The book is an eyewitness account of the events that led to a civil war in East Pakistan, which culminated in the creation of Bangladesh. It is written by Major General Rao Farman Ali Khan, a well-known army officer present in the Eastern Wing during the war of 1971. His experience of the Eastern Wing spanned almost five years; in the latter three years (196971), he held the key appointment of Advisor on Civil Affairs to the Governor of East Pakistan. By virtue of this role, and the length of his tenure in East Pakistan, he acquired deep insight and knowledge of the political and military events as they unfolded. In this candid account, Rao Farman Ali brings to light the political undercurrents and aspects of the military conflict generally not known. His personal interactions with both, the Bengali and West Pakistani politicians, as well as the military commanders, gave him a unique vantage point to analyse the events and decisions taken that led to the fateful day 16 December 1971 the division of Pakistan.
জঘন্য বইটার জন্যে এক। আর বাংলা অনুবাদের শুরুতে মুনতাসীর মামুনের অসাধারণ ভূমিকাটি, যাতে ফরমান আলির বক্তব্যের অসারতা আর মিথ্যাচার ধরিয়ে দেয়া হয়েছে উদাহরণ দিয়ে, তার জন্যে এক। সম্ভব হলে সেই ভূমিকার জন্যেই পাচতারা দিতাম। বইয়ের রেটিং বেড়ে যাবে বলে দেয়া গেলো না।
আমরা সবসময় বিজয়ীদের বিজয়গাঁথা পড়তে বেশি আগ্রহী, একজন পরাজিত রাষ্ট্রের নাগরিকের পার্সপেক্টিভ থেকে ঘটনাটা জানতে ততটা আগ্রহী আমরা না। মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত হওয়ার আগে, পরাজিত হওয়ার সময় ও পরে একজন পশ্চিম পাকিস্তানির চিন্তাভাবনা কেমন ছিলো তা জানার অন্যতম মাধ্যম হলো এই বই।
পাকিস্তানের এক পাঠ্যপুস্তকে লেখা আছে, "পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনাটি ছিল বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে এক গোপন চুক্তির ফল।" এই এক লাইন দ্বারাই বোঝা যায় পশ্চিম পাকিস্তানিরা একাত্তরের যুদ্ধকে ঠিক কোন নজরে দেখে৷ অপারেশন সার্চলাইট এবং বুদ্ধিজীবী হত্যা পরিকল্পনার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন পূর্ব পাকিস্তানে নিয়োজিত তৎকালীন মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান। পাকিস্তানের ক্ষমতার রাজনীতি ও সামরিক বাহিনীর স্বার্থ নিয়ে তার ছিল বিশেষ উৎসাহ। এটা এই বই পড়লেই বোঝা যায়। পরবর্তী পর্যায়ে পাকিস্তানি জেনারেলদের মধ্যে রাও ফরমান আলী সবচেয়ে বেশিদিন বাংলাদেশে কর্মরত ছিলেন। একপর্যায়ে ১৯৬৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকায় ছিলেন। সামরিক বাহিনীতে তিনি পূর্ব পাকিস্তানে বেসামরিক প্রশাসনের দেখাশোনা করেছেন সবচেয়ে বেশি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি নেতৃস্থানীয় রাজনীতিকদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলে রাও ফরমান আলী নিজেই এখানে উল্লেখ করেছেন।
বইয়ের শুরুতে মামুন স্যার অত্যন্ত শক্তিশালী একটা ভূমিকা লিখেছেন। তিনি বলেছেন যে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অপমানজনক পরাজয় বরণ করার জন্যে পাকিস্তানী জনগণের কাঠগড়ায় তখনকার জেনারেলদের অপরাধী সাব্যস্ত করা হয়েছে। সেই অপরাধ ও অপরাধবোধ থেকে মুক্তি নিষ্কৃতি পেতে অনেক জেনেরেলই আত্মজীবনীতে একাত্তরের যুদ্ধে নিজেদের দোষ ও ভুল-ত্রুটিগুলো ঢাকতে এবং সাফাই গাইতে চেষ্টা করেছেন। রাও ফরমান আলীও তার ব্যতিক্রম নন। এসব লেখায় তাই মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অনেক ঘটনাই এসেছে এবং জেনারেলরা নিজেদের সুবিধামতো ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন এবং যে সব কারণে পাকিস্তান হেরেছিল, সেসব অনেক ভুল ও দোষ পরস্পরের ঘাড়ে চাপিয়েছেন।
বইটি তিনি কেন লিখেছেন এ সম্পর্কে রাও ফরমান আলী খানের ভাষ্য, “অন্য অনেকে যা দেখেছেন বা দেখতে পেয়েছেন, আমি তার চেয়ে অনেক বেশী দেখেছি।” কী দেখেছেন রাও ফরমান আলী খান? বইটিতে তিনি যা বলতে চেয়েছেন তাও কতখানি সত্য?
যদিও আমি অনুবাদটা পড়েছি, কিন্তু রাও ফরমান আলী যেভাবে বইটা লিখেছেন, কেউ যদি ভূমিকাটা না পড়ে থাকে, তাহলে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পাঠকের যেই ধারণা, তা একটু হলেও টলমল করবে। এতই ভয়ংকর বিশ্বাসভাজন তার লেখা। মামুন স্যার শুরুতেই পাঠককে সাবধান করেছেন লেখকের চালাকি সম্পর্কে, লেখকের বিপক্ষে কিছু যুক্তিও দিয়েছেন।
লেখক পর্যায়ক্রমে বর্ণনা করেছেন ১৯৭০ এর নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ের সংকটময় বর্ণনা, যুদ্ধের শুরুতে কী কী ঘটেছিল, শেখ মুজিবকে বন্দী করা, নিয়াজির সাথে দ্বন্দ্ব, মিলিটারি অ্যাকশন, রাজাকার বাহিনী গঠন, ভারতীয় ষড়যন্ত্র, উপনির্বাচন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা, ভারতের আক্রমণ, বিভিন্ন অপারেশনের বিশ্লেষন, ১৬ ই ডিসেম্বরের ঘটনাবলী, বন্দী হওয়া, ২ বছরের বেশি বন্দী জীবনযাপন- সবই ছিল লেখকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লেখা।
লেখক নিজের দায় এড়ানোর জন্য অনেক তথ্য বইতে তথ্য এড়িয়ে গেছেন, সত্যকে লুকিয়েছেন, কিছু তথ্য বিকৃতি করেছেন।
বইটা পড়ার মূল কারণ এইটাই। আমি জানতে চাচ্ছিলাম পাকিস্তানিরা পাকিস্তানিরা মুক্তিযুদ্ধকে কোন দৃষ্টিতে দেখতো। কোন কোন ব্যাপারে মিথ্যে বলতে পারেন সেটাও আগে থেকেই ধারণা করে রেখেছিলাম৷ লেখক ইনিয়ে-বিনিয়ে তার তথা সেনাবাহিনীর দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন আর সমস্ত দায় চাপিয়েছেন রাজনীতিবীদ ও ইয়াহিয়ার উপর। ২৫শে মার্চ নিয়ে যে কোন পর্যায়ের মিথ্যে বলেছেন! হাসা উচিত ছিল না, তবুও একচোট হেসে নিয়েছিলাম৷ এত মিথ্যাচার পুরো বই জুড়ে।
আর মামুন স্যারের অনুবাদ অসাধারণ ঝরঝরে৷ সেহরি করার পর বইটা পড়তাম, একটা অধ্যায় শেষ করে নামাজ পড়ে ঘুমাতাম৷ এইভাবেই পুরো ২০ দিনে বইটা শেষ করেছিলাম।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পাকিস্তানি জেনারেলদের লেখা যে রকম হওয়া উচিৎ বলে মনে হয় এটা ঠিক সে রকম একটি বই। রাও ফরমান আলির লেখা How Pakistan Got Divided এর বাংলা অনুবাদ করেছেন শাহ আহমদ রেজা। একাত্তরে বাঙ্গালিদের কাছে পাকিস্তানিদের শোচনীয় পরাজয়ের পেছনে অজুহাত তৈরি, বাঙালিদের দোষারোপ, শেখ মুজিবকে দোষারোপ আর সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধকে একটি ভারতীয় ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখানোই সম্ভবত বইটির মূল উদ্দেশ্য। একজন পাকিস্তানি জেনারেল, যার মুক্তিযুদ্ধের সময়কার সমস্ত কার্যকলাপে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল, তার কাছ থেকে সত্যভাষণের আশায় অবশ্য বইটি পড়া নয়। বইটি মূলত মিথ্যার বেসাতি হলেও ফরমান আলির অসংখ্য মিথ্যাচারের মধ্যে দিয়ে আসলে একজন টিপিক্যাল পাকিস্তানির মনোভাব, তাদের ধর্মবিদ্বেষ, হিন্দু বিদ্বেষ, বাঙালি বিদ্বেষ, সর্বোপরি সংকীর্ণ মনের পরিচয় ফুঁটে উঠেছে। বইটির লেখক নিজেকে নির্দোষ, বুদ্ধিমান আর বিচক্ষণ প্রমাণ করতে গিয়ে পাকিস্তান বাহিনীর বিভিন্ন লোকের অপকর্ম অনেক সময় নিজের অজান্তেই তুলে এনেছেন। নিজেকে এবং পাক বাহিনীর গণহত্যা এবং যুদ্ধাপরাধকে লঘুকরণের চেষ্টা যে কোনো সুস্থ পাঠকের বিবমিষা উদ্রেক করবে সম্ভবত, তবুও বাঙালিদের প্রতি একজন টিপিক্যাল পাকিস্তানির মনোভাব বোঝার জন্য বইটি পড়ার দরকার আছে। মিথ্যাচারে ভরপুর বইটিকে বই হিসেবে অবশ্য এক তারার বেশি রেটিং দেয়া গেল না।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে বেসামরিক প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন রাও ফরমান আলী খান। ফলে মুক্তিযুদ্ধকে তিনি দেখেছেন অনেক কাছ থেকে। আবার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হওয়ায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তার ছিল সক্রিয় অংশগ্রহণ। ফলে কেন, কোন প্রেক্ষিতে, কোন উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল তাও তিনি খুব ভালো করেই জানেন। যুদ্ধ নিয়ে তার অভিজ্ঞতা, স্মৃতি আর মূল্যায়ন নিয়েই তার এই বইটি।
বইটা নিয়ে আমার খুব বেশি প্রত্যাশা ছিল না। আমি শুধু জানতে চাচ্ছিলাম পাকিস্তানিরা মুক্তিযুদ্ধকে কোন দৃষ্টিতে দেখত। সব দায় যে মুজিব ও বাঙালির উপর পড়বে, ভারতকে যে নানাভাবে দায়ী করা হবে বা সেনাবাহিনীকে যে দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হবে সেটা ধরেই নিয়েছিলাম। বইটা শেষ করে দেখলাম লেখক আমাকে খুব একটা হতাশ করেন নি!
পাকিস্তান ও ইসলাম ব��রোধী বাঙালি, হিন্দুচালিত বাঙালি ভারতের আশকারা পেয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে, অসহযোগ আন্দোলনের নামে নৃশংসভাবে পশ্চিমা নাগরিকদের হত্যা করে যার ফলে সেনাবাহিনী বাধ্য হয়ে অপারেশন চালায় কিন্তু সুযোগের অপেক্ষায় থাকা হিন্দু ভারতের আশ্রয়ে লালিত বিচ্ছু মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনার অবৈধ হস্তক্ষেপের জন্য পাকিস্তানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হতে হয় – সহজভাবে বললে এটা লেখকের মূল কথা।
লেখক ইনিয়ে-বিনিয়ে তার তথা সেনাবাহিনীর দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন আর সমস্ত দায় চাপিয়েছেন রাজনীতিবীদ ( মূলত মুজিব, ভুট্টোর কিছুটা আছে আর কি!) ও ইয়াহিয়ার উপর। ২৫ শে মার্চ শুধু কিছু ফাঁকা গুলি চলেছে, জগন্নাথ হলের সশস্ত্র হিন্দুদের জন্যই হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে, হত্যা ও ধর্ষণ নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া গুজব ছড়িয়েছে, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ভারতীয়রাই করেছে এমন সব মিথ্যাচারে বইটা ভরপুর। সাথে নিজের দায়মুক্তির জন্য তিনি যে পুরোটা সময় রাজনৈতিক সমাধান চেয়েছিলেন, গণহত্যায় তার যে কোনো হাত নেই, ইচ্ছা না থাকলেও বাধ্য হয়ে যে অনেক কিছু করতে হয়েছে, মুজিবের সাথে তার যে সুসম্পর্ক ছিল সেসব প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। আর ভারতের কথা এসেছে প্রতিটা পাতায় পাতায় – ভাষা আন্দোলন থেকে আগরতলা, সত্তরের নির্বাচনে টাকা দেওয়া, ডেকে ডেকে শরণার্থী নেওয়া, মিডিয়ায় প্রপাগাণ্ডা ছড়ানো, অন্যায়ভাবে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা, বাঙালিদের মাথা খাওয়া ইত্যাদি অভিযোগে বইটা ভরপুর। সাথে স্বাধীনতার পর যে আমরা কতটা খারাপ আছি, ভারত যে কতভাবে আমাদের শোষণ করছে তার একটা কাল্পনিক চিত্র এঁকেছেন তিনি।
তবে এসবের পরেও বইটা আমার কাছে যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে তা হলো বইটা এক পাকিস্তানির দৃষ্টিতে আমাকে একাত্তর দেখিয়েছে। পাকিস্তানিদের বাঙালি সম্পর্কে ধারণার কথা বইটা জানিয়েছে ( বাঙালি বাবু তথা হিন্দু চালিত, ভুখা বা দরিদ্র বাঙালি), পশ্চিমারা বাঙালিদের কতটা কম জানত তা স্পষ্ট করেছে। বাঙালিরা জিন্নাহর কথা শুনে কেন উর্দুকে গ্রহণ করল না বা আয়ুবের বিরুদ্ধে কেন আন্দোলন করে সেসবে অবাক ফরমান আলী আমাকে জানিয়েছে পাকিস্তানিদের মনোজগৎ সম্পর্কে। সাথে তাদের নেওয়া বিভিন্ন ট্যাকটিক্স, স্ট্র্যাটেজির প্রেক্ষাপট, কূটনীতির ব্যর্থতা, কমান্ডিং পর্যায়ের মতবিরোধ এসব সম্পর্কেও জানতে পেরেছি বইটা থেকে।
বইয়ের শুরুতে মুনতাসীর মামুনের ভূমিকা খুব ভালো ছিল। তিনি বইয়ের শুরুতেই পাঠককে সাবধান করেছেন লেখকের চালাকি সম্পর্কে, খন্ডন করেছেন তার কিছু যুক্তি। অনুবাদও ভালো ছিল, শুধু অসামরিক শব্দটাই যা চোখে লেগেছে। ( বেসামরিক শব্দটায় চোখ অভ্যস্ত বলেই হয়তো!)
মোটের উপর, বইটা মুক্তিযুদ্ধকে এক পাক কমান্ডারের দৃষ্টিতে দেখতে সাহায্য করে। কিন্তু লেখকের মিথ্যাচার, সত্য-মিথ্যার সংমিশ্রণ আর লুকোচুরির কারণে সেই দেখাটাও অসম্পূর্ণ থেকে যায় কেননা লেখককে তো তার নিজ দেশে টিকে থাকতে হবে নাকি!
This book was gifted to me as ebook (one of 4) by dear Muhammad Sohail, to which I'm much indebted.
One of my patients is close relative of Gen Farman, whose comments made me read the whole book in mere 2 days. He's brother and father of generals too.
A neutral review would be:-
Gen Farman provides us an insightful view of how Pakistan really got divided with underlying causes and analysis.
To my understanding and of Humoodurrehman Comsn, it's much clear that Gen Farman wasn't the culprit rather a hero to gear a balanced approach to solve East Pak tragedy by giving them due rights and share in the government and economy and other state affairs. The causes and interplay between them seems hefty but the solution was much easier: to tend to the plight of East Pakistanis as one of your owns and not as strangers. Thus to put all in a nutshell wouldn't provide a clear insight. It's upto readers thus to have their own adventure through this beautiful short first hand experience book.
বইটা পড়ার সময় মনে হয়েছে জেনারেল ফরমান খুব ক্যালকুলেটিভ একজন লোক। বইটা লেখাও হয়েছে হিসাব কষে। তৎকালীন পাক সেনাবাহিনী অফিসাররা পূর্ব বাংলার রাজনীতি নিয়ে কি ধারণা পোষণ করতেন তার একটা পরিস্কার বর্ননা পাওয়া যায়। ফরমান রাজনীতিবিদদের সাথে সেনাবাহিনীর যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে কাজ করায় দেশের পশ্চিম এবং পূর্ব দুই অংশের রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে দেখেছেন। কিছু কৌতুহলজনক ঘটনার বিবরণ পাওয়া গিয়েছে যেগুলোর সত্যতা কতোটুকু, আমার জানা নাই।
A very informative book; if anybody wants to have some first hand account from some one who was in the eye of storm then this the piece of literature to look for.
The style of writing is articulate and easy to comprehend, one may agree or disagree with the point of view of the author as there must be some personal biases but over all its a real eye opener there are many events which were not mentioned any where else like Z.A.Bhutto demanding 24 seats from East Pakistan and demand was directed towards Military establishment during the proposed by-elections. Quiet an revelation.
একজন পাকিস্তানী অফিসারের দৃষ্টিতে একাত্তর আগে কখনো দেখা হয়নি। ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখলাম আমাদের একাত্তর। সত্য কি মিথ্যা যাচাইয়ের জন্য প্রুচুর গবেষনা দরকার।
If you have to read one book on the 1971 civil war, I would highly recommend this one. General Rao with his unique vantage to the East Pakistan drama has painted a very real image of the debacle. The main protagonists were Bhutto and Mujib ur Rehman with the Pakistan Army as the enforcer. India has never really reconciled with the establishment of Pakistan and has always worked to divide it into tiny Muslim states so that it can play a more powerful role on the world stage. Indian government's put its grand plan into full force by first blaming West Pakistanis for everything wrong with East Pakistan. The dictatorship in Pakistan could not counter these physiological warfare because it wasn't equipped to deal with political issues. Ayub's basic democracies was a horrible attempt at addressing the Bengali fears of Punjabi domination, which were further fuelled by the Punjabi armies reluctance to handover power to Mujib after his clear electoral win in 1970. But in my opinion, the main culprit of this drama was Bhutto, who did not want any other outcome of the 1971 other than total and unconditional surrender of East Pakistan and the complete humiliation of the Pakistan Army. Because that was the only way he could ever become the undisputed head of the country. Mujib on the other hand actually lost a great opportunity to become the head of one-Pakistan as opposed to only East Pakistan.
The book could do with some professional editing and should be taught in all Pakistani schools so that Pakistanis understand all the mistakes made by leadership and the value in democracy.
প্রথমেই বলে নেই, বইটির অনুবাদ অখাদ্য কিছু না, সাবলীলভাবে পড়তে পারবেন। মুনতাসীর মামুন স্যারের লেখা ভূমিকাটা দিয়ে ভালোভাবেই পড়া শুরু করতে পারবেন।
বিরক্তির উদ্রেক হবে যখন মূল বইটি পড়া শুরু করবেন। তৎকালীন পাকিস্তানের বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা রাও ফরমান আলী সাহেব যেন হিসাবনিকাশ করেই টিপিল্যাল পাকিস্তানীদের বাংলাদেশ ও ৭১ নিয়ে মনোভাব তুলে ধরেছেন! তার লেখনীতে যতটা না প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার ইচ্ছে ছিল, তার চেয়ে অনেক বেশী ছিল নিজের গাঁ বাঁচানোর প্রয়াস।
বাঙ্গালীরা হিন্দুদের দ্বারা প্রভাবি���, ভুখা বাঙ্গালী, ভারত শরণার্থীদের নিয়ে খেলেছে, মিডিয়া ট্রায়াল করেছে ইত্যাদি বেসাতিতে বইটি পরিপূর্ণ। তাছাড়া, তিনি যে পুরো বিষয়টির রাজনৈতিক সমাধান চেয়েছেন, রাজনীতিবিদদের কারণে তা হয়ে উঠেনি তাও বলতে চেয়েছেন। আর একটি ক্লেইম ছিল, না চাইতেও বাধ্য হয়ে অনেক কিছু করতে হয়েছে উনাকে।
সবচেয়ে জগন্য মিথ্যাচারগুলো মনে হয়েছে, গণহত্যা নিয়ে। ২৫ শে মার্চের গণহত্যায় নিরস্ত্র ছাত্রদেরকে তিনি বানিয়ে ফেলেছেন সশস্ত্র (সংখ্যা নিয়েও উনার বক্তব্য গাঁজাখুরি), বাঙ্গালীরা পশ্চিম পাকিস্তানীদের হত্যা করছিল বলেই পাকবাহিনী বাধ্য হয়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল, ভারতীয়রাই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে ইত্যাদি!
বইটিতে কিছু ইতিহাসের ফ্ল্যাশব্যাকও আছে আর আছে যুদ্ধে হেরে যাওয়ার গ্লানি নির্ভর হতাশার কথা, স্বাধীনতার পর বাঙ্গালীরা কত খারাপ আছে তার অনুমানভিত্তিক প্রলেপ লাগানো বর্ণনা!
আমার কাছে সবশেষে একটা কথাই মনে হয়েছে, পুরো বইটিতে নানা সত্য-মিথ্যার মিশ্রণ থাকলেও ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য যথেষ্ট চিন্তার খোরাক দিতে পেরেছেন লেখক ।
আমরা ইতিহাস জানতে পছন্দ করি, বিজয়ীদের কাছ থেকে৷ কিন্তু পরাজীতদের কাছ থেকেও জানা উচিত।
ফরমান আলী ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত জেনারেলের একজন। যিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পরে ভারতে বন্দী ছিলেন প্রায় ২.৫ বছর৷
১৯৭১ সালে উনার বিশেষ ভূমিকা ছিলো৷ বিশেষ করে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসনে৷ উনার নামে অভিযোগ আছে ১৪ই ডিসেম্বর এবং এর আশে-পাশের সময়ে বুদ্ধিজীবী হত্যায় উনি দায়ী ছিলেন।
কিন্তু এসব অভিযোগ উনি অস্বীকার করেছেন। বইয়ের বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তানিদের দায়মুক্তি দিতে ছেয়েছেন৷ কিন্তু পরাজিত জেনারেল নিয়াজীকে উনি বিভিন্ন দোষে দোষী করেছেন। তা অবশ্য সত্যি।
তবে, উনার যেই জিনিসটার সাথে আমি একমত, উনি ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পরাজয়কে রাজনৈতিক কারণ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর ফলেই মিলিটারিদের আত্মসমর্পন করতে হয়েছে৷
যাই হোক, উনি গোটা বইজুড়ে মিলিটারি এবং পাকিস্তানকে, তাদের মিলিটারি এবং নিজেকে দায়মুক্তি দিতে চেয়েছেন৷ যার সাথে আমি একমত নই।
সত্যমিথ্যার মিশেলে অদ্ভুত বিরক্তির বই । তবে কিছু কথা আমার মনে নতুন ভাবনার জন্ম দিয়েছে। লেখক পাকিসতানি জেনারেল হয়েও অকপট স্বীকার করেছেন যে ১৯৭১ এর মার্চে পুরো বাংলাদেশ ছিলো আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নিয়ন্ত্রণে - তাহলে প্রশন জাগে বঙ্গবন্ধু কেন পাকিস্তানের সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধ করে দিলেন না - বাংলাদেশে বিমান ভরে পাকিস্তানি সৈন্য আর গোলাবারুদ আগমন কেন তিনি থামালেন না কেন প্হসনের আলোচনা চালিয়ে গেলেন? একথা অনস্বীকার্য বাংলাদেশের স্বাধীনতার পেছনে তাঁর ভূমিকা, হয়তো এটাই ছিলো তাঁর একটি মারাত্মক ভুল যার পরিণতি ছিলো লাখো মানুষের মৃত্যু ।
False, bogus, full of lies, fabricated stories. Statement of a butcher, the murderer of Bengali intellectuals. It feels like I am reading the book written by a Nazi. Rao Farman was a serial killer, a genocider.
গত বছর রাও ফরমান আলীর বইটা পড়তে গিয়ে একেকসময়ে ছিঁড়ে কুচিকুচি করে ফেলতে মন চাইতো.. কিন্তু, রাগের পর হারু পার্টির ‘সাল্কিং’ পড়ে হাসিও পেতো। বিশেষ করে ঐ অংশের স্মৃতিচারনা মজার, যখন সে বন্দী ছিল। খুব ধর্মকর্ম করতো তখন।
বইয়ের অর্ধেকের বেশি অংশ বঙ্গবন্ধুকে নিয়েই লেখা ছিল। এটাও মজার। বঙ্গতাজের প্রতি ক্ষোভও এই লোকের কম ছিল না।
ফরমানের মূল অভিযোগ ছিল এটাই যে এরা নির্বাচনে জিতে কেন দেশ শাসন করতে চাইছিল! কারন, তার মতে একজন বাঙালী সমগ্র পাকিস্তানের শাসক হতে পারে না। কারন, বাঙালীদের বুঝতে হবে যে তারা তৎকালীন পাকিস্তানিদের তুলনায় নিচু জাতের। এই ‘সহজ সত্য’ বুঝতে না চেয়ে তারা যে ‘অবাধ্য’ আচরন করছিল, তা মানা তার জন্য কষ্টের ছিল।
কষ্ট পেয়ে তাই সে এদের দুইজনকে নিয়ে বেশ মজার মজার কথা লিখে। যেমন, তাজউদ্দিনকে নিয়ে ফরমান লিখেছে যে সে শুনেছিল যে তাজউদ্দিন ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান, কখনো তা সে বিশ্বাস করে নি, কিন্তু, ‘গড়ন’ দেখলে বোঝা যেতো!
এরকম আরো অসাধারন সব ‘তথ্য’ দিয়ে ভরা এই বইটি আবার একদিন পড়ব।
এখন যারা মোটামুটি একই ধরনের কথা বলছে, তাদের সাথে কতটুকু ফরমানের কথা মিলে এবং কতটুকু মিলে না, সেটা যাচাই করতেই পড়ব। যেমনঃ বুদ্ধিজীবী হত্যা নিয়ে সে যা বলেছিল, তাই বলতে শুনলাম গতকাল এক জামাতের নেতাকে।
এই বছর ১৪ তারিখের আজাইরা সব জামাতী আলাপ চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবে.. বিজয়ের উৎসব যেভাবে ডিসেম্বরের উৎসব হল সেটাও অসাধারন।
দেশ যারা চায় নি তাদেরকে জায়গা দিতে যারা জান বাজি রেখে লড়েছে, তাদেরকে ছোট করছি! টু পয়েন্ট ও বটে।