মানুষের নূন্যতম বিশ্বাসটুকু। যে ভাইয়ের সাথে একসাথে ছোটবেলায় খেলাধুলা করে বড় হয়েছে, বড় হয়ে সেই ভাই কিংবা ভাইয়ের বংশ নির্বংশ করে দিতে এতটুকু হাত কাঁপেনি সেই তথাকথিত ক্ষমতালোভী রাজরাজাদের। রক্তের বন্ধন যেখানে পবিত্র বন্ধন, সাম্রাজ্যবাদীদের কাছে সেটা অভিশাপের অপর নাম। সামনাসামনি যুদ্ধ করেছে পুরুষেরা আর আড়াল থেকে কলকাঠি নেড়ে গেছেন বিজয়লক্ষ্মী নারীরা :/ ধন্যি! ধন্যি তারা!
সেরাগ্লিও বইটার রিভিউ কিংবা পাঠপ্রতিক্রিয়া লিখতে যেয়ে অনেক ভ্যাজরভ্যাজরই করে ফেলেছি। কিন্তু মূল ঘটনা হল বইটা যতই পড়ছিলাম, তখনকার রাজরাজাদের ভেতর বাহির একটু একটু করে প্রকাশ পাবার সাথে সাথে ঘৃণা এবং রাগের মাত্রা বেড়েই চলছিল। শুধুমাত্র কৌতুহল আর সুলেখনী প্লাস ভাল অনুবাদের জন্য বিচিত্র রকমের একটা বিতৃষ্ণা নিয়ে বইটা পড়ে গেছি। মাথায় কেবল একটা প্রশ্নই ঘুরছিল.. কেন? আ��� কত নিচে নামা যায়! পড়তে পড়তে সেসময়কার দৃশ্যাবলী চোখের সামনে ভেসে উঠার সাথে সাথে শিউরে উঠছিলাম আতংকে।
ক্ষমতা, আকাঙ্ক্ষা, প্রতিশোধ, ঘৃণা কিংবা ভালবাসা, রাজনীতি, কুটনীতি অথবা নৃশংসতা- সব কিছু যখন দুই মলাটে বন্দী হয়.... লেখকের সুনিপুণ লেখনী আর প্রাঞ্জল অনুবাদের মাধ্যমে তখন আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায় "সেরাগ্লিও"
বই- সেরাগ্লিও লেখক- কলিন ফ্যালকনার অনুবাদ- সাজিদ রহমান প্রকাশনী- আদী
ছেলেদেরকে কবে আর কখন খুন করলে ভালো হয় ভাবছেন সুলতান সুলেইমান। তিনি কি পারবেন কাজটা করতে?
তার পিতা পেরেছিলেন। তার পর এই দায়িত্বটা তো সুলতান সুলেমানের উপরেই বর্তায়। তিনি কেন মুস্তাফার জন্য পিতা হিসেবে একই কাজটা করবেননা?
হ্যাঁ, শাহজাদা তো মুস্তাফাই। কিন্তু একবার সিংহাসনে বসার পর, রাতে শান্তির ঘুম ঘুমাতে চাইলে অন্য দাবীদারকে ওর হত্যা করতেই হবে।
সেলিমকে হারাতে খুব একটা কষ্ট হবে না। কিন্তু ছোট্ট জাহাঙ্গীর? বাচ্চাটা তো মাছির কষ্টও সহ্য করতে পারে না! পঙ্গু ছেলেটা কার কী ক্ষতি করবে! ওকেও কী জল্লাদের হাতে তুলে দেবেন?
আর হুররেম, তার কী হবে? মুস্তাফা সিংহাসনে বসার সাথে সাথে ওর মা হুররেমকে পানিতে চুবিয়ে মারবে। আগেও একবার ক্ষতি করতে চেয়েছিল হুররেমের।
এখন নাকি মোটা হয়েছে মুস্তাফার মা। মানিশায় বসে বসে হুররেমের নামে কুৎসা গেয়ে আর ওকে ডাইনী বলে গালি দিয়েই দিন কাটে এখন তার। তার কাছ থেকে আর যা-ই হোক, ক্ষমা আশা করা যায় না।
তাহলে কী করবেন সুলতান সুলেইমান? অন্য সন্তানদের খুন করবেন? নাকি সমস্যাটা মৃত্যুর সময় বড় ছেলের ঘাড়ে চাপিয়ে দেবেন?
আমার কথা :
এই দোটানা দিয়ে শুরু কলিন ফ্যালকনার রচিত দ্য সুলতান'স হারেম এর সিকুয়েল সেরাগ্লিও।
হারেম পড়ে যথেষ্ট বিরক্ত হয়েছিলাম। একজন মুসলিম হিসেবে এমন সমাজ ব্যবস্থা বা কালচার ঠিক কাম্য ছিলনা। তবে সান্ত্বনা এতটুকু ছিল যে লেখাটা কোন মুসলিম লেখক লিখেননি।
আর টিভি চ্যানেলে সুলতান সুলেইমান নিয়ে মাতামাতি তো ছিলই। মাঝে মাঝে দু এক পর্ব দেখে বিরক্তিটা আরো বেড়েছে। তবুও যখন এই অনুবাদটা বের হলো আগ্রহ করেই নিলাম।।।
হারেমে যেখানে শুধু একতরফা কাহিনী ছিল তার থেকে সেরাগ্লিও অনেক মানসম্মত। শুধু হারেম নয়, প্রাসাদের ভেতরে বাইরে যে একটা ইতিহাস ছিল তা জানা গেছে । শাহজাদা মুস্তাফা, প্রধান উজির ইব্রাহিম পাশা, খোজা আব্বাস, বণিক লুডোভিগি, প্রমুখ উল্লেখযোগ্য চরিত্র হিসেবে এসেছে । তার সাথে হুররেম তো আছেই । যার ভালোবাসা টেনে রেখেছিল সুলতানকে । যার জন্য প্রথা ভেঙে বিয়ে করেছিলেন সুলতান ।
প্রেম-ভালোবাসা, ষড়যন্ত্র-বিদ্রোহ, সাম্রাজ্যের বিস্তার, লড়াই, হত্যা, সব মিলে এক অনবদ্য সৃষ্টি । শেষটুকু সবাইকে চমকে দিবে এতটুকু বলতে পারি । উসমানী সালতানাতের শেষ সফল সুলতানের উপাখ্যানে সবাইকে আমন্ত্রণ ।
This was much better than the prequel, Harem. I discovered these people were real by reading up on the Ottoman empire history. All the drama in the book is conjecture, but the facts of the wars and murders are real.
অটোম্যান সম্রাজ্য বরাবরই খুব আকর্ষণীয় লাগতো। এই আকর্ষণের মাত্রা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় জনপ্রিয় তুর্কী সিরিজ 'মুহতেশেম ইউযিয়েল : সুলতান সুলেমান, কোসেম'। সিরিজটা এতটাই জমকালো যে এর পাশে যে কোন বই, ডকুমেন্টারিকে ম্লান লাগা খুব স্বাভাবিক। সিরিজের প্রথম বইয়ের রিভিউ দেখে পড়ার সাহস পাই নি। আবার এই সিরিজ ইগ্নোর করার মতোও না। অতি উৎসাহে পড়তে বসলাম এবং বরাবরের মতই অতি উৎসাহিত এই বইটি অনেকটাই হতাশ করলো। একটু একটু অটোম্যান ইতিহাস জানা আছে। মনে হলো কাহিনীর ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা রক্ষা হয় নাই। দ্য ম্যাগনিফিসেন্ট সেঞ্চুরি সুলতান সুলেমানের যুদ্ধের বর্ণনাও সাদামাটা ফ্যাকাসে। হেরেমের কুটনীতিও এতটা আকর্ষণীয় লাগে নাই। অনুবাদ অনেকটাই ভালো।