Jump to ratings and reviews
Rate this book

কর্কটক্রান্তি

Rate this book
আপাতদৃষ্টিতে তিনটি দুঘর্টনাজনিত মৃত্যু হলেও এদের মধ্যে একটাই কমন লিঙ্ক...
প্রত্যেকেই লিম্ফোমা পেশেন্ট।ফরেনসিক মেডিসিনের ডাক্তার দীপশিখা মুখার্জী..যিনি নিজেও তার প্রত্যঙ্গ হারিয়েছেন এই রোগে..জানতে পারেন গত একবছরে আড়াইশো পেশেন্টের মধ্যে সতেরো জনের মৃত্যু ঘটেছে অস্বাভাবিক ভাবে।প্রত্যেকটাই হয়তো নিঁখুত মার্ডার যা ফরেনসিক ডাক্তার রাও ধরতে পারেন না।ওদিকে বিশেষ বিশেষ দিনগুলোতে কারো ফোনে রিংটোনে বেজে ওঠে "বরিষ ধারার মাঝে শান্তির বাণী"।ব্যাক্তিগত উদ্যোগে দীপশিখা যোগাযোগ করে তার শিক্ষক ডঃ সৌমিত্র সেনগুপ্তর সাথে..জানা যায় আধুনিক চিকিৎসায় এই পেশেন্টদের জন্য যে বুলেট আবিস্কার হয়েছে তা বাজারে আসতে বাধা দিচ্ছে একদল স্বার্থান্বেষী মানুষ।দীপশিখা কি পারে এইসব মার্ডারের আড়ালে লুকিয়ে থাকা নায়ককে খুঁজে বার করতে?

128 pages, Hardcover

First published January 1, 2017

2 people are currently reading
85 people want to read

About the author

Indranil Sanyal

35 books56 followers
ইন্দ্রনীল সান্যালের জন্ম হাওড়ার বালিতে, ১৯৬৬ সালে। নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ থেকে এম বি বি এস। প্যাথলজিতে এম ডি, পিজি হাসপাতাল থেকে।সরকারি চাকরির সূত্রে কাজ করেছেন সুন্দরবনের প্রত্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মহাকরণের ডিসপেনসারিতে, লালবাজার সেন্ট্রাল লকআপ থেকে গঙ্গাসাগর মেলার হেল্‌থ ক্যাম্পে।বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।প্রথম প্রকাশিত গল্প ২০০৪ সালে ‘উনিশকুড়ি’ পত্রিকায়।শখ: বই পড়া, ফেসবুকে ফার্মভিল এবং হ্যাপি অ্যাকোয়ারিয়াম খেলা, সুদোকু সমাধান।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
12 (18%)
4 stars
16 (24%)
3 stars
22 (33%)
2 stars
11 (16%)
1 star
4 (6%)
Displaying 1 - 15 of 15 reviews
Profile Image for Farhan.
730 reviews12 followers
September 29, 2020
এই বইটা পড়ে, এবং কলকাতার আরো কয়েকজন সাম্প্রতিক লেখকের লেখা তথাকথিত 'থ্রিলার' (!?) পড়ে কয়েকটা প্রশ্ন মাথায় এল।
১। ইদানিংকার পশ্চিমবঙ্গের লেখকরা কি পাঠকদের ছাগল ভাবেন? নাকি গাঁজা সস্তা হয়ে যাওয়াতে নেশার ঘোরে সর্বদাই রঙিন দুনিয়ায় বিচরণ করেন? নাহলে তো গল্পের গরুকে গাছ টপকে আকাশে উড়িয়ে দিয়ে পাঠকদের কাছে সেগুলোকে থ্রিলার (থ্রিলার যদি বাদও দিই, নিদেনপক্ষে গল্প বলে) উপস্থাপন করার দুঃসাহস দেখাতেন না।
২। এনারা কি গুডরিডসে রেটিং বাড়ানোর জন্য কোন রকম রেটিং বট ব্যবহার করেন? অথবা নিজেদের বা প্রকাশকের ভাড়াটে লোকজন রেটিং দিয়ে যায়? নয়তো এসব বস্তাপচা মালের রেটিং ১-এর উপর ওঠে কি করে?
৩। আর যদি পাঠকরাই এসব রেটিং দিয়ে থাকেন, তাহলে কি দেশে ছাগলের বাম্পার উৎপাদন হচ্ছে? শরদিন্দু-সত্যজিৎ বাদ দিলাম, অন্তত কাকাবাবু-অর্জুন-শবর পড়ে থাকলেও তো এসব বইয়ে ১-এর বেশি দেয়ার রুচি হবার কথা না!

এনাফ সেইড। অবিশ্বাস্য প্লট, চূড়ান্ত রকমের গোঁজামিল, অদ্ভুতুড়ে মোটিভ আর হাস্যকর রকমের কাহিনী বিন্যাস, সেগুলোকে ভাড়াটে রিভিউ আর বিজ্ঞাপনের জোরে 'বই' নাম দিয়ে বাজারে বিকোচ্ছে, এই দেখে ব্যোমকেশ-ফেলুদা'রা দেশ ছেড়ে নিশ্চয়ই পালিয়ে গেছেন। আমার ধারণা ছিল, ষষ্ঠীপদের লেখা 'পাণ্ডব গোয়েন্দা'-ই রহস্য-রোমাঞ্চ কাহিনীর লাইনে নিকৃষ্টতম উদাহরণ, কিন্তু ইদানিংকার এসব লেখক ষষ্ঠীবাবুর এক নাম্বার আসন মনে হয় কেড়েই নিলেন।
Profile Image for Ësrât .
516 reviews85 followers
November 9, 2021
শুরুতে একটা ভালো জমজমাট থ্রিলার যদি শেষ পর্যন্ত লেজেগোবরে হয়ে মনটাই খারাপ করে দেয় তখন কি করা উচিত?😑

রেটিং:একটি তারাই দেওয়া শ্রেয়।
Profile Image for Taznina Zaman.
251 reviews63 followers
July 12, 2020
বেশ জমজমাট আর গতিময় এক থ্রিলার। কলকাতা শহরের বিএমসি হাসপাতালে অপঘাতে মৃত্যুর দুইটা লাশ এলো। পোস্টমর্টেম করার সময় মেডিকেল এক্সামিনার দীপশিখা খেয়াল করলেন দুজনের দেহেই একটি বিশেষ ধরনের ক্যান্সার উপস্থিত। এদিকে দীপশিখা নিজেও যুদ্ধ করছে ক্যান্সারের সাথে। অনেকটা কৌতুহলের বশেই এই দুই মৃত্যু নিয়ে ঘাটাঘাটি করে সে দেখলো এই দুজনই নয়, এর আগে ও পরে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত আরো রোগীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে! তাহলে কি এদের মৃত্যুর পেছনে কোন গূঢ় রহস্য রয়েছে যার জন্য নিরপরাধ ক্যান্সার রোগীরা একের পর এক বেঘোরে মারা যাচ্ছে?


বলাই বাহুল্য, উপন্যাসের নায়িকা দীপশিখা, একজন ক্যান্সারের রোগীর শরীরের তুলনায় মহিলার গায়ে জোর বেশিই বলা যায়। তারপরেও বিশ্বাসযোগ্যই লাগলো। তবে খুনি কে, এটা বোঝা এত সহজ যে ধরতে পারলে মনে আনন্দ লাগে না বরং আফসোস লাগে কেন এত আগেই বুঝে ফেললাম। এক বসায় পড়ে ফেলার জন্য বেশ উপাদেয় বই।

কলকাতায় তো এখন অনেক গোয়েন্দা বা থ্রিলার ভিত্তিক মুভি হচ্ছে। এই উপন্যাসটা নিয়েও একটা ছবি করা যেতেই পারে। বড় পর্দায় ভালোই লাগবে।
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 39 books1,870 followers
May 5, 2024
ক্যানসারে আক্রান্ত প্রোটাগনিস্ট, ক্যানসারে আক্রান্ত মানুষদের নিপুণভাবে সরিয়ে দেওয়া— যাকে দুর্ঘটনা বলেই মনে হয়, এক প্রায় অলৌকিক চিকিৎসার ভাবনা, ডার্ক হিউমার। এইসব উপাদান দিয়ে শুরু হওয়া উপন্যাসটা পড়তে ভালোই লাগছিল। কিন্তু একসময় চরিত্রগুলো কার্টুনের মতো আচরণ করতে লাগল। গল্পের গরু গাছ ছাপিয়ে আকাশে উঠল। দুম্, দাম্, ধড়াম্— এইরকম শব্দ আর কান্নার মধ্যে গল্প শেষ হল।
এই যদি মেডিকেল থ্রিলার হয় তাহলে... কিছু না বলাই ভালো।
Profile Image for Gourab Mukherjee.
164 reviews23 followers
March 24, 2020
লেখক এক কথায় genius. এনার লেখার মধ্যে আলাদা একটা ব্যাপার আছে। বেশি রং চড়ানো পছন্দ করেন না কিন্তু তাও বেশ পরিষ্কার এবং লম্বা বর্ণনা দিয়ে একটা রোমহর্ষক দৃশ্য পাঠকের মনের পর্দায় ফুটিয়ে তোলেন।

*মেটাফোরিক্যাল আর লিটরাল সেন্স এর খেলা শুধু বই এর নামকরণেই সীমাবদ্ধ রাখেন না।
*লেখক প্রত্যেক তা চরিত্রের সাইকি এতো সুন্দর বোঝেন। মানে সে কিরকম কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, দৈনন্দিন জীবনের চার পাঁচটা কাজের মধ্যে সে খানিক থেমে গিয়ে কি নিয়ে আফসোস করে, এরকম ছোট ছোট জিনিস খুব সুন্দর ভাবে অবসার্ভ করেন।

গল্পটি #মেডিকেল_থ্রিলার, তবে মাঝ রাস্তাতেই কে ভিলেন জানতে পেরে যাবেন। 😏 খানিকটা মজা মাটি হবে, কিন্তু তারপর শুরু chase -sequence । ক্রমশ খেলা জমে ওঠে এবং শেষ পরিণতি কি হতে চলেছে তার জন্য মন হাসফাস করতে থাকবে। সাথে সাথে বাড়তে থাকবে আপনার পড়ার বেগ।
একটি রুদ্ধশ্বাস মেডিকেল থ্রিলার এটি। কেন যে সবাই চার তারা দিয়েছে জানিনা। বিশাল ভালো লাগলো। পরে দেখুন, সময় আর টাকা কোনোটাই বৃথা গেলো মনে হবে না।
Profile Image for Subrata Das.
165 reviews19 followers
March 9, 2024
ভাল প্লট, তবে জগাখিচুড়ি হয়ে গেছে। কিছু জায়গা খুব বেশী প্রেডিক্টেবল
আর সিম্পল জিনিসকে বিরক্তিকরভাবে সবিস্তারে এক্সপ্লেইন করা হয়েছে
Profile Image for Mrinmoy Bhattacharya.
226 reviews36 followers
March 24, 2020
‛মেডিকেল থ্রিলার’ অর্থাৎ চিকিৎসা জগত বা চিকিৎসা বিজ্ঞান সংক্রান্ত অপরাধসমূহ নিয়ে লেখা থ্রিলারধর্মী উপন্যাস । বাংলা সাহিত্যে মেডিকেল থ্রিলার বললেই বর্তমানে যে সাহিত‍্যিকের কথা সর্বপ্রথম মনে আসে তিনি হলেন ইন্দ্রনীল সান‍্যাল ।

এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো ক‍্যান্সার, বা আরো বিষদে বললে ‛লিম্ফোমা’ অর্থাৎ লসিকা গ্রন্থির ক‍্যান্সার । এ এক ভয়ঙ্কর মারণব‍্যাধি । এর চিকিৎসা এখনো অবধি আশাপ্রদ নয় । কিন্তু পরপর সতেরো জন লিম্ফোমা পেশেন্টকে কেন খুন হতে হলো? সেই খুনগুলি এতটাই নিঁখুত যে পোস্টমর্টেমের সময়েও সহজে নজরে আসে না । মারণব‍্যাধিতে আক্রান্ত মানুষগুলিকেই কেন বেছে বেছে খুন করছে খুনী?? রহস‍্যময় চিকিৎসা-বিজ্ঞানী সৌমিত্র কেন তাঁর নিজের বাড়িতে তাঁর ছাত্র-ছাত্রীদের ঢুকতে দিতে চান না? কেনই বা নিজেকে বেল্টের আঘাতে বারবার ক্ষতবিক্ষত করে অদ্ভুত এক তরুণ??

নিজেও মারণব‍্যাধির শিকার দীপশিখা । কিন্তু হঠাৎই অপ্রত‍্যাশিতভাবে তিনি জড়িয়ে পড়লেন এই অদ্ভুত রহস‍্যজালে । সময় একদম বেশী নেই তার হাতে । কর্কটরোগ থাবা বসানোর আগেই তাকে খুঁজে বের করতে হবে আততায়ীদের । সে কি পারবে তার স‍্যারকে খুঁজে বের করতে? এক মাল্টিন্যাশনাল ঔষধ কোম্পানির অসাধু প্রয়াস কিভাবে ব‍্যর্থ করবে সে?? এইসব প্রশ্নের উত্তর আছে এই উপন্যাসে ।

টানটান উত্তেজনায় ভরপুর এই মেডিকেল থ্রিলারটি একদম মেদহীন এবং অত্যন্ত দ্রুতগতির । অসাধারণ দৃশ‍্যপট বর্ণনা এবং মেডিকেল টার্মিনোলজির সুন্দর ব‍্যাবহার এই উপন‍্যাসটির মূল আকর্ষণ । ক‍্যান্সার ���েশেন্টদের কষ্ট, যন্ত্রণা, ডিপ্রেশন, একাকীত্ব এবং সুইসাইডাল টেনডেন্সিকে লেখক দুর্দান্তভাবে মিশিয়ে দিয়েছেন উপন‍্যাসটির পরতে পরতে । সবমিলিয়ে বলা যায় থ্রিলারপ্রেমীদের জন্য অবশ‍্যপাঠ‍্য এই বইটি ।
Profile Image for Madhurima Nayek.
361 reviews134 followers
April 16, 2021
গল্পের মূল চরিত্রে আছে দীপশিখা, ডঃ সৌমিত্র সেনগুপ্ত, ডঃ প্রিয়রঞ্জন বর্মা, বিতান, ঝিলম।
এটাকে মেডিকেল থ্রিলার বলছে, কিন্তু থ্রিলারের গন্ধ পাইনি বললেই চলে, প্রথমদিকে তবু কি হবে কি হবে একটা ব্যাপার ছিল, কিছুটা এগোবার পরেই সব মিইয়ে গেল,তবে শেষ ১০-১৫পাতায় একটা উত্তেজনার ভাব অনুভব করেছি। প্রথম থেকেই বুঝতে পারছিলাম, খুনি কে। তাই ঠিক জমজমাট লাগেনি। তবে সাধারণ গল্প হিসাবে পড়তে কিন্তু খারাপ লাগবে না। তবে একটা জিনিস আমার মনে হয়েছে গল্পটা টেনে অতিরিক্ত বড়ো করা হয়েছে, যেটা কেটে ছেঁটে ছোটো করা যেতে পারতো। কারণ পড়তে পড়তে আমার এটাই মনে হচ্ছিল কখন শেষ হবে রে বাবা - যেটা থ্রিলার গল্পের ক্ষেত্রে হয় না,আর প্রচুর স্পেলিং মিসটেক আছে তাই ৩স্টার দিলাম, নাহলে ৪স্টারই দিতাম।

কাহিনীসংক্ষেপ:
শহরের বুকে দিনে দুপুরে পরপর তিনটে খুন হয়, যদিও সেগুলো এতটাই নিখুঁত খুন যে পোস্টমর্টেম রিপোর্টেও ধরা পড়ে না। মৃতদের মধ্যে কমন লিঙ্ক তিনজনেই লিম্ফোমা পেশেন্ট।
অন্যদিকে আবিষ্কার হয় লিম্ফোমা প্রতিকারক ওষুধ, যার নাম রুবি। সত্যিই কি রুবি কমপ্লিট কিওর করবে ? নাকি এটা মানুষ মারার ওষুধ ?
নাকি স্বার্থান্বেষী মানুষের মুনাফালাভের ঘুটি মাত্র এই ওষুধ ? কেনো ক্যানসার আক্রান্ত পেশেন্টদের খুন করা হচ্ছে ? কে আছে এই চক্রান্তের পেছনে ?
Profile Image for সৌম্য বিশ্বাস.
25 reviews3 followers
December 14, 2020
নাম- কর্কটক্রান্তি
লেখক- ইন্দ্রনীল সান্যাল
জনরা- মেডিকেল থ্রিলার

শুধুমাত্র জনরা দেখেই কৌতূহলী হই, বাংলায় এ বিষয়ে প্রথম কাজ হল জগদীশ গুপ্তের পয়োমুখম, সেটা সেই অর্থে জনপ্রিয় হয়নি। তারপর এই নিয়ে কেউ বেশী কাটাছেঁড়া করেওনি

এই কাহিনীটি প্রথম উপন্যাস আকারে বেড়োয় পূজাবার্ষিকী উনিশ-কুড়িতে ১৪২৩শে। এটা অবলম্বনে একটা web seriesও , কর্কট rouge নামে

চারিদিকে রিভিউ দেখে লাগছিল, বইটা চূড়ান্ত খারাপভাবে শেষ হয়েছে। আদতে অতটাও খারাপ না, শুরুর জমাটভাব না ধরে রাখতে পারলেও ডাহা ফেল করেনি।😐

গল্পে থ্রিলারের থেকেও উপভোগ্য ব্রেস্ট ক্যান্সার রোগীর শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা। কথায় আছে," A reader lives a thousand lives"। দীপশিখার অনুভূতিগুলো আসলে কোনোদিন বোঝার উপায় না হলেও, গল্পের মধ্যে দিয়ে কিছুটা উপলব্ধি করতে পেরে ভালো লাগছে।😊

থ্রিলার উপন্যাসের জন্য পড়া হলেও, মাঝপথে থ্রিল উধাও হয়ে যাবে। লাস্ট ঘটনা ছাড়া বাকি গল্প প্রথম থেকে প্রেডিকটেবল ছিল। আর আমি এদিকে মাথা নষ্ট করে, অত সহজে অপরাধী চেনা যায় না...বলতে থাকা আমি...🥴
যাই হোক পৃষ্ঠাসংখ্যা খুবই কম, তার সাথে বাংলায় মেডিকেল থ্রিলারের সংখ্যা আরো কম...আর থ্রিলার গল্পের পাঠক না হলে, এটা পড়ে খারাপ লাগবে না।

রেটিং-🌑🌑🌜(2.5)
Profile Image for Pusparghya Das.
10 reviews
June 22, 2021
📘 জীবনে প্রথমবার মেডিকেল থ্রিলার পড়লাম। লেখনি টানটান, বিষয়বস্তু চমকপ্রদ। দীপশিখা গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র, ফরেনসিক ডিপার্টমেন্টে কাজ করে, কারণ সে বিশ্বাস করে যে মৃতদেহ মিথ্যে কথা বলে না। অস্বাভাবিক কিছু রোড অ্যাক্সিডেন্টের ডেড বডি পোস্টমর্টেমের জন্য আসতে থাকে, যাদের দেহের বিভিন্ন জায়গায় গাঁট ফোলা। শুরুটা এভাবে হওয়ার পর আস্তে আস্তে লিম্ফোমার প্রাণদায়ী ওষুধ, ওষুধের ফর্মুলা চুরি, জনৈক ডাক্তার কিডন্যাপ ইত্যাদি নানারকম রোমাঞ্চ দিয়ে মোড়া এই উপন্যাস।
📗 কিন্তু গল্পে অজস্র গোঁজামিল, কিছু কিছু জায়গায় তা হাস্যকর পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। অতি গুরুত্বপূর্ণ নথিতে হাস্যকর পাসওয়ার্ড, বিশাল বড় কোম্পানির বেশ কিছু জায়গায় গল্পের সুবিধে মতো সিসিটিভির অনুপস্থিতি, বলিউড সেলিব্রিটির দেহরক্ষী পুলিশকে নির্দ্বিধায় মাথার উপরে তুলে ফেলে ইত্যাদি ইত্যাদি। 😀
📙 গল্পের গতি বেশ ভালো। দারুণ থ্রিলারের সবরকম উপাদানও মজুত। কিন্তু তবু যেন কিছু কিছু জায়গায় সুর কেটে গেছে। সবমিলিয়ে একবার পড়া যেতেই পারে, দুর্দান্ত কিছু লাগেনি আমার। 🙂
Profile Image for Aniruddha Sau.
14 reviews1 follower
June 29, 2020
কিছু কিছু জায়গা একটু অসম্ভাব্য ঠেকেছে। শেষটাতেও যেন তাড়াহুড়ো'র ছাপ। তবে লেখার স্টাইল অনবদ্য।
Displaying 1 - 15 of 15 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.