এটি জয়ন্ত- মানিককে নিয়ে লেখা গোয়েন্দা কাহিনী এবং এর ঘটনাস্থল স্বদেশ।
জয়ন্ত মানিকের কাছে এক যুবক এসে হাজির হয় তার এক সমস্যা নিয়ে, নাম সুব্রত সরকার। সে জানায় - আগের রাতে তার বাড়িতে চোর আসে, তার সিন্দুক থেকে টাকা পয়সা চুরি না করে, একটি সোনার আনারস নিয়ে যায়। এটি নাকি সে বংশ পরম্পরায় পেয়েছে।এবং তার পূর্বপুরুষরা বলে গেছেন - যদি কোনোদিন অর্থাভাব হয়, তবে এই আনারসেই পাবে অর্থের সন্ধান। যদিও আনারসটি পিতলের গড়া, শুধু আনারসের গায়ে সোনার কলাই করা।এই আনারসের ভিতরে একটি ছড়া লেখা চিরকুট ছিল। আসলে সেটা ছিল গুপ্তধনের সংকেত।এর অর্থ উদ্ধার করে জয়ন্ত এরপর এই গুপ্তধনের উদ্দেশ্যেই তাদের এক নতুন অভিযান শুরু হয়।
এই অভিযানে জয়েন্ত মানিকের সঙ্গী ইসপেক্টর সুন্দর বাবু। গুপ্তধনের সন্ধানে তারা গিয়ে পৌঁছায় সুব্রতবাবুর পৈতৃক বাড়ি কোদালপুর গ্রামে।এরপর শত্রু তাদের ওপর নজর রাখতে থাকে, জয়ন্ত মানিক যাকে শত্রু মনে করে সন্দেহ করে সেই প্রতাপ চৌধুরীর বাড়ি হানা দিতে গিয়ে শত্রুর কবলে পড়ে যায়,সুন্দর বাবু তাদের সেই বিপদ থেকে উদ্ধার করেন। পরে সেই প্রতাপ চৌধুরীর ফাঁকা বাড়িতে চৌকিদার পাহারায় বসানো হয় কিন্তু পরদিন তাকে মৃতপ্রায় অবস্থায় পাওয়া যায়,এবং সে 'ডোল ডোল' উচ্চারণ করেই দেহত্যাগ করে। পরে জয়ন্ত সেখানে গিয়ে জলের ডোলএর নিচে একটি গুপ্তপথ আবিষ্কার করে। পরে দেখা গেলো সেটি বাড়ির বাইরে যাওয়ার গুপ্তপথ। জয়ন্ত এটাও বুঝতে পারে এই খুনের মামলায় জড়িত প্রতাপ চৌধুরীর সাথে ঘনিষ্ঠ ভাবে জড়িয়ে আছে সোনার আনারসের রহস্য।
এরপর ধীরে ধীরে একটা একটা করে সোনার আনারসের ধাঁধার অর্থ বের করে, এবং গুপ্তধনের সন্ধানে বের হয়। অতঃপর নানা বাধাবিপত্তি পেরিয়ে গুপ্তধন উদ্ধার করে জয়ন্ত।