বইটার প্রথম অর্ধেক খুবই টেনেছে। বিশেষ করে পাহাড়ি রান্নার গল্প, নিসর্গের বর্ণনায় লেখকের এন্থ্রপোমরফিক বাড়াবাড়ি ভালোই চলছিল। খুব সযত্নে ব্রিটিশ-পাক-বাংলা আমলে নির্যাতিত পাহাড়িদের কথা এসেছে। পত্রিকার লেখা। ভোরের কাগজ থেকে শুরু, এরপর সমকাল, কালেরকন্ঠ ইত্যাদি। মুশকিল হলো, সেকারণেই অনেক বেশি পুনরাবৃত্তি। শেষের অর্ধেক সে কারণে বিরক্তি ধরিয়েছে। তবু ভালো লেগেছে। এম এ জব্বারের তারা পরিচিত আর সলীম আলীর পাখির কথা বলেছেন। পাহাড়ের উপর থেকে অন্ধকার রাতে তারা দেখার বর্ণনা বা অনুভূতি দারুন। কর্নফুলির হ্রদের নিচে ডুবে যাওয়া পাহাড়ির কান্না সেটেলার আর সেনাবাহিনীর হট্টগোলে শোনাই যায় না। লেখকের ভ্রমণ ভাগ্য আছে বটে। সম্পাদনা আরো ভালো হতে পারতো।