What do you think?


কল্পবিজ্ঞান সমগ্র #1
সেরা সায়েন্স ফিকশন সমগ্র
প্রচ্ছদ ও অলংকরণ – সৌরীশ মিত্র
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সায়েন্স ফিকশন চর্চায় একনিষ্ঠ লেখকের বাছাই করা ২৬টি গল্প এবং ১টি উপন্যাস এই সংকলনের সম্পদ। এই লেখাগুলির কোনওটি প্রকাশিত হয়েছিল ‘দেশ’ পত্রিকায়, কোনওটি ‘বর্তমান’, ‘যুগান্তর’ কিংবা ‘সানন্দা’য়। গল্পগুলি বলেছে মানুষের বহুমাত্রিক সম্পর্কের কথা, ভালোবাসার কথা, জীবনের কথা। এর মধ্যে যেমন আছে রোবট, মহাকাশ, তেমনই আছে আমাদের আগামী দিনের সমাজ, আগামী দিনের জীবন, আগামী দিনের অচেনা পৃথিবী। ভবিষ্যতের জীবনকে নতুন এক বহুবর্ণ লেন্সের ভেতর দিয়ে দেখেছেন লেখক। আর সেই ‘নতুন’ দেখার সুযোগ করে দিচ্ছেন আপনাকে...। হ্যাঁ, একমাত্র আপনাকেই।
সূচিপত্র –
গল্প –
সুন্দরী
পিকনিকে তিনটে বিকেল
ধূমকেতু যখন আসে
চিত্রার অদৃশ্য মৃতদেহ
জীবনের সুর
বুকের ভেতরে
মাদারি যখন খেলা দেখায়
সুখ-দুঃখের সরণি
বিকল্পকবি সুবল বসু
চরম অস্ত্র
অশনি ও আবেগথেরাপি
মনে পড়ার খেলা
আকাশে কীসের শব্দ
অকালের ফুল
সুখের সংসার ডট কম
রাত ফুরোল, কথা ফুরোল
অলীক কথামালা
আজ শেষ দিন
সময়েরে দিতে ফাঁকি
ভালোবাসা ফুরিয়ে গেলে
জীবনের চাবিকাঠি
হৃদয়নাথ
একটু-একটু দেখা যায়
ইন্টু-পিন্টু থারটিন
দাগের বাইরে যাবেন না
মায়াযৌবন
উপন্যাস –
ঘাসের শিষ নেই
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সায়েন্স ফিকশন চর্চায় একনিষ্ঠ লেখকের বাছাই করা ২৬টি গল্প এবং ১টি উপন্যাস এই সংকলনের সম্পদ। এই লেখাগুলির কোনওটি প্রকাশিত হয়েছিল ‘দেশ’ পত্রিকায়, কোনওটি ‘বর্তমান’, ‘যুগান্তর’ কিংবা ‘সানন্দা’য়। গল্পগুলি বলেছে মানুষের বহুমাত্রিক সম্পর্কের কথা, ভালোবাসার কথা, জীবনের কথা। এর মধ্যে যেমন আছে রোবট, মহাকাশ, তেমনই আছে আমাদের আগামী দিনের সমাজ, আগামী দিনের জীবন, আগামী দিনের অচেনা পৃথিবী। ভবিষ্যতের জীবনকে নতুন এক বহুবর্ণ লেন্সের ভেতর দিয়ে দেখেছেন লেখক। আর সেই ‘নতুন’ দেখার সুযোগ করে দিচ্ছেন আপনাকে...। হ্যাঁ, একমাত্র আপনাকেই।
সূচিপত্র –
গল্প –
সুন্দরী
পিকনিকে তিনটে বিকেল
ধূমকেতু যখন আসে
চিত্রার অদৃশ্য মৃতদেহ
জীবনের সুর
বুকের ভেতরে
মাদারি যখন খেলা দেখায়
সুখ-দুঃখের সরণি
বিকল্পকবি সুবল বসু
চরম অস্ত্র
অশনি ও আবেগথেরাপি
মনে পড়ার খেলা
আকাশে কীসের শব্দ
অকালের ফুল
সুখের সংসার ডট কম
রাত ফুরোল, কথা ফুরোল
অলীক কথামালা
আজ শেষ দিন
সময়েরে দিতে ফাঁকি
ভালোবাসা ফুরিয়ে গেলে
জীবনের চাবিকাঠি
হৃদয়নাথ
একটু-একটু দেখা যায়
ইন্টু-পিন্টু থারটিন
দাগের বাইরে যাবেন না
মায়াযৌবন
উপন্যাস –
ঘাসের শিষ নেই
368 pages, Hardcover
Published January 1, 2011
About the author
Anish Deb
99 books31 followersAnish Deb (22 October 1951 – 28 April 2021) was an Indian Bengali writer and academic. He was noted for his writings in the science fiction and thriller genre. He received several literary awards including Vidyasagar Award in 2019.
Anish Deb was born in 1951 in Kolkata. He completed his B.Tech. (1974), M.Tech. (1976) and Ph.D. (Tech.) with 1 silver and 2 university gold medals in Applied Physics from the Rajabazar Science College campus of University of Calcutta.
Anish Deb started his writing career in 1968. He also edited a number of collections of popular fictions, novels and detective stories. Some of his notable writings are: Ghaser Sheesh Nei, Saper Chokh, Teerbiddho, Teish Ghanta Shat Minute, Hate Kalome Computer, Bignyaner Dashdiganto, Jibon Jokhon Phuriye Jay.
Anish Deb was born in 1951 in Kolkata. He completed his B.Tech. (1974), M.Tech. (1976) and Ph.D. (Tech.) with 1 silver and 2 university gold medals in Applied Physics from the Rajabazar Science College campus of University of Calcutta.
Anish Deb started his writing career in 1968. He also edited a number of collections of popular fictions, novels and detective stories. Some of his notable writings are: Ghaser Sheesh Nei, Saper Chokh, Teerbiddho, Teish Ghanta Shat Minute, Hate Kalome Computer, Bignyaner Dashdiganto, Jibon Jokhon Phuriye Jay.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
August 10, 2019
আজ থেকে আট বছর আগে প্রকাশিত এই সংকলনটি ক'দিন ধরেই নতুন করে পড়ার তাগিদ অনুভব করছিলাম। তার কারণ ছিল একটাই। বাংলা কল্পবিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে দেখেছি, বহু পাঠক আক্ষেপ করেন, কেন বাংলায় প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকের উপযোগী কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য নেই তাই নিয়ে। সিদ্ধার্থ ঘোষ রচিত 'মহাশূন্যের মণিমুক্তো'-র বাইরে আমরাও তেমন কিছুর সন্ধান দিতে পারি না। সেজন্যই মনে হচ্ছিল, কল্পবিজ্ঞান নিয়ে প্রায় তিন দশক ধরে লেখালেখি করা কিংবদন্তি লেখক অনীশ দেব রচিত সাহিত্য নিয়ে কেন কথা হয় না। অতঃপর, প্রায় আট বছর পর আমি বইটা আবার বের করলাম, পড়লাম, এবং দুটো জিনিস হাড়ে-হাড়ে বুঝে গেলাম।
প্রথমত, এই বইয়ের গল্পগুলো লেখার সময় সম্ভাব্য পাঠকের কথা মাথায় রেখে লেখক আবেগে যতটা গা ভাসিয়েছেন, তার ভগ্নাংশও কাহিনির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিয়ে ভাবেননি। ফলে এগুলো হয়ে দাঁড়িয়েছে অত্যন্ত সুখপাঠ্য সামাজিক গল্প যাতে রোবট, এলিয়েন, মহাজাগতিক কাণ্ডকারখানা ইত্যাদি পার্শ্বচরিত্রের ভূমিকা পালন করেছে।
দ্বিতীয়ত, যে ক'টা গল্পকে কিঞ্চিৎ বুদ্ধিদীপ্ত বলা যায় সেগুলো বিদেশি কাহিনির দ্বারা ভয়ানক রকম অনুপ্রাণিত। এ জিনিস পাঠক নেন না।
ওপার বাংলায় মুহম্মদ জাফর ইকবাল শুরু করেছিলেন আসিমভের ঘরানায়, কিন্তু অচিরেই তিনি বিজ্ঞান, উত্তেজনা এবং সংকটকালীন মনস্তত্ত্ব মিশিয়ে একটি একান্ত নিজস্ব লিখনশৈলী উদ্ভাবন করেন। হুমায়ূন আহমেদও নিজস্ব লেখনী, বিজ্ঞানচেতনা এবং গতিময়তা মিশিয়ে বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন। তাই জাফর ইকবাল এবং হুমায়ূনের লেখা শুধু ওপার বাংলায় নয়, এপারেও অবশ্যপাঠ্য। কিন্তু এপার বাংলায় তা হয়নি। বিজ্ঞান ও সমকালীন বাস্তবের মেলবন্ধনে সত্যিকারের কল্পবিজ্ঞান রচনার যে ধারাটি প্রেমেন্দ্র মিত্র, ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য, দিলীপ রায়চৌধুরী, এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়, গুরনেক সিং, সিদ্ধার্থ ঘোষ, এবং অতি অবশ্যই অদ্রীশ বর্ধন লালন করেছিলেন, সেটি আশির দশকেই থমকে যায়। এই বইয়ের লেখক চেষ্টা করলে পারতেন এই বাংলা সিরিয়ালধর্মী লেখার বদলে প্রাপ্তমনস্ক পাঠকের জন্য সত্যিকারের কল্পবিজ্ঞান উপহার দিতে। তা তিনি দেননি। কেন দেননি, তা তিনিই জানেন।
এই সুমুদ্রিত, অলংকৃত বইয়ের দ্বিতীয় তারাটি দিলাম উপন্যাস 'ঘাসের শিষ নেই'-এর জন্য। বাংলায় ডিস্টোপিয়ান সাইফি-র এই নিদর্শনটি আজকের পাঠককেও পথ দেখাতে পারে। কিন্তু এটি ছাড়া বাকি গল্পগুলো...
কিছু না বলাই ভালো।
প্রথমত, এই বইয়ের গল্পগুলো লেখার সময় সম্ভাব্য পাঠকের কথা মাথায় রেখে লেখক আবেগে যতটা গা ভাসিয়েছেন, তার ভগ্নাংশও কাহিনির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিয়ে ভাবেননি। ফলে এগুলো হয়ে দাঁড়িয়েছে অত্যন্ত সুখপাঠ্য সামাজিক গল্প যাতে রোবট, এলিয়েন, মহাজাগতিক কাণ্ডকারখানা ইত্যাদি পার্শ্বচরিত্রের ভূমিকা পালন করেছে।
দ্বিতীয়ত, যে ক'টা গল্পকে কিঞ্চিৎ বুদ্ধিদীপ্ত বলা যায় সেগুলো বিদেশি কাহিনির দ্বারা ভয়ানক রকম অনুপ্রাণিত। এ জিনিস পাঠক নেন না।
ওপার বাংলায় মুহম্মদ জাফর ইকবাল শুরু করেছিলেন আসিমভের ঘরানায়, কিন্তু অচিরেই তিনি বিজ্ঞান, উত্তেজনা এবং সংকটকালীন মনস্তত্ত্ব মিশিয়ে একটি একান্ত নিজস্ব লিখনশৈলী উদ্ভাবন করেন। হুমায়ূন আহমেদও নিজস্ব লেখনী, বিজ্ঞানচেতনা এবং গতিময়তা মিশিয়ে বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন। তাই জাফর ইকবাল এবং হুমায়ূনের লেখা শুধু ওপার বাংলায় নয়, এপারেও অবশ্যপাঠ্য। কিন্তু এপার বাংলায় তা হয়নি। বিজ্ঞান ও সমকালীন বাস্তবের মেলবন্ধনে সত্যিকারের কল্পবিজ্ঞান রচনার যে ধারাটি প্রেমেন্দ্র মিত্র, ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য, দিলীপ রায়চৌধুরী, এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়, গুরনেক সিং, সিদ্ধার্থ ঘোষ, এবং অতি অবশ্যই অদ্রীশ বর্ধন লালন করেছিলেন, সেটি আশির দশকেই থমকে যায়। এই বইয়ের লেখক চেষ্টা করলে পারতেন এই বাংলা সিরিয়ালধর্মী লেখার বদলে প্রাপ্তমনস্ক পাঠকের জন্য সত্যিকারের কল্পবিজ্ঞান উপহার দিতে। তা তিনি দেননি। কেন দেননি, তা তিনিই জানেন।
এই সুমুদ্রিত, অলংকৃত বইয়ের দ্বিতীয় তারাটি দিলাম উপন্যাস 'ঘাসের শিষ নেই'-এর জন্য। বাংলায় ডিস্টোপিয়ান সাইফি-র এই নিদর্শনটি আজকের পাঠককেও পথ দেখাতে পারে। কিন্তু এটি ছাড়া বাকি গল্পগুলো...
কিছু না বলাই ভালো।
November 18, 2019
বইটি সত্যি ভালো। কালেকশন সব সেরা। কিছু গল্প এতো ভালো যে পড়ার পরই মনে হবে "এটা নিয়ে তো দারুন একটা সিনেমা বানানো যায় এখনও কেউ বানায়নি কেন?"
যাই হোক দুটো গল্প আমার বেকার সময় নষ্ট মনে হয়েছে বাকি সবকটা আমার সুন্দর লেগেছে।
কল্পবিজ্ঞান genre ভালো লেগে থাকলে পরে দেখুন অবশ্যই ভালো লাগবে।
যাই হোক দুটো গল্প আমার বেকার সময় নষ্ট মনে হয়েছে বাকি সবকটা আমার সুন্দর লেগেছে।
কল্পবিজ্ঞান genre ভালো লেগে থাকলে পরে দেখুন অবশ্যই ভালো লাগবে।
September 2, 2022
কয়েকটি গল্প বেশ ভাল। পড়ার সময় অন্তরাত্মা কাঁপিয়ে দেয়, পড়ার পরও রেশ রেখে যায়। উপন্যাসটি তো খুবই ভাল। জানি না, জলবায়ুর পরিবর্তন নিয়ে এত ভাল সাইফাই বাংলায় আর লেখা হয়েছে কিনা! কিন্তু বাকিগুলো নিতান্তই একঘেয়ে এবং নীরস।
March 13, 2020
আরেকটা ঘ্যানঘ্যানে অনীশ দেব সংকলন। অধিকাংশ গল্পই মাঝারি, না হলে খারাপ। খানকতক ভালো। আর উপন্যাস বলে যে বড়গল্পটা আছে, সেটা একেবারে জঘন্য।
Displaying 1 - 4 of 4 reviews





