What do you think?


শরদিন্দু অমনিবাস #5
sharadindu omnibus vol 5
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমগ্র রচনাবলী কয়েক খণ্ডে শরদিন্দু অমনিবাস নামে প্রকাশিত হচ্ছে। লেখকের গোয়েন্দা কাহিনী, ঐতিহাসিক উপন্যাস এবং কিশোরদের জন্য লেখা গল্পগুলি যথাক্রমে শরদিন্দু অমনিবাস প্রথম-চতুর্থ খন্ডে ইতিপূর্বে প্রকাশিত হয়েছে।
পঞ্চম খন্ডে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় সমুদয় অলৌকিক গল্প ও হাস্যকৌতুক রসের ঊনপঞ্চাশটি গল্প রচনাকাল অনুসারে সংকলিত হল।
পঞ্চম খন্ডে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় সমুদয় অলৌকিক গল্প ও হাস্যকৌতুক রসের ঊনপঞ্চাশটি গল্প রচনাকাল অনুসারে সংকলিত হল।
- GenresParanormal
384 pages, Unknown Binding
First published January 1, 1976
About the author
Sharadindu Bandyopadhyay
187 books478 followersSharadindu Bandyopadhyay (Bengali: শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়; 30 March 1899 – 22 September 1970) was a well-known literary figure of Bengal. He was also actively involved with Bengali cinema as well as Bollywood. His most famous creation is the fictional detective Byomkesh Bakshi.
He wrote different forms of prose: novels, short stories, plays and screenplays. However, his forte was short stories and novels. He wrote historical fiction like Kaler Mandira, GourMollar (initially named as Mouri Nodir Teere), Tumi Sandhyar Megh, Tungabhadrar Teere (all novels), Chuya-Chandan, Maru O Sangha (later made into a Hindi film named Trishangni) and stories of the unnatural with the recurring character Baroda. Besides, he wrote many songs and poems.
Awards: 'Rabindra Puraskar' in 1967 for the novel 'Tungabhadrar Tirey'. 'Sarat Smriti Purashkar' in 1967 by Calcutta University.
He wrote different forms of prose: novels, short stories, plays and screenplays. However, his forte was short stories and novels. He wrote historical fiction like Kaler Mandira, GourMollar (initially named as Mouri Nodir Teere), Tumi Sandhyar Megh, Tungabhadrar Teere (all novels), Chuya-Chandan, Maru O Sangha (later made into a Hindi film named Trishangni) and stories of the unnatural with the recurring character Baroda. Besides, he wrote many songs and poems.
Awards: 'Rabindra Puraskar' in 1967 for the novel 'Tungabhadrar Tirey'. 'Sarat Smriti Purashkar' in 1967 by Calcutta University.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
July 7, 2021
এই গল্পগুলোর বেশিরভাগ আমি শৈশবে পড়েছিলাম।
জীবনে কোনোদিন এমন স্টেশনে যাইনি যেখানে স্টেশনমাস্টার ছাড়া আর কেউ নেই। কোনোদিন কলকাতা শহরে প্রচণ্ড বৃষ্টিতে পড়তে হয়নি (আমি যখন গিয়েছিলাম তখন ভীষণ রোদ ছিলো)। কোনোদিন আলু-ভাতে বা সর্ষে-ইলিশ আমার খাওয়া হয়নি (আলু-ভাতে খাইনি সুযোগের অভাবে, ইলিশ খাইনি মাছ পছন্দ না বলে)। যদিও এই কাজগুলো কখনও করিনি, তাও শরদিন্দুর গল্প পড়তে পড়তে চলে গিয়েছিলাম সেই স্টেশনে, চামড়ায় অনুভব করেছি বৃষ্টির স্পর্শ, চেখে দেখেছি সর্ষের ঝাঁঝালো স্বাদ।
কিন্তু নস্টালজিয়ার রঙিন চশমা খুললে, শরদিন্দু লেখক হিসেবে কেমন?
এখানে প্রেতযোনি বা বরদাকে নিয়ে যে গল্পগুলো, সেগুলোর ওপর মূলতঃ ফোকাস করবো। এই ফোকাসের কারণ দুটো: আমি হরর গল্প লিখতে আর পড়তে ভালোবাসি, এবং এই গল্পগুলো ছোটবেলায় আমি বেশ পছন্দ করতাম।
যা ভালো লেগেছে:
গল্পগুলো খুবই পরিচ্ছন্ন। প্রতিটা গল্প লেখা হয়েছে একটা নির্দিষ্ট আইডিয়াকে ঘিরে। তা হয় কোনো ভৌতিক সত্তা বা কোনো অতিপ্রাকৃত বস্তু। সেই আইডিয়া যৌক্তিকভাবে, গল্পের গ্রামার মেনে আগায়। ভৌতিক অস্তিত্বের বা অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার বৈশিষ্ট্য জানানো হয়। সেই বৈশিষ্ট্যগুলো অনুযায়ী গল্প ডানে বা বাঁয়ে যায়। সবগুলো গল্পের শেষেই কোনো বাঁক বা চমক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, যেটা পুরনো জনরা গল্পের ক্ষেত্রে প্রায় বাধ্যতামূলক ছিলো।
লেখার ভঙ্গি যথেষ্টই মজার। হরর গল্পে সাধারণত একের পর এক অসম্ভব সিচুয়েশন উপস্থাপন করা হয়। তাই এ ধরনের গল্পের চরিত্রদের যদি অবাক হওয়ার ক্ষমতা বা হাস্যরস কম থাকে তাহলে পাঠকের ক্লান্তি আসার ঝুঁকি থাকে। শরদিন্দু এই ফাঁদে পা দেননি। তার চরিত্ররা অতিরিক্ত গম্ভীর নয়, আবার এতোটাও হালকা নয় যে ভূতের বিপদটা খেলো লাগবে।
গল্পের দৈর্ঘ্য একদম ঠিকঠাক। যেহেতু গ্রামার মেনে লেখা, তাই কোনোটাই অতিরিক্ত লম্বা বা সংক্ষিপ্ত মনে হয়নি। ঠিক যতোটুকুতে মজাটা ধরে রাখা সম্ভব, ততোটুকু ঘটে তারপর শেষ হয়ে গিয়েছে।
যা ভালো লাগেনি:
জনরা গল্পের বিষয়ে একদম জন্ম থেকেই আমরা পশ্চিমের কাছে দায়বদ্ধ। আমি নিজেও এই দোষমুক্ত নই। ওপরে যে কয়েকবার গ্রামারের কথা বললাম-শরদিন্দুর গল্পের এই গ্রামার পুরোটাই পাশ্চাত্যের হরর সাহিত্য থেকে ধার করা। টমাস কারনাকি সিরিজ থেকে থেকে নেওয়া হয়েছে বরদার গল্প সিরিজের ফরম্যাট। আইডিয়াগুলো ভিক্টোরিয়ান বা ফোক হরর থেকে নেওয়া। ভূত দেখতে সক্ষম চশমা বা ভৌতিক ঘটনাকে অতীতের প্রতিধ্বনি মনে করা, এগুলো সে আমলেও তেমন নতুন কিছু ছিলো না। বাংলায় এখনও হরর, থ্রিলার, কল্পবিজ্ঞানের নিজস্ব ব্যাকরণ, সম্পূর্ণ আলাদা ধরন তৈরি হয়নি। যারা এই জনরাগুলোকে আমাদের ভাষায় জনপ্রিয় করেছেন, তারা পো, ডয়েল, আজিমভকে অনেকটাই সরাসরি অনুসরণ করেছেন। আমরা অনেকেই এখনও কিং, ব্রাউন, উইয়ার বা ক্লার্ককে জনরার ঈশ্বর মনে করি, পাঠক এবং সাহিত্যিক দুই ক্যাম্পেই। তাদের স্টাইলের বাইরে লেখা বইকে ঠিক জনরা বই মনে হয় না। আশা করি ভবিষ্যতে এই ধারা বদলাবে। জাপান এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোতে নতুন ধারার জনরা লেখার স্টাইল যেমন উল্লেখযোগ্য।
গল্পগুলো ভূতের, তবে ভয়ের নয়। বড়জোর থ্রিলার হিসেবে ধরা যেতে পারে। এর একটা বড় কারণ এই যে শরদিন্দু খুব সম্ভবত কিশোর-কিশোরীদের মাথায় রেখে গল্পগুলো লিখেছিলেন। আবহের বর্ণনা সুন্দর, মাঝে মাঝে গা-ছমছমে। কিন্তু বিপদটা কখনোই খুব ভয়ংকর বা ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হয় না।
বরদা বাদে অন্য চরিত্রদের ব্যাপারে আসলে মনে রাখার মতো কিছু নেই। সবাই কমবেশি স্টক ক্যারেক্টার, এবং এই সিরিজে অনেকগুলো গল্প থাকলেও তাদের বিষয়ে খুব বেশি আমাদের জানা হয় না।
তবে সব মিলিয়ে গল্পগুলো অবশ্যই উপভোগ্য ছিলো। যে এই গল্পগুলো ছোটবেলায় পড়েনি, কিন্তু বড় হওয়ার পর পড়েছে, এমন কোনো পাঠক বা পাঠিকার মত জানতে আমি বেশ আগ্রহী।
রেটিং আসলে হবে সাড়ে তিন তারা।
জীবনে কোনোদিন এমন স্টেশনে যাইনি যেখানে স্টেশনমাস্টার ছাড়া আর কেউ নেই। কোনোদিন কলকাতা শহরে প্রচণ্ড বৃষ্টিতে পড়তে হয়নি (আমি যখন গিয়েছিলাম তখন ভীষণ রোদ ছিলো)। কোনোদিন আলু-ভাতে বা সর্ষে-ইলিশ আমার খাওয়া হয়নি (আলু-ভাতে খাইনি সুযোগের অভাবে, ইলিশ খাইনি মাছ পছন্দ না বলে)। যদিও এই কাজগুলো কখনও করিনি, তাও শরদিন্দুর গল্প পড়তে পড়তে চলে গিয়েছিলাম সেই স্টেশনে, চামড়ায় অনুভব করেছি বৃষ্টির স্পর্শ, চেখে দেখেছি সর্ষের ঝাঁঝালো স্বাদ।
কিন্তু নস্টালজিয়ার রঙিন চশমা খুললে, শরদিন্দু লেখক হিসেবে কেমন?
এখানে প্রেতযোনি বা বরদাকে নিয়ে যে গল্পগুলো, সেগুলোর ওপর মূলতঃ ফোকাস করবো। এই ফোকাসের কারণ দুটো: আমি হরর গল্প লিখতে আর পড়তে ভালোবাসি, এবং এই গল্পগুলো ছোটবেলায় আমি বেশ পছন্দ করতাম।
যা ভালো লেগেছে:
গল্পগুলো খুবই পরিচ্ছন্ন। প্রতিটা গল্প লেখা হয়েছে একটা নির্দিষ্ট আইডিয়াকে ঘিরে। তা হয় কোনো ভৌতিক সত্তা বা কোনো অতিপ্রাকৃত বস্তু। সেই আইডিয়া যৌক্তিকভাবে, গল্পের গ্রামার মেনে আগায়। ভৌতিক অস্তিত্বের বা অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার বৈশিষ্ট্য জানানো হয়। সেই বৈশিষ্ট্যগুলো অনুযায়ী গল্প ডানে বা বাঁয়ে যায়। সবগুলো গল্পের শেষেই কোনো বাঁক বা চমক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, যেটা পুরনো জনরা গল্পের ক্ষেত্রে প্রায় বাধ্যতামূলক ছিলো।
লেখার ভঙ্গি যথেষ্টই মজার। হরর গল্পে সাধারণত একের পর এক অসম্ভব সিচুয়েশন উপস্থাপন করা হয়। তাই এ ধরনের গল্পের চরিত্রদের যদি অবাক হওয়ার ক্ষমতা বা হাস্যরস কম থাকে তাহলে পাঠকের ক্লান্তি আসার ঝুঁকি থাকে। শরদিন্দু এই ফাঁদে পা দেননি। তার চরিত্ররা অতিরিক্ত গম্ভীর নয়, আবার এতোটাও হালকা নয় যে ভূতের বিপদটা খেলো লাগবে।
গল্পের দৈর্ঘ্য একদম ঠিকঠাক। যেহেতু গ্রামার মেনে লেখা, তাই কোনোটাই অতিরিক্ত লম্বা বা সংক্ষিপ্ত মনে হয়নি। ঠিক যতোটুকুতে মজাটা ধরে রাখা সম্ভব, ততোটুকু ঘটে তারপর শেষ হয়ে গিয়েছে।
যা ভালো লাগেনি:
জনরা গল্পের বিষয়ে একদম জন্ম থেকেই আমরা পশ্চিমের কাছে দায়বদ্ধ। আমি নিজেও এই দোষমুক্ত নই। ওপরে যে কয়েকবার গ্রামারের কথা বললাম-শরদিন্দুর গল্পের এই গ্রামার পুরোটাই পাশ্চাত্যের হরর সাহিত্য থেকে ধার করা। টমাস কারনাকি সিরিজ থেকে থেকে নেওয়া হয়েছে বরদার গল্প সিরিজের ফরম্যাট। আইডিয়াগুলো ভিক্টোরিয়ান বা ফোক হরর থেকে নেওয়া। ভূত দেখতে সক্ষম চশমা বা ভৌতিক ঘটনাকে অতীতের প্রতিধ্বনি মনে করা, এগুলো সে আমলেও তেমন নতুন কিছু ছিলো না। বাংলায় এখনও হরর, থ্রিলার, কল্পবিজ্ঞানের নিজস্ব ব্যাকরণ, সম্পূর্ণ আলাদা ধরন তৈরি হয়নি। যারা এই জনরাগুলোকে আমাদের ভাষায় জনপ্রিয় করেছেন, তারা পো, ডয়েল, আজিমভকে অনেকটাই সরাসরি অনুসরণ করেছেন। আমরা অনেকেই এখনও কিং, ব্রাউন, উইয়ার বা ক্লার্ককে জনরার ঈশ্বর মনে করি, পাঠক এবং সাহিত্যিক দুই ক্যাম্পেই। তাদের স্টাইলের বাইরে লেখা বইকে ঠিক জনরা বই মনে হয় না। আশা করি ভবিষ্যতে এই ধারা বদলাবে। জাপান এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোতে নতুন ধারার জনরা লেখার স্টাইল যেমন উল্লেখযোগ্য।
গল্পগুলো ভূতের, তবে ভয়ের নয়। বড়জোর থ্রিলার হিসেবে ধরা যেতে পারে। এর একটা বড় কারণ এই যে শরদিন্দু খুব সম্ভবত কিশোর-কিশোরীদের মাথায় রেখে গল্পগুলো লিখেছিলেন। আবহের বর্ণনা সুন্দর, মাঝে মাঝে গা-ছমছমে। কিন্তু বিপদটা কখনোই খুব ভয়ংকর বা ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হয় না।
বরদা বাদে অন্য চরিত্রদের ব্যাপারে আসলে মনে রাখার মতো কিছু নেই। সবাই কমবেশি স্টক ক্যারেক্টার, এবং এই সিরিজে অনেকগুলো গল্প থাকলেও তাদের বিষয়ে খুব বেশি আমাদের জানা হয় না।
তবে সব মিলিয়ে গল্পগুলো অবশ্যই উপভোগ্য ছিলো। যে এই গল্পগুলো ছোটবেলায় পড়েনি, কিন্তু বড় হওয়ার পর পড়েছে, এমন কোনো পাঠক বা পাঠিকার মত জানতে আমি বেশ আগ্রহী।
রেটিং আসলে হবে সাড়ে তিন তারা।
December 23, 2016
Versatility is the middle name of Saradindu Bandyopadhayay.
An author, who is not only prominent in Detective fiction, but also in social drama and Historical fiction. He has yet again proved himself capable in this edition of story collection with Horror and comedy.
Fabulous storytelling, ingenious usage of dialogues, and fantastic descriptions of lands and scenario. No wonder, he is my favorite author of all time in Bengali Literature.
This book has 405 pages. Last four pages includes trivia about the stories included in this collection. This 5th part of his complete work omnibuses is as fantastic as possible. It's truly timeless.
An author, who is not only prominent in Detective fiction, but also in social drama and Historical fiction. He has yet again proved himself capable in this edition of story collection with Horror and comedy.
Fabulous storytelling, ingenious usage of dialogues, and fantastic descriptions of lands and scenario. No wonder, he is my favorite author of all time in Bengali Literature.
This book has 405 pages. Last four pages includes trivia about the stories included in this collection. This 5th part of his complete work omnibuses is as fantastic as possible. It's truly timeless.
November 13, 2019
এই খণ্ডে মূলত শরদিন্দুর সব অলৌকিক ও হাস্য রসাত্মক গল্প একত্রিত করা হয়েছে। দু'একটা বাদে সবগুলোই দারুণ উপভোগ্য। এ কারণেই শরদিন্দু আমার সবচাইতে প্রিয় লেখকদের একজন। সাহিত্যের বিভিন্ন ঘরানায় তার পদচারণা, কিন্তু আকর্ষণ কোথাও কমে না। একটা দুটা করে অনেক সময় নিয়ে পড়েছি, যাতে তাড়াতাড়ি শেষ না হয়ে যায়।
August 8, 2013
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় - নিঃসন্দেহে অসম্ভব ভালো লেখক.
কী ব্যোমকেশ, কী ঐতিহাসিক কাহিনী, আর কী অন্যান্য গল্পো, প্রতিটা লেখাই এতোটা ভালো যে বারবার পড়লেও পুরনো হতে চায় না :)
কী ব্যোমকেশ, কী ঐতিহাসিক কাহিনী, আর কী অন্যান্য গল্পো, প্রতিটা লেখাই এতোটা ভালো যে বারবার পড়লেও পুরনো হতে চায় না :)
December 2, 2013
Bangla bhashar premey porechii . . . ekhan thekey . . .
May 31, 2021
বরদার গল্পগুলো খুব ভালো। কিন্তু শেষের প্রেমের গল্প গুলো মোটামুটি লেগেছে।
January 4, 2017
ধুন্ধুমার গোয়েন্দা গল্প ছাড়াও যে শরদিন্দু বাবুর শর যে আরো অনেক দিকে চলে তা খুব বেশী জানতুম না । জানলে কি আর ঐ অমনিবাস খালি হাতে ধরি! বরদাবাবুর গপ্পগুলি গুলিখোরদের মত হলেও বাকিগুলো... দারূণ উপাদেয় ! বেশ তৃপ্তি পেলুম পেল্লায় বইখানা গলধকরণ করে ।
হ্যাটস অফ মিঃ বন্দো ।
হ্যাটস অফ মিঃ বন্দো ।
Displaying 1 - 7 of 7 reviews







