Jump to ratings and reviews
Rate this book

অপার্থিব

Rate this book
Year: Around 2065. Most of the planet is under the occupation of eight rival Corporations.
Backdrop: 4.24 light years away from earth, on the planet Corona in Proxima Centauri star system where trace of life has been found.
Mystery: A group of scientists, sent to Corona by a corporation, is rapidly regressing to a state of infantilism.
Investigator: Darius Majumdar. Professional hacker. Anarchist activist once caught in an act of sabotage and sentenced to lifetime imprisonment by the corporation. This mission therefore is not a choice to him, neither an offer of redemption.
Possibilities: One, Darius will solve the mystery. Two, Darius will himself get reduced to the mysterious infantile state. Three, He will sabotage the cause of Corporation on Corona. Four, there are no mystery involved in the events other than some despicable games played by the Corporation. Five, some unexpected revelation awaits him at Corona.

Compared to other works of science fiction in Bengali, in terms of backdrop, plot, characters, language or connotation, Aparthibo is markedly different. Even its target readership is also different. Aparthibo is in no way to be considered as juvenile literature.

128 pages, Hardcover

Published May 31, 2017

30 people want to read

About the author

Anindya Sengupta

3 books13 followers
Anindya Sengupta teaches at the Department of Film Studies, Jadavpur University, Kolkata, India. His debut novel in Bengali, a science fiction, was followed by a sci-fi anthology. His latest sci-fi novel is titled 1982.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
4 (23%)
4 stars
11 (64%)
3 stars
1 (5%)
2 stars
1 (5%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 37 books1,867 followers
October 21, 2018
‘বৈভাষিক’ নামক প্রকাশনা থেকে, অভীক কুমার মৈত্রের চমৎকার প্রচ্ছদে শোভিত হয়ে, মে ২০১৭-য় প্রকাশিত হয়েছে ১২৮ পৃষ্ঠার এই হার্ডকভারটি।

এই বইয়ের লেখক, অর্থাৎ শ্রী সেনগুপ্ত পেশাদার লেখক নন। মূল উপন্যাস শুরুর আগে অভিজিৎ গুপ্ত কর্তৃক লিখিত একটি অমূল্য ‘অবতরণিকা’, এবং উপন্যাসের শেষে লেখকের সৎ ও আন্তরিক ‘উত্তরকথা’, এই দুটি অংশই প্রমাণ করে দেয়: এই বই ব্যবসায়িক প্রেরণা, বা লেখক হিসেবে নাম কেনার অপচেষ্টা-সঞ্জাত নয়, বরং কল্পবিজ্ঞান তথা জঁর ফিকশনের প্রতি ভালোবাসা, এবং মাংসের বদলে মস্তিষ্কের কাছে আবেদন করার তাগিদ, এই দুই আবেগানুভূতির ফলেই চলচ্চিত্র বিভাগের অধ্যাপক শ্রী সেনগুপ্ত এই উপন্যাসটি লিখেছেন।

কথাটা একই সঙ্গে আনন্দের, ও ভয়ের।

আনন্দের, কারণ কল্পবিজ্ঞান চর্চাকে ‘ধূম মচিয়েছে’ বা ‘কেন কী’ স্তরের লঘু গদ্য, এবং কাকাবাবুর ছেঁড়া স্যুটকেসে টাইম ট্র্যাভেলের চাবিকাঠি খুঁজে পাওয়ার প্লটের থেকে ওপরে তুলতে গেলে প্রয়োজন উচ্চ মেধা, এবং অধীত প্রজ্ঞা ও সচেতনতার লজ্জাহীন বৌদ্ধিক উন্মেষ। কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যকে ফ্যান্টাসির সঙ্গে একাকার করে দিয়ে তাকে বালখিল্য স্তরে নামানো, যাতে মুড়ি ও মিছরি দুজনেরই দর সেই হাটে এক হয়, বাংলা সাহিত্যকে ইতিমধ্যেই নীরক্ত করে দিয়েছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এমন এক নিপাট “অয়ম অহম ভোঃ” শুনলে আশা জাগে বইকি।

ভয়ের, কারণ বিদেশি সিনেমার ভাষায় দীক্ষিত অধিকাংশ বাঙালির মতোই শ্রী সেনগুপ্ত বাংলা লেখেন ইংরেজিতে। নমুনা পেশ করা যাক কয়েক পিস:

“আমার ইচ্ছের বা সম্মতির কোনো সুযোগ ছিল না বলাই বাহুল্য, কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশীদার যে সামাজিক রেপেল্যান্ট আমি, তার কাছে চয়েস বলে বাহুল্যটি থাকে না খুব একটা।”
বা,

“এই নির্বাসনের বিকল্পে মঙ্গলের কারাগারে যে নির্বাসন আমার কপালে ছিল তা যে কতটা যন্ত্রণাদায়ক হত সেই নিয়ে চিফ কমান্ডার যখন জ্ঞানগুলি দিচ্ছিলেন সেই বক্তৃতাকে আমার খ্রিশ্চান সারমনের নরকদশা সম্পর্কিত হুমকির মতোই শুনতে লাগছিল।”
এবং,

“পরবর্তী চাঞ্চল্য ও রহস্য সমাধানের গল্প উহ্য রেখে বলা যায় যে এই নিশ্চিত তথ্যে পৌঁছোনো গিয়েছিল যে বুধের অদূরবর্তী একটি স্থানে ভয়েজার - ৩ একটি ওয়ার্মহোলের সম্মুখীন হয়েছিল - … -যে সুড়ঙ্গমুখ থেকে বেরিয়ে ভয়েজার – ৩ মানুষকে একটি টাটকা নতুন তারকামণ্ডলের খবর পাঠাতে আরম্ভ করেছিল।”
এই বাক্যগুলো পড়ে আপনি যদি শিবনেত্র হয়ে গিয়ে থাকেন, তাহলে আপনাকে খুব একটা দোষ দেওয়া যায় না। তবে আমি কেসটা বুঝেছিলাম। মাথার মধ্যে ভাবনাগুলো ইংরেজিতে এলে বাক্যগুলোও ফিউচার ইনডেফিনিট আর স্প্লিট ইনফিনিটিভ হয়ে যায়, ফলে কথাগুলো বেরোয় আমাদের চেনাজানা কলা বা আপেলের বদলে ডুরিয়ান হয়ে। তবে এই ‘ইংলা’-তে একবার অভ্যস্ত হয়ে গেলে, এবং লেখকের নিজের ভাষাটাও সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে অনেকটা বাংলা হয়ে এলে আপনি যে কাহিনির মধ্যে প্রবেশ করবেন তা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আক্ষরিক অর্থে অভূতপূর্ব, এবং অসমসাহসিক এক প্রয়াস।

হ্যাঁ, এতেও আছে পৃথিবী থেকে ৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরের এক মনুষ্য বসবাসোপযোগী গ্রহ ‘করোনা’-তে বৈজ্ঞানিকদের পাঠিয়ে প্রথমে গবেষণা, এবং পরে তার সম্পদ আহরণের পরিকল্পনা। কিন্তু তা বাদে এই গল্প বাংলা ভাষায় ভিনগ্রহ ও ভিনগ্রহীদের নিয়ে লেখা যেকোনো তথাকথিত অ্যাডভেঞ্চারের থেকে আলোকবর্ষ দূরে দাঁড়িয়ে আছে, সগর্বে।

আজ থেকে পঞ্চাশ বছর পরের যে ডিস্টোপিয়ান পৃথিবীর বুকে এই ঘটনা ঘটেছে তার কাল্পনিক, অথচ যেকোনো সংবেদী মানুষের রক্তকণিকায় আতঙ্কের কাঁপন তোলা বিবরণ এখানে এসেছে নায়ক দারিয়াস মজুমদারের টুকরো-টুকরো কথা আর স্মৃতির মাধ্যমে। সেই বিবরণ কাল্পনিক হয়েও কোথায় যেন ভয়ঙ্কর রকম সত্য, কারণ ‘আমাদের’ সময়ের ঘটমান বর্তমান থেকে সেই অনাগত ভবিষ্যতের মাঝের পথটার যে ছবি অল্প আঁচড়ে এঁকেছেন লেখক, তার সর্বাঙ্গে অনুরণিত হচ্ছে কালের যাত্রার ধ্বনি।

সেই পৃথিবীতে, যার সিংহভাগ ৮টি যুযুধান কর্পোরেশনের দখলে, কর্পোরেশনের চোখে অ্যানার্কিস্ট অ্যাক্টিভিস্ট এক দুর্ধর্ষ হ্যাকার হল দারিয়াস মজুমদার। মঙ্গলের জেলে পচার হাত থেকে রেহাই পাওয়ার একটা পথ হঠাৎ করে তার সামনে খুলে গেল, যখন একটি কর্পোরেশন তাকে নির্বাচিত করল একটি মিশনের জন্য।
যে-সে মিশন নয়, রীতিমতো সত্যানুসন্ধান, এবং অপরাধীকে চিহ্নিত করে নিকেশ করার মিশন নিয়ে দারিয়াস রওনা হল করোনা গ্রহের দিকে, যেখানে পাঠানো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীরা জড়বুদ্ধিসম্পন্ন হয়ে যাচ্ছেন হঠাৎ করেই, আর তারপর মারা যাচ্ছেন।

দারিয়াসকে বের করতে হবে, কী ঘটছে ওই গ্রহে?

আজীবন কর্পোররেশনের দানবিক নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে লড়ে চলা দারিয়াস কি পারবে এই গ্রহের, তথা বিজ্ঞানীদের এই অদ্ভুত পরিবর্তনের রহস্যভেদ করতে?
ঠিক কী জানতে পারবে সে নিজের অনুসন্ধিৎসা, শ্রম, ভালোবাসা, এবং জীবন দিয়ে?

রং চড়ানো ফ্যান্টাসি নয়, বরং জীবন, শরীর, ও অস্তিত্বের অনুসন্ধানের এই গভীর, বহুমাত্রিক, এবং হু/হোয়াই/হাউ-ডান-ইট ছাপানো কাহিনিটি রচিত হয়েছে প্রাপ্তবয়স্ক তথা প্রাপ্তমনস্ক পাঠকের কথা মাথায় রেখেই, যা বাংলা ভাষায় বিরল, কারণ জঁর ফিকশন, বিশেষত কল্পবিজ্ঞান এখানে এখনও ‘ছোটোদের’ জন্যই সংরক্ষিত।
১৮০/- টাকা দামটা বেশি লাগছে ভেবে এই বইটি যদি না পড়েন, তাহলে শুধু যে বাংলায় মৌলিক কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শনটিকে পড়া থেকে বঞ্চিত হবেন তাই নয়, আমের বদলে মাকাল ফলে বাজার ভরার পথটিও কিন্তু অপ্রত্যক্ষ ভাবে প্রশস্ত করবেন।
Profile Image for Ishita Karmakar.
16 reviews13 followers
June 1, 2021
আনুমানিক ২০৬৫ সাল..আটটি যুযুধান কর্পোরেশনের শাসনে পৃথিবী..৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরে প্রক্সিমা সেন্টরি তারকামন্ডলের গ্রহ করোনা,যেখানে প্রাণ আছে..একটি কর্পোরেশন থেকে পাঠানো বিজ্ঞানী অভিযাত্রীদলের সদস্যরা একের পর এক বোধবুদ্ধিহীন জড়ভরতে পরিণত হচ্ছে..রহস্যের সমাধানে সেখানে পাঠানো হয় সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হ্যাকার দারিয়াস মজুমদারকে..তারপর?

হ্যাঁ,এতদূর পড়ে পুরোটা পড়ার জন্য প্রাণ হাঁকপাঁক করলে দোষের কিছু নেই।বলছিলাম সদ্য প্রকাশিত 'অপার্থিব' ব‌ইটির কথা।বাংলা কল্পবিজ্ঞানের ছোট্ট পরিসরে অনিন্দ্য সেনগুপ্তর লেখা নবতম সংযোজন।প্রায় অবহেলিত এই জঁরে প্রাপ্তমনস্ক,প্রাপ্তবয়স্ক উপন্যাস চোখে না পড়ার মতই।তাই খবর পাওয়ামাত্র সংগ্রহ করতে দেরি করিনি।
পড়তে বসে শুধু পড়াই হলনা,লেখকের কলমের পিছু পিছু বিচরণ করলাম বিচিত্র রাজনৈতিক, সমাজতাত্ত্বিক,মনস্তাত্ত্বিক ডোমেনে।'হোক কলরব' এবং যাদবপুর ঘরানার অ্যানার্কির প্রভাব সুস্পষ্ট।হ্যাকার দারিয়াস মজুমদারের চরিত্রটি যেন পুঁজিবাদী সমাজে বসে পুঁজিপতির গালে সোচ্চার থাপ্পড়।
কল্পবিজ্ঞান হিসেবে খুব নতুন কিছু ধারণা যে পেয়েছি তা নয়,নতুন বসবাসযোগ্য গ্রহ করোনা..ওয়ার্মহোল..হাইবারনেশন..সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম..চেতনারেণু..সিরিয়াস কল্পবিজ্ঞানপ্রেমীদের কাছে অপরিচিত নয়।
লেখকের আসল মুনশিয়ানা হল আদ্যন্ত ক্ষয়িষ্ণু একটা সমাজের বেঁচে থাকার লড়াইকে কল্পবিজ্ঞানের ফরম্যাটে পরিবেশন করা।শেষ অব্দি দারিয়াস কিন্তু এক প্রলেতারিয়েত প্রতিবাদী প্রতিনিধিই রয়ে যায়,যার কাছে প্রেম,মিশন অবদমিত হয়ে শেষ��র্যন্ত বেঁচে থাকে কর্পোরেশন সিস্টেমের বিরুদ্ধে জেহাদ।
উপন্যাসের ভাষা সহজপাঠ্য নয় এবং সেটা তিনি সচেতনভাবেই করেছেন,এ পর্যন্ত ঠিকই আছে।অভিযোগটি হল,ইংরেজী শব্দবন্ধের বহুল ব্যবহার।অনেকেই কিন্তু এখন কল্পবিজ্ঞান লিখছেন,এবং যথাসম্ভব বোধগম্য বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহার করেই।এটাও কি সচেতনভাবেই করা?তাহলে বলতে হয় অনেক জায়গায় স্বাভাবিক গতিরোধ হয়েছে।মানে বোঝার অসুবিধের কথা বলছি না,ভাষার ছন্দবদ্ধতা বলেও সাহিত্যে একটা ব্যপার তো আছেই।
তবুও,প্রথম উপন্যাস হিসেবে যথেষ্ট‌ই বেড়া ভেঙেছে লেখাটি।ধন্যবাদ অনিন্দ্যবাবু,আর‌ও অনেক ফরম্যাটের হাতছানিকে উপেক্ষা করে কল্পবিজ্ঞানের হাত ধরার জন্য।এই উপন্যাস যে আপনি অন্যভাবেও লিখতে পারতেন,আপনার কলম তা প্রমাণ করে।তবে সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রযন্ত্রের কৃপাদৃষ্টি যে আপনার উপর বর্ষিত হতনা,সেটা গ্যারান্টি...
Profile Image for Deepro Roy.
45 reviews10 followers
March 23, 2021
বাংলা কল্পবিজ্ঞানে নায়কের চরিত্র যেমন হওয়া উচিৎ, অর্থাৎ যেমনটা ভাবানো হয়েছে এদ্দিনযাবৎ, তার ছাঁচটা লেখক অনিন্দ্য সেনগুপ্ত সযত্নে ভেঙে রিবুট করেছেন। বাংলাসাহিত্যের কল্পবিজ্ঞানের অল্প প্রাপ্তবয়স্ক হওয়াও এই উপন্যাসের হাত ধরে৷ নজর কেড়েছে অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতার পাঠ, যা কিনা সচেতনভাবেই বহু কল্পবিজ্ঞানের গল্পে এড়িয়ে যাওয়া হয়। মার্গারেট অ্যাটউডের ম্যাডঅ্যাডাম ট্রিলজির ছোঁয়াও পাওয়া যাবে স্থানে স্থানে। এককথায়, কল্পবিজ্ঞানের পোকা না হলেও আপনাকে কিছু প্রশ্নের সম্মুখীন করাবে ও এন্টারটেইন করবে, একইসাথে এই বই। লেখক চলচ্চিত্রবিদ্যার অধ্যাপক হলেও সাবলীলভাবে সামলেছেন সাহিত্যের আনাচকানাচে ঘোরাফেরা, তবে ইংরেজিমিশ্রিত বাংলা, কিছুক্ষেত্রে নিরন্তর চলিতবাংলা পড়ালেখাবলা স্মৃতিতে সময়ে সময়ে বেখাপ্পা ঠেকেছে৷
Displaying 1 - 3 of 3 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.