Jump to ratings and reviews
Rate this book

Dracula Lives #1

Dracula Unborn

Rate this book
STICKER DAMAGE ON COVER. WEAR ON EDGES OF COVERS. BOOKSTORE STAMP INSIDE FRONT COVER. NO WRITING OR MARKS ON PAGES.

222 pages, Hardcover

First published June 1, 1977

1 person is currently reading
140 people want to read

About the author

Peter Tremayne

206 books473 followers
Peter Berresford Ellis (born 10 March 1943) is a historian, literary biographer, and novelist who has published over 90 books to date either under his own name or his pseudonyms Peter Tremayne and Peter MacAlan. He has also published 95 short stories. His non-fiction books, articles and academic papers have made him acknowledged as an authority on Celtic history and culture. As Peter Tremayne, he is the author of the international bestselling Sister Fidelma mystery series. His work has appeared in 25 languages.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
17 (13%)
4 stars
47 (38%)
3 stars
45 (36%)
2 stars
11 (8%)
1 star
3 (2%)
Displaying 1 - 9 of 9 reviews
Profile Image for MD Mostafijur Rahaman.
135 reviews27 followers
April 22, 2025
"রক্তবীজ"(Darucula unborn) : ড্রাকুলার রক্তের উত্তরাধিকার ও অন্ধকারের রাজ্যে এক মর্মস্পর্শী যাত্রা,মূল চরিত্র কুখ্যাত কাউন্ট ড্রাকুলার কনিষ্ঠ পুত্র স্বয়ং মিচেলিনোর(মার্সিয়া) জবানীতে বর্ণিত হয়েছে এর কাহিনি।

রোমের পালাজো থেকে বিতাড়িত মিচেলিনো তার বৈমাত্রেয় ভাই ভ্লাড টেপিস ও মিহাইল দ্য ব্যাড-এর আমন্ত্রণে ক্যাসল ড্রাকুলা-তে ফেরে। কিন্তু সেখানে পৌঁছেই সে আবিষ্কার করে, ক্যাসলটি শুধু একটি প্রাচীন দুর্গ নয়—এটি একটি জীবন্ত অভিশাপ। দিনে নিস্তব্ধ, রাতে সক্রিয় এই দুর্গের ভৃত্যদের আচরণ, ভ্লাড ও মিহাইলের রহস্যময় আচরণ, এবং স্থানীয়দের "আন-ডেড" সম্পর্কে আতঙ্ক মিচেলিনোকে তার নিজস্ব রক্তের উত্তরাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলতে বাধ্য করে।

বইটা ব্রাম স্টোকারের ড্রাকুলা থেকে আলাদা, এখানে ড্রাকুলা পরিবারের বংশলতিকা, ইতিহাস ও অন্তর্দ্বন্দ্ব নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে
Profile Image for Mike.
718 reviews
December 14, 2019
A prequel to Dracula narrated by Mircea, Dracula's youngest son, who has grown up exiled in Italy. After his father's (supposed) death, Mircea's half brothers invite him to return and take his rightful place as a prince of Wallachia. Unfortunately, the first part of the book is very slow moving, with excessively long and dull sections of exposition on the folklore and history of the house of Dracul, Vlad the Impaler and their various battles, crimes and horrors. There's not really that much horror or psychological tension until the very last section of the book when Dracula's plot is (finally) revealed. It's a shame, because Tremayne does a good job with the spooky bits, but it takes too long to get there.
Profile Image for Eva Mojumder.
73 reviews1 follower
September 17, 2023
আনডেড— জীবিতও নয়, মৃ তও নয়। বরং জীবন্মৃ*ত! এরকম অবস্থা কি সত্যিই হয়? যেকোনো সুস্থ, বিবেক বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ এ কথাটিকে হেসেই উড়িয়ে দিবে। কিন্তু কুসংস্কার বলেও তো কিছু আছে নাকি! আর পৃথিবীতে কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষেরও তো অভাব নেই! যারা এ বিষয়গুলোকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করে আর ভয়ও করে! কিন্তু সকল কুসংস্কারকেই কি হেসে তুড়ি মে রে উড়িয়ে দেয়া ঠিক? পৃথিবীতে সবই কি যুক্তি তর্ক মেনে চলে? যুক্তি তর্কের উর্ধ্বে কি কিছুই নেই?

ঘটনার শুরু বহু বছর পূর্বে। এক নিষ্ঠুর, কঠোর, অত্যাচারী শাসক ছিল। নাম তার ড্রাকুলা। যিনি সাধারণ প্রজাদের উপর অমানবিক নির্যাতনের পাশাপাশি শয়তানের উপাসকও ছিলেন। জানা যায়, তার তিনজন স্ত্রীর পাশাপাশি আরো অনেক প্রণয়িনীও ছিল। ড্রাকুলার অত্যাচার, তার অমানবিকতা মেনে নিতে না পেরে তার দ্বিতীয় স্ত্রী তাদের ছেলে মির্সাইলকে নিয়ে প্রাসাদ থেকে পালিয়ে যান। সেখানে ছেলের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ব্যারন মিচেলিনো।

এ প্রায় দেড় যুগ আগেকার কথা। হঠাৎই ক্যাসল ড্রাকুলা থেকে মিচেলিনোর কাছে চিঠি আসে। তার সৎ ভাই ভ্লাদ এবং মিহাইলের। তাকে প্রাসাদে ফিরে যাওয়ার আহ্বান করা হয়েছে। মিচেলিনো দ্বন্দ্বে পড়ে যায়। এতো বছর পরে কি সেই পুরনো অভিশপ্ত জায়গায় ফিরে যাওয়া উচিত হবে তার? অনেক ভেবে সিদ্ধান্ত নিলো সে, যাবে! ছুটলো তার নিজের গন্তব্যে, সাথে নিয়ে চলল একরাশ অনিশ্চয়তা।

যাত্রাপথেও মিচেলিনো অনেকবার বাঁধার সম্মুখীন হয়। ওয়ালাচিয়ার কুসংস্কারে ভরপুর এক জায়গা। যাত্রার শুরু থেকেই তারা মিচেলিনোকে দমানোর চেষ্টা করছিল। বুকে ক্রুশ একে, ইঙ্গিত দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছে এ জায়গাটা তারজন্য শুভ নয়। কিন্তু মিচেলিনো পিছপা হয়নি। উপস্থিত হয়েছে ড্রাকুলার ক্যাসলে। কিন্তু সেখানের সবকিছুই যেন অদ্ভুত। সকলের ফ্যাকাশে মুখ, অদ্ভুত চলনবলন, চোখের দৃষ্টিতে তীক্ষ্ণতা ছাড়াও তাদের কথাবার্তায়ও ছিল অশুভ ইশারা।

সময় নিজের গতিতে যেতে লাগলো। মিচেলিনোও ধীরে ধীরে বুঝতে পারলো এই ক্যাসলে রহস্যের অন্ত নেই। কিছু একটা আছে যা সকল যুক্তি তর্কের উর্ধ্বে। সে সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য মনস্থির করে। বহু বাঁধা-বিপত্তির মুখোমুখি হয়ে সফলও হয়। দেখা হয় এক নতুন আগন্তুকের সাথে। প্রথম সাক্ষাৎেই সে বুঝে যায় এ লোককে ভরসা করা যায়। শুরু হয় দুই বন্ধুর অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই। এসময় মিচেলিনোর জীবনে আসে নতুন কেউ। সেও ড্রাকুলার একজন শিকারে পরিণত হয়ে যেতে পারে যে কোনো সময়। মিচেলিনোর মাথায় খু ন চাপে। সে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়, এর শেষ দেখেই ছাড়বে।

দুই বন্ধু কি তাদের অভিযানে সফল হবে? বেঁচে ফিরতে পারবে নিজ শহরে? নাকি তারাও পরিণত হবে ড্রাকুলার সামান্য এক ক্রীতদাসে? কি হয় এর শেষ পরিণতি? এ রহস্যের শেষ কোথায়?

বইটি পড়ে শেষ করলাম কিছুক্ষণ পূর্বে। উপভোগ করার মতোই। কিন্তু 'ড্রাকুলা' বা 'রিটার্ন অব ড্রাকুলা' এ দুটোর মতো পুরোপুরি উপভোগ করতে পারিনি। কোথাও একটা 'কিন্তু' থেকে যাচ্ছিল। সবটা কেমন কাকতালীয় লাগছিল। শক্তিশালী ড্রাকুলার বিরুদ্ধে এক অসহায় যুবকের অপ্রতিরোধ্য যে রূপটা দেখানো হয়েছে, সেটা মেনে নেওয়া গেলেও এ যু দ্ধের ফলাফল বড় আনাড়ি হয়ে গেছে। এছাড়াও মিচেলিনোর নিজের শহরটা ছাড়ার যে কারণটা দেখানো হয়েছে, সেটা অমীমাংসিতই রয়ে গেলো। একজনকে ভালোবাসলো, তার স্বামীর হাতে মৃ ত্যু ভয়ে শহর ছেড়ে পালালো। নতুন করে আবার একজনকে ভালোবেসে তার সাথে সংসার পাতলো। তাহলে যখন সে নিজ শহরে ফিরে গেছিল তখন কেন কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি? এ ব্যাপারটা মীমাংসা করা উচিত ছিল।

তবে এ বইটা পড়ে মনে হয়েছে লেখক বইটিকে ড্রাকুলার প্রথম পার্ট হিসেবে রচনা করেছেন। ড্রাকুলার প্রিক্যুয়েল। এর দুটো কারণ আছে। প্রথম কারণ হলো এই বইটি ড্রাকুলার ছেলেদের সময়কার। তার কনিষ্ঠ পুত্রের জবানিতে লিখা। দ্বিতীয় কারণ হলো বইটির শেষ লাইনে তিনি ট্রানসিলভ্যানিয়ায় জোনাথন হারকারের প্রবেশ নিয়েও ইঙ্গিত দিয়েছেন। যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন মিচেলিনোর ড্রাকুলাকে ধ্বংস করা প্রায় চারশো বছর পর পর্যন্ত সে সগৌরবে নিজেকে জাহির করে গেছেন। যতদিন না ট্রানসিলভ্যানিয়ায় জোনাথন হারকারের পা পড়ে!

তবে ড্রাকুলা বইটাতে কাউন্ট ড্রাকুলা চরিত্রটিকে লেখক যেভাবে পাঠকদের সামনে তুলে ধরেছেন, এ বইটাতে যেন চরিত্রটি অনেকটাই তার মান হারিয়েছে। ঠিক মন মতো পাইনি চরিত্রটিকে।

বই- র ক্তবীজ
লেখক- পিটার ট্রিমেন
অনুবাদ- খসরু চৌধুরী
প্রকাশনী- সেবা
পৃষ্ঠা সংখ্যা- ৮১
মূল্য- ৫৩ টাকা
Profile Image for Amit.
773 reviews3 followers
January 1, 2024
পিটার ট্রিমেনের লেখা রকবীজ বইটির রুপান্তর করেছেন খসরু চৌধুরী। খুব বেশি বড় গল্প না তবে অবশ্যই অন্যবদ্য। ড্রাকুলা নিয়ে লেখা। কিংবদন্তী ড্রাকুলা চরিত্র কাউন্ট ড্রাকুলা। তার ৩ নম্বর ছেলে মিচেলিনোর মুখে এই বইটির গল্প বলা হয়। বেশ উপভোগ্য একটা বই। যদিও আমার কাছে ভ্যাম্পায়ারের গল্প বেশি ভালো লাগে না বা বলা যায় আমাকে খুব একটা টানে না; তবে এটা ভালো ছিলো মানতেই হবে। এর পরবর্তী বই রিভেঞ্জ অব ড্রাকুলা। দেখা যাক আমার ঐ বইটি পড়া হয় কিনা।।
Profile Image for Ananna Anjum .
191 reviews11 followers
June 29, 2021
কাউন্ট ড্রাকুলার তৃতীয় পুত্র মিচলিনো শোনাচ্ছে এক আশ্চর্য পিশাচ কাহিনি।
সত্যিই গা ছমছমে এক অনবদ্য উপন্যাস ।
17 reviews
July 16, 2024
Pretty weak story and pretty boring writing but the paperback front and back cover that is a take on a bodice ripper earns it 2 stars
Profile Image for আহসানুল শোভন.
Author 39 books91 followers
March 27, 2018
ড্রাকুলা পুত্র মার্সিয়া, মিচেলিনো নাম ধারণ করে বসবাস করে রোমে। এখানে সে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে গিলিয়ানো নামের একজন লোকের স্ত্রীর সাথে। ধরাও পড়ে যায় খুব দ্রুতই। কোনোমতে জান বাঁচিয়ে ফিরে আসে নিজের ডেরায়। ডেরায় ফিরে জানতে পারে, তার অন্য দুই ভাই তাকে ট্রান্সিলভেনিয়া দূর্গে ফিরে এসে সম্পত্তির ভাগ নেবার জন্য আহ্বান জানিয়ে চিঠি লিখেছে। মার্সিয়া যখন অনেক ছোট, তখন তার মা (ড্রাকুলার দ্বিতীয় স্ত্রী) তাকে নিয়ে পালিয়ে আসে ট্রান্সিলভেনিয়া দূর্গ থেকে। এরপর মার্সিয়ার সাথে তার বাবার পরিবারের কারো সাথে কোনো যোগাযোগ হয়নি। সে তার অন্য দুই ভাই ভলাড আর মিহাইলের মত নয়। ভলাদ আর মিহাইল ড্রাকুলার প্রথম স্ত্রীর সন্তান। তারপরও মার্সিয়ার শরীরে বইছে ড্রাকুলার অভিজাত রক্ত।

গিলিয়ানোর তাড়া খেয়ে প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে শেষমেশ মার্সিয়া নিজের পিতৃভূমিতে ফিরে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। তার যাত্রাপথে ঘটতে শুরু করে নানারকম অদ্ভুত সব কাণ্ড, যার কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা মার্সিয়া খুঁজে পায় না। সে ট্রান্সিলভেনিয়া প্রাসাদের যত নিকটবর্তী হতে থাকে, ততই অদ্ভুত ঘটনার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। আশেপাশের গাঁয়ের লোকেরা তাদের দরজা আর জানালায় রসুনের মালা ঝুলিয়ে রাখে। রাত নামলে বাইরে শোনা যায় নেকড়ের ভয়ঙ্কর ডাক আর বাদুরের ডানা ঝাপটানোর আওয়াজ। অতঃপর প্রাসাদ থেকে ট্রিগসর নামের একজন ভৃত্যকে পাঠানো হয় মার্সিয়াকে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে প্রাসাদে নিয়ে যাবার জন্য। মার্সিয়া তখনও জানে না, তার সৎ দুই ভাই কেন তাকে ডেকে পাঠিয়েছে বা অচিরেই কী ঘটতে চলেছে। শেষ পর্যন্ত মার্সিয়া কি পারে প্রাসাদ থেকে প্রাণ নিয়ে ফিরে আসতে? নাকি তার পূর্বপুরুষদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে পরিণত হয় আন-ডেড ভ্যাম্পায়ারে।

যেহেতু সেবার বই, তাই ঝরঝরে অনুবাদের কথাটা উল্লেখ না করলেও চলে। খসরু চৌধুরীর অনুবাদ বরাবরের মতই ভালো। তবে বইটা থেকে যতটা আশা করেছিলাম, ততটা ভয়ের কিছু পাইনি। হতে পারে ভয় পাবার অনুভূতিটা হয়তো আমার কমে গেছে। অন্য কারো আরও বেশীও লাগতে পারে। ওভারঅল, ভালো একটা বই। তবে ব্রাম স্ট্রোকারের ড্রাকুলা লেভেলের নয়।
Profile Image for Md. Faysal Alam Riyad.
317 reviews26 followers
September 19, 2017
ক্যাসেল ড্রাকুলার ইতিহাসটা ভালো না। আশেপাশের মানুষ ভয় পায় ড্রাকুলাদের। ভ্ললাড তেসস কে ঘৃণা করে সবাই। এবার পিতা ভ্ললাড তেসস ও ভাইদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে তারই ছেলে মার্সিয়া। রক্ত পান করে এই ড্রাকুলারা। এমনই এক পিচাশ কাহিনী নিয়ে এ গল্প।
Displaying 1 - 9 of 9 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.