Set in Calcutta in the early nineteenth century, the play Chirakumar Sabha (The Bachelors' Club), originally written by Rabindranath Tagore (1861-1941), is neatly aimed at matrimony and against celibacy. Calcutta was the capital of British India then. Members of Chirakumar Sabha have vowed to remain unmarried throughout life. The Club is headed by Chandrababu, a professor, who lives with his niece, Nirmala, and at whose house the meetings of Chirakumar Sabha are held. The coup de grace comes when the sole survivor, Purna, falls for Chandrababu's niece. A hilarious account of a group of bachelors eventually getting married in due course, this translation from the Bengali original by Sukhendu Ray captures the spirit of the original play while retaining its readability.
Awarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."
Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.
আজ বাইশে শ্রাবণ। দুঃখের দিন। রবীন্দ্ররচনাবলী ঢুঁড়ে বিমর্ষ টাইপের কিছু পড়ার দরকার ছিলো। কিছু না হোক, রবীন্দ্রবিরচিত গুটিকয় "স্যাড সং" শুনলেও চলতো। আমি বরং উল্টো কাজটাই করলাম। রবিবার দুপুরে ফ্রায়েড রাইস আর চিলি চিকেন ভক্ষণ করার পরে, কিছুতেই মনে দুঃখের আমদানি করতে পারলাম না (ভোজনরসিক হওয়ার উপকারিতা #১৭)। তাই দুঃখের ঘাড়ে রদ্দা মেরে "চিরকুমার সভা" পড়লাম।
চিরকুমার সভাকে নাটক না-বলে প্রহসন বলাই ঠিক হবে (প্রহসন যদিও নাটকেরই একটা সাব-জন্রা)। প্রহসনের মূল উপাদান হলো ছ্যাবলামি এবং অতিরঞ্জন। রবীন্দ্রনাথের দাড়িগোঁফের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ফিচেল হাসিটাকে চট্ করে আন্দাজ করা যায় না। তাঁর কবিতা গান গল্প উপন্যাস নাটক প্রবন্ধের বেশিরভাগই সিরিয়াস গোছের। তবু মাঝে মাঝে গুম্ফ-আচ্ছাদিত সেই ফিচেল হাসিটা আলগোছে টের পাওয়া যায়। চিরকুমার সভাতে তিনি, যাকে বলে, হাত খুলে ব্যাটিং করেছেন।
নাটকটা পাঠ করে বেশ নির্মল আনন্দ লাভ করেছি। পাশাপাশি এটা ভেবে আফসোস হয়েছে যে, এর অভিনয়রূপ দেখতে পেলে আরো উপভোগ্য হতো। নাটকের কাহিনিসূত্রটা একেবারেই জটিল নয়। ছেলেমানুষি কাজকর্মে ভরপুর। কিন্তু সংলাপের সরস চাতুর্যে, ঘটনার অভিনবত্বে, ফাঁকে-ফাঁকে টুকরো-টুকরো কাব্যের সংযোজনে, নাটকটার অভিনয় একটা জমজমাট ব্যাপার হবে। বিষয়বস্তুর দিক দিয়ে এর মধ্যে গাম্ভীর্য একেবারেই নেই। কাহিনির পরিণতির দিক দিয়েও মধুরেণ সমাপয়েৎ ঘটেছে। এরকমই কিছু একটা পড়তে চাইছিলাম আজকে। এবারের বাইশে শ্রাবণের দিন সিরিয়াস কিছু পড়লাম না বলে আশা করি কিছু মনে করেননি ঠাকুরমশাই।
(নিজের মৃত্যুদিবস উপলক্ষ্যে জনসাধারণের ন্যাকামি এবং আদিখ্যেতা দেখে তিতিবিরক্ত হয়ে শান্তিনিকেতন ছেড়ে চলে যাচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ)
"এই সভার সকলেই চিরকুমার থাকিবে। এ সভায় কেহ বিয়ে করিবে না।" – (চিরকুমার সভা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
"আমাদের জীবন স্রোতস্বিনী নদী, তার চৌহদ্দি বাঁধা যায় না।" – শঙ্খ ঘোষ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটক "চিরকুমার সভা" বাংলা সাহিত্যের এক ব্যতিক্রমধর্মী সৃষ্টি। নাটকটি রচিত হয় ১৯১১ সালে, এক প্রকার ব্যঙ্গাত্মক অথচ গভীর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের দ্বৈত নীতি ও রোমান্টিক সম্পর্কের জটিলতাকে ফুটিয়ে তুলেছে। নাটকটি মূলত একদল ব্রাহ্মচর্যের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যুবকের আশ্চর্যজনক সিদ্ধান্ত ও তাদের পরিণতির গল্প বলে।
"কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কেটে গেল।" – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
নাটকের মূল কাঠামো গঠিত হয়েছে ‘চিরকুমার সভা’ নামক একটি সংগঠনের চারপাশে, যেখানে সদস্যরা সিদ্ধান্ত নেয়, তারা আজীবন অবিবাহিত থাকবে। কিন্তু বাস্তবতার মুখোমুখি হলে দেখা যায়, এই প্রতিজ্ঞা স্থায়ী হয় না। এটি মানুষের স্বভাব, আবেগ ও প্রেমের অবশ্যম্ভাবী পরিণতির এক সূক্ষ্ম চিত্রায়ন।
"যে প্রেম স্বপ্নের মতো আলো-আঁধারিতে থাকে, তাকে কি জাগরণে ধরা যায়?" – জীবনানন্দ দাশ
রবীন্দ্রনাথ তার স্বভাবসুলভ রসবোধ ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে দেখিয়েছেন, কিভাবে সমাজের কঠোর নিয়ম ও কৃত্রিম বন্ধন প্রকৃতির স্বাভাবিক প্রবাহকে আটকে রাখতে পারে না। নাটকের চরিত্ররা প্রত্যেকেই বাস্তব জীবনের প্রতিফলন—বিশেষ করে প্রেম ও সম্পর্কের বিষয়ে মানুষের মনস্তত্ত্ব কীভাবে কাজ করে, তা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।
"এই খেলাই সবচেয়ে কঠিন, যেখানে নিজেকেই হার মানতে হয়।" – হুমায়ূন আহমেদ
চরিত্রগুলোর মধ্যে সর্বাধিক আকর্ষণীয় হলো নবীন ও নীরদ। তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতিজ্ঞার ফাঁদে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত ভালোবাসার কাছে পরাজিত হয়। নাটকটি শেষ পর্যন্ত প্রেম ও জীবনের অপরিহার্য সত্যের দিকেই ইঙ্গিত করে—আদতে কোনো নিয়ম বা শপথ ভালোবাসাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
"আমরা কেউই আসলে চিরকুমার নই, আমরা সকলেই কারো না কারো অপেক্ষায় থাকি।" – জয় গোস্বামী
"চিরকুমার সভা" শুধুমাত্র একটি হাস্যরসাত্মক নাটক নয়; এটি সমাজ ও মানব সম্পর্কের গভীরতর একটি বিশ্লেষণ। রবীন্দ্রনাথ এই নাটকের মাধ্যমে প্রেমের স্বাভাবিকতাকে যেমন উদযাপন করেছেন, তেমনি সমাজের রক্ষণশীলতার প্রতি একটি সূক্ষ্ম বিদ্রূপও রেখেছেন।
সর্বশেষে বলা যায়, "চিরকুমার সভা" একদিকে যেমন হাস্যরসের এক অনন্য উপস্থাপনা, তেমনই এটি আমাদের প্রেম, বন্ধন, এবং মানুষের প্রকৃত প্রবৃত্তির গভীর উপলব্ধির দিকে ঠেলে দেয়।
রবীন্দ্রনাথের লেখনী এখানে এক অপূর্ব সৌন্দর্য ও প্রজ্ঞার সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে, যা বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে।
মূলত এই নাটিকাটি পঠনে প্রলুব্ধ করবার পেছনের মানুষটি হচ্ছে অরূপদাদা। সে ভদ্রলোক একখানা খাসা রিভিউ লিখেছেন দেখেই তো আমরা ফ্যান ফলোয়ারের দল সকল ফেলে সাত তাড়াতাড়ি বইখানা পড়ে ফেললুম!
না, আমি যা করেছি, তাকে পড়া বলে না, অডিও নাটিকা শুনে ফেলেছি। এবং উপলব্ধি করতে পারলুম যে সাধু এবং চলিত ভাষার ঠিক মাঝামাঝি যে ভাষাখানি ঠাকুরসাহেব এখানে ব্যাভার করেছেন, তার অত্যন্ত হাস্যগুণ আছে।অরূপদাদা স্বভাবজাত সাহিত্যিক কলমে যাকে বলেছেন ফিচেল হাসি। সে ভাষার এমনি গুণ যে সে হতচ্ছাড়া ক্রমাগতই সুড়সুড়ি দিতে থাকে আর পেটের মধ্যে হাসি গুড়গুড় করতে থাকে। উপাদেয় জিনিস।
কাহিনী অতি সামান্য, কিন্তু এর মাঝে খুঁচখঁাচ যে লাফিং গ্যাস ঠেসেঠুসে ভরে দিয়েছেন বিশ্বকবি, তা দিয়ে যে বেলুনখানি হয়েছে, আমাদের মত বুড়োখোকাদের কাছে তা অতি পছন্দের হবে। অতঃপর মধুরেণ সমাপয়েৎ বলে নাটকটি শেষ হয়েছে।
ইচ্ছে করছিল কিছু গান বা কিছু ডায়লোগ তুলে দেই। নেহাত আমার রসবোধ ওইরকম চড়াসুরে এখনো যেতে পারেনি বলে অনধিকারচর্চা করলাম না!
বাইশে শ্রাবণ উপলক্ষে আমার একান্ত কবিগুরুকে প্রণতি জানিয়ে শেষ করছি।
A hilarious play written by Rabindranath Tagore. I've always read Tagore's stories that have a serious vibe around them and focus on society's problems. But this one was different.It's a play about how A man,who was once a member of 'Cirokumar Sova' (a committee of males who took oath to never marry in life) tries to persuade the remaining last two members to marry his two sister-in-laws and how they try to get away from his scheme.
'চিরকুমার সভা' হাসরস্যময় ভালবাসাধর্মী নাটক। ভালবাসা আর দেশের চিন্তা নিয়ে বিভোর থাকা কিছু মানুষের মধ্যে দিয়ে পুরো ভারতবর্ষকে তুলে ধরেছেন। নারীদের বাদ দিয়ে সমাজ যে তাদের উন্নতির পথ রুদ্ধ করছে তাও উঠে এসেছে। সমাজের একটা অংশকে অন্ধকারে রেখে কোন সমাজ যে উন্নতির শিখড়ে পৌঁছাতে পারে না, নির্মলার আত্মপ্রকাশ দিয়ে তিনি সমাজকে দেখিয়েছেন।
দেশসেবার ব্রত গ্রহণ করে নিবৃত্তে বসে থেকে দেশ ���েবা যে হবে না। নারী পাশে থাকলে যে একটি পুরুষ লক্ষ্যভ্রষ্ট হবে এই কথা যে কতটা ভিত্তিহীন তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন। এর প্রতিটি সংলাপ যেন কটাক্ষ করে পুরো ভারতবর্ষের দৈন্যতাকে। সকলে মিলে যে একটা দেশের উন্নতি সাধিত করতে পারবে তা তিনি বলেছেন চন্দ্রবাবুর চরিত্রের আবহে।
'চিরকুমার সভা' এক প্রাণোচ্ছল ভাষা আর হাস্যরস সংলাপে মোড়ানো সুন্দর বই। কিছু ছেলে যারা দেশসেবা করার জন্য চিরকুমার থাকবে বলে প্রতিজ্ঞা করে। চন্দ্রবাবু, শ্রীশ, বিপিন, অক্ষয়, শৈশবালা, পূর্ণ, নির্মলা আর রসিকের বাস্তবধর্মী কথায় ভারত বর্ষের চিত্র তিনি তুলে ধরেছেন। বৃহত্তর স্বার্থে তাদের কুমারব্রত পালন করা, সমাজ সচেতনতার এক প্রতীক। ভারতবর্ষের নানাবিধ সমস্যা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন। গো যানের উন্নতি সাধনের জন্য চন্দ্রবাবু তার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
যখন তাদের সভাসদ, বিপিন, শ্রীশ, পূর্ণ প্রেমে পড়ে যায় তাদের মাঝে তখন আলাদা সাহসের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। দেশ সেবা নারী ব্যতীত হবে না তা তারা উপলব্ধি করে।
সৌন্দর্যের ভরপুর রোদময় জোছনা গানের সুসলিত বই 'চিরকুমার সভা'। গান গুলো এতটা বাস্তব যাতে চিরন্তন সমাজ বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। আছে প্রেমের আহবান।
রবি ঠাকুরের প্রহসন লেখার হাত খুব বেশি ভালো না বলতে হয়। নাটিকা হিসেবেও খুব বেশি সুখপাঠ্য না। তবুও শেষ করলাম।
বিধবা শৈলবালা তার রসিকদাদা আর জামাইবাবু অক্ষয় মুখার্জির সাথে পরিকল্পনা করে পুরুষ বেশে চিরকুমার সংঘের সভ্য হয়। উদ্যেশ্য - ছোট বোনের জন্য সুপাত্র সন্ধান। সন্ধান সফল হয় বৈ কি! তবে কিভাবে তা জানতে বইটা পড়ে ফেলতে হবে।