Jump to ratings and reviews
Rate this book

অর্জুন #6

কালাপাহাড়

Rate this book

167 pages, Hardcover

Published September 1, 1991

4 people are currently reading
80 people want to read

About the author

Samaresh Majumdar

338 books702 followers
Samaresh Majumdar (Bangla: সমরেশ মজুমদার) was a well-known Bengali writer. He spent his childhood years in the tea gardens of Duars, Jalpaiguri, West Bengal, India. He was a student of the Jalpaiguri Zilla School, Jalpaiguri. He completed his bachelors in Bengali from Scottish Church College, Kolkata. His first story appeared in "Desh" in 1967. "Dour" was his first novel, which was published in "Desh" in 1976. Author of novels, short stories and travelogues, Samaresh received the Indian government's coveted Sahitya Akademi award for the second book of the Animesh series, 'Kalbela".

Some of his famous characters are:

1. Animesh & Madhabilata (Animesh Quartet)
2. Arjun - Fictional sleuth.
3. Dipaboli (Saatkahon)

সমরেশ মজুমদার-এর জন্ম ১০ মার্চ ১৯৪৪। শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের চা-বাগানে। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের ছাত্র। কলকাতায় আসেন ১৯৬০-এ। শিক্ষা: স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স, পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ। প্রথমে গ্রুপ থিয়েটার করতেন। তারপর নাটক লিখতে গিয়ে গল্প লেখা। প্রথম গল্প ‘দেশ’ পত্রিকায়, ১৯৬৭ সালে। প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’, ১৯৭৫-এ ‘দেশ’ পত্রিকায়। গ্রন্থ: দৌড়, এই আমি রেণু, উত্তরাধিকার, বন্দীনিবাস, বড় পাপ হে, উজান গঙ্গা, বাসভূমি, লক্ষ্মীর পাঁচালি, উনিশ বিশ, সওয়ার, কালবেলা, কালপুরুষ এবং আরও অনেক। সম্মান: ১৯৮২ সালের আনন্দ পুরস্কার তাঁর যোগ্যতার স্বীকৃতি। এ ছাড়া ‘দৌড়’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার হিসাবে বি এফ জে এ, দিশারী এবং চলচ্চিত্র প্রসার সমিতির পুরস্কার। ১৯৮৪ সালে ‘কালবেলা’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।

মৃত্যু : ৮ মে, ২০২৩

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
17 (12%)
4 stars
48 (35%)
3 stars
51 (38%)
2 stars
16 (11%)
1 star
2 (1%)
Displaying 1 - 16 of 16 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,668 reviews432 followers
November 28, 2021
৩.৫/৫
ভদ্রলোক মোটামুটি বিশেষত্বহীন।তার বুদ্ধিমত্তা অতিশয় ধারালো নয়,প্রখর ব্যক্তিত্বের অধিকারীও নয় সে।অর্জুন নিতান্তই সাধারণ বাঙালি এবং সত্যসন্ধানী।নায়ক হিসেবে অস্বাভাবিকভাবে স্বাভাবিক হওয়ার জন্যই তার প্রতি আলাদা দুর্বলতা ছিলো আমার।যদিও অর্জুন সিরিজে আমার পড়া বেশিরভাগ গল্পই সাধারণ মানের।এই বইটা ভালো লাগলো। রোমাঞ্চ খুব বেশি নেই কিন্তু কাহিনির পরিণতি মনে রাখার মতো।
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 37 books1,867 followers
July 9, 2022
'আনন্দমেলা'-তে ধারাবাহিক আকারে প্রকাশের সময়েই এই উপন্যাসটি পড়েছিলাম। সেই সময় বাংলায় সত্যিকারের থ্রিলার লেখার মতো লেখক বলতে শুধু অনীশ দেব আর সমরেশ মজুমদারই ছিলেন— যাঁরা টানটান প্লট, ধারালো সংলাপ, আর নিপুণ বর্ণনার সমন্বয়ে পাঠককে একটি রুদ্ধশ্বাস দৌড়ের স্বাদ দিতে পারতেন। লেখাটা, শেষদিকের কিঞ্চিৎ 'ছড়িয়ে যাওয়া' সত্ত্বেও ভরপুর উপভোগ করেছিলাম। তবে এই উপন্যাসটি আমার মনে থেকে গেছে অন্য দু'টি কারণে।
সেই প্রথম আমি কোনো লেখায় কালাপাহাড়-কে নিয়ে প্রচলিত কিংবদন্তিগুলো জানতে পেরেছিলাম।
আর সেই প্রথম আমি শ্রীচৈতন্যের সম্ভাব্য হত্যারহস্যের সংকেত পেয়েছিলাম!
হ্যাঁ, এই কল্পনার চেয়েও আকর্ষণীয় দু'টি মিথের সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্যই বইটা আমি মনে রেখেছি। জটায়ু তো বলেই গেছেন, ট্রুথ ইজ স্ট্রংগার দ্যান ফিকশন!
Profile Image for Shadin Pranto.
1,479 reviews563 followers
April 23, 2020
সমরেশ মজুমদারের তরুণ গোয়েন্দা অর্জুনকে কখনোই ভালো লাগেনি৷ ব্যোমকেশ বক্সী, ফেলু মিত্তিরের কাছে নেহায়েত ফেলনা। এমনকি কিরীটি বা কর্নেলের সাথেও তুলনীয় নয় অর্জুন। অপরিপক্কতার ছাপ সর্বত্র।

দাউদ কররানি, সুলেমান কররানির সেনাপতি কুখ্যাত কালাপাহাড়কে নিয়ে এই উপন্যাস। হিন্দু থেকে মুসলমান হওয়া কালাপাহাড় ধ্বংসের প্রতীক বলে গণ্য। বিশেষত, মন্দির ধ্বংসের জন্য কালাপাহাড়ের নামডাক ছিল ( অবশ্যই নেতিবাচক অর্থে)। একটি ঐতিহাসিক চরিত্রকে ঘিরে এই কাহিনি। ইতিহাস নিয়ে সমরেশ বসু পড়াশোনার প্রমাণ এই উপন্যাসের একমাত্র পাওয়া। এখানেও জমজমাট খেল দেখাতে ব্যর্থ জলপাইগুঁড়ির গোয়েন্দা অর্জুন।
Profile Image for Hussain M Farabi.
73 reviews1 follower
January 19, 2021
ভালোই লেগেছে। তরুণ গোয়েন্দা অর্জুনের হাত ধরে রসহ্য অনুসন্ধানের সাথে সাথে ইতিহাসের পাতা থেকেও খানিকটা ঘুরে আসা গেছে!
Profile Image for Zanika Mahmud.
185 reviews9 followers
July 14, 2021
মোটামুটি। "কালাপাহাড়' চরিত্রের একটু হাল্কা ইতিহাস আছে।
Profile Image for Sidratul Muntaha.
24 reviews11 followers
November 30, 2023
গোয়েন্দা উপন‍্যাস হিসেবে তেমন জমলো না
Profile Image for Aditya.
37 reviews6 followers
November 6, 2025
কিছুটা খাপছাড়া, তবে গপ্পো মীরের ঠেকে শুনতে মন্দ লাগলো না।
Profile Image for Mim Mahjabin.
14 reviews11 followers
October 26, 2020
অর্জুন সিরিজের বই টা ইতিহাসের বিখ্যাত দুর্ধর্ষ চরিত্র কালাপাহাড় কে নিয়ে লিখা। বই এ তার নিজস্ব কাহিনী কম হলেও রহস্য সমাধানের নাম করে ইতিহাসকে হালকাভাবে চোখের সামনে ধরে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রসিদ্ধ গোয়েন্দার কাছে কালাপাহাড় এর রেখে যাওয়া গুপ্তধন এর সন্ধানে আসেন এক লোক। জীবিত ব্যক্তির খোঁজ করা সম্ভব, কিন্তু যার অস্তিত্ব প্রায় চারশ বছর আগে বিলীন হয়ে গেছে, তার রেখে যাওয়া সম্পদ খুঁজে বেড়াতে যেয়ে হিমসিম খেতে হয় তাদের। অন্য এক কেইস এর সমাধানে যাওয়ার পর কিছুটা আশার আলো খুঁজে পাওয়া, আর ওসব নিয়েই উপন্যাসটি এগিয়ে যায়।
ভালো বই।
#কালাপাহাড় সম্পর্কে কিছুটা ইতিহাস তুলে ধরা হলো: কালাপাহাড়(১৫৩৪-১৫৮০) ছিলেন কররানী রাজবংশর এক দুর্ধর্ষ সেনাপতি। তার বাড়ি ছিল অধুনা বাংলাদেশের রাজশাহীর (বাগমারা) বীরজাওন গ্রামে। তিনি বিদ্বান ও বুদ্ধিমান ছিলেন। সুলায়মান খান কররানী যখন গৌড়ের শাসক সেসময় তিনি গৌড়ের সেনানীতে যোগদান করেন এবং অতি অল্পকালের মধ্যে যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শিতার পরিচয় দিয়ে সুনজরে পতিত হন।তার আসল নাম রাজীবলোচন রায় মতান্তরে কালাচাঁদ রায় (বা রায় ভাদুড়ী বা রাজচন্দ্র বা রাজকৃষ্ণ বা রাজনারায়ণ[ডাকনাম রাজু। তিনি বারেন্দ্র ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান যেখানে নিয়মিত বিষ্ণু পূজা হতো। নবাব সুলায়মান খান কররানীর কন্যা দুলারি বিবি তার প্রণয়ে পড়লে ইসলাম ধর্ম অনুসারে সুলায়মানের কন্যার পাণিগ্রহণ করেন এবং সুলায়মানের প্রধান সেনাপতির পদ অলংকৃত করেন,মুসলমান কন্যা বিবাহের সুবাদে বর্ণবাদী হিন্দু সমাজ তাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে। আর সেই কারণে প্রতিশোধস্পৃহায় অন্ধ হয়ে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে 'মহম্মদ ফর্ম্মুলি' নাম ধারণ করেন এবং প্রবল হিন্দু বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন। আর তখন থেকেই কালাপাহাড় নামে পরিচিত হন।মুসলিম কন্যা বিবাহের কারণে কালাপাহাড় সমাজচ্যুত হন। মায়ের অনুরোধে কিছুদিন পর তিনি বাংলার হিন্দু ধর্মগুরুদের কাছে প্রায়শ্চিত্তের বিধান চাইলে তারা কোন বিধান দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে তিনি পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দিরে গিয়ে প্রায়শ্চিত্তের সংকল্প করেন। কিন্তু পুরীর ধর্মগুরুরা তাকে ও তার স্ত্রীকে মন্দিরে প্রবেশ করতে বাধা দেন এবং তার কোন প্রায়শ্চিত্ত হবে না বলে জানিয়ে দেন। এতে কালাপাহাড় মর্মাহত হন এবং প্রচণ্ড ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাই উড়িষ্যা অভিযানকালে তিনি উড়িষ্যার ধর্মগুরু ও ধর্মস্থানের উপর প্রতিশোধ নেবার সুযোগ পান। ১৫৬৭-৬৮ খ্রীষ্টাব্দে মুকুন্দ দেবের বিরুদ্ধে সুলাইমান কররাণীর পুত্র বায়েজিদ খান কররাণী ও সেনাপতি সিকান্দার উজবেকের যুদ্ধে মুকুন্দ দেবের পতন হলে কালাপাহাড় উড়িষ্যা ও তার নিকবর্তী অঞ্চলের হিন্দু মন্দিরগুলোতে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালান। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করেন এবং মন্দিরের সম্পদ লুণ্ঠন করেন। জানা যায়, কালাপাহাড় জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার কাঠের প্রতিমা উপড়ে নিয়ে হুগলী নদীর তীরে আগুনে পুড়িয়ে দেন।১৫৬৮ সালে তিনি পুরীর শ্রী শ্রী জগন্ননাথ ধাম আক্রমণ করেন এবং মন্দির ও বিগ্রহের প্রচুর ক্ষতিসাধন করেন।
মোগল সম্রাট আকবরের বিরুদ্ধে কালাপাহাড় আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। বঙ্গদেশ ও বিহারে আকবরের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ হয় কালাপাহাড় তাতে যোগদান করেন এবং অনুমান করা হয় তিনি এই যুদ্ধে নিহত হন ।
কালাপাহাড় উড়িষ্যার বালেশ্বরের গোপীনাথ মন্দির, ভুবনেশ্বরের কাছে কোনার্ক মন্দির, মেদিনীপুর, ময়ুরভঞ্জ, কটক ও পুরীর আরো কিছু মন্দিরে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালান। কালাপাহাড়ের মন্দির আক্রমণের প্রক্রিয়াটি একটু অভিনব ছিল। তিনি গরুর চামড়ার বিশাল আকৃতির ঢোল আর পিতলের বড় বড় ঘণ্টা মন্দিরের ভেতরে ক্রমাগত বাজিয়ে তীব্র অনুরণন তৈরি করার ব্যবস্থা করেছিলেন। সেই অনুরণনের তীব্রতায় প্রতিমাদের হাতগুলো খসে পড়ত। এতে উপস্থিত লোকজন হতভম্ব হয়ে পড়লে প্রতিমা উপড়ে ফেলা হত। কালাপাহাড় মন্দির সমূলে ধ্বংস করার চেয়ে প্রতিমা ধ্বংস ও লুটপাটে বেশি আগ্রহী ছিলেন। মন্দির আক্রমণের শেষ পর্যায়ে কালাপাহাড় সম্বলপুরের মা সম্বলেশ্বরীর মন্দিরে আক্রমণ করতে সম্বলপুরের উপকণ্ঠে মহানদীর তীরে দুর্গাপালীতে উপস্থিত হন। সম্বলেশ্বরী মন্দিরের পূজারীরা মন্দির রক্ষার্থে এক দুঃসাহসী পদক্ষেপ নেন। একজন নারীকে গোয়ালিনীর ছদ্মবেশে কালাপাহাড়ের ছাউনিতে পাঠানো হয়। তিনি সৈন্যদের মধ্যে বিষ মিশ্রিত দুধ, দই, ছানা, বিক্রি করেন। পরদিন সকালে খাদ্যের বিষক্রিয়ায় কালাপাহাড়ের বেশির ভাগ সৈন্য আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে তিনি অবশিষ্ট সৈন্যদের নিয়ে পালিয়ে যান। মন্দির ধ্বংসের ঘটনা উড়িষ্যা ও মেদিনীপুরেই সীমাবদ্ধ ছিল না। কররাণীদের কোচবিহার আক্রমণকালে কালাপাহাড় আসামের কামাখ্যা মন্দিরসহ আরো কিছু মন্দির ধ্বংস করেন। কালাপাহাড় কররাণীদের শেষ শাসক দাউদ খান কররাণীর আমল পর্যন্ত কররাণীদের সেনাপতি ছিলেন এবং মুঘলদের বিরুদ্ধে অভিযানগুলোতে অংশগ্রহণ করেন। ১৫৭৬ খ্রীষ্টাব্দে কররাণীদের পতনের পর কালাপাহাড় সম্ভবত আফগান নেতা মাসুম কাবুলীর দলে যোগ দেন এবং মুঘলদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত থাকেন। সম্ভবত ১৫৮৩ খ্রীষ্টাব্দে মুঘল সেনাপতি খান ই আজমের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মাসুম কাবুলী পরাস্ত হলে সেই যুদ্ধে কালাপাহাড়ও নিহত হন।
মুঘলদের সঙ্গে যুদ্ধে কালাপাহাড়ের মৃত্যুর পর তাকে উড়িষ্যার সম্বলপুরে মহানদীর তীরে সমাধিস্থ করা হয়। সম্বলেশ্বর কলেজ বিল্ডিং-এর গায়ে অসংখ্য সমাধি দেখে অনুমান করা হয় এগুলি কালাপাহাড়ের সহযোদ্ধাদের; তাই একদল উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের আক্রোশে ২০০৬ সালে তা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
Profile Image for Swarna.
16 reviews1 follower
April 6, 2023
হরিপদ সেন নামের এক লোক অমল সোমের কাছে আসেন তার এক পূর্ব পুরুষের লুকিয়ে রেখে যাওয়া গুপ্তধনের সন্ধানের কেস অমলবাবুকে দিতে। পূর্ব পুরুষ আর কেউ নন বরং ইতিহাস কুখ্যাত কালাপাহাড়ের সঙ্গী নন্দলাল। কালাপাহাড় এমন এক নাম, যার নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে উড়িষ্যা ও বাংলার বহু মন্দির, মূর্তি ভাঙার দৃশ্য। তিনি ব্রাহ্মণ হওয়া সত্ত্বেও হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর তার ছিল অপরিমেয় ক্ষোভ। কালাপাহাড় উত্তরবঙ্গ ও আসাম অভিযানকালে নবাবের অগোচরে বিশাল পরিমাণ সোনা লুকিয়ে রাখেন। হরিপদ সেন তাঁর পূর্ব পুরুষ নন্দলাল সেনের রেখে যাওয়া কিছু কাগজপত্র পান যার উপর ভিত্তি করে তিনি অমল সোমকে কালাপাহাড়ের গতিবিধি খুঁজে বের করার দায়িত্ব দিতে চান।
অন্যদিকে হৈমন্তীপুর চা বাগানে পর পর খুন হয়ে চলেছে কিন্তু পুলিশ কিছু করতে পারছে না। তাই এই কেসের অর্জুনকে নেওয়ার জন্য মমতা দত্ত অর্জুনকে অনুরোধ করেন।
কালাপাহাড় কি সত্যিই কোনো গুপ্তধন লুকিয়ে রেখেছিলেন? অমল সোম কি খুঁজে পাবেন কালাপাহাড়ের সম্পত্তি?
চা বাগানের খুন গুলোর পিছনে কারা দায়ী? কেনই বা করছে এসব খুন?

মোটামুটি লেগেছে। রোমাঞ্চকর ছিল এবং অনাকাঙ্ক্ষিত শেষটা সত্যিই অবাক করার মতো।

০৬-০৪-২০২৩
Profile Image for Nurul Huda.
193 reviews4 followers
July 22, 2023
কালাপাহাড় নামক এক ব্যক্তি পাঁচ শ বছর আগে অনেক গুপ্তধন লুকিয়ে রাখে,তা কোথায় রেখেছে তা আন্তাজ করা যায় উত্তর বঙ্গে হবে।

অমল সোম আর অর্জুন গোয়েন্দা।তাদের কাজই রহস্য উদঘাটন করা।। তারা এসব কাজ করে থাকেন। হরিপদ সেন তাদের কাছে কালাপাহাড়ের গুপ্তধন খুঁজে দিতে ঢিল করে।

এদিন ই আবার মমতা দত্ত নামের মহিলা আসে তাদের কাছে, তার চা বাগানে কর্মচারী খুন হচ্ছে কয়েকদিন পরপর। তার রহস্য বের করে দিতে হবে।

হরিপদ সেন হোটেলে ফিয়ে গেলে আততায়ীর হাতে খুন হয়। আর এদিকে মমদা দত্তের বাংলোতে ডাকাতরা এসে পাহারাদারকে খুন করে।

পড়লে ভালো লাগবে, পুরোটা পড়লেই বুঝতে পারবেন এর রহস্য।
*
Profile Image for Rubayet Alam.
32 reviews1 follower
November 28, 2021
একদম অসাধারণ। সমরেশ মজুমদার এবং অর্জুন এর বই আমার টপ ফেবারিট, এই বইটা একটু অন্যরকম।
Profile Image for Nafisa Alam.
28 reviews2 followers
May 20, 2022
সবটাই ভালো ছিল, রোমাঞ্চকর। কিন্ত "অর্জুন বেড়িয়ে এলো " তে ভবিষ্যত র চাইতে আমেরিকার জীবনের প্রতিফলন ছিল বেশ।

"কারভালোর বক্স " টা বেশ ছিল।
Profile Image for Nafisa Alam.
79 reviews
April 14, 2025
সবটাই ভালো ছিল, রোমাঞ্চকর। কিন্ত "অর্জুন বেড়িয়ে এলো " তে ভবিষ্যত র চাইতে আমেরিকার জীবনের প্রতিফলন ছিল বেশ।

"কারভালোর বক্স " টা বেশ ছিল।
Displaying 1 - 16 of 16 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.