অনেক বেশি লেখা। বইটি লেখার জন্য লেখক নিঃসন্দেহে অনেক রিসার্চ করেছেন। অনেক অজানা তথ্য পাওয়া যাবে। এ রকম অনেক তথ্য আছে, যেগুলো মারাত্মক সাহসী না হলে দেবার সাহস ও করতেন না। কিন্তু মূল বিষয়টি প্রমাণ করার থেকে নিজের পরিশ্রম ব্যক্ত করাই বইটির মূল উদ্যেশ্য বলে মনে হবে। অনেক আনুষঙ্গিক তথ্য মূল বিষয় থেকে সরিয়ে নিয়ে যাবে, আবার হঠাৎ করে মূল বিষয়ে ফিরে আসবে। তাই মাঝে মাঝে বইটি আশুতোষ গোয়ারকারের সিনেমা মনে হতে পারে। আর হ্যা। ধর্মভীরু লোকেদের জন্য এই বই একবারে না।
ভক্তজনের লেখা। লেখক উপন্যাসের আঙ্গিকে আজ থেকে প্রায় ৮০০ বছর আগের ঘটনা বলেছেন। গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য দিয়েছেন যা এতদিন জানা ছিল না। বিশেষত, [বইটিতে] বৈষ্ণবীর মুখে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য নিয়ে আলোচনা ছিল চমৎকার।