Jump to ratings and reviews
Rate this book

জান এ গালিব

Rate this book

91 pages, Hardcover

Published February 1, 2017

Loading...
Loading...

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (14%)
4 stars
9 (64%)
3 stars
3 (21%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
Profile Image for Shuk Pakhi.
537 reviews372 followers
March 3, 2017
বইটাতে সরাসরিভাবে গালিবের শের তুলে না দিয়ে বরং ইনামউল্লাহ খাঁ গালিবের জবানীতে তার প্রেয়সীকে চিঠি লিখছেন আর তাতে মাঝে মাঝে বসিয়ে দিচ্ছেন চিঠির ভাষ্যের সাথে উপযুক্ত শায়েরীগুলো। আসল ঘটনা হচ্ছে গালিবের শায়েরীর উপযোগী করেই চিঠির অংশগুলো লেখা হয়েছে। চিঠির অংশটুকু হচ্ছে শায়েরীর ব্যাখ্যা। আবার প্রেয়সীও গালিবকে লিখছে চিঠি তাতেও আছে শায়েরী। জাভেদ হুসেনের অনুবাদের মান ভালো, চিঠির অংশখানিকেও কাব্যের মত লেগেছে। ভালো লেগেছে।
Profile Image for Arif  Raihan Opu.
232 reviews7 followers
March 31, 2024
“করুণা করে হলেও চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও
আঙুলের মিহিন সেলাই
ভুল বানানের লিখ প্রিয়, বেশি হলে কেটে ফেলো তাও,
এটুকু সামান্য দাবি চিঠি দিও, তোমার শাড়ির মতো
অক্ষরের পাড়-বোনা একখানি চিঠি”
- মহাদেব সাহা

কবিতা ও মানুষের মাঝে মেল বন্ধন তৈরি করেন কবি। কবির লেখার প্রতিটি পংক্তি মানুষের মনের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেন। কবিতা, কবি ও কাব্যের এক অপূর্ব মেল বন্ধন রয়েছে। যেখানে একজন কে ছাড়া অপরজন অপূর্ন থেকে যান। কবিতার শক্তি সম্পর্কে বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে তার চেয়েও শক্তিশালী হচ্ছে কবি। তিনি তার ছন্দের ও লেখার মুর্ছনায় মানুষকে জাগিয়ে তোলেন, ভালবাসতে শেখান, প্রতিবাদী ও বিপ্লবী হতে বলেন আবার ঠিক হারিয়ে যেতে বলেন প্রকৃতির মাঝে।

কবির লেখা প্রতি শব্দ, ছন্দ ও কবিতা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী বাক্য হিসেবে বিবেচনা করা যায়। কবিতার শক্তি থাকলে ও মাঝে মাঝে কবি হারিয়ে যান। হারিয়ে যান অসীমের মাঝে। যেখানে শুধু শুন্যতা বিরাজ করে। তবুও কবির কলম থেমে থাকে না। তিনি লিখে যান, বলে যান জীবনের কথা, শেখান ভালবাসার বানী, বলেন মানুষের কথা। মানুষ কবিকে মনে না রাখলেও কবিতা চির সবুজ হয়ে থাকে, কবিতার মাঝেই কবি বেচে থাকেন।

শত বছর, যুগে যুগে কত কবি এসেছেন আরও হয়ত আসবেন, তবে একজন থেকে যাবেন সবার মাঝে অতুলনীয় ও অবস্মরনীয়। তিনি আর কেউ নন, মির্জা আসাদ্দুল্লাহ খা গালিব, যাকে আমরা মির্জা গালিব নামেই বেশি চিনে থাকি। বলা হয়ে থাকে তিনি ভারতবর্ষের মানুষের মাঝে প্রথম আধুনিক কবি।

হেসে খেলে আমি প্রলয় ঢেউয়ের মাঝে চলি
জীবন সহজ, মসৃণ হবে কেন? সে তো কঠিনই ভালো.!

আজকে যারা শের শায়েরি করে থাকেন অথবা গজল লিখেন তাদের মাঝে গালিবের অস্থিত্ব খুজে পাওয়া যায়। কারণ গালিব তার উক্তি, পংক্তি ও লেখা মাধ্যমে শত শত বছর বেচে রয়েছেন। তিনি যখন তার রচনা গুলো লিখেছেন সেই সময় তিনি অনেক দুঃখ কষ্টে জর্ড়িত ছিলেন। তবুও তার কলম থেমে থাকেনি। তিনি যেন সময়ের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন সব সময়।

তিনি যেন এসেছিলেন দেখেছিলেন এবং জয় করেছিলেন। গালিবের লেখায় যেমন ভালবাসা ছিল, তেমনি তিনি আবার প্রিয়ার বেদনার আর্তনাদ বর্ণনা করে গিয়েছেন, ঠিক মানুষের চোখে আঙুল দিয়ে সমাজের পরিস্থিতি বর্ণনা করে গিয়েছেন। মির্জা গালিব যেন এসেছিলেন উর্দু আর ফারসি কবিদের কবিতার পথ দেখাতে। তিনি উর্দু কবিতা নিয়ে গিয়েছেন এক অন্য উচ্চতায়।

মির্জা গালিব যেন নিজের সাথে নিজেই কথা বলতেন। তিনি নিজের সাথে নিজের প্রতিযোগীতা চালিয়েছেন। তিনি সৃষ্টি করেছেন অসাধারণ সব সৃষ্টি। তার সূত্র ধরে, ইনামউল্লা খা নাসির যিনি উর্দু ভাষার অন্যতম একজন সাহিত্যিক। তিনি লিখেছেন “জান-এ-গালিব”।

ইনামউল্লাহ খা নাসির গালিবের লেখা কবিতা পংক্তিকে ভেঙে দেখিয়েছেন গালিব কতটা গভীর ভাবে ভাবতে পারতেন। তিনি নিজের সাথেই নিজেকে যুদ্ধে অবতীর্ন করেছেন। ভেঙ্গেছেন গড়েছেন। মুলত এই বইটি গালিবের কবিতার ব্যাখ্যা করেছেন ইনামউল্লা খা নাসির, তিনি গালিব হয়ে এই ব্যাখ্যা ও চিঠি লিখেছন। যেন তিনি নিজেই সেখানে স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন।

তার দেয়া দুঃখ দেখেছি বহুবার
কিন্তু এবারের এই যাতনা যেন অন্য রকম.!

মির্জা গালিব দুঃখের মাঝে সুখ খুজে পেতেন। তিনি নিঃস্ব হয়েও যেন কোন রাজ্যের রাজা ছিলেন। যেখানে তার হুকুম ই সব কিছু। তিনি চাইলেই পারেন সব তবুও তিনি মনের যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করতে পারেন না। ইনামউল্লা খা নাসির তার মধ্য দিয়ে এই কথা গুলোই বলে গিয়েছেন। তিনি গালিবের হয়ে শুধু মাত্র দেখিয়েছেন যে গালিব কতটা আবেগ নিয়ে লিখতেন। কতটা গভীর ভাবে তার উপলব্ধি ছিল। যেন তিনি ঠিক সময় কলম ধরেছেন।
আজ মির্জা গালিব নেই। তবে তার অমর সৃষ্টি গুলো রয়েছে। তিনি যুগে যুগে কবি, কবিতা ও মানুষের মাঝে বেচে থাকবেন। তার লেখা ও কবিতা কবিদের মাঝে নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে সব সময়।
এই যে তার বিরহের কালে দেয়ালের দরজার দিকে তাকিয়ে থাকি
কখনো ভোরের হাওয়া কখনো যেন পত্রবাহককে দেখতে পাই.!

বইঃ জান-এ-গালিব
মুলঃ ইনামউল্লা খা নাসির
অনুবাদঃ জাভেদ হুসেন
প্রকাশনীঃ ঐতিহ্য
Profile Image for শুভঙ্কর শুভ.
Author 12 books51 followers
March 22, 2017
ভালো লেগেছে। ব্যাখা আকারে অনুবাদ ভালো ছিল। কিন্তু কিছু জায়গায় কাব্যিকতার ছুঁয়া পাইনি যেন। হয়তো ভাষান্তরই করেছেন বলেই এমনটা হয়েছে। বা আমিই একটু কাঠখোট্টা মনোভাব নিয়ে পড়েছি বলেও এমন লাগতে পারে। তবে হতাশ হইনি বলা যায়।
Profile Image for Tawheeda Rufah Nilima.
294 reviews61 followers
Read
March 2, 2024
"এ যে হৃদয়, ইটপাথর নয়, ব্যথায় ভরে যাবে না কেন
আমি হাজারবার কাঁদব, কেউ আমাকে কাঁদাবে কেন।"
........

"পত্রবাহক ফেরার আগেই আরেকটা চিঠি লিখে রাখি
আমি তো জানি সে কী লিখবে উত্তরে।"
.….....

"হেমন্ত কী, বসন্ত কাকে বলে -- যে ঋতুই আসুক
সেই আমি আর সেই কেটে ফেলা পালকের জন্য বিলাপ।"
Displaying 1 - 4 of 4 reviews