রহস্যের মানে কী? কী মানে অলৌকিকতার? এ জগতের অসীম মায়াজাল কেউ কি পুরোপুরি বুঝতে পেরেছে? আমাদের চারদিকের যে চেনাজানা জীবন তার ফাঁকেই হয়তো ছড়িয়ে আছে সেই মায়াজাল এবং লুকিয়ে আছে রহস্যময়তায় ঘেরা অলৌকিকতা। এই অলৌকিকতার কিছু দিক উঠে এসেছে ‘গুহামানবী’ বইটিতে। যে পাঠক অতিপ্রাকৃত কাহিনি ভালবাসেন তাঁর জন্য এই বইটি অবশ্যপাঠ্য। চলুন, পাঠক, আমাদের ব্যস্ত জীবনের অবসরে হারিয়ে যাই অন্যরকম এক অতীন্দ্রিয় জগতে। আপনি সাদরে আমন্ত্রিত।
দুই একটা গল্প একদম আনাড়ি। মানে আমি ক্লাস থ্রি ফোরে থাকতে বানিয়ে বানিয়ে ভূতের গল্প লিখতাম তেমন। বাকিগল্প গুলো কিন্তু বেশ। বেশ মানে আপনি ধরেন বন্ধু বান্ধব নিয়ে পাহাড়ে ঘুরতে গেলেন। দ্রুত নেমে আসা সন্ধ্যায় বা শীত পড়া রাতে পাহাড়ের চূড়ায় বসে বন্ধুদের একটুখানি গা ছমছমে ভাব দিতে চাইলে যেমন গল্প আপনি বলতে চাইবেন, ঠিক তেমন। উপর উপরে চাইলে একটু রঙ মশলা নিজের মাখালেন, তাতে ক্ষতি নাই।
ভয় বা বলা যায় প্রচণ্ড ভয় পেয়েছি আমি এই বইটা পড়ে। ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে এই বইটা বেশ দারুণ লেগেছে। প্রায় প্রতিটি গল্পই ভয় জাগানিয়া। আমি বই পড়ার ফাঁকে যখনই নিজ কোন কাজে উঠেছি তখন যে কোন কিছুর শব্দেও গা ছমছম করে উঠেছে; পড়তে হাস্যকর লাগলেও এটাই সত্যি। বইটিতে ১২ টা গল্প। কোনোটাই কোনোটা থেকে কম নয়। গল্পগুলো নিম্নরূপ :