সম্ভবত সবচে বেশি পরিচিত লেখা এটা লেখকের। আমার মনে হয় ক্ষুদে পাঠক হিসেবে যতটা উপভোগ করেছিলাম এটা এখন তার চেয়ে বেশিই করেছি এ সময়ে পড়ে। স্কুলের পাশের এক ফুটপাত থেকে কিনেছিকাম এখনও মনে পড়ে। এ কপিটা অবশ্য একজন মেরে দিছে। এটা নতুন কেনা। রাজীব হাফ বাংলা সিনেমার ছাত্রদের মতো। মানে ফার্স্ট-সেকেন্ড হওয়া পাবলিক। দোষের মধ্যে এই যে হাতের লেখাটা তেলাপোকার হাঁটার মতো৷ তবে ক্যাবলা টাইপ নয়, মারামারিতে তার সাথে পাঙ্গা নেয়া ঠিক হবে না মনে হয়। অন্তত আমি নেবো না। টুকু আমারে এক হাটে কিনে দুই হাটে বেচে দিতে পারবে। পিচ্চি হলে কী হবে, ব্যাটা মহা চালু। আরো আছে মাংকি কিং নাজমুল(যার কাছে সিঁড়ি দিয়ে নামার চেয়ে দেয়াল বেয়ে নামা সহজ), তানভীর,সুহৃদ আর ইয়ে মানে হেডস্যার। এদের সকলকে যে বিষয়টা এক করেছে সেটা হলো এরা সবাই ডিএসএফ বা ডেনজারাস স্টুডেন্ট ফোর্সের নথিভুক্ত পাবলিক। হেডস্যার নিজেও যথেষ্ট ত্যাঁদড়, ছাত্রদের কারো কোনো কাজ বা গুণ(!) তার কাছে বিপদজনক মনে হলেই খপ করে তাকে ধরে তার নাম উইথ ঠিকুজিকোষ্ঠী DSFএ নথিভুক্ত করে নেন। কড়া নজরদারিতে তাদের লাইফকে জীবন বানিয়ে ফেলেন। পুরাই মারা খাওয়া সারা। একদিন স্কুল মিস দিললও বাড়িতে খবর চলে যায়।
তো এই ডিএসএফ সদস্যদের একজন পড়ে সাইকো সন্ত্রাসীর খপ্পরে যাকে উদ্ধার করতে ঝাঁপিয়ে পড়ে হেডস্যারের ডেনজারাস স্টুডেন্ট ফোর্স।