Jump to ratings and reviews
Rate this book

মৃত্যুর নিপুণ শিল্প

Rate this book
Mrityur Nipun Shilpa
A collection of three Bengali novelets by Saikat Mukhopadhyay


প্রচ্ছদ - সুদীপ্ত মন্ডল
নামাঙ্কণ - শুভ্রনীল


ফ্রি-স্কুল স্ত্রীটের এক অনামী অ্যান্টিক-শপের কাউন্টারে বিক্রির জন্যে রাখা ছিল কয়েকটা মাদার অফ পার্লের পুতুল। এতই নিখুঁত সেই পুতুল্গুলো যে, মনে হয় যেন ডাকলে সাড়া দেবে। কোথায় বসে, কোন শিল্পী, কতদিন আগে বানিয়েছিলেন এই অবিশ্বাস্য শিল্পদ্রব্যগুলি? উত্তর মিলল, তবে রতিবদ্ধ দুই নারীপুরুষের জীবনের মূল্যে। বাংলার থ্রিলার-প্রেমিকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ‘কাল্ট’ হয়ে যাওয়া এক বায়ো-থ্রিলার - মৃত্যুর নিপুণ শিল্প

কল্পবিজ্ঞানের বীজ থেকে বিষাক্ত লতার মতন বেড়ে ওঠে। ছড়িয়েও যায় এক অভাবনীয় জটিল প্লটের জাল। সেই সত্তরের দশকের গোড়ায় উত্তরবঙ্গের ছোটত গঞ্জ নীলপাড়ায় পুলিশের হাতে রেপড হয়েছিল কলকাতার কলেজে পড়া এক মেয়ে। মানুষের জন্যে মুক্তি খুঁজতে গিয়েছিল সে। সম্পূর্ণ অন্য পথে মুক্তি খুঁজেছিলেন আরেকজন, যিনি ছিলেন সেই মেয়েটির প্রেমিক। শুধু রক্ত আর ঘাম নয়, চোখের জলে ভেজা এক মহাজাগতিক রহস্যগাথা - মাননীয় অমানুষ

ছ-জন প্রাপ্তবয়স্ক নরনারী আর একটি বালক শীতের ছুটি কাটাতে গিয়েছিল সাঁওতাল পরগণার অখ্যাত এক গ্রামে। তাদের ছুটির ঠিকানা ‘দয়াল বাংলো’-র চার দেওয়ালের মধ্যে ঘটে যেতে থাকে একের পর এক অলৌকিক ঘটনা যার অন্তিম পরিণতিতে মারা যান সাতজনের মধ্যে দ’জন। কুড়ি বছর পরে সেদিনের সেই বালক খুঁজতে শুরু করে দয়াল বাংলোর অলৌকিক ঘটনাবলির আড়ালে লুকিয়ে থাকা নানান বিকৃত মানসিকতা। যারা বলেন বাংলায় সাইকোলজিকাল থ্রিলার লেখা হয় না, তাদের জন্যে অবশ্যপাঠ্য এই সংকলনের তৃতীয় উপন্যাস - ঘাতকের মুখ


সূচি –

মৃত্যুর নিপুণ শিল্প
মাননীয় অমানুষ
ঘাতকের মুখ

152 pages, Paperback

Published May 1, 2017

7 people are currently reading
156 people want to read

About the author

Saikat Mukhopadhyay

58 books119 followers
তাঁর জন্ম এবং বড় হওয়া হুগলি জেলার উত্তরপাড়ায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরাজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর উপাধি অর্জনের পরে তিনি রাজ্য সরকারের অধীনে আধিকারিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ দুই-দশকের লেখক-জীবনে তিনি প্রাপ্তবয়স্ক এবং কিশোর-সাহিত্য, উভয় ধারাতেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তিনি যখন গল্প-উপন্যাস লেখেন, তখন ঘটনার বিবরণের চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন মানব-মনের আলোছায়াকে তুলে আনার বিষয়ে। লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা পঞ্চাশের কাছাকাছি। তাঁর বহু কাহিনি রেডিও-স্টোরি হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে সমাদর পেয়েছে। সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন দীনেশচন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার এবং নান্দনিক সাহিত্য সম্মান।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
43 (26%)
4 stars
65 (40%)
3 stars
50 (30%)
2 stars
2 (1%)
1 star
2 (1%)
Displaying 1 - 26 of 26 reviews
Profile Image for Tiyas.
473 reviews135 followers
January 16, 2024
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের কোনো অতিনাটকীয় ধারাভাষ্যকার হলে, এই বইটি পড়ে সোল্লাসে চেঁচিয়ে উঠতাম একটাই লাইন, "ম্যাজিক মুখার্জি হ্যাস ডান ইট এগেইন!!"

বিশদে ভেবে দেখলে, লাইনটির ব্যবহারে খুব একটা অত্যুক্তি করছি না। দেব সাহিত্য কুটিরের কল্যাণে, সৈকত মুখোপাধ্যায়ের ত্রয়ী উপন্যাসিকা সংকলন আগেও পড়েছি। তবে ওগুলোর সাথে এই বইটির তফাৎ এর প্রাপ্তমনষ্কতায়। ভালো বা খারাপের সাদা কালো বাইনারির বাইরে, পাঠকের কাছে পড়ে থাকে তিনটে শক্তিশালী নভেলেট। যার প্রতিটি পাতায় সংযমী গদ্যের আশ্চর্য প্রয়োগ!

নাম-গল্প 'মৃত্যুর নিপুণ শিল্প'তে লেখক এঁকেছেন অ্যান্টিক হান্টিয়ের আবরণে ষড়রিপুর পঙ্কিল চিত্র। এক যথার্থ বায়োলজিকাল থ্রিলার, যা মনের অলিন্দে বইয়ে দেয় নোনা-বালির হাহুতাশ। রহস্যের দুনিয়ায় বাসা বাঁধে কবিতার বই। নইলে কি করে এক নির্ভেজাল থ্রিলারে, লেখক গুঁজে দেন এমন সুন্দর গদ্যভাষা?

"অসিতদার দোকানের দরজায় মাকড়শা জাল বোনে। সামনের বড় ঘরটার পেছনে একটা অ্যান্টি-চেম্বারে গা ঢাকা দিয়ে অসিতদা হয়তো ঠিক তখনই প্যারিস কিম্বা লাহোরের কোনো মিউজিয়ামের ক্যাটালগ স্ট্যাডি করছেন। উদগ্র পিপাসায় পান করছেন মানুষের হাতে রচিত সমস্ত যুগের, সমস্ত দেশের সৌন্দর্য্য।

অসিতদার দোকানের শূন্য শো-কেসের শার্সি ফেটে যায়। অসিতদা লকার খুলে নামিয়ে আনেন দুর্মূল্য কোনো জেড পাথরের মালা, কিম্বা সোনার পানপাত্র। মুগ্ধ হয়ে বসে থাকেন সেগুলোর দিকে তাকিয়ে।

অসিতদার আয়ত সুন্দর চোখের নীচে কালি পড়ে।"


খারাপ দিক একটাই, এই ঘোর-লাগানিয়া গল্পটি যতক্ষণে অশেষ মুগ্ধতায় পড়ে শেষ করবেন, বইয়ের অন্য দুটো কাহিনীকে আর অসাধারন মনে হবে না। মনে হবে, সবটাই ভালো...তবে ঠিক নাম-গল্পটির মত অমন মায়াবী কই? তাই, আর কিছু না হলেও, এই লেখাটি পড়ুন। এই একটি গল্পের দরুন সংকলনটি কেনা সার্থক হয়ে যায়।

এর বাইরে, 'মাননীয় অমানুষ' ও 'ঘাতকের মুখ' দুটোই মন্দ নয়। বিশেষত শেষ গল্পটি, যেটায় বেশ সময় নিয়ে উপস্থাপিত হয়েছে শ্বাসরোধী এক ন্যারেটিভ। ভয় ও কুসংস্কারের মাঝে, কামনা ও প্রতিহিংসার গল্প। ভালো লাগে, সাঁওতাল পরগনার এক ভয়াল গথিক রূপ। যা অভূতপূর্ব না হলেও, রোমাঞ্চকর তো বটেই। অবশ্য আপনি যখন বইটি পড়বেন, তখন কভারের সারাংশ বা সিনোপসিসগুলো পারলে এড়িয়ে যাবেন। এতে খোলা-মনে, স্পয়লার বাঁচিয়ে গল্পগুলো উপভোগ করা যায়। পাঠ অভিজ্ঞতা বর্ধিত হয়, বলাই বাহুল্য।

(৪/৫)
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 39 books1,869 followers
January 25, 2018
বইটা যখন প্রথম পড়েছিলাম, তখন পড়ার বদলে ব্যাপারটা গেলাই হয়েছিল। দ্বিতীয় পাঠের পর একটু ধীরেসুস্থে কিছু লেখার অবস্থায় এসেছি। তাই রিভিউ পেশ করছি।
বইটি তিনটি নভেল্লার সংকলন।
প্রথম লেখা "মৃত্যুর নিপুণ শিল্প", যা বেশ কয়েক বছর আগে 'পুরুলিয়া দর্পণ'-এ প্রকাশিত হয়েছিল। অ্যান্টিক, অবসেশন, ক্রাইম, প্যাশন, কামনা, জীববিজ্ঞানের এক গভীর রহস্য, এসব মিলিয়ে এই লেখাটি বাংলা সাহিত্যে বায়োথ্রিলার ঘরানার ঋত্বিক, এবং রহস্য কাহিনির ইতিহাসে কার্যত একটি নতুন মাইলফলক।
দ্বিতীয় লেখা "মাননীয় অমানুষ"। উত্তর বঙ্গের এক প্রত্যন্ত এলাকার জনদরদি মাস্টারমশাই-এর মৃত্যুর পর তাঁর জীবনী লিখতে গিয়ে এক তরুণ সাংবাদিক মহা সমস্যায় পড়ে, আর তার সঙ্গেই যুক্ত হয় এক হত্যা রহস্য। পায়াভারি সাইফি-কে বেশ কয়েক গোল দিলেও এই বইয়ের দুর্বলতম লেখা এটিই।
তৃতীয় লেখা "ঘাতকের মুখ"। আপাত অলৌকিকের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক ঘৃণ্য অপরাধের উন্মোচন, এবং গথিক বর্ণনায় অথচ মিতকথনে সত্যকে সামনে আনার এই নৃশংস উপাখ্যান পড়ে চমকে উঠতে হয়।
সামগ্রিক ভাবে এটাই বলার যে মৃত্যুর আকার-প্রকার শিল্পীর হাতের স্পর্শে কীভাবে গল্পের মধ্যে বন্দি হয় তা যদি দেখতে চান, তাহলে এই বইটি পড়ুন।
এটাই সাক্ষাৎ মৃত্যুর নিপুণ শিল্প।
অবশ্যই পড়ুন।
Profile Image for Harun Ahmed.
1,675 reviews441 followers
January 29, 2022
তিনটি নভেলা দিয়ে সাজানো এ বই পাঠের সার্বিক অভিজ্ঞতা মোটামুটি হতাশাজনক।
১.মৃত্যুর নিপুণ শিল্প(২.৫/৫)- মনে রাখার মতো কিছুই পাইনি।
২.মাননীয় অমানুষ(৩/৫)- নামটি কাহিনির অপূরণীয় ক্ষতি করেছে।নাম পড়ে গল্পের কয়েক পাতা এগোলেই যে কেউ বুঝে ফেলবে মূল ঘটনা।
৩.ঘাতকের মুখ(৩.৫/৫) - বইয়ের একমাত্র মনে রাখার মতো গল্প; কাহিনির পরিবেশের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ চমৎকার বর্ণনা ও মনস্তাত্ত্বিক অংশটুকু এ নভেলাটিকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।তবে কেউ কৌতূহলবশত বইয়ের পিছনের পাতায় এ নভেলার সারাংশ পড়তে গেলে তার পড়ার আনন্দ অনেকটাই মাটি হয়ে যাবে।এমন জঘন্য স্পয়লারযুক্ত সারাংশ লেখে কেউ?!!
Profile Image for Manzila.
167 reviews160 followers
April 25, 2023
২.৫/৫
গল্প বলে খুব সুন্দর করে, কিন্তু গল্পই গড়পড়তা। তবে শেষ করে ভালো ফীল পাই, "ধ্যার কী পড়লাম টাইমটা পুরা লস" ধরনের ফীল হয় না।
Profile Image for শুভাগত দীপ.
282 reviews43 followers
March 24, 2019
|| রিভিউ ||

বইঃ মৃত্যুর নিপুণ শিল্প
লেখকঃ সৈকত মুখোপাধ্যায়
প্রকাশকঃ ফেরিওয়ালা প্রকাশনী, কলকাতা
প্রকাশকালঃ বৈশাখ, ১৪২৪
ঘরানাঃ মিস্ট্রি/থ্রিলার
প্রচ্ছদঃ সুদীপ্ত মণ্ডল
নামাঙ্কণঃ শুভ্রনীল
পৃষ্ঠাঃ ১৫২
মুদ্রিত মূল্যঃ ১৭৫ রুপি
ধরণঃ পিডিএফ


কলকাতার পাঠকপ্রিয় থ্রিলার কাহিনি লেখক সৈকত মুখোপাধ্যায়ের তিনটা আলাদা স্বাদের রহস্য-রোমাঞ্চ উপন্যাসিকা নিয়ে সাজানো হয়েছে 'মৃত্যুর নিপুণ শিল্প' বইটা। কাহিনি তিনটা সম্পর্কে সামান্য ধারণা দেয়া সহ আমার ভালো লাগা-মন্দ লাগার ব্যাপারগুলো তুলে ধরছি নিচে। কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

মৃত্যুর নিপুণ শিল্পঃ কলকাতার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে 'কিং কোবরা' নামের একটা অ্যান্টিক শপের সত্ত্বাধিকারী কুনাল বাবু। অগ্রজ-সুহৃদ অসিত ব্যানার্জীরও একই ব্যবসা, তবে সেটা আলাদা জায়গায়। দুজনের ব্যবসা এক হওয়ায় একে অপরের অনেক কাছের মানুষ কুনাল বাবু ও অসিত বাবু। ঘটনাক্রমে কুনাল বাবুর হাতে বেশ কিছু অদ্ভুত পুতুল চলে আসে। মাদার অভ পার্লের (ঝিনুকের খোলের অংশ) তৈরি এসব অপূর্ব কারুকাজ করা পুতুলগুলোর নির্মাতার খোঁজে গিয়ে কুনাল বাবু ও অসিত ব্যানার্জি সন্ধান পান বহু বছর আগে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এক মেধাবী মেরিন বায়োলজিস্টের। আর সেই অপ্রকৃতিস্থ বায়োলজিস্টের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তাঁরা মুখোমুখি হন ভয়ঙ্কর সুন্দর এক সত্তা - মেডুসা'র৷ আতঙ্কের এক নতুন জগৎ উন্মোচিত হয় কুনাল বাবু ও অসিত ব্যানার্জির সামনে।

'মৃত্যুর নিপুণ শিল্প' মূলত একটা বায়োলজিক্যাল থ্রিলার উপন্যাসিকা। এই কাহিনিটার না���েই রাখা হয়েছে বইটার নাম। পড়তে গিয়ে বেশ উপভোগ করেছি উপন্যাসিকাটা। বিশেষ করে শেষটা একেবারেই অন্যরকম এক ভয়ের আবহে পরিপূর্ণ মনে হয়েছে। আর নামকরণ? একদম সার্থক।

মাননীয় অমানুষঃ নীলপাড়া। উত্তরাঞ্চলের পাহাড় ঘেরা এই মফস্বল শহরেই সস্ত্রীক বসবাস করে তরুণ সাংবাদিক সায়ন দেবনাথ। এই নীলপাড়া শহরেরই এক বরেণ্য ব্যক্তি, যিনি সবার কাছেই প্রিয় মাস্টার মশাই হিসেবে পরিচিত সেই রিচার্ড অনন্ত মিত্র'র মৃত্যুর পর সায়নের কাছে অনুরোধ আসে তাঁর ব্যাপারে স্মরণিকা লেখার। কিন্তু অবাক হয়ে সায়ন সহ নীলপাড়ার সবাই আবিস্কার করে যে প্রয়াত মাস্টার মশাইয়ের ব্যাপারে তারা কেউ-ই তেমন কিছু জানেনা। শুরু হলো সায়নের অনুসন্ধান। তার সাথে যুক্ত হলো তার নববিবাহিতা স্ত্রী তিস্তা। এদিকে ভানুপাহাড়ের গীর্জার কবরস্থানে, যেখানে রিচার্ড অনন্ত মিত্রকে কবর দেয়া হয়েছে সেখানে একটা অদ্ভুত খুনের ঘটনা ঘটলো। সেটার সাথেও জড়িয়ে গেলো সায়ন-তিস্তা দম্পতি। ধীরে ধীরে বেরিয়ে এলো মহাজাগতিক প্রাণীদের আনাগোনার গল্প ও অভাবনীয় এক সত্য - যার সাথে সম্পর্ক আছে ইউ.এফ.ও.-এর।

সায়েন্স ফিকশন ঘরানার এই কাহিনিটা পড়তে মোটামুটি ভালোই লেগেছে আমার কাছে। বিশেষ করে ক্লাইম্যাক্সটা বেশ মায়াময় ছিলো।

ঘাতকের মুখঃ পঁচিশ বছর আগে লালীটাড় নামের এক সাঁওতালি গ্রামে ঘটে যাওয়া একটা ভয়াবহ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই উপন্যাসিকার কাহিনি। মণিমোহন মিত্র একজন বিখ্যাত গল্পকার। তিনি, তাঁর স্ত্রী মন্দিরা মিত্র, বন্ধু শ্যামল রায় ও তাঁর স্ত্রী মীনা রায়, মণিমোহনের বইয়ের প্রকাশক ভূপতিনাথ দাশ ও তাঁর মা-মরা ছেলে টুনু ছুটি কাটাতে যান লালীটাড়ের এক বাংলো বাড়িতে। সেখানকার শ্মশানে তাঁরা মুখোমুখি হন এক অদ্ভুত তান্ত্রিক স্বভাবের যুবক জানগুরু'র। ঘটনাক্রমে ভ্রমণকারী এই দলটা জানগুরু'র ভয়াবহ এক অভিশাপের শিকার হন, যা সরাসরি সম্পর্কিত ভুডু ম্যাজিকের সাথে। জীবন নিয়ে একরকম টানাটানি বেধে যায় কারো কারো। অনেকদিন পর খোলাসা হয় লালীটাড়ের সেই পৈশাচিক ঘটনার - যেটার ফলাফল আজও বয়ে বেড়াতে হচ্ছে সেই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত দু'জন মানুষকে।

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ঘরানার এই উপন্যাসিকার কাহিনিপটে মিশে আছে ভৌতিক কিছু উপাদানও। বেশ ভালো লেগেছে আমার কাছে পুরো উপন্যাসিকাটা। শেষটা অনেকটাই আগাথা ক্রিস্টির রহস্য কাহিনির মতো লেগেছে আমার কাছে। লেখকের লেখনী সত্যিই অসাধারণ।


'মৃত্যুর নিপুণ শিল্প' বইয়ে স্থান পাওয়া তিনটা উপন্যাসিকাই কম-বেশি উপভোগ্য ছিলো। ভবিষ্যতে লেখক সৈকত মুখোপাধ্যায়ের অন্যান্য বইগুলোও পড়ার অভিপ্রায় রইলো। সুদীপ্ত মণ্ডলের করা প্রচ্ছদটাও ভালো লেগেছে।


ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৪/৫
গুডরিডস রেটিংঃ ৪.১৫/৫

© শুভাগত দীপ

(২৪ মার্চ, রাত ১০ টা ৫৪ মিনিট; নাটোর)
Profile Image for Ësrât .
516 reviews85 followers
January 15, 2020
হতাশ
অনেক হতাশ
চরম হতাশ-একটি হাইপ সৃষ্টি করা বই যা নিয়ে প্রায় সবারি উচ্ছ্বাস উপচে পড়েছে কিন্তু বইটা পড়ে আমি যারপরনাই হতাশ হয়েছি 😑
প্রথম গল্প: মৃত্যুর নিপুণ শিল্প মনে হয়েছে গোঁজামিল দিয়ে কিছু একটা শেষ করতে চেয়েছেন লেখক, বিজ্ঞান আর তার সাথে একটু কল্পনা মিলিয়ে লিখতে যেয়ে লেখাটা জগাখিচুড়ী হয়ে গেছে
দ্বিতীয় গল্প: নতুন শতাব্দীর নতুন রূপকথা আর কি! মহাজাগতিক পুরুষের রূপ বদলে যুগে যুগে মানব কল্যাণে ফিরে আসার গল্প আমার কাছে আষাঢ়ে গল্পই লেগেছে 😏
তৃতীয় এবং শেষ এবং একমাত্র আমার পছন্দের গল্প: ঘাতকের মুখ; সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার টাইপ গল্প, নিজের স্ত্রীর আর বন্ধুকে হত‍্যার জঘন্য ষড়যন্ত্র কে নিজের লেখক সত্ত্বা দিয়ে বছরের পর বছর লোকজনকে এক অলৌকিক জানগুরুর অভিশাপ চালিয়ে দেওয়ার নির্লজ্জ মিথ্যাচারের উপাখ্যান.
শুধুমাত্র এই শেষ গল্পটির জন্য রেটিং তিনটি তারকার উপরে গেছে

ব‍্যক্তিগত অভিমত:৩.৩০
Profile Image for Shampa Paul.
105 reviews37 followers
June 23, 2019
আমার পড়া সৈকতবাবুর প্রথম বই। বাংলায় এই ধরণের বই আজকাল যেখানে ভাবাই যায়না, সেখানে সৈকতবাবু দারুন কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। ওনার ঝরঝরে সাবলীল ভাষা আর বর্ণনার গুণে নভেলাগুলি পড়তে এতটুকু একঘেয়ে লাগেনা। সবচেয়ে ভালো লেগেছে অবশ্যই প্রথম নভেলাটি 'মৃত্যুর নিপুণ শিল্প', তারপর যথাক্রমে 'ঘাতকের মুখ' ও 'মাননীয় অমানুষ'। তিনটি লেখাই বিষয়বস্তুর দিক থেকে অভিনব। তবে শেষের লেখাদুটির দৈর্ঘ্য আর একটু বড়ো হলে এবং আরও একটু গুছিয়ে লেখা হলে ভালো হতো, পড়ে মনে হয় কিছুটা তাড়াহুড়োয় শেষ হয়ে যায়। সব মিলিয়ে বেশ মন ভালো করা বই।
থ্রিলার প্রেমীদের অবশ্যই পড়তে অনুরোধ রইল।

ধন্যবাদ শবর, সুন্দর বইটি রেকমেন্ড করার জন্য।
Profile Image for Shaid Zaman.
290 reviews48 followers
May 2, 2021
দ্বিতীয় গল্পটা ঠিক জমেনি, গল্প বলা ঠিক হবে না, দ্বিতীয় নভেলা টা ঠিক জমেনি। বাকি দুটো ভালো, তবে আহামরি বলবো না।
Profile Image for Avishek Bhattacharjee.
372 reviews78 followers
October 13, 2023
তিনটা বড় গল্প নিয়ে বইটা সাজানো। এমন আহামরি কিছু মনে হয়নি। শেষ গল্পটা, ঘাতকের মুখ আমার কাছে সবচে ভাল লেগেছে।
Profile Image for Owlseer.
221 reviews31 followers
January 7, 2025
মৃত্যুর নিপুণ শিল্প - ১/৫
মাননীয় অমানুষ - ১/৫
ঘাতকের মুখ - ১/৫
Profile Image for Journal  Of A Bookworm .
135 reviews9 followers
May 18, 2023
মৃত্যুর নিপুণ শিল্প
লেখক - সৈকত মুখোপাধ্যায়
জেনার - থ্রিলার গল্প সংকলন।
প্রকাশনী - ফেরিওয়ালা
মূল্য - 200/-

সদ্য শেষ করলাম সাহিত্যিক সৈকত মুখোপাধ্যায় এর লেখা ‘মৃত্যুর নিপুণ শিল্প' বইটি। তিনটি বড় গল্প আছে বইটিতে। প্রত্যেকটি গল্প বেশ আলাদা। ওঁর লেখার সাথে প্রথম পরিচয় হয় এই বইটির সাথে । যে তিনটি গল্প আছে বইটিতে সেগুলি হল -

🍁 মৃত্যুর নিপুণ শিল্প 🍁
🍂 মাননীয় অমানুষ 🍂
☘️ ঘাতকের মুখ ☘️

পটভূমি -
মানুষের মনের অন্ধকার দিক নিয়ে দুটি বড়ো গল্প সাথে একটি কল্পবিজ্ঞান, গল্পের মিশেল গুলো বেশ ভালোই লেগেছে। গল্পগুলির সংক্ষিপ্ত আলোচনা নিচে করলাম

মৃত্যুর নিপুণ শিল্প -
কুনাল, কলকাতার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে একটি অ্যান্টিক দোকান চালায়, এই ব্যবসায় তার গুরু অসিত দা। একদিন কুনাল এর দোকানে একটা মাদার অফ পার্ল এর একটি শো পিস দেখে অসিত দা ঠিক করেন এই শো পিস কোথা থেকে এসেছে আর কত আছে তার অস্তিত্ব জানার চেষ্টায় কুনাল আর অসিত দা পাড়ি দেয় দীঘা এর কাছেই কেয়াবন্দর। কেয়াবন্দরে অসিত দার সাথে দেখা হয় পূর্বপরিচিত মেরিন বায়োলজিস্ট সুধাকর আপ্তে সাহেব এর সাথে, সেখান থেকে কিভাবে মাদার অফ পার্ল এর শো পিএস গুলো তৈরী হচ্ছে আর শেষ অব্দি মানুষ কিভাবে লালসা আর কামনা এর কাছে নতি শিকার করে, একটি পুরুষ ও নারীর রতিবদ্ধ মাদার অফ পার্ল এর শো পিস এ পরিণত হয় সেটাই এই বড়ো গল্পে জানার বিষয়।
এই সমস্ত রহস্য আছে এই বায়োলজিক্যাল থ্রিলারটিতে। ভালো লেগেছে আমার গল্পটা। মৃত্যুও যে এত শৈল্পিক সেটা এই গল্পটা না পড়লে জানা হত না।

মাননীয় অমানুষ -
উত্তরবঙ্গের নীলপাড়ায় থাকে সাংবাদিক সায়ন আর ওর স্ত্রী তিস্তা। তাদের বাড়ির ঠিক উল্টোদিকে থাকেন মেয়র সুহাস ব্যানার্জী। তিনি সায়নদের বাড়িতে এসে একদিন বলেন তাদের স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক প্রয়াত অনন্ত মিত্রের স্মরণ অনুষ্ঠানের জন্য স্মরণিকা তৈরির জন্য। কিন্তু তাদের শিক্ষক এর জীবন সম্পর্কে কেউই অবগত নয়। সায়ন আর তিস্তা দুজনে শুরু করে খোঁজখবর। ইতিমধ্যে গ্রামের একজন অধিবাসী মঙ্গল সোরেনের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে। তার মৃতদেহ পাওয়া যায় কবরস্থানে অনন্ত মিত্রের কবরের ঠিক সামনে। কেন ও কিভাবে মৃত্যু হল এক সাধারণ গ্রামবাসীর ? মাস্টারমশাই এর সাথে কি তার কোনও সম্পর্ক ছিল ? সেই মৃত্যুর কারণ সন্ধান করতে গিয়ে উঠে আসে রহস্যের পর রহস্য, যা শিহরিত করে তুলবে পাঠককে, আবার বেদনাবিদুর ও করে তুলবে। অসম্ভব ভালো লাগলো এই মহাজাগতিক রহস্যগাঁথা।

ঘাতকের মুখ-
সাঁওতাল পরগনার অখ্যাত এক গ্রামে ছুটি কাটাতে গিয়েছিল সাতজন। কিন্তু সেখানে মৃত্যু হয় দুজনের। চার দেয়ালের মধ্যে ঘটতে থাকে অলৌকিক ঘটনা। কিন্তু এইগুলো সবটাই কি প্রাকৃতিক ! জানগুরুর ডেরায় পা রাখার জন্যই কি তাদের এই পরিণতি !কে এই জানগুরু ? আজ কুড়ি বছর পর সেই দলেরই এক বালক স্মৃতি হাতড়ে খুঁজে বের করলো কিছু অন্য তথ্য। কি সেই ঘটনা ?

পাঠ প্রতিক্রিয়া -
তিনটি আলাদা স্বাদের বড়ো গল্প। বেশ ভালো লেগেছে, ক্রাইম থ্রিলার হিসেবে লাস্ট গল্প টা বেশ ভালো। কল্পবিজ্ঞান প্রসূত দ্বিতীয় গল্প টায় সুখ দুঃখ হালকা প্রেম ও জীবনের ভালো খারাপ দিকের দারুন মিশেল রেখেছেন লেখক। লেখকের প্রথম গল্প সংকলন পড়ে বেশ ভালো লাগলো, এরপর কিসসাওয়ালা পড়ার ইচ্ছা রইলো।
Profile Image for Madhurima Nayek.
361 reviews134 followers
August 19, 2019
সৈকত মুখোপাধ্যায়ের লেখার ধরন, গল্পের প্লট সত্যিই প্রশংসনীয়। বইএর প্রচ্ছদ বেশ লেগেছে আমার,বেশ আকৃষ্ট করে। প্লটের দিক দিয়ে গল্পগুলো ইউনিক এবং ১ম গল্প ২ টো বেশ গতিময় লেখা।
ভিন্ন স্বাদের গল্প তিনটি হলো -
(১) মৃত্যুর নিপুণ শিল্প
(২) মাননীয় অমানুষ
(৩) ঘাতকের মুখ

"মৃত্যুর নিপুণ শিল্প" গল্পটা যখন শুরু করি ভাবতেও পারিনি শেষটা এরকম ভয়ঙ্কর সুন্দর হবে। হ্যাঁ ভয়ঙ্কর আবার সুন্দরও বটে, গল্পটা পড়লেই বুঝতে পারবেন। গল্পের শেষ অংশ সত্যিই গল্পের নামকরণকে সার্থক করে তুলেছে।
[এই গল্পের মধ্যে কিছু জানার বিষয় ছিল
সেটাই আলাদা করে তুলে এখানে যোগ করলাম, অবশ্য এটা রিভিউ এর অংশ না।
* মাদার অফ পার্ল : ঝিনুকের খোলার ভেতরের পিঠটা কেমন মুক্তোর মতো ঝকঝকে আবরণে ঢাকা থাকে,তাকে বলে মাদার অফ পার্ল। এক কালে সারা পৃথিবীতে এর দ্বারা তৈরী শিল্পসামগ্রির ভয়ঙ্কর কদর ছিল।
* সমুদ্রের জলে ফসফরাস থাকার কারণে রাতের অন্ধকারেও ঢেউএর ফসফরাস জ্বলে।]

" মাননীয় অমানুষ" গল্পটাকে ঠিক কোন ঘরানার মধ্যে ফেলা যায় বুঝতে পারছি না, এটাকে সাইন্স ফিকশন বলা যেতে পারে🤔! এটা একটা অন্যরকম গল্প, গ্রহান্তরের মানুষের পৃথিবীতে আসা,এখানে এসে চিরকাল কাটিয়ে যাওয়ার গল্প।

বইটি ৩দিন ধরে পড়ছি। জানিনা আজ পড়ার mood নাই, নাকি শেষ গল্পটার (ঘাতকের মুখ) জোর নাই !! শেষ গল্পটা তেমন ভালো লাগলো না, তবে খারাপ যে তা নয়।
Profile Image for Gourab Mukherjee.
164 reviews23 followers
December 7, 2019
বইটিতে মোট তিনটি গল্প আছে। আমার পড়তে দুদিন লেগেছে। 154 পাতার বই।

1) মৃত্যুর নিপুণ শিল্প - একটি অসাধারণ science-fiction গল্প। খুব সুন্দর সাজানো এবং শেষ আরও অদ্ভুত। লেখকের চিন্তাশক্তির তারিফ না করে উপায় নেই। বইএর সেরা গল্প আমার এটিকেই লেগেছে।

2) মাননীয় অমানুষ - এটি cosmic fiction genreর অন্তর্গত। গল্পের মধ্যে দিয়ে লেখক ভালো একটি শিক্ষা পূর্ণ মেসেজ দিয়েছেন। গল্পের প্রেক্ষাপট সাধারণ ভাবনা চিন্তার বাইরে। মন ভালো করে দেওয়া, চোখে জল এনে দেওয়া এক গল্প।

3) ঘাতকের মুখ - একটি ক্রাইম based উপন্যাসের মত এই গল্পটি। গল্প এগোতে এগোতে অনেক স্তর উন্মোচন হতে থাকবে আর আপনি আসল খুনীর খোঁজে ক্ষেপে উঠবেন। গল্পের প্রথম থেকে শেষ অব্দি টানটান উত্তেজনা। গল্পটি শুরু করলে শেষ না করে উঠতে পারবেন না এমন গল্প এটি।

সব মিলিয়ে বলব বইটি তিনটি একদমই ভিন্ন স্বাদের গল্পের একটি সংগ্রহ। একই ধরনের গল্প পড়ে bore হয়ে গিয়ে থাকলে এই বই আপনাকে নিরাশ করবে না। লেখকের কৃতিত্বের কথা আলাদা করে বলার চেষ্টা করাই বেকার। তিনি অসাধারণ। 😍😍 তার চিন্তা ভাবনার লেভেল অন্য লেভেলে আছে।
14 reviews
July 14, 2024
5 Star ই দেওয়া যেতো.. কিন্তু দ্বিতীয় গল্পটা একটু unrealistic লেগেছে! তৃতীয় গল্পটা just অসাধারণ!!
Profile Image for Diptajit Misra.
47 reviews27 followers
June 10, 2019
#পাঠ_প্রতিক্রিয়া
বইয়ের নাম: মৃত্যুর নিপুণ শিল্প
লেখক: সৈকত মুখোপাধ্যায়
প্রকাশনা: অরণ্যমন
মূল্য: ১৭৫₹

সৈকত মুখোপাধ্যায়ের লেখার মূল পুঁজি বলা যায় ওঁর গল্পের গতি আর বর্ণনা। এতটাই পিকটোরিয়াল হয় সেই বর্ণনা যে পড়তে পড়তে মনে হয় শব্দগুলো পড়ছিনা, বরং শব্দ দিয়ে বোনা ঘটনাগুলো দেখছি। এই বইতে আছে তিনটে নভেলা। এক এক করে আলোচনায় আসি।
মৃত্যুর নিপুণ শিল্প: এই গল্পটা প্রকৃতপক্ষে বায়োথ্রিলার। স্পয়লার না দিয়েও এটা বলা যায় যেভাবে গল্পটা বোনা হয়েছে, তার বহু দৃশ্য যেন চোখের সামনে ভাসছিল। বিশেষতঃ গল্পের শেষটা লেখক এত সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন, মনে হচ্ছিল মেডুসাকে দেখতে পাচ্ছি।
মাননীয় অমানুষ: মহাজাগতিক থ্রিলার বলা যায় এই গল্পটাকে। ব্যক্তিগত মত, গল্পটা বড্ড তাড়াহুড়ো করা হয়েছে। মঙ্গলের ভাবনাচিন্তা, ক্রিয়াকলাপ, এগুলোকে নিয়ে হয়ত আরও খেলা যেত।
ঘাতকের মুখ: পাঠক হিসেবে আমার মনে হয়েছে খুব খাজা গল্প। প্লটের দিক থেকে ইউনিক, কিন্তু গল্পটা সাজাতে গিয়ে বারবার ঘেঁটে গেছে। শেষের প্লট টুইস্টটা ছাড়া আর কিছুই তেমন প্রশংসনীয় পেলাম না।
মোটের ওপর সুখপাঠ্য বই। হাতে নিয়ে বসলে ভাষার টানে এগিয়ে যাবেন গড়গড় করে।
Profile Image for Moumita Yasmin.
5 reviews7 followers
March 1, 2021
১ম গল্প - মৃত্যুর নিপুণ শিল্প : শুরুটা চমৎকার ছিল।শেষটা খাপছাড়া লেগেছে। রেটিং ৩.৫
২য় গল্প - মাননীয় অমানুষ : বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর অংশটুকু বাদে বাকিটা ভাল ছিল :D রেটিং ৩।
৩য় গল্প - ঘাতকের মুখ : সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। রেটিং ৩.৭৫।
Profile Image for ক্ষুধিত পাঠক.
27 reviews3 followers
May 7, 2021
মৃত্যুর নিপুণ শিল্প, প্রথম গল্পটি বায়োথ্রিলার বললে সঠিক কথা বলা হয়। মনস্তাত্বিক জটিলতা, সাসপেন্সের চমতকার মিশ্রণ। বাকি দুটি কাহিনী, মাননীয় অমানুষ ও ঘাতকের মুখও অত্যন্ত ভাল গল্প। পড়তে শুরু করলে রুদ্ধশ্বাসে শেষ করতে হবে এ বাজি রেখে বলা যায়।
Profile Image for ANGSHUMAN.
229 reviews8 followers
May 28, 2021
তিনটি গল্প আছে বইটিতে,তিনটিই একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার মত রচনা। তিনটি গল্পের সাদৃশ্য একটিই বিষয়ে,প্রতিটি গল্পেই এক বা একাধিক মৃত্যর ঘটনা ঘটেছে। সুন্দর ভাবে কাহিনী এগিয়ে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বেশ টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পেরেছেন সৈকত বাবু, এখানেই লেখকের কেরামতি।
Profile Image for Debayan Koley.
39 reviews3 followers
July 23, 2020
লেখকের 'ঈশ্বরের নষ্ট ভ্রূণ' পড়ে যতোটা মুগ্ধ হয়েছিলাম, এটা পড়ে ততোটাই হতাশ হয়েছিলাম। লেখকের পরিচিত দক্ষতাটুকুই নিরুদ্দেশ এখানে। কাহিনীবিন্যাস খুবই দুর্বল লেগেছে
Profile Image for DIPANJAN MUKHERJEE.
71 reviews
January 24, 2026
1.মৃত্যুর নিপুণ শিল্প 4/5
২.মাননীয় অমানুষ(3.5/5)
৩.ঘাতকের মুখ 4/5
A VERY GOOD BOOK WITH THREE DIFFERENT GENRE STORIES WRITTEN BY MY FAV SAIKAT MUKHOPADHYAY SIR
4/5
Profile Image for Mrinmoy Bhattacharya.
226 reviews36 followers
March 30, 2022
এই বইটি ‛ডার্ক ফিকশন’ জঁনরার তিনটি বড়োগল্প বা উপন‍্যাসিকার সংকলন ।

📜 মৃত্যুর নিপুণ শিল্প : ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটা অ্যান্টিক শপে মেলে ‛মাদার অব পার্ল’-র কিছু অদ্ভুত পুতুল । সেগুলি বিভিন্ন জীবিত অবয়বের অসামান্য নকল । এত জীবন্ত, দেখলে মনে হয় যেন ডাকলেই সাড়া দেবে । কে সেই শিল্পী ? কীভাবে তৈরি হল ওই শিল্প ? পোড় খাওয়া অ্যান্টিক ব‍্যবসায়ী অসিতের মনে প্রশ্ন জাগে, সে কুণালকে নিয়ে খোঁজ করতে শুরু করে কিভাবে এই জিনিস কুণালের কাছে পৌঁছাল । খোঁজ করতে করতে তারা পৌঁছে যায় এক অপ্রকৃতিস্থ বায়োলজিস্ট সুধাকর আপ্তের কাছে । তাঁর বাড়িতেই কুণাল আর অসিত খোঁজ পায় এক ভয়ঙ্কর জিনিস ‛মেডুসা'র । কি এই 'মেডুসা'?

▫️দুর্দান্ত একটি ‛বায়ো-থ্রিলার’। লেখকের কলমের গুণে এক অদ্ভুত সাসপেন্স তাড়িয়ে বেড়ায় গোটা উপন্যাসিকা জুড়ে । এইরকম ইউনিক প্লটের ‛বায়ো-থ্রিলার’ বাংলায় আর লেখা হয়েছে বলে আমার (ব‍্যক্তিগতভাবে) মনে হয় না ।

📜 মাননীয় অমানুষ : উত্তরবঙ্গের একটি ছোট, অখ্যাত জনপদে সত্তরের দশকে পুলিশের হাতে ধর্ষিতা হয় একটি মেয়ে । সে নকশাল হয়ে মুক্তি খুঁজতে চেয়েছিল । তার জীবন রক্ষা করে এমন একজন পুরুষ, যে কোথা থেকে এসেছে তা কেউ জানত না । অথচ সেই পুরুষ হয়ে উঠেছিল অনেকেরই মুক্তির পথ-প্রদর্শক । কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর তাকে নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হতে থাকে । তাঁর সম্পর্কে এলাকায় কেউ কিছুই জানে না । এলাকার তরুণ সাংবাদিক সায়নের কাছে মিউনিসিপ্যালিটির চেয়ারম্যান অনুরোধ করেন সেই মানুষটির পূর্ব জীবন সম্পর্কে অনুসন্ধান করার জন্য । সেই সন্ধান করতে গিয়ে সায়ন ও তাঁর স্ত্রী তিস্তা জানতে পারে কিছু চমকপ্রদ তথ্য । ইতিমধ্যেই সেই মানুষটির সমাধিক্ষেত্রের পাশে পাওয়া যায় একটি মৃতদেহ । এই মৃত্যু কি সুপরিকল্পিত খুন নাকি অন্যকিছু ? উন্মোচিত হয় এক মহাজাগতিক রহস্যগাথা ।

▫️ব‍্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়েছে এই উপন‍্যাসিকাটি সংকলনের সবচেয়ে ‛দুর্বল’ লেখা । কিন্তু তবুও বর্ণণা এবং ভাষার নৈপুণ্যে উপন‍্যাসিকাটি একটানে পড়ে ফেলা যায় ।

📜 ঘাতকের মুখ : সাঁওতাল পরগনার অখ্যাত এক গ্রামে ছুটি কাটাতে গিয়েছিল সাতজন । কিন্তু সেখানে গিয়ে এক অভাবনীয় পরিস্থিতির সম্মুখীন হন তাঁরা । ঘটনাক্রমে এঁদের মধ্যে দুজন সেখানকার এক শ্মশানবাসী 'জানগুরু'র রোষানলে পড়েন এবং তাঁর অভিশাপের শিকার হন । সত্যিই দেখা যায় 'জানগুরু'র সেই অভিশাপ ফলে যায় এবং যাঁদের অভিশাপ দিয়েছিলেন তাঁরা মারা যায় । কে এই জানগুরু ? সত্যিই কি তাঁরা 'ভুডু' ম্যাজিকের শিকার ? নাকি এই পৈশাচিক ঘটনার আড়ালে অন্য কোনো চক্রান্ত আছে ? আজ কুড়ি বছর পর সেই দলেরই এক বালক স্মৃতি হাতড়ে খুঁজে বের করলো কিছু অজানা সত্য । কোন সত্যের উদঘাটন হয় কুড়ি বছর পর ?

▫️এই উপন‍্যাসিকাটি মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা ও তীব্র সাসপেন্সের চমৎকার মিশেল । কাহিনীর শুরুতে বেশ কিছু অলৌকিক উপাদান থাকলেও, এটি আসলে ‛সাইকোলজিক‍্যাল থ্রিলার’।
Profile Image for Habiba♡.
352 reviews22 followers
August 11, 2020
বই- মৃত্যুর নিপুন শিল্প
লেখক-সৈকত মুখোপাধ্যায়
প্রকাশক- ফেরিওয়ালা প্রকাশনী,কলকাতা
জনরা- থ্রিলার/মিস্ট্রি
পৃষ্টা সংখ্যা-১৫২
মুদ্রিত মূল্য-১৭৫ রুপি

সৈকত মুখোপাধ্যায় এর এই বই 'মৃত্যুর নিপুণ শিল্প' তে তিনটি রহস্য উপন্যাসিকা রয়েছে।প্রতিটিই এককথায় দারুন!।
১.মৃত্যুর নিপুণ শিল্প-কলকাতার 'কিং কোবরা নামের একটি এন্টিক শপের মালিক কোনাল বাবু।তার পাশের দোকানেই আরেকজন এন্টিক শপের মালিক তার জ্যেষ্ঠ অসীত ব্যানার্জি।ঘটনাক্রমে কোনালের কাছে একটি জিনিস আসে যেটি মাদার অফ পার্ল বা ঝিনুকের ভিতরের অংশ দিয়ে তৈরি।এবং এটি অতি দূর্লভ।দুজনেই যখন সন্ধানে নেমে পড়ে তখন তারা খোঁজ পাই এক মেরিন বায়োলজিস্ট এর।অসিত ব্যানার্জি মুখোমুখি হয় মেডুসা' নামের এক আতঙ্কের।
এই উপন্যাসিকাটা বেশ ভালো লেগেছে।শেষটা দারুণ উপভোগ্য।

২.মাননীয় অমানুষ- নীলপাড়া নামক পাহাড়ঘেরা এক মফস্বল শহরে বাস করে সায়ন দেবনাথ।পেশায় সাংবাদিক।একই শহরের সবার মুখপাত্র মাস্টার সাহেব রিচার্ড অনন্ত মিত্র'র মৃত্যুর পর সায়নকে মাস্টার সাহেবের স্মরণিকা লিখতে বলা হয়।কিন্তু অবাক কান্ড নীলপাড়ার প্রত্যেকে মাস্টার সাহেবের কাছে লেখাপড়া শিখলেও কেউ তার সম্পর্কে কিছু জানেনা।সায়ন তার স্ত্রী তিস্তার সাথে অনুসন্ধানে নেমে পড়ে।তখনই মাস্টার সাহেবের কবরের পাশে এক ভয়ানক খুন হয়।..কেইবা করল এই খুন?দেবযান জিনিসটা কী?

৩.ঘাতকের মুখ- মণিমোহন মিত্র একজন গল্পকার।২৫ বছর আগের এক ভয়ানক ঘটনা নিয়েই তার কাহিনী।
সেই সময়ে তিনি,তার স্ত্রী মন্দিরা,লেখক বন্ধু শ্যামল রায়, তার স্ত্রী মীনা,প্রকাশক ভূপতিনাথ এবং তার ছেলে টুনু সবাই মিলে লালীটাড় নামে এক সাওঁতালি গ্রামে ঘুরতে যায়।ঘটনাক্রমে সেখানের এক শশ্মানে তারা জানগুরুর অভিশাপের শিকার হয়।এই অভিশাপ প্রাণ কেড়ে নেয় কারো কারো।আসলেই কী অভিশাপের কারণে তারা মারা গেলো?

তিনটি গল্পেই তিন ধরনের স্বাদ পাবেন।বায়োলজিক্যাল থ্রিলার,সায়েন্স ফিকশন এবং সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার।তিনটার কম্বিনেশনে বইটি অসাধারণ।
Profile Image for আহনাফ তাহমিদ.
Author 36 books80 followers
March 1, 2018
এটাই আমার এই লেখকের লেখা প্রথম বই। মুগ্ধ হয়েছি। তবে তিনটে গল্পের মধ্যে "মৃত্যুর নিপুণ শিল্প"কেই এগিয়ে রাখব। এটাকে সাইফাই কিংবা হরর যে কোনো জনরা হিসেবেই পড়তে পারবেন। কিউরিও শপ থেকে গল্পটা চলে গেল চমৎকার একটা ভূতুরে আবহে। হ্যা, লেখক মৃত্যুর শিল্পটাকে নিপুণভাবেই ফুটিয়ে তুলেছেন। ভালো লাগবে, আমার বিশ্বাস...
"মাননীয় অমানুষ" গল্পের মোড়টা এভাবে ঘুরে যাবে, ভাবি নি। প্রথমে ভাবছিলাম লেখক রিচার্ড অনন্ত মিত্রকে এভাবে পোট্রে করছেন কেন? যখন আরো ভেতরে ঢুকলাম, অবাক হয়েছি। মানবিক একটি গল্প, সাথে বারো আনা সাইফাইয়ের মিশেল। গল্পটাকে নতুন একটা মাত্রা এনে দিয়েছে...
"ঘাতকের মুখ" গল্পের শুরু থেকেই বুঝে গিয়েছিলাম খল চরিত্রটি কে। তারপরও টুনু যেভাবে ঘাতকের মুখকে দৃশ্যমান করলো, লেখকের তারিফ করতেই হয়...
উপভোগ করেছি বেশ
Profile Image for ইমতিয়াজ আজাদ.
54 reviews52 followers
March 21, 2019
মোট ৩টি গল্প এই বইয়ে। 'মৃত্যুর নিপুণ শিল্প', 'মাননীয় অমানুষ' আর 'ঘাতকের মুখ'। বইটা খারাপ লাগেনি বটে, তবে কোথায় যেন একটা খেদ রয়ে গেল। প্রত্যেকটা গল্পই যেভাবে শুরু হয়েছিল, শেষতক আর সেরকম থাকেনি।

মৃত্যুর নিপুণ শিল্প গল্পটা এককথায় আউটস্ট্যান্ডিং। কিন্তু মাননীয় অমানুষ গল্পটা খুবই এভারেজ। ঘটনা কী ঘটতে যাচ্ছে, তা মাঝপথেই ধরে ফেলেছিলাম। বাকি থাকল আর ঘাতকের মুখ। এটার শুরুটাও ছিল দুর্দান্ত। কিন্তু শেষ করে মন ভরল না।

সব মিলিয়ে তাই ৩ তারাই দিলাম।
Profile Image for Shahjahan Shourov.
162 reviews24 followers
July 29, 2017
ভাল লেগেছে।
৩টা গল্প নিয়ে বই সাজানো। মৃত্যুর নিপুণ শিল্প, মাননীয় অমানুষ এবং ঘাতকের মুখ। প্রতিটি গল্পই ভিন্ন স্বাদের। আমার ব্যক্তিগত পছন্দ শিরোনামের গল্পটাই। শেষটাও খারাপ লাগেনি। একভাবে শুরু করে, অন্যভাবে শেষ হয়েছে গল্প। সৈকত মুখোপাধ্যায়ের লেখা এই প্রথম পড়লাম। তাঁর বর্ণনা ভাল লেগেছে। আর ভাললেগেছে, মোলায়েম করে থৃলার লেখার কায়দা।
Displaying 1 - 26 of 26 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.