সিকিমে একদল দুবৃত্তের তাড়া খেয়ে। পালাতে গিয়ে মারা যান বাংলা ভাষার বিশিষ্ট গবেষক তীর্থপতি মিত্র। দীর্ঘদিন ধরে তীর্থপতি খুঁজছিলেন বাংলা ভাষার এক পুঁথি। সেই পুঁথির জন্যই কি তাকে মরতে হল? কে বা কারা তাঁকে মারল? তীর্থপতির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অবসরপ্রাপ্ত বাংলার অধ্যাপক সোমনাথ ভট্টাচার্য সন্দেহ করলেন ওই পুঁথির সঙ্গে তীর্থপতির মৃত্যুর যোগ আছে। প্রিয় ছাত্র শুভময়কে ডেকে তিনি নির্দেশ দিলেন তীর্থপতির অসমাপ্ত কাজ শেষ করার। শুভময়ের সঙ্গে থাকল তীর্থপতি মিত্রের একমাত্র মেয়ে অনসূয়া। শুভময় কি খুঁজে পেল সেই পুঁথি? ওই পুঁথি নিয়ে কেন এত টানাপোড়েন? কেনই বা মরতে হয়েছিল তীর্থপতি মিত্রর মতো গবেষককে? এই নিয়েই সিজার বাগচীর টানটান থ্রিলার।
সিজার বাগচী-র জন্ম ১৯৭৭ সালে। দক্ষিণ কলকাতায়। পূর্বপুরুষের বসবাস ছিল অধুনা বাংলাদেশের ময়মনসিংহে। অল্প বয়সে পিতৃহীন। কলেজে পড়ার সময়ে লেখালিখি শুরু। ফিচার, গল্প, প্রবন্ধ, সমালোচনা, চিত্রনাট্য, কথিকা, উপন্যাস। সহজ তরতরে ভাষায় লেখা সব গল্প-উপন্যাসের বিষয়ই আলাদা। এবং তা উঠে আসে রোজকার জীবনযাত্রা থেকে। বড়দের পাশাপাশি ছোটদের গল্পও লিখছেন নিয়মিত৷ নানা পেশায় যুক্ত থেকেছেন। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার চাকরি করেছেন ‘আনন্দলোক’ পত্রিকায়। বর্তমানে ‘আনন্দমেলা’য় কর্মরত৷ লেখালিখি ছাড়াও বাংলার লোকসংস্কৃতি নিয়ে কাজ করতে ভালবাসেন।
The book has been written in the Bengali language by Caesar Bagchi, an Indian writer. I have read a few short stories by the author before, but this is the first time I read a full-length novel by him.
The story starts with the accidental death of Tirthapati Mitra, researcher of the history of Bengali literature, while fleeing some unsavoury characters. Mitra had dedicated his life to the search of a forgotten manuscript written in the Bengali language. The find would change the narrative around the development of the language, and naturally would be invaluable not only to researchers but also to filthy rich collectors. Mitra's friend retd. Prof. Somnath Bhattacharya would call upon his favourite ex-student Prof. Subhomoy Bhaduri to carry on the search. Mitra's daughter would also force her way into the adventure. Then the customary threatening phone calls would start, followed by abductions, attacks and so on.
The duo would need to crack some codes, travel to the Indian north east and the good Prof. Bhaduri would get the chance to show off his martial arts skill. By the way, Subhomoy's father, Col. Bhaduri retd., had trained him from childhood for a life in the Indian army. But to his great disappointment Subhomoy choose the life of a professor of literature.
Honestly speaking the book was pretty okay-ish - nothing spectacular about it. Maybe I am looking at it with the eyes of an adult. Children would perhaps like it more than I did.
পূজাবার্ষিকীতে পড়া এই উপন্যাসটি নিয়ে হাইপ ইত্যাদি তেমন ছিল না, কিন্তু লেখাটা পড়তে আমার চমৎকার লেগেছিল। রোমাঞ্চ আর রোমান্সের যথাযথ মিশ্রণ ছিল এই বইটি। সঙ্গে উপরি হিসেবে ছিল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি অধ্যায়, আর একটা চাপা সরসতা। পরে, বই-আকারে লেখাটা পড়েও দিব্যি লেগেছিল লেখক হিসেবে সিজার কিঞ্চিৎ আন্ডাররেটেড। কিন্তু তাঁর এই লেখাটি সত্যিই পড়ার মতো এবং মনে রাখার মতো। সুযোগ পেলে অবশ্যই পড়ুন।
আনন্দমেলার সম্পাদক হিসেবে সিজার বাগচী খুব পরিচিত একটা নাম। হালকা চালে লেখা তার উপন্যাসগুলো পড়তে বেশ আরাম লাগে। 'আগুন পাহাড়ের পুথি' বই হিসেবে পড়া হয়নি। মিরচি বাংলা হতে টানা সাড়ে তিন ঘন্টা অডিও শুনে পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখছি। প্লটটা প্রচন্ড কৌতুহল উদ্দীপক। গল্পটা এগিয়েছেও খুব সুন্দর। কিন্তু শেষ অ্যাকশনটা বড্ড পানসে হয়ে গেছে।
সম্প্রীতি শেষ করলাম সিজার বাগচীর লেখা আগুন পাহাড়ের পুঁথি নামক একটি থ্রিলার উপন্যাস।নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে যে সমগ্র বই জুড়ে পুঁথির কিছু ব্যাপার থাকবে।আপনারা ভুল কিছু ভাবছেন না।সত্যিই এক পুঁথিকে নিয়েই রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।সিজার বাগচীর লেখার সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় এই লেখাটার মাধ্যমেই।সত্যিই বলতে খুবই ভালো লাগলো বইটা,এমনকি লেখকের অন্যান্য লেখাগুলো পড়ার জন্য ইচ্ছে হয়েছে।এবার আসা যাক বইয়ের বিষয়বস্তুর ব্যাপারে।
বিষয়বস্তু : - সিকিমে একদল দুর্বৃত্তের তাড়া খেয়ে পালাতে গিয়ে মারা যান বাংলা ভাষার বিশিষ্ট গবেষক তীর্থপতি মিত্র। দীর্ঘদিন ধরে তীর্থপতি খুঁজছিলেন বাংলা ভাষার এক পুঁথি।সেই পুঁথির জন্যই কি মরতে হলো তাঁকে?কে বা কারা তাকে মারলো? তীর্থপতির ঘনিষ্ট বন্ধু অবসরপ্রাপ্ত বাংলার অধ্যাপক সোমনাথ ভট্টাচার্য সন্দেহ করলেন ওই পুঁথির সঙ্গে তীর্থপতির মৃত্যুর যোগ আছে।প্রিয় ছাত্র শুভময়কে ডেকে তিনি নির্দেশ দিলেন তীর্থপতির অসমাপ্ত কাজ শেষ করার।শুভময়ের সঙ্গে থাকলো তীর্থপতি মিত্রের একমাত্র কন্যা অনসূয়া। তীর্থপতি মিত্রের বাড়ি থেকে শুভময় উদ্ধার করলো একটি নীল ডায়রি যার মধ্যে সে কিছু কোডের সন্ধান পায়।কি বলতে চাইছে সেই কোডগুলো? শুভময় আর অনসূয়া কী শেষ পর্যন্ত সেই পুঁথি খুঁজে পাবে? ওই পুঁথি নিয়ে কেনো এতো টানাপোড়েন? কেনোই বা মরতে হয়েছিল তীর্থপতি মিত্রের মতন এক গবেষককে? এই সমস্ত কিছুর উত্তর জানার জন্য অবশ্যই আপনাকে পড়ে দেখতে হবে এই উপন্যাসটি।
মতামত : - সবশেষে বলতে হয় বইটা আমার খুবই ভালো লেগেছে কারণ আমি এই ধরনের বই পড়তে খুব পছন্দ করি। এই বইটিও তার ব্যতিক্রম হয়নি।আপনি যদি থ্রিলার প্রেমী হন অবশ্যই আমি বলবো এই বইটি আপনার জন্য।তাই সবশেষে বলতেই হয় পাঠ শুভ হলো।ধন্যবাদ🙏🙏
আমার বরাবরই নতুন সন্ধান পাওয়া কোন লেখকের বই পড়তে একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করে। সিজার বাগচির লেখা আমার পড়া প্রথম বই এটি। সত্যি বলতে এখন পর্যন্ত পড়া এ বছরের সেরা বই বলা চলে আপাতত। থ্রিলার আমার বরাবরই ভালো লাগে। সেখানে বাড়তি পাওয়া হিসাবে এতবছরের পুরাতন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের কোন একটা পুঁথিকে ঘিরে রহস্যের সূত্রপাত। শুভময় আর অনসূয়া চরিত্র ২টা অসাধারণ। তবে সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে গল্প পড়তে পড়তে মোটামুটি দার্জিলিং, পেলিং, রাবাংলা, পাহাড়ের চূড়ার সেই পুরাতন মনেস্টারি সব ঘুরে আসা যায়। কি চমৎকার অনুভূতি! গল্পটা খুব ভালো লাগলো।
রেডিও মির্চি, সানডে সাসপেন্স, রেডিও মিলনের বদৌলতে ওপার বাংলার নানা সাহিত্যিকের বই পড়া হয়ে যাচ্ছে। এটা একটা ভালো দিক। রাতের বেলা শুয়ে শুয়ে কথকদের কণ্ঠে চমৎকার সব গল্প শুনে ফেলা যায়। আগুন পাহাড়ের পুঁথি সে তালিকায় নতুন সংযোজন। গল্পটা মোটের ওপর খারাপ না, তবে শেষটা আরও জমজমাট আশা করেছিলাম। শুভময় আর অনসূয়ার সাথে জার্নিটা উপভোগ করলেও রহস্য সমাধানের যে মজাটা, সেটা কেন যেন মন ভরাতে পারেনি...
শুরুটা আগ্রহ উদ্দীপনায় ভরা ছিলো। মাঝের মেয়ে দেখতে যাওয়াটা মনে হয়েছে সাধারণ ঘটনা। তারপর কোডিং দিয়েও রহস্য জমে উঠেনি ওতটা।
আর শেষের এক রাতের প্রেম কাহিনি তো পুরো লুতোপুতো লেগেছে। নায়কের কারাতে যেন সবকিছুর উপরে আসীন হয়ে উঠেছিল। তারপরও গল্পটায় ভালো লাগা আছে কিছু তাই ৩ তারকা ই সই।
This entire review has been hidden because of spoilers.
আমি সদ্য সিজার বাগচীর আগুন পাহাড়ের পুঁথি পড়া শেষ করলাম, এবং বইটি নিয়ে আমার মিশ্র অনুভূতি রয়েছে। গল্পের শুরুটা বেশ উত্তেজনাপূর্ণ, যেখানে বাংলা পুঁথি খুঁজে পাওয়ার নেশায় মত্ত গবেষক তীর্থপতি মিত্র কিছু সন্দেহজনক চরিত্রের কাছ থেকে পালানোর সময় মারা যান। তিনি যে পুঁথিটি খুঁজছিলেন, সেটা কেবলমাত্র পুরনো কোনো বই নয়—এটা বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারত এবং সংগ্রাহকদের কাছে এটা ছিল এক অমূল্য ধন। মিত্রের মৃত্যুর পর, তার বন্ধু অবসরপ্রা���্ত অধ্যাপক সোমনাথ ভট্টাচার্য তার প্রাক্তন ছাত্র শুভময় ভাদুড়িকে পুঁথির সন্ধান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। মিত্রের মেয়ে অনসূয়াও সেই অভিযানে যোগ দেয়, এবং সেখান থেকেই শুরু হয় মূল উত্তেজনা।
এরপর গল্পটি কোড ভাঙার অভিযান, ভারতের উত্তর-পূর্বে ভ্রমণ, এবং শুভময়ের কিছু মার্শাল আর্ট প্রদর্শন—যা কিনা তার অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল বাবা তাকে শিখিয়েছিলেন, যদিও সে বাবার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অধ্যাপক হয়—এসবের মাধ্যমে এগিয়ে চলে। রহস্যটি ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয়, যেখানে হুমকিসূচক ফোনকল, অপহরণ এবং অন্যান্য থ্রিলারের মতন ঘটনা ঘটতে থাকে।
আসল কথা বলতে গেলে, বইটিতে কিছু উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত ছিল, কিন্তু এটা আমাকে পুরোপুরি মুগ্ধ করতে পারেনি। পুঁথির সন্ধান এবং সাংস্কৃতিক পটভূমি ছিল আকর্ষণীয়, কিন্তু উপস্থাপনায় কিছুটা পূর্বানুমানযোগ্য মনে হয়েছে। আমি সাধারণত এমন থ্রিলার পড়তে পছন্দ করি যেগুলোতে গভীর সাংস্কৃতিক সংযোগ থাকে, কিন্তু এই বইটি ঠিক সেভাবে আমার মনঃপূত হয়নি।
তবুও, এটা উপভোগ্য ছিল, বিশেষ করে যদি আপনি ইতিহাস ও রহস্যের মিশ্রণ পছন্দ করেন। এই ধরনের গল্পের ভক্ত হলে এটা পড়া যেতে পারে, তবে খুব বেশি প্রত্যাশা না করাই ভালো।
গল্পের শুরুটা বেশ উত্তেজনার আর কৌতূহলোদ্দীপক। বাংলা ভাষার এক গবেষক এক দুর্লভ পুথির সন্ধান করতে গিয়ে মারা যান। ধারণা করা হয় তাকে খুন করা হয়েছে। তার বন্ধু সোমনাথবাবু এই কাজ চালিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেন শুভময়কে। আমাদের গল্পের নায়ক। বেশ থ্রিলিংভাবেই গল্পটা আগায়। কিন্তু শেষটা কেমন গোঁজামিল লাগলো। তবে প্রাচীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বেশ আলাদা মশলা যোগ করেছে বইয়ে। সবমিলিয়ে তিন তারা।
৩.৫/৫ ওকে-ইস! চলে যায় আরকি। সেরকম সাসপেন্স এর কিছুই নেই। ভেবেছিলাম ইনফো থাকবে অনেক। সেরকমও কিছু নেই। হাল্কা পাতলা সাসপেন্স, প্রেম, ভাল আবহ নিয়ে একটি কমার্শিয়াল গল্প।