Jump to ratings and reviews
Rate this book

ঢাকার স্মৃতি #2

ঢাকার স্মৃতি-২

Rate this book

192 pages, Hardcover

Published January 1, 2001

7 people want to read

About the author

Muntassir Mamoon

272 books42 followers
Muntassir Mamoon (Bangla: মুনতাসীর মামুন) is a Bangladeshi author, historian, scholar, translator and professor of University of Dhaka. He earned his M.A. and PhD degree from University of Dhaka.
Literary works

Mamoon mainly worked on the historical city of Dhaka. He wrote several books about this city, took part in movements to protect Dhaka. Among his historical works on 1971 is his Sei Sob Pakistani, in which many interviews with leading Pakistanis was published. Most of them were the leading Pakistani characters during the liberation war of Bangladesh.

জন্ম এবং পরিবার
মুনতাসীর মামুনের জন্ম ১৯৫১ সালের ২৪ মে ঢাকার ইসলামপুরে নানার বাড়িতে। তাঁর গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার গুলবাহার গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মিসবাহউদ্দিন এবং মায়ের নাম জাহানারা খান। পিতামাতার তিন পুত্রের মধ্যে তিনি জ্যেষ্ঠ। তিনি ১৯৭৫ সালে বিয়ে করেন। তার স্ত্রী ফাতেমা মামুন একজন ব্যাংকার। মুনতাসির মামুনের দুই ছেলে মিসবাহউদ্দিন মুনতাসীর ও নাবীল মুনতাসীর এবং কন্যা রয়া মুনতাসীর।

কর্মজীবন
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই দৈনিক বাংলা/বিচিত্রায় সাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন মুনতাসীর মামুন। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে অধ্যাপক পদে কর্মরত আছেন। এর পাশাপাশি ঢাকা শহরের অতীত ইতিহাস নিয়ে তিনি গবেষণা করেছেন। এছাড়া তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের 'মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ গবেষণা ইন্সটিটিউটে' সন্মানিক প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে ১৯৯৯-২০০২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। কৈশর থেকে লেখালেখির সাথে জড়িত হয়ে ১৯৬৩ সালে পাকিস্তানে বাংলা ভাষায় সেরা শিশু লেখক হিসেবে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার লাভ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেয়ার পর অনুবাদ, চিত্র সমালোচনা ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রচনা করেন অনেক বই। তাঁর লেখালেখি ও গবেষনার বিষয় উনিশ, বিশ ও একুশ শতকের পূর্ববঙ্গ বা বাংলাদেশ ও ঢাকা শহর।

সাংগঠনিক কর্মকান্ড
স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ডাকসুর প্রথম নির্বাচনে মুনতাসীর মামুন ছিলেন সম্পাদক। একই সময়ে তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি। ডাকসুর মুখপত্র "ছাত্রবার্তা" প্রথম প্রকাশিত হয় তাঁর সম্পাদনায়। তিনি বাংলাদেশ লেখক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও যথাক্রমে প্রথম যুগ্ম আহ্ববায়ক ও যুগ্ম সম্পাদক। তিনি জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ড ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী এবং জাতীয় আর্কাইভসের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন। ঢাকা নগর জাদুঘরের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ঢাকার ইতিহাস চর্চার জ্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন সেন্টার ফর ঢাকা ষ্টাডিজ (ঢাকা চর্চা কেন্দ্র)। এ কেন্দ্র থেকে ঢাকা ওপর ধারাবাহিক ভাবে ১২টি গবেষণামূলক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি বাংলা একাডেমীর একজন ফেলো এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিনেটের নির্বাচিত সদস্য হয়েছেন কয়েকবার। '৭১-এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির তিনি একজন প্রতিষ্ঠাতা ও সক্রিয় সদস্য। তিনি এবং তাঁর স্ত্রী ফাতেমা মামুন প্রতিষ্ঠা করেছেন মুনতাসীর মামুন-ফাতেমা মামুন ট্রাস্ট। এ ট্রাস্ট গরিব শিক্ষার্থী ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের নিয়মিত সাহায্য করছে।

সাহিত্য কর্ম
মুনতাসীর মামুনের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ২২০+। গল্প, কিশোর সাহিত্য, প্রবন্ধ, গবেষনা, চিত্র সমালোচনা, অনুবাদ সাহিত্যের প্রায় সব ক্ষেত্রেই মুনতাসীর মামুনের বিচরণ থাকলেও ইতিহাসই তার প্রধান কর্মক্ষেত্র। ।


পুরস্কার
বাংলা একাডেমী পুরস্কার, লেখক শিবির পুরস্কার, সিটি আনন্দ আলো পুরস্কার, একুশে পদক, নূরুল কাদের ফাউন্ডেশন পুরস্কার, হাকিম হাবিবুর রহমান ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক পুরস্কার, ইতিহাস পরিষদ পুরস্কা, অগ্রণী ব্যাংক পুরস্কার, অলক্ত স্বর্ণপদক পুরস্কার, ডঃ হিলালী স্বর্ণপদক, প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৩), মার্কেন্টাইল ব্যাংক স্বর্ণপদক, এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অর্লিয়েন্স শহর তাঁকে 'অনারেবল ইন্টারন্যাশনাল অনারারী সিটিজেনশিপ' প্রদান করে।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
3 (100%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Farhana Sultana.
94 reviews71 followers
November 16, 2019
মূলত এটি একটি সিরিজ পুরনো ঢাকা সম্পর্কে বিভিন্ন লেখকদের লেখা, দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি তুলে আনার জন্য। এই সিরিজের সম্পাদক মুনতাসীর মামুন। প্রথমে ভেবেছিলাম উনিই লেখক। কিন্তু এটি আসলে তার একটি উদ্যোগ পুরনো ঢাকা শহরের রুপরেখা সম্পর্কে পাঠককে জানানো।

আমরা জানি ঢাকার কেন্দ্রবিন্দু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অন্তত ইতিহাস তাই বলে। তাই ঢাকাকে জানতে গেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথাও চলে আসে। 'ঢাকা সিরিজের' এই দ্বিতীয় বইটি মূলত একজন ইংরেজ শিক্ষক 'মিস এ. জি. স্টক' যিনি ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ছিলেন তাঁর লেখা 'মেমোয়ার্স অফ ঢাকা ইউনিভার্সিটি' বইয়ের অনুবাদ।

সন্দেহ নেই যে সময়টিতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন, ইতিহাসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা তখন ঘটেছিল যার কেন্দ্রবিন্দু ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তাই পুরো বই জুড়েই ঢাকার তখনকার পরিস্থিতি, জনগণের মনোভাব, ছাত্র আন্দোলন ইত্যাদি বিষয় উঠে এসেছে যা তিনি কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন। বই শুরু হয় তিনি কিভাবে কোন পরিস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসলেন এবং তারপর থেকে যা যা তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন সবই নির্মোহভাবে তিনি প্রকাশ করেছেন। তিনি আসার পরপরই দেশবিভাগের যে আলোচনা তখনও চলছিল তা কাগজে কলমে বাস্তবায়িত হয়। তাই যদিও তিনি ভেবেছিলেন তিনি ভারতে যাচ্ছেন, দেশভাগের কারণে হয়ে গেলো পূর্ব পাকিস্তান।
তাতে অবশ্য তাঁর উৎসাহে কোনো ভাটা পড়েনি। তিনি পূর্ণ উদ্যমে শিক্ষকতা করে যাচ্ছিলেন এবং বিভাগীয় দায়িত্বও পালন করছিলেন। সেই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট চরমভাবে দেখা দিয়েছিল যেহেতু বেশিরভাগ হিন্দু শিক্ষক সীমান্তের ওপারে চলে গেছেন। তাই অনেকগুলো কাজ তাকে একাই সামলাতে হচ্ছিল কিন্তু সেসব নিয়ে তাঁর কোনো অভিযোগ ছিল না
এসবের বাইরে তাঁর সহকর্মী, ছাত্রছাত্রীদের সাথে তাঁর সম্পর্ক, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ, তৎকালীন সরকারের মনোভাব ইত্যাদি সম্পর্কে তিনি স্মৃতিচারণ করেছেন। মোট ১০টি অধ্যায়ে বিভক্ত এই বইয়ে বিশেষ বিশেষ সময় ও ঘটনার উল্লেখ করে তিনি তার প্রায় ৫ বছরের শিক্ষকতা জীবনের স্মৃতিচারণ করেছেন।
এই বইটি পড়ার মূল আকর্ষণ এটাই যে একজন বিদেশীর চোখে নিজের দেশ, শহর আর বিশ্ববিদ্যালয়কে জানতে পারা। আরও যেটা আমার ভালো লেগেছে তা হলো ঘটনা বর্ণনায় তিনি যথাসম্ভব নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করেছেন। তাই বইয়ের ভূমিকায় সম্পাদক যে বইটিকে ইতিহাসের একটি দলিল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তাকে অত্যুক্তি বলে মনে হয় না।

দেশভাগের পর ধর্মকে ব্যবহার করে যে মৃত্যুর মিছিল শুরু হয়েছিল তার ভয়াবহতা কতটুকু বিস্তৃত ছিল, নবম অধ্যায় পড়তে গিয়ে সেটি অনুভব করা যায়...।
দেশভাগ হওয়ার পর পশ্চিম পাকিস্তানের অধীনে থাকাকালীন সময়ে কেমন ছিল ঢাকা আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, তা জানতে চাইলে বইটি পড়তে পারেন।
৫/৫ দেওয়া গেলো না অনুবাদ আর বানান ভুলের কারণে। কোনো কোনো জায়গায় মনে হয়েছে একদম আক্ষরিক অনুবাদ করা হয়েছে। পড়তে গেলে একঘেয়েমি তৈরি হয়।
তবে এসব ছোট খাটো বিষয় বাদ দিলে বইটি বেশ ভালো।
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.