অ্যাংলো-ইণ্ডিয়া স্টিল্স লিমিটেড-এ এঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেয় অমিতাভ। ব্রিটিশ আমলের প্রতিষ্ঠান। পুরনো সাহেবি ঠাটবাটও আছে, ট্রেড ইউনিয়নের মানছি-না-মানব-নাও আছে। বেতন অনিয়মিত হয়ে গেল অমিতাভর। ক’ বছর পরেই কোম্পানি লাটে। ‘মিস্টার অমিতাভ’ উপন্যাসে বন্ধ কারখানার বিষাদময় ছবি।
চমৎকার বই, সরেস লেখনী। নানান বিবরণ আর রূপকের সাহায্যে বহু অফিসের মোদ্দা কথাটাই বলে গেল। নিজেও চাকরির পাকচক্রে আছি বলেই জানি ম্যানেজমেন্ট, ম্যানেজার, কিংবা মিটিং নিয়ে দেওয়া ফাণ্ডাগুলো একবিন্দুও মিথ্যা নয়। বেকারত্ব বিষয়ে লেখকের অর্ন্তদৃষ্টিও খাঁটি বাস্তব।
একটু দুঃখের সুর জিইয়ে রেখে বইটা শেষ হয়েছে। এ অবশ্য নৈমিত্তিক বাস্তবতা, চাকুরে জীবনে প্রকৃত তৃপ্তির সন্ধান বোধকরি কেউ জানে না।