Jump to ratings and reviews
Rate this book

রাসেলের মা

Rate this book
'রেনু না থাকলে আর যাই হইনা কেন বঙ্গবন্ধু হতে পারতাম না'। স্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা রেনু সম্পর্কে জাতির জনকের এই মন্ত্যব্য শোনার পর তাকে জানার কৌতুহল কেবলই বড় হতে থাকে।

একি সাথে তিনি স্নেহময়ী মা। মাত্র ৪৫ বছর বয়সে জীবন প্রদীপ নিভে যায় ঘাতকের বুলেটের আঘাতে। ১৯৭৫ সাল থেকে তিনি দূর আকাশের নক্ষত্র।এই উজ্জ্বল নক্ষত্রের অনেক অজানা কথা ধরা থাকলো এই বইয়ের পাতায় পাতায়।

128 pages, Hardcover

Published February 1, 2017

5 people want to read

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
2 (66%)
3 stars
1 (33%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Shaid Zaman.
290 reviews48 followers
April 3, 2017
১৯৬৯ সাল। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় জেলে শেখ সাহেব। ছাত্র জনতা রাজপথে। উত্তাল পূর্ব পাকিস্তান। পশ্চিম পাকিস্তান বিপাকে। তারা চায় শেখ সাহেব কে প্যারোলে মুক্তি দিয়ে আইয়ুব খানের সাথে গোলটেবিল বৈঠকে বসিয়ে কোন না কোন আপোষ করে নিবে। কিন্তু না, বেগম ফজিলাতুন্নেছা ওরফে রেনুর দাবী প্যারোলে মুক্তি নয়। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় সবাই নিঃশর্ত মুক্তি পাবে তারপর বৈঠক হলে হবে। তিনি হাসুকে (শেখ হাসিনা) দিয়ে চিরকুট পাঠালেন শেখ সাহেবের কাছে। হাসু চিরকুট দিতে না পারলেও চেঁচিয়ে বলে দিলেন পিতাকে- 'আব্বা আমরা ভাল আছি। মা বলেছেন আপনি যেন প্যারোলে মুক্ত না হন'। এদিকে লোকজন ঘিরে ধরেছে শেখ সাহেবের স্ত্রী কে। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করছে যাতে শেখ সাহেব প্যারোলে মুক্তি নেন। একজন বলল সরকারের কথা না শুনলে ফাঁসি হবে, খুন করবে শেখ সাহেব কে। বিরক্ত রেনু। একসময় ফুসে উঠলেন- 'ফাঁসি হলে হোক, বিধবা হলে আমিই হবো। বাবা হারালে আমার সন্তানেরা এতিম হবে। আপনাদের কি? এই দেশটা পায়ে পিষে তিনি প্যারোলে যেতে পারেন না, এটাই আমার শেষ কথা'। এক সাংবাদিক কে বললেন যে তিনি শেখ সাহেব কে জানিয়ে দিয়েছেন- 'যদি প্যারোলে মুক্তি নিয়ে আইয়ুব খানের গোল টেবিলে যান তাহলে এই বাড়িতে আর আসবেন না'। হয়তো বেগম ফজিলাতুন্নেছা এতোটা কঠিন না হলে ইতিহাস অন্য রকম হতে পারতো। ছাত্র জনতার তুখোড় আন্দলনে সামরিক জান্তা ৬৯ এর ২২ শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা তুলে নিতে বাধ্য হয়। মুক্তি পায় সকল বন্দী। পরদিন শেখ সাহেব কে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেখানেই শেখ সাহেব "বঙ্গবন্ধু" উপাধিতে ভূষিত হন।

৭ই মার্চ, ১৯৭১। উত্তাল সময়। রেসকোর্স ময়দানে ভাষণ দিতে ধানমন্ডির বাড়ি থেকে বের হবেন শেখ সাহেব। অর্ধাঙ্গিনী রেনু কে বললেন এবার উঠি। জবাবে রেনু বললেন-
'তোমার সামনে লাখো মানুষ, তারা যেন হতাশ না হন, কারও কোন পরামর্শ শোনার দরকার নেই।নিজের বিবেকের দিকে তাকাও, মন যা চায় তাই বলবে'। এরপর সেই মহাকাব্যিক ভাষণ।

স্ত্রী সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন- 'রেনু না থাকলে আর যাই হইনা কেন বঙ্গবন্ধু হতে পারতাম না'। এই একটা লাইন ই তো মহাকাব্য।

ধন্যাবাদ লেখক কে।"রাসেলের মা" না পড়লে অনেক কিছু অজানা থেকে যেত। শেষ কয়েকটা পাতা পড়তে খুব কষ্ট হয়েছে। কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না। শীতের ভোরে জানালার কাঁচ যেমন হয়ে ওঠে বইয়ের পাতাগুলো তেমন লাগছিলো।
7 reviews4 followers
May 7, 2019
রেণুকে ছাড়া বঙ্গবন্ধুকে কল্পনা কেন করা যাবে না জানার জন্য এই বইটি অসাধারণ।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.