উচ্চমাধ্যমিকের আগে একদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে আহির টের পায় সহপাঠী শ্রাবন্তীকে সে ভালবাসে। কিন্তু মাঝখানে এসে পড়ে তাদের ক্লাসেরই ক্যাসানোভা দেবা। গিটারে জিমি পেজ হতে চাওয়া স্যান্ডি, আহিরের বন্ধু, অসমবয়সী তরুণীর শরীরে দেখে নিজের সর্বনাশ। ভালবাসার অলিভপাতা ঠোঁটে নিয়ে কিনে মে আসবে হলুদ কোকাবুরা পাখি, আহিরের চিলেকোঠার জানালায়? ইউনিভার্সিটির প্রশস্ত করিডোরে পৌঁছে তারা জড়িয়ে যায় ছাত্র আন্দোলনে। স্লোগানে স্লোগানে, বিপুল কলরবে সেদ্রোহ পথ জুড়ে আছড়ে পড়ে জনগণের উল্লাস। মেধাবী ছাত্রনেতা দীপ্ত-র মধ্যে জীবনের উত্তাপ খুঁজে নেয় আহির। হঠাৎ শ্রাবন্তীর জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়। সেই বিপদ কি আরও বড় কোনও বিপর্যয়ের বার্তা বয়ে নিয়ে আসে? কোন অপ্রত্যাশিত ক্ষেপণাস্ত্র চুরমার করে দেয় আহিরকে? ‘হলুদ কোকাবুরা’ নতুন প্রজন্মের আখ্যান।
দেবতোষ দাশ-এর জন্ম ১১ জানুয়ারি ১৯৭২। মা-বাবা-স্ত্রী-কন্যাসহ থাকেন দক্ষিণ শহরতলি সুভাষগ্রামে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। রাজ্য সরকারের ভূমি ও ভূমি-সংস্কার দফতরে কর্মরত। প্রথম গল্প প্রকাশ ১৯৯৫ সালে ‘অপর’ পত্রিকায়। গল্প প্রকাশিত হয়েছে দেশ, রবিবাসরীয় আনন্দবাজার পত্রিকা, শারদীয়া প্রতিদিন, শিলাদিত্য, কিশোরভারতী পত্রিকায়। লেখেন নাটকও। নান্দীকার তাঁর নাটক ‘বিপন্নতা’ মঞ্চস্থ করে ২০১৪ সালে। নাটক ‘ওচাঁদ’ লিখে পেয়েছেন সুন্দরম পুরস্কার। প্রকাশিত উপন্যাস: ‘বিষকন্যা’, ‘বিন্দুবিসর্গ’ এবং ‘সন্ধ্যাকর নন্দী ও সমকালীন বঙ্গসমাজ’। সিনেমা, সংগীত আর খেলাধুলোয় আগ্রহী।